মাদার তেরেসা এ্যাওয়ার্ড পদকে ভূষিত হলেন উখিয়ার প্রভাষক শারিকা

উখিয়া প্রতিনিধি:

শিক্ষা ও সমাজ সেবায় বিশেষ অবদানের জন্য ‘ইউনাইটেড মুভমেন্ট হিউম্যান রাইটস’ কর্তৃক মাদার তেরেসা এ্যাওয়ার্ড’১৭-এ ভূষিত হয়েছেন কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার রত্নাপালং ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী মাতবর পরিবারের উত্তরসূরী মরহুম গিয়াস উদ্দিন চৌধুরীর সুযোগ্য কন্যা ও টেকনাফ ডিগ্রি কলেজের বাংলার প্রভাষক পারিয়েল সামিহা শারিকা।

১৩ আগস্ট ঢাকা সেগুন বাগিচাস্থ প্রফেসর আকতার ইমাম অডিটরিয়ামে ‘ইউনাইটেড মুভমেন্ট হিউম্যান রাইটস’এর উদ্যোগে আয়োজিত সম্মাননা-পদক বিতরণ অনুষ্ঠানে পারিয়েল সামিহা শারিকাকে এ মাদার তেরেসা এ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়। এ সম্মাননা-পদক বিতরণ অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন ভাষা সৈনিক রেজাউল করিম, প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বিচারপ্রতি মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান, বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব পীরজাহা শহীদুল হারুন, সভাপতিত্ব করেন ‘ইউনাইটেড মুভমেন্ট হিউম্যান রাইটস এর চেয়ারম্যান এড. লুৎফুল আহসান বাবু।

পারিয়েল সামিহা শারিকা’র মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, নারী শিক্ষা ও সমাজ সেবায় বিশেষ অবদান রাখায় ‘ইউনাইটেড মুভমেন্ট হিউম্যান রাইটস’ তাকে ‘মাদার তেরেসা এ্যাওয়ার্ড-২০১৭’-এ ভূষিত করেছেন। তিনি আরও বলেন, একই সংস্থা তাকে ২০১৬ সালে শান্তি পদকেও ভুষিত করেছিলেন। তিনি অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে বলেন, আমি খুবই আনন্দিত। সমাজের কল্যাণে কাজ করে স্বীকৃতি পাওয়াটা বর্তমান সময়ে খুবই কঠিন তারপরও আমি যতটুকু স্বীকৃতি পেয়েছি তাতে ধন্য। সমাজ ও নারী শিক্ষা প্রসারে আগামীতেও কাজ করার ইচ্ছা আছে।

উল্লেখ্য, পারিয়েল সামিহা শারিকা চট্টগ্রাম কলেজ থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিষয়ে সম্মানোত্তর সম্পন্ন করে ২০১২ খ্রিস্টাব্দ থেকে কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনির্ভাসিটি, কক্সবাজার সরকারি মহিলা কলেজ ও সর্বশেষ টেকনাফ ডিগ্রি কলেজে প্রভাষক হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন।




জালিয়াপালং আওয়ামী লীগের জাতীয় শোক দিবস পালিত

উখিয়া প্রতিনিধি:

উখিয়ার জালিয়াপালং ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের উদ্যোগে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪২তম শাহাদৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যে দিয়ে পালন করেছে। জালিয়াপালং ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত শোক সভায় সভাপতিত্ব করেন জালিয়াপালং ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান এসএম ছৈয়দ আলম।

প্রধান অতিথি ছিলেন, উখিয়া আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরী। ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট রুহুল আমিন চৌধুরী রাসেলের পরিচালনায় শোক সভায় বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগ নেতা সাবেক মেম্বার এখলাচুর রহমান, উখিয়া আওয়ামী লীগের অর্থ-সম্পাদক নাজিম উদ্দিন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য রশিদ আহমদ, শহিদুল্লাহ কায়সার, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক হেলাল উদ্দিন, মোস্তাক আহমদ, মুসলেম উদ্দিন প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, স্বাধীনতার স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে এ দেশ স্বাধীন হয়েছে। তারই কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যোগ্য দেশ পরিচালনায় বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশে পরিনত হতে যাচ্ছে। আজকের এ শোকাবহ দিনে জাতির জনককে শ্রদ্ধা ভরে বাংলার মানুষ স্মরণ করছে।

এসময় ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার, আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগসহ অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। পরে প্রায় ৩ হাজার মানুষের মাঝে কাঙ্গালীভোজ পরিবেশন করা হয়। এর আগে খতমে কোরআন, মিলাদ মাহ্ফিল, কাল ব্যাচধারণ ও পতাকা উত্তোলন করা হয়।




হলদিয়াপালং আ’লীগের উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবস পালিত

উখিয়া প্রতিনিধি:

উখিয়ার হলদিয়াপালং ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের উদ্যোগে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪২তম শাহাদৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যে দিয়ে পালন করেছে। মরিচ্যা উচ্চ বিদ্যালয় মিলাতয়নে অনুষ্ঠিত শোক সভায় সভাপতিত্ব করেন  ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক মেম্বার মোহাম্মদ ইসলাম।

প্রধান অতিথি ছিলেন, উখিয়া আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরী। ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ফজলুল করিম সিকদারের পরিচালনায় শোক সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন, জেলা পরিষদের সদস্য আশরাফ জাহান কাজল, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সদস্য আবুল মনসুর চৌধুরী, বিশেষ অতিথি ছিলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাহিত্য প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সাংবাদিক রাশেল চৌধুরী। ওই শোক সভায় ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকগণ সহ নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় বক্তারা বলেন, স্বাধীনতার স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর শেখ মুজিবুর রহমান ও তার স্বপরিবারকে নৃংশস হত্যার পিছনে সাম্রাজ্যবাদী শক্তি যুক্ত ছিলেন। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌত্বকে নসাৎ করার জন্য বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়। বক্তারা জাতির পিতার হত্যাকারীদেরকে বিদেশ থেকে ফেরত এনে রায় কার্যকর করার দাবি জানানো হয়। এসময় বক্তারা আরও বলেন, আগামী দিনেও জাতির জনকের কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় বসানোর জন্য নৌকা প্রার্থীর পক্ষে কাজ করার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান।

এসময় ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার, আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগসহ অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। পরে প্রায় ৩ হাজার মানুষের মাঝে কাঙ্গালীভোজ পরিবেশন করা হয়। এর আগে খতমে কোরআন, মিলাদ মাহফিল, কালো ব্যাচধারণ ও পতাকা উত্তোলন করা হয়।




উখিয়ায় সন্ত্রাসী হামলায় মহিলাসহ আহত ২

 

উখিয়া প্রতিনিধি:

উখিয়ার বালুখালীতে সন্ত্রাসী হামলায় বয়োবৃদ্ধ মহিলাসহ ২জন আহত হয়েছে। রবিবার রাতে এ ঘটনাটি ঘটে। আহতদেরকে উখিয়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। খবর পেয়ে উখিয়া থানার পুলিশ ঘটনা স্থল পরিদর্শন করেছে।

জানা যায়, উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের বালুখালী জমিদারপাড়া গ্রামের হাবিবুল কবিরের বাড়িতে রাত সাড়ে ৮টার দিকে একদল সন্ত্রাসী অবৈধ দেশিয় তৈরি অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে হানা দেয়। এক পর্যায়ে বাড়ি ঘরের দরজা, চালের টিন ও ঘেরা টেংরা ভাংচুর চালায়।

এ সময় বাঁধা দেওয়ার চেষ্টা করলে সন্ত্রাসীরা দা, কিরিচ দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে মারাত্বক ভাবে জখম করে। এতে মারাত্বক আঘাতপ্রাপ্ত হয় মৃত মৌলভী কবির আহমদ মাষ্টারের স্ত্রী ছলিমা খাতুন (৭৫) ও ছেলে নাছিমুল কবির (৩৫)। চিৎকার শুনে এলাকাবাসী এগিয়ে আসলে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা রক্তাক্ত অবস্থায় আহতদেরকে উদ্ধার করে উখিয়া হাসপাতালে ভর্তি করে।

মামলার বাদী ও মঈন উদ্দিন মেমোরিয়াল কলেজের বাংলা বিভাগের প্রভাষক হাবিবুল কবির অভিযোগ করে বলেন, আমার অনুপস্থিতির সুযোগে প্রতিপক্ষ গং পূর্ব শত্রুতার জের ধরে পরিকল্পিত ভাবে নুরুল আমিন জুনুর নেতৃত্বে একদল ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী আমার বসতবাড়ি ভাংচুরসহ বয়োবৃদ্ধ মাতা ও ভাইকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে মারাত্বক জখম করে। শুধু তাই নয় সন্ত্রাসীরা বাড়িতে ঢুকে স্বর্ণলংকার ও নগদ টাকা ছিনতাই করে পালিয়ে যায়।

স্থানীয় গ্রামবাসীরা জানায়, দু’পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। পূর্ব শত্রুতার জের ধরে সন্ত্রাসীরা এ ঘটনাটি ঘটায়।

এ ব্যাপারে আলী হোছনের ছেলে নুরুল আমিন জুনু, দিদার মিয়া, আবছার মিয়া, মো. কালু ও মৃত ছৈয়দ আলমের পুত্র জাহাঙ্গীর ও আলমগীরসহ ৭জনকে আসামী করে উখিয়া থানায় এজাহার দায়ের করা হয়েছে বলেও জানা গেছে।

উখিয়া থানার ডিউটি অফিসার জানান, ঘটনাটি তদন্ত পূর্বক জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।




উখিয়ার বিশিষ্ট ঠিকাদার মোক্তার চৌধুরী আর নেই

উখিয়া প্রতিনিধি:

উখিয়ার সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান ও জেলার  বিশিষ্ট ঠিকাদার ও তরুণ সমাজ সেবক মোক্তার আহমদ চৌধুরী শুক্রবার ভোর সকালে হার্ট এ্যটাকে ইন্তেকাল করেন। (ইন্না……রাউজেন)। মৃত্যু কালে ১ ছেলে ২ মেয়ে স্ত্রী সহ অসংখ্য আত্মীয় স্বজন রেখে যান। বিকেল সাড়ে ৫টায় মরহুমের জানাজার নামাজ রাজা পালং মসজিদ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করেন মাওলানা আবুল হাসান আলী। জানাজার নামাজ শেষে পারিবারিক কবরস্থানে মরহুমের দাফন সম্পন্ন করা হয়।

ঠিকাদার মোক্তার চৌধুরীর নামাজের জানাজার পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন কক্সবাজার জেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী, উখিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এডভোকেট শাহজালাল চৌধুরী ও মরহুমের ছোট ভাই জহির চৌধুরী।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি শাহ আলম চৌধুরী (রাজা শাহ আলম), উখিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সরওয়ার জাহান চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান সোলতান মাহমুদ চৌধুরী, নাইক্ষ্যং ছড়ি উপজেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিন, উখিয়া আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক চেয়ারম্যান জাহাংগীর কবির চৌধুরী ও রত্না পালং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খাইরুল আলম চৌধুরীসহ জেলা বিএনপি, টেকনাফ বিএনপি ও উখিয়া বিএনপির নেতৃ বৃন্দরা। পরিচালনায় ছিলেন উখিয়া যুবদলের সভাপতি আহসান উল্লাহ।

পারিবারিক সূত্রে জানাযায়, কক্সবাজারস্থ বইল্ল্যা পাড়ায় একটি বাসায় মোক্তার চৌধুরীর মৃত্যু হয়। ওই বাসায় তিনি একাই ছিলেন এবং রাতে সেহরী খেয়ে রোজাও রাখেন। সকালে একাধিক বার তার মোবাইলে রিং করার পরও রিসিভ না হওয়ায় সন্দেহ হলে বাসায় গিয়ে দেখতে পায় তিনি মৃত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। পরিবারের নিকটতম আত্মীয় উপজেলা চেয়ারম্যান সরওয়ার জাহান চৌধুরী জানান বাসায় ডাক্তার এনে মৃতদেহ পরীক্ষা করে দেখা যায় মোক্তার চৌধুরী হার্ট এ্যটাকে মারা গেছেন।




উখিয়ায় ৪ অবুঝ সন্তান রেখে গৃহ বধু উধাও 

উখিয়া প্রতিনিধি:

উখিয়া উপজেলার হলদিয়া পালং ইউনিয়নের ধুরুমখালীর নয়া পাড়া গ্রামের ৪ সন্তানের জননী দেলুয়ারা বেগম নামক এক গৃহ বধুবার  অবুঝ ছেলে মেয়ে বাড়িতে রেখে উধাও হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তিনি বদি আলমের স্ত্রী বলে জানা গেছে।

জানা যায়, জালিয়া পালং ইউনিয়নের জুম্মা পাড়া বাংলা জার্মান অফিস এলাকার মৃত নজিরের মেয়ে দেলুয়ারার সাথে ২০০২ সালে বদি আলমের বিবাহ হয়। তাদের সংসারে ৩ ছেলে ১ মেয়ে রয়েছে।

স্বামী বদি আলম অভিযোগ করে বলেন, স্ত্রী দেলুয়ারা গত ৫ জুলাই কাউকে কিছু না জানিয়ে অবুঝ ছেলে-মেয়েদেরকে রেখে পালিয়ে যায়। আমার অনুপস্থিতিতে স্বর্ণ অলংকার,কাপড় চোপড় ও নগদ টাকা সহ নিয়ে স্ত্রী উধাও হয়ে গেছে। এ ব্যাপারে স্থানীয় মেম্বার ও থানা পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে।




রোহিঙ্গাদের মুখ থেকে নির্যাতনের কথা শুনলেন ওআইসির মহাসচিব


উখিয়া প্রতিনিধি:
বাংলাদেশ সফরত ওআইসির মহাসচিব ড. ইউসেফ বিন আহমাদ আল-ওসাইমিন শুক্রবার দুপুরে কক্সবাজারের উখিয়া কুতুপালং রোহিঙ্গা শরনার্থী ক্যাম্প পরিদর্শন করেছেন।

পরিদর্শন কালে তিনি মায়ানমারের সেনা বাহিনীর হাতে নির্যাতিত, নিপীড়ত রোহিঙ্গাদের মুখ থেকে অমানবিক, পাশবিক ও নিশংস হত্যাযজ্ঞের বর্ণনা শুনেছেন।

শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কক্সবাজার বিমান বন্দর থেকে গাড়ি যোগে ওআইসির মহাসচিব ড. ইউসেফ বিন আহমাদ সরাসরি উখিয়ার কুতুপালং শরনার্থী ক্যাম্পে পরিদর্শনে আসেন। প্রায় দের ঘন্টার অধিক সময় ওআইসির মহাসচিব ক্যাম্প পরিদর্শন ও রোহিঙ্গা নারী পুরুষদের সাথে কথা বলেন।

আর্ন্তজাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) পরিচালিত একটি স্কুলে ১৭ জন নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের সাথে মিলিত হন। সেখানে নির্যাতিত রোহিঙ্গারা মায়ানমারের সেনা বাহিনীর হাতে গণ ধর্ষন, হত্যা, অপহরণ, বাড়ি ঘরে অগ্নিসংযোগসহ নিশংস পৈশাসিক ঘটনার বর্ণনা তুলে ধরেন। রোহিঙ্গা নর নারীদের নির্যাতনের কাহিনী ধর্য্য সহকারে প্রায় ৩০মিনিট শুনেন ওআইসির মহাসচিব।

পরিদর্শন কালে উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. আলী হোসেন, জেলা পুলিশ সুপার ইকবাল হোছাইন, উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাঈন উদ্দিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (উখিয়া র্সাকেল) চাউলাউ মারমা, কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ইনচার্জ মো. শামশুদ্দোহা, উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আবুল খায়ের সহ বিদেশী দাতা সংস্থা প্রতিনিধিগণ।

রোহিঙ্গ ক্যাম্প পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রেস ব্রিফিংকালে ওআইসির মহাসচিব রোহিঙ্গা সমস্যা একটি আর্ন্তজাতিক ইস্যু। বিষয়টি জাতিসংঘ এবং আর্ন্তজাতিক ফোরামে তোলে ধরা হবে। তিনি বাংলাদেশে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের মানব অধিকার সুরক্ষা, তাদের বসবাসের বাসস্থান, খাদ্য-চিকিৎসা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করণে বৈশ্বিক সম্প্রদায়কে এগিয়ে আসতে হবে। পাশাপাশি রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে আর্ন্তজাতিক রাষ্ট্রসমুহ সহ রাজনৈতিক দল, বিভিন্ন সংগঠন, মানবাধিকার সংস্থা ভূমিকার কথা গুরুত্বারোপ করেন।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে ওআইসির মহাসচিব ড. ইউসেফ বিন আহমাদ আল-ওসাইমিন রোহিঙ্গাদের পাশে থাকার কথা উল্লেখ করে বলেন, রোহিঙ্গা সংকট সমাধান ও তাদের স্বদেশে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া মাধ্যমে নাগরিকত্ব ফিরে দেওয়ার জন্য মায়ানমার সরকারের প্রতি আহবান জানান। তিনি এও বলেন, রোহিঙ্গাদের কে আশ্রয় দেওয়ায় বাংলাদেশ সরকারকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন।




কক্সবাজার ট্রাক, মিনি ট্রাক, পিকআপ শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচনে মনোনয়ন পত্র দাখিল শুরু

উখিয়া প্রতিনিধি:

আগামী ১৯ আগস্ট কক্সবাজার ট্রাক, মিনি ট্রাক, পিকআপ শ্রমিক ইউনিয়ন (রেজিঃ নং- ১০৮৫) এর কার্যকরী পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থীরা মনোনয়ন পত্র দাখিল শুরু করেছেন।

গতকাল আনুষ্ঠানিক ভাবে সাধারণ সম্পাদক পদে মনোনয়ন পত্র দাখিল করেছেন বিশিষ্ট শ্রমিক নেতা কুতুব উদ্দিন। নির্বাচন কমিশনার গিয়াস উদ্দিনের নিকট তিনি মনোনয়ন পত্র দাখিল করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, উখিয়া উপজেলার ট্রাক মালিক সমিতির সভাপতি মকবুল আহমদ, সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব জামাল উদ্দিন, আব্দুর রাজ্জাক মেম্বার  (টেকনাফ), আব্দুর রহিম (বিভাগীয় ফেডারেশন চট্টগ্রাম), সোনা মিয়া সভাপতি উখিয়া মটর চালক সমবায় সমিতি সহ কক্সবাজার জেলা শ্রমিক ইউনিয়নের সম্মানিত নেতৃবৃন্দ ও সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য আগামী ১৯ আগস্ট শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।




পরিবেশ সু-রক্ষা ও দূর্যোগ মোকাবেলায় বৃক্ষের গুরুত্ব অপরিসীম

উখিয়া প্রতিনিধি:

৪ দিনব্যাপী উখিয়ায় ফলদ বৃক্ষমেলার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান গতকাল উখিয়া সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে সম্পন্ন হয়েছে।

উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় কৃষি বিভাগ আয়োজিত ফলদবৃক্ষ মেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কক্সবাজার কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপ-পরিচালক আ.ক.ম শাহরিয়ার বলেন পরিবেশ সুরক্ষা ও দুর্যোগ মোকাবেলা গাছপালার ভূমিকা অপরিসীম। তাই নিজেকে বাঁচাতে ও পুষ্টির চাহিদা মেটাতে সবাইকে বৃক্ষরোপনে আরও সচেতন হতে হবে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাপনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কক্সবাজার সরকারি কলেজের পদার্থ বিজ্ঞানের অধ্যাপক মুফিদুল আলম। উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা এসএম শাহ জাহানের পরিচালনায় অনুষ্টিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন উখিয়া ফার্টিলাইজার এসোসিয়শনের সাধারণ সম্পাদক আহমদ কবির সওদাগর। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা যথাক্রমে বিরেশ্বর রদ্র, বদিউল আলম, নাসির উদ্দিন, মোস্তাক আহমদ প্রমুখ।

পরে প্রধান অতিথি বিজয়ী শিক্ষার্থী ও স্টল মালিকদেরকে পুরস্কার বিতরণ করেন।




উখিয়ার পালংখালী বাজারের বেহাল দশা, ক্রেতা বিক্রেতাদের চরম দূর্ভোগ

উখিয়া প্রতিনিধি:

উখিয়ার পালংখালী বাজারটি জনদূর্ভোগ চরমে উঠেছে। প্রতিবছর উপজেলা প্রশাসন ইজারার খাত থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা রাজস্ব আদায় করলেও বাজারের উন্নয়নে এক টাকাও ব্যয় করেনি বলে এমন অভিযোগ সচেতন নাগরিক সমাজের। ফলে বাজারে আসা লোকজন ও ক্রেতা-বিক্রেতারা প্রতিনিয়ত সমস্যার শিকার হচ্ছে। এসব দেখার জন্য কেউ নেই বলে দাবি করেছেন বাজারের আসা ও নানা সমস্যা এবং ভোগান্তিতে থাকা অসংখ্যা জনসাধারণ।

পালংখালী বাজারটি উখিয়া উপজেলার সর্বশেষ দক্ষিণ সীমান্তে অবস্থিত হওয়ায় পুরো পালংখালীবাসীর একমাত্র কেনা-বেচার হাট। ইউনিয়নের লোকজন এ হাটে প্রতিদিন আসে নিত্য প্রয়োজনীয় বাজার ও সব ধরনের কাঁচা বাজার করতে। এ বাজারে পার্শ্ববর্তী টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামের মানুষও এসে যুগ হয়ে থাকে। এতে বাজারে জনসাধারণের উপস্থিতি লক্ষনীয়। ফলে এ বাজারটি গুরুত্ব দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

শুক্রবার(২৮ জুলাই ) বিকেলে সরেজমিন পরিদর্শন ও বাজার ঘুরে দেখা গেছে, নানা সমস্যায় পড়েছেন দুর্ভোগে সাধারণ মানুষ। বাজারের জন্য কাঁচা বাজারের কোন সেট নেই। সবজি ও কাঁচা তরকারি ব্যবসায়ীরা বৃষ্টিতে কোন রকম পলিথিন ঠাকিয়ে বেঁচা-কেনা করছে। অন্যদিকে কাঁচা মাছ বিক্রির জন্য কোন ধরনের সেট ও স্থান নেই। রাস্তার প্রধান সড়কের কুলঘেষে ঝুঁকিপূর্ণভাবে মাছ বিক্রি করছে এবং মাছের পানিতে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ছে সর্বত্র। বাজারে কোন পাশ্বেই ময়লা আবর্জনার পানি যাওয়ার নালা অথবা নিষ্কাশনের ব্যবস্থা নেই। যে যার মত করে বেঁচা-কেনা করায় বাজারের কোন শৃঙ্খলা ও জনসাধারণের চলাচল ও দাঁড়ানোর সুযোগ নেই। এতে বাজারে চরম বেহাল অবস্থা লেগে আছে।

প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, চলতি বছর বাজারটি সরকারি ভাবে ইজারা হয় ৬লাখ ৭হাজার টাকা সহ অন্যান্য খরচ মিলে প্রায় ৭লাখ টাকা। প্রতি বছর সরকারি ভাবে এ বাজার থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা রাজস্ব আয় হলেও সংস্কার ও উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। স্থানীয় সচেতন মহল অভিযোগ করে বলেন সীমান্ত এলাকার এ বাজারটি গুরুত্ব অনেক বেশি। কারণ উপজেলা সদরে গিয়ে বাজার করা এখানকার মানুষের জন্য অনেক কষ্ট সাধ্য। পালংখালী ইউনিয়নের মানুষ এ বাজারে এসে তাদের চাহিদা পুরণ করে আসছে। তাই এ বাজারটির দিকে নজর দেওয়া সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও জনপ্রতিনিধিদের ভূমিকা অতি গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেছেন।

এ বিষয়ে বাজার ইজারাদার আব্দুল হালিম অভিযোগ করে বলেন, সরকারি ভাবে বাজারটি ডাকা হলেও কোন ধরনের সরকারি ভাবে উন্নয়ন ও সংস্কার করা হচ্ছে না এবং অদ্যাবধি পালংখালী বাজারের জন্য সরকার ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ১০ টাকার উন্নয়নও করেনি। অপর দিকে সাবেক আরেক ইজারাদার আবুল মনজুর বাজারে উন্নয়নের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সু-দৃষ্টি কামনা করেছেন।