ইনানী মেরিন ড্রাইভের পশ্চিমে গড়ে উঠা ২ শতাধিক অবৈধ বসতি গুড়িয়ে দিয়েছে প্রশাসন

Pic Ukhiya 30-04-2017 copy

উখিয়া প্রতিনিধি:

মেরিন ড্রাইভ সড়কের পশ্চিম পার্শ্বে ইনানী সমুদ্র সৈকতের উপকূলে গড়ে উঠা অবৈধ বস্তিতে উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে প্রায় ২ শতাধিক স্থাপনা গুড়িয়ে দিয়েছে।

রবিবার সকালে উখিয়া উপজেলা প্রশাসন, বনবিভাগ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয়ে ট্রাস্কফোর্স কমিটির সদস্যরা এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন।

সরজমিন পরিদর্শনে দেখা যায়, কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের দু’পার্শ্বে শত শত অবৈধ বসতি গড়ে উঠে। বিশেষ করে সোনার পাড়া, উত্তর সোনার পাড়া, চর পাড়া, ডেইল পাড়া, নিদানিয়া, ইনানী, মো. শফির বিল, চোয়াংখালী সহ অসংখ্য স্থানে সরকারি জায়গা জবর দখল করে ঘর বাড়ি তৈরি করে। দীর্ঘদিন ধরে মেরিন ড্রাইভ সড়কের পার্শ্বে গড়ে উঠা অবৈধ বস্তির কারণে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকতের সৌন্দর্য্য হারাতে বসেছিল। এমনকি দেশি-বিদেশি পর্যটকরা ইনানী ভ্রমন করতে এসে ঝাউ বিথীতে এসব ঝুঁপড়ি ঘর দেখে চরম ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করে।

এদিকে রবিবার উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাঈন উদ্দিনের নেতৃত্বে উচ্ছেদ অভিযান শুরু করা হয়। সোনার পাড়া ডেইল পাড়া, নিদানিয়া, ইনানীসহ বেশ কয়েকটি এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে অবৈধ ভাবে গড়ে উঠা প্রায় ২ শতাধিক ঝুঁপড়ি ঘর গুড়িয়ে দিয়েছে। উচ্ছেদ অভিযানের সময় উপস্থিত ছিলেন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুর উদ্দিন মোহাম্মদ শিবলী, র‌্যাব, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও বনবিভাগের সদস্যগণ।

বনবিভাগ সূত্রে জানা যায়, সকাল ১১ টা থেকে শুরু হওয়া উচ্ছেদ অভিযান বিকাল ৪টা পর্যন্ত পরিচালনা করা হয়। বিশেষ করে মেরিন ড্রাইভ সড়কের পশ্চিম পার্শ্বে সরকারী জায়গার উপর অবৈধ ভাবে গড়ে উঠা অবৈধ স্থাপনায় এ উচ্ছেদ অভিযান চলে।




অসহায় নারীর আত্মনাদ প্রশাসনের কানে কি পৌঁছবে

Pic Ukhiya 26-04-2017 copy

উখিয়া প্রতিনিধি:

নুর নাহার বেগম (৪৫) এক অসহায় নারীর নাম। স্বামী রফিক আহমদ মারা যান কয়েক বছর পূর্বে। ৪ ছেলে-মেয়ে নিয়ে বিধবা এ নারী কষ্টের সংসার চালিয়ে আসলেও বাঁধ সেজেসে আশ্রয়স্থলের এক খণ্ড বসত ভিটা নিয়ে। স্থানীয় প্রভাবশালী মহল দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে অবলানারীর জায়গাটুকু কেড়ে নিতে বার বার জবরদখলের অপচেষ্টা চালিয়ে আসছে। এর থেকে পরিত্রাণ ও আইনগত সহযোগিতা চেয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে লিখিত আবেদনও করেছেন তিনি।

জানা যায়, উখিয়া উপজেলার হলদিয়াপালং ইউনিয়নের রুমখাঁ বাজার গ্রামের নুর নাহার বেগমের স্বামী রফিক আহমদ মারা যান প্রায় ৫ বছর পূর্বে। মৃত্যুর আগেও তার স্বামীর সাথে বসত ভিটা নিয়ে পার্শ্ববর্তী প্রভাবশালী লোকদের সাথে প্রতিনিয়ত ঝগড়া বিবাদ চলে আসছিল। স্বামী মারা যাওয়ার পর বিধবা নারী নুর নাহারকে তার বসত ভিটা থেকে কয়েকবার উচ্ছেদের পাঁয়তারা চালিয়েও ব্যর্থ হয় ভূমিদস্যুরা।

তবে এতে উপজেলা প্রশাসক ও উখিয়া থানার পুলিশ অসহায় এ নারীর পক্ষে আইনী সহায়তা দেওয়ায় অন্তত ভূমিগ্রাসী চক্র থেকে রক্ষা পায় এ পরিবারটি।

বিধবা নুর নাহার বেগম সাংবাদিকদের জানান, আমাদের আর কোন পৈত্রিক জায়গা নাই। একমাত্র বসতভিটাটি হচ্ছে আশ্রয়স্থল। আমার নামে উখিয়া ভূমি অফিসে বিএস সৃজিত খতিয়ান লিপিবদ্ধ হয়। যার নং- ২০২০। রুমখাঁ বাজাররের পাশে হওয়ায় স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের কু-দৃষ্টি পড়ে ওই জায়গা।

তিনি আরও বলেন, স্বামী মারা যাওয়ার পর অনাহারে অর্ধহারে ৪ ছেলে-মেয়ে নিয়ে অনেক কষ্টের মধ্যে জীবনযাপন করলেও ভূমিগ্রাসীদের অব্যাহত হুমকির মূখে বসবাস করতে হচ্ছে। বাড়ি সংস্কার ও  বেড়া দিতে চাইলে লাঠিয়াল বাহিনীর বাঁধা দিচ্ছে। ৬/৭ বছর ধরে উপজেলা প্রশাসন ও উখিয়া থানায় ভূমিগ্রাসীর কবল থেকে পরিত্রাণ পেতে লিখিত অভিযোগ দায়েরসহ জনপ্রতিনিধিদের দ্বারে দ্বারে যেতে গিয়ে হয়রানীর স্বীকার হয়েছি।

তাই তিনি প্রশাসনের কাছে ফরিয়াত করে বলেন, একমাত্র সহায় সম্বল বসত ভিটাটিতে শান্তিপূর্ণ ভাবে এতিম ছেলে-মেয়েদের বসবাস করার সুযোগ যেন করে দেওয়া হয়।




রত্নাপালংয়ে গৃহহীনদের পুনর্বাসন বাস্তবায়ন হচ্ছে আবাসন প্রকল্পের

Pic Ukhiya 26-04-2017 (1) copy

উখিয়া প্রতিনিধি:

উখিয়ার রত্নাপালং ইউনিয়নের ফুটের জিরি এলাকায় আবাসন প্রকল্পের কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। ছিন্ন মূল ও গৃহহীন অসহায় লোকদেরকে পুনর্বাসন করার লক্ষ্যে এ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের (আবাসন বিভাগ) অগ্রাধিকার কর্মসূচির আওতায় এ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খাইরুল আলম চৌধুরী।

সরজমিন পরিদর্শনে দেখা যায়, ইউনিয়নের পূর্বাঞ্চলের ফুটের জিরি নামক এলাকায় আবাসন প্রকল্পের স্থান চুড়ান্ত করা হয়। ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের সহযোগিতায় এ প্রকল্পটি হাতে নেওয়া হয়। বর্তমানে শত শত শ্রমিক মাটি ভরাটের কাজ সহ জায়গার শ্রেণি পরির্বতনের কাজে নিয়োজিত রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, উপজেলা পরিষদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক আবাসন প্রকল্পের কাজটি চলতি মাসে শুরু করা হয়। ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের ৫৪ মেক্ট্রিকটন খাদ্য শষ্যের বিপরীতে এ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে উপজেলা পিআইও অফিস। রত্নাপালং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খাইরুল আলম চৌধুরী জানান, ১’শ ২০শতক জায়গার উপর আবাসন প্রকল্পটি চুড়ান্ত হলেও প্রথম পর্যায়ে ৪০ শতকের উপর কাজ শুরু হয়েছে। অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ওই আবাসন প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে ভূমি মানুষের আশ্রয় স্থলের ঠিকানা হওয়ার পাশা-পাশি পুনর্বাসন হবে।

এছাড়াও এলাকার উন্নয়ন ও জীবনযাত্রার মানও পরিবর্তন হবে। আবাসন প্রকল্পটি এলাকার জন্য নিঃসন্দেহে উন্নয়নের ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে।

আবাসন প্রকল্পের সভাপতি প্যানেল চেয়ারম্যান ডাক্তার মোক্তার আহমদ এ প্রসঙ্গে বলেন, বর্তমানে মাটি ভরাটের কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। ইতিমধ্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাঈন উদ্দিন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আহসান উল্লাহসহ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ প্রকল্পটি পরিদর্শন করেছেন।




উখিয়ার দুই ছাত্রদল নেতা ইয়াবাসহ নারায়নঞ্জে আটক

Pic Ukhiya-1 copy

উখিয়া প্রতিনিধি:

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল উখিয়া উপজেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ইমরান খান ও ছাত্রদল নেতা মো. আলম রোববার ভোর রাতে ঢাকা নারায়নগঞ্জ এলাকায় ৩ হাজার পিস ইয়াবাসহ ডিবি পুলিশের হাতে আটক হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের ন্যায় ইয়াবার বৃহত্তর চালান নিয়ে ঢাকায় যাওয়ার জন্য রওনা দেয়। ইয়াবা সিন্ডিকেটের লোকজন গত শুক্রবার থেকে তার বাসায় অবস্থান করে শনিবার সন্ধায় যাত্রীবাহী বাসে করে ঢাকায় যাওয়ার পথে নারায়নগঞ্জ এলাকায় একটি বাড়িতে পৌঁছলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঢাকাস্থ ডিবি পুলিশের একটি দল তল্লাসি চালিয়ে ৩ হাজার পিস ইয়াবাসহ উখিয়া উপজেলার মৌলভী পাড়া গ্রামের মোবাশ্বরের ছেলে উপজেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ইমরান খান ও একই গ্রামের মো. আবছারের ছেলে মো. আলমকে আটক করলেও চতুর ইয়াবা বন্ধুদের পুলিশ আটক করতে সক্ষম হয়নি।

উল্লেখ্য, আটককৃত ইমরানের পিতা মোবাশ্বের সম্প্রতি ৫০ হাজার পিস ইয়াবাসহ আটক হয়ে দীর্ঘ ৮ মাস কারাভোগ শেষে ঢাকা জেল হাজত থেকে জামিনে মুক্তি পাওয়ার ১ মাসের মাথায় তার ছেলে ছাত্রদল নেতা ইমরান গ্রেফতার হয়।

থানার ওসি মো. আবুল খায়ের ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।




আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে আগামী প্রজন্মদেরকে সু-নাগরিক হতে হবে

pic ukhiya 23,04,2017-2 copy

উখিয়া প্রতিনিধি:

উখিয়া-টেকনাফ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের সাবেক হুইপ শাহজাহান চৌধুরী বলেছেন, সু-শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে আগামী প্রজন্মদের উন্নত দেশ গঠনে এগিয়ে আসতে হবে। একমাত্র শিক্ষাই জাতিকে আলোর পথ দেখাতে পারে। এখন আগের মতো গতানুগতিক পড়ালেখা কোন গুরুত্ব নেই। কারিগরি শিক্ষাকে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। এ জন্য দরকার সুশিক্ষা। তাই সন্তানদের সু-শিক্ষায় শিক্ষিত করতে পিতা-মাতাদের ভূমিকা অপরিসীম। রোববার সকাল সাড়ে ১০টায় উখিয়া ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রাজাপালং আবুল কাশেম-নুর জাহান চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয়ে বার্ষিক পুরষ্কার বিতরণী/১৭ ও কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উখিয়া-টেকনাফের সাবেক সাংসদ ও কক্সবাজার জেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্জ্ব শাহজাহান চৌধুরী এসব কথা বলেন।

প্রধান অতিথি বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, উখিয়া সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে আমার পরিবারের যথেষ্ট অবদান রয়েছে। কিন্তু সম্প্রতি বিদ্যালয়টির ৬০বছর পূর্তি অনুষ্ঠানের স্মারণীকায় আমার পরিবারের কোন নাম-নিশানা রাখেনি। যার যতটুকু অবদান ততটুকু স্বীকৃতি দেওয়া দরকার ছিল আয়োজক কমিটির। না হয় ভবিষ্যতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠায় কোন লোক এগিয়ে আসবেনা। আমি নিজেও ওই বিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলাম। আগামীতে সকলকে এসব মনোভাব পরিহার করে উদারতার পরিচয় দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও প্রতিষ্ঠাতা, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্জ্ব শাহকামাল চৌধুরী।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, সাবেক উখিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এডভোকেট শাহ জালাল চৌধুরী, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সুলতান মাহমুদ চৌধুরী, ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আলমগীর কবির, বিএনপি নেতা এম বাদশা মিয়া চৌধুরী, ছাবের আহমদ কন্ট্রাকটার, ওবাইদুল হক মেলু, দিদারুল আলম দিদু, ইউপি সদস্য শাহজাহান, মাওলানা শাহনেওয়াজ, বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান বাবুল হোসেন।

উপস্থিত ছিলেন, অত্র বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক যথাক্রমে হারুন অর রশিদ, নুরুল আবছার, রুপেন রায় চৌধুরী, মোহাম্মদ আবু মুছা, খোরশেদ আলম, আহামাদুল্লাহ, কাজী নিগার সুলতানা, লাকী রাণী গোহ, সুজন চন্দ্র দে, মিজানুর রহমান, আব্দুল খালেক, মো. ইয়াকুব, সেলিনা আকতার, হামিদা, হেলিনা ও ফাতেমা। অনুষ্ঠান শেষে প্রায় ৫০টি ইভেন্টে বিজয়ী বিভিন্ন শ্রেণীর ১৫০ জন ছাত্র/ছাত্রীদের মাঝে পাঠাভ্যাস (সেকায়েফ) এর পক্ষ পুরষ্কার বিতরণ করা হয়।

এছাড়াও ২০১৬ সালে অনুষ্ঠিত জেএসএসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ৫৬ জন কৃতি ছাত্র/ছাত্রী ও ৭জন ট্যালেন্টপুল ১৪ সাধারণ বৃত্তি প্রাপ্ত এবং উখিয়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র, রাজাপালংয়ের  ঠিকাদার জহির চৌধুরী ও রাজাপালং মোহছেন আলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা খালেদা বেগমের গর্বিত সন্তান তাহাসান চৌধুরী মিকাত আন্ত: প্রাথমিক বিদ্যালয় ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় উপস্থিত বক্তৃতায় জাতীয় পর্যায়ে ৩য় স্থান অধিকার করায় সংবর্ধিত করা হয়। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বিদ্যালয়ে সিনিয়র শিক্ষক আব্দু খালেক ও ফজলুল করিম।




উখিয়ার উত্তর পুকুরিয়া খালে ব্রিজের অভাবে ১৫ হাজার মানুষ পানিবন্দি

PIc Ukhiya 23-04-2017 copy

উখিয়া প্রতিনিধি:

উখিয়ার উত্তর পুকুরিয়া কাশিয়ার বিল খালে একটি ব্রিজের অভাবে ৫টি গ্রামের জনসাধারণ ও শত শত শিক্ষার্থী যাতায়াত করতে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে ব্রিজ না থাকায় স্থানীয় ভাবে সাঁকো তৈরি করে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার করছে কচিকাঁচা শিক্ষার্থীরা। স্থানীয় নাগরিক সমাজ সরজমিন পরিদর্শন করে খালের উপর একটি ব্রিজ নির্মাণের জন্য স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জেলা নির্বাহী প্রকৌশলীর নিকট জোরদাবি জানিয়েছেন।

উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের উত্তর পুকুরিয়া, কাশিয়ার বিল, দক্ষিণ পুকুরিয়া, আলী মোড়া, গয়াল মারাসহ ৫টি গ্রামে ১৫ হাজারের অধিক লোকজন বসবাস করছে। এছাড়াও শত শত শিক্ষার্থী কলেজ, স্কুল ও মাদ্রাসায় অধ্যায়নরত রয়েছে। বর্ষার মৌসুমে অতিবর্ষন ও পাহাড়ি ঢলে ওই গ্রামের

স্থানীয় মুরব্বী হাজী নুরুল আলম জানান, কাশিয়ার বিল খালের উপর ব্রিজ না থাকায় প্রতিদিন উপজেলা সদরের সাথে যাতায়াত করতে সীমাহীন কষ্ট হচ্ছে। বিদ্যালয়ের শিক্ষক রিদুয়ান বলেন, কলেজ, উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাদ্রাসা, কেজি স্কুলের শিক্ষার্থীরা সাঁকোর উপর দিয়ে পারাপার করে কোন রকম যাতায়াত করছে। খালের উপর ব্রিজ না থাকায় বিশেষ করে বর্ষার মৌসুমে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাতায়াত এক প্রকার বন্ধ হয়ে যায়।

এলাকাবাসী হাজী ছৈয়দ আকবর, মোহাম্মদ হোছন, কাশেম মিয়া, জলিল আহমদ, মকবুল আহমদসহ অসংখ্য গ্রামবাসী হাজার হাজার জনগণের যাতায়াতের সুবিধার্থে উত্তর পুকুরিয়া খালের উপর ব্রিজ নির্মাণ এক মাত্র দাবিতে উপণীত হয়েছে। সচেতন নাগরিক সমাজের অভিমত জনগুরুত্বপূর্ণ বৃহত্তর এলাকার লোকজন ও শিক্ষার্থীদের স্বার্থে সরজমিন তদন্তপূর্বক অবিলম্বে খালের উপর একটি ব্রিজ নির্মাণ করার জন্য উখিয়া-টেকনাফ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আবদুর রহমান বদিসহ ঊর্ধ্বতন কর্তৃকপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়।




উখিয়ায় নতুন উদ্ভাবিত বিটি বেগুন চাষে অধিক ফলন, চাষীদের মুখে হাসি

Pic Ukhiya 22-04-2017 (1) copy

উখিয়া প্রতিনিধি:

উখিয়ায় নতুন জাতের উদ্ভাবিত বারি বিটি বেগুন চাষ করে অধিক ফলন উৎপাদন করতে সক্ষম হয়েছে চাষীরা। ফলন ছিদ্রকারী পোকা মুক্ত বিটি বেগুনের পরীক্ষামূলক চাষ করে ফলন ভাল হওয়ায় চাষীদের মুখে হাঁসি ফুটেছে।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, কৃষি গবেষণা ইনস্টিউটের বিষেজ্ঞগণ ব্যাপক গবেষণা চালিয়ে নতুন জাতের বারি বিটি বেগুন উদ্ভাবন করা হয়। মূলত পোকা মাকড়ের হাত থেকে রক্ষা ও কীটনাশক ব্যবহার না করে বিটি বেগুন চাষ করা সম্ভব। গবেষণঅয় দেখা যায় ওই নতুন জাতের বেগুন চাষে ফল ছিদ্রকারী পোকা আক্রমন করতে পারে না।

এদিকে উখিয়ার রত্নাপালং ইউনিয়নের ভালুকিয়া থিমছড়ি গ্রামের চাষী চলতি রবিমৌসুমে নতুন জাতের উদ্ভাবিত বিটি বেগুন চাষ করেছে। পরীক্ষামূলক ৬০ বিঘা জায়গায় তিনি চাষ করে দ্বিগুন ফলন উৎপাদন করতে সক্ষম হয়েছে।

চাষী হারুন জানান, উখিয়া কৃষি বিভাগের পরামর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে তিনি নতুন জাতের চাষ করে বেশ সফল হয়। তিনি আরও বলেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলাম ও অন্যান্য উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাগণ রোপন পদ্ধতি, পরিচর্যা, রোগ বালাইয় প্রতিরোধ, ফলন উৎপাদন বিষয়ে হাতে কলমে প্রশিক্ষণ প্রদান করেছেন। এছাড়াও বিনামূলে সার, বীজসহ অন্যান্য কৃষি উপকরণ সামগ্রী প্রদান করেছে।

কক্সবাজার কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপ-পরিচালক আকম শাহরিয়ার বলেন, নতুন উদ্ভাবিত বারি বিটি বেগুন চাষে কোন প্রকার পোকা মাকড় আক্রমণ করতে পারবে না। কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউ গবেষকগণ পোকামাকড় বিরোধী এক প্রকার জিন নতুন বেগুন জাতে সংযুক্ত করায় ওই জাত চাষীদের কাছে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

উখিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলাম নতুন জাতের বিটি বেগুন পরীক্ষামূলক ভাবে চাষ করে ব্যাপক সফলতা এসেছে। বিশেষ করে ফল ছিদ্রকারী পোকার আক্রমন করতে পারবে না এ চাষে। ফলে রোগ প্রতিরোধে কীটনাশক যেমনি প্রয়োজন হবে না তেমনি ভাবে চাষীদের অর্থ ও সময় সাশ্রয় হবে।

এদিকে গত সোমবার নতুন জাতের বিটি বেগুন চাষের ফলন উৎপাদন প্রদর্শনী উপলক্ষে কৃষক মাঠ দিবস ভালুকিয়া থিমছড়ি এলাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। চাষী হাজী মোহাম্মদ আবুল কাশেমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মাঠ দিবসে প্রধান অতিথি ছিলেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলাম। এসময় উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা ও স্থানীয় কৃষক, কৃষানীগণ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বক্তারা অধিক ফলন উৎপাদন ও অর্থনৈতিক ভাবে লাভবান হওয়ার জন্য নতুন জাতের উদ্ভাবিত বিটি বেগুন চাষ করার জন্য চাষীদেরকে উদ্বুদ্ধ করা হয়।




বালুখালী পান বাজারে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে শেড নির্মাণের দাবি ব্যবসায়ীদের

Pic Ukhiya 22-04-2017 copy

উখিয়া প্রতিনিধি:

উখিয়ার সীমান্তবর্তী বালুখালী পানবাজারটি নানা অব্যবস্থাপনা, সুষ্ঠ নীতিমালার অভাব  ও জবরদখলকারীদের অবৈধ স্থাপনা তৈরির কারণে ক্রেতা-বিক্রেতাদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে বর্ষা মৌসুমের আগেই বাজার শেড নির্মাণ করার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের নিকট জোরদাবি জানিয়েছেন ব্যবসায়ীগণ।

সরজমিন পরিদর্শনে দেখা যায়, বালুখালী পানবাজারটি সংস্কারের অভাবে অযত্ন ও অবহেলায় দিন দিন নাজুক পরিস্থিতিতে অবতীর্ণ হয়। বিশেষ করে বালুখালী ঐতিহ্যবাহী বাজারটি বিলুপ্ত হয়ে গেলে বৃহত্তর এলাকায় হাজার হাজার লোকজনের একমাত্র নির্ভরশীল হয়ে পড়ে এ পানবাজারটি।

বাজার কমিটির সভাপতি সাবেক মেম্বার আলী আহমদ বলেন, প্রতিদিন পানবাজারে তরিতরকারী ও কাঁচা মাছসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের হাঁট বসে। তবে বাজারে কোন প্রকার সরকারি শেড না থাকায় পণ্য সামগ্রী ক্রয়-বিক্রয় করতে সীমাহীন কষ্ট শিকার হতে হয়। বিশেষ করে কতিপয় মহল সরকারি জায়গার উপর অবৈধ স্থাপনা তৈরি করে বাজারটি জবরদখল করে রেখেছে। সাধারণ সম্পাদক ডাক্তার ফরিদ আলম জানান, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে নির্ধারিত জায়গায় শেড নির্মাণ বিপুল পরিমান রাজস্ব আদায় করতে সক্ষম হবে।

তরকারী ব্যবসায়ী শাহাব উদ্দিন ও নজির আহমদ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বালুখালী পানবাজারটি উপজেলা প্রশাসন ইজারা প্রদান করলেও খুচরা ব্যবসায়ীদের বসার কোন স্থান নেই। সব জায়গায় অবৈধ স্থাপনা। এলাকায় উৎপাদিত কৃষি পণ্য সামগ্রী কিংবা সবজি জাতীয় পণ্য ক্রয়-বিক্রি কালে অবৈধ জবরদখলকারীরা জোরপূর্বক ভাবে অতিরিক্ত টাকা দাবি করে। টাকা না দিতে চাইলে বাজারে না আসার জন্য হুমকি ধামকি দেয়।

এদিকে বর্তমানে বৃহত্তর বালুখালীর প্রায় ১৫টি গ্রামের এক মাত্র হাঁট হচ্ছে এ পানবাজারটি। প্রতিদিন অসংখ্য ক্রেতা-বিক্রেতার সমাগম ঘটে। তবে বেশ কয়েকবছর ধরে সরকারি জায়গার উপর অবৈধ স্থাপনা তৈরি করে বাজারটি এক প্রকার জবর দখল করে রেখেছে। কেউ হাঁট বাজারে উৎপাদিত পণ্য সামগ্রী ক্রয় ও বিক্রয় করতে চাইলে তাদেরকে অতিরিক্ত টাকা দিতে হয়। এ ঘটনা নিয়ে প্রায় সময় নানা ঝগড়া বিবাদের ঘটনাও ঘটে। সরকারি টোল আদায়কারী কাশেম মিয়া অভিযোগ করে বলেন, বাজারের ইজারা আদায় করতে গেলে জবরদখলকারী ও অবৈধ স্থাপনার মালিকগণ বাঁধা দেয়। ফলে সরকারি ভাবে নির্ধারিত রাজস্ব আদায়ে লক্ষ্য মাত্রা পূরণ নাও হতে পারে।

কাঁচা মাছ ব্যবসায়ী জিল্লুর রহমান ও ফরিদ আলম বলেন, সরকারি ভাবে কোন বাজার শেড না থাকায় রোদে পুড়ে ঝড়ে ভিজে আমাদেরকে ব্যবসা করতে হচ্ছে। এতে করে ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়ের সীমাহীন দুর্ভোগে পড়তে হয়।

সচেতন নাগরিক সমাজ ও ক্রেতা-বিক্রেতাগণ অবিলম্বে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে বাজারে পণ্য ক্রয়-বিক্রয়ের সুবিধার্থে শেড নির্মাণ করার জন্য নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট জোরদাবি জানিয়েছেন।




রত্নাপালং ইউনিয়ন যুবলীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত

Picture Ukhiya Juboligue
উখিয়া প্রতিনিধি :
বাংলাদেশ যুবলীগ উখিয়ার রত্নাপালং ইউনিয়ন শাখার বর্ধিত সভা শুক্রবার বিকালে কোটবাজার দক্ষিণ ষ্টেশন শারমিন টাওয়ারে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মকছুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উখিয়া উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মুজিবুল হক আজাদ। প্রধান বক্তায় ছিলেন উখিয়া উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ইমাম হোসেন। উক্ত বর্ধিত সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি যথাক্রমে-এডভোকেট এটিএম রশিদ, কফিল উদ্দিন চৌধুরী, মাষ্টার আব্দুল্লাহ আল হাকিম বাবুল, মো. শাহজাহান, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহ জাহান সাজু, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল হারুন মানিক, কক্সবাজার পৌরযুবলীগের সদস্য ও রত্নাপালং ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক আহবায়ক আলফাজ চৌধুরী ও উপজেলা যুবলীগের সদস্য রাহমতউল্লাহ।

রত্নাপালং ইউনিয়ন যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শাহজাহানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় আরও বক্তব্য রাখেন দিদারুল আলম, ৮নং ওয়ার্ড সভাপতি মো. শাহআলম, ৬নং ওয়র্ডি সভাপতি মো. জাবেদ, ৪নং ওয়ার্ডের মোজাম্মেল, ১নং ওয়ার্ডেরপিকু বড়ুয়া। এছাড়াও ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক উপস্থিত ছিলেন।

বর্ধিত সভায় সংগঠনকে গতিশীল করার লক্ষে ১, ৩, ৪, ৫ ও ৬ নং ওয়ার্ড কমিটিকে বিলুপ্ত করার সিদ্ধান্ত হয়।আগামী ১ মাসের মধ্যে উক্ত ওয়ার্ড কমিটি সম্মেলনের মাধ্যমে গঠন করা হবে। এছাড়াও ইউনিয়ন কমিটির শূন্য পদ কো-অপশনের মাধ্যমে পূরণ করারও সিদ্ধান্ত হয়েছে।




বালুখালী উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটিতে হত্যা মামলার আসামীকে অন্তর্ভুক্ত করার ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা

Pic Ukhiya- (21.04

উখিয়া প্রতিনিধি:

উখিয়ার বালুখালী কাশেমিয়া উচ্চ বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটিতে ভুলু হত্যা মামলার প্রধান আসামী, ইয়াবার গডফাদার ও ডজন মামলার আসামী জামায়াত ক্যাডার আকবর আহমদকে শিক্ষানুরাগী পদে অন্তর্ভুক্ত করায় বিদ্যালয়ের সচেতন অভিভাবক, সুশিলসমাজ ও রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টিসহ মিশ্র প্রতিক্রিয়া এবং উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। এলাকাবাসী নানা বিতর্কিত ও ইয়াবার সাথে জড়িত আকবর আহমদকে কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত না করার জন্য সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের নিকট জোর দাবি জানিয়েছেন।

জানা যায়, উখিয়া উপজেলার বালুখালী কাশেমিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে পুর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করার জন্য চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্রে প্রকাশ বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির শিক্ষানুরাগী পদে এক জনসচেতন সম্মানিত ব্যক্তি, শিক্ষিত এবং শিক্ষার জন্য নিবেদিত এমন সর্বজন গ্রহণ যোগ্য ব্যক্তিকে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য সুনির্দিষ্ট নির্দেশনাবলী রয়েছে।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৭ এপ্রিল ম্যানেজিং কমিটির এক সভায় নানা আলোচিত ও সমালোচিত এবং হত্যা মামলার আসামী আকবর আহমদকে শিক্ষানুরাগী পদে অন্তর্ভুক্তি করা হয়। বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির অভিভাবক প্রতিনিধি হেলাল উদ্দিন আহমদ অভিযোগ করে বলেন, ইয়াবার গডফাদার ও জামায়াত ক্যাডার আকবর আহমদকে কমিটিতে শিক্ষানুরাগী না রাখার জন্য তিনি জোরালো প্রতিবাদ করলেও অদৃশ্যের কারণে তাকে রাখা হয়। তার মতে এলাকার যোগ্যতা সম্পন্ন লোক থাকার পরও একজন অশিক্ষিত ও বিতর্কিত ব্যক্তিকে কমিটিতে রাখা ঠিক হয়নি।

এদিকে খোঁজ খবর নিয়ে জানা যায় সীমান্তে ইয়াবা ব্যবসার নিয়ন্ত্রক আকবর আহমদের বিরুদ্ধে হত্যা, মাদকপাচার, অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড ও কাঠ পাচারে জড়িত থাকার অভিযোগে উখিয়া থানা এবং কক্সবাজার আদালতে একাধিক মামলা রয়েছে। উখিয়া থানার মামলা নং যথাক্রমে- ৮ তারিখ-১৪/০২/২০১৬ইং ধারা ৩০২/ ২০১/ ৩৪/ ৫০(১) দবি ৩৩ তারিখ-২৮/০৬/২০১৫ইং, জিআর ২২৫/১৫। ১৫ তারিখ-১৩/ ০৬/ ২০১৫ইং,  জিআর ২০৭/১৫ইং। ১৮ তারিখ-১৫/০৬/২০১৫ ইং, জিআর ২১০/১৫ ইং। ১৯ তারিখ ২৫/০৫/২০১১ জিআর ১১৫/১১ইং। পিওআর নং-১১ইং। ১৪ তারিখ-২৪/০১/২০১৬ ইং, জিআর-১৪/১৬ ইং। ধারা ৩৪১/৫০৬(২) ৩০৭/২৬১/৩২৪/৩২৩/১৪৯/১৪৮/১৪৭ দবি।

উখিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক মনিরুল হক সাংবাদিকদের বলেন, বর্তমান সরকার জঙ্গিবাদ ও মাদক মুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান করতে দৃঢ়প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। সে লক্ষে ব্যাপক কাজ করে যাচ্ছে। কিন্তু দুঃখজনক ভাবে বালুখালী কাশেমিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষানুরাগী পদে একজন মাদকের গড়ফাদার এবং অসংখ্য মামলার আসামীকে অন্তর্ভূক্ত করা জাতীর জন্য লজ্জাজনক। স্থানীয় সাবেক মেম্বার আলী আহমদ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বিতর্কিত জামায়াত ক্যাডার আকবর আহমদকে কমিটিতে রাখায় সাধারণ জনগণ ও অভিভাবক মহলে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। এ ব্যপারে জানতে চাইলে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সবুজ সেন জানান, আকবর আহমদকে শিক্ষানুরাগী হিসাবে কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা আমার কোন হাত ছিলনা। এটা কেবল ম্যানেজিং কমিটির সিদ্ধান্ত ক্রমে তা অনুমোদন হয়। সচেতন অভিভাবক মহল অবিলম্বে হত্যা মামলার আসামী ইয়াবার গডফাদারকে কমিটি থেকে বাদ দেওয়ার জন্য ।ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট জোর দাবি জানিয়েছেন।