আলীকদম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে অনিয়ম, দুর্নীতিতে বেহাল দশা

 

আলীকদম প্রতিনিধি:

আলীকদম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক কর্মচারীরা দপ্তরীর নিকট জিম্মি হয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। দপ্তরীর অপকর্মের প্রতিবাদ করায় শিক্ষকদের হাত-পা কেটে ফেলার হুমকি দিয়েছেন চতুর এ দপ্তরী। জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে ইউএনও’র পরামর্শে শিক্ষকরা থানায় সাধারণ ডাইরি (জিডি) করেছেন। ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ‘গুণধর’ এ দপ্তরীর অপকর্মের অন্যতম সহযোগী।

এ অবস্থায় নিরুপায় হয়ে বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষক-কর্মচারীরা সুনির্দিষ্ট ১২টি বিষয়ে তদন্ত দাবি করে লিখিত অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে। অভিযোগে বিদ্যালয়ের বৃক্ষ নিধন, কোচিং বাণিজ্য, অর্থ আত্মসাত ও পুকুরের লিজ জালিয়াতিসহ নানান আর্থিক অনিয়মের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।

প্রাপ্ত অভিযোগে প্রকাশ, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ও দপ্তরী জাহাঙ্গীর আলমের যোগ সাজশে ‘বিদ্যালয়ের মানোন্নয়ন’ নামে চলতি শিক্ষাবর্ষে একটি খাত সৃষ্টি করেন। এ খাতের আওতায় বিদ্যালয়ের ৩৬০জন শিক্ষার্থী থেকে জনপ্রতি ৫শ’ টাকা হারে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা অর্থ আদায় করে আত্মসাত করা হয়। শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ২শ’ থেকে ৫শ’ টাকা হারে ছাড়পত্র ফি আদায় করা হলেও সরকারি কোষাগারে জমা করা হচ্ছেনা। যা শিক্ষামন্ত্রণালয় কর্তৃক ২০১৪ সালের ৬ জুলাই জারী করা পরিপত্র বিরোধী। অভিযোগ প্রকাশ, বিদ্যালয়ে বিভিন্ন খাতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আদায় করা অর্থ ব্যয়ে শিক্ষকদের নিয়ে তিন সদস্যের কমিটি থাকার কথা। কিন্তু কমিটি ছাড়াই বিদ্যালয়ের আয়ের টাকা হরিলুট করছেন প্রধান শিক্ষক ও দপ্তরী। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মৃদুল কান্তি তালুকদার বলেন, শিক্ষকরা আমাকে তোয়াক্কা করছেন না। আমার বিরুদ্ধে তারা অহেতুক মিথ্যা অপবাদ দিচ্ছেন।

সহকারী শিক্ষক ছৈয়দ মো. আব্দুল মান্নান বলেন, বিদ্যালয়ের দপ্তরী জাহাঙ্গীর আলমের হুমকীতে আমরা তটস্থ। দুই দশকের বেশি সময় তিনি একই কর্মস্থলে থাকায় সে কাউকে পরোয়া করছে না। ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক তাকে বিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসের ভেতরে স্বপরিবারে থাকতে দিয়েছেন। তার (জাহাঙ্গীরের) পালিত গরু, ছাগল, হাস, মুরগী বিদ্যালয়ের পরিবেশ নষ্ট করছে। ক্লাস চলাকালীন জাহাঙ্গীরের পালিত ছাগল ক্লাসে ঢুকে পড়ে। এ ব্যাপারে প্রধান শিক্ষক ও দপ্তরীকে বলায় উল্টো হুমকি পেতে হয়েছে শিক্ষকদের। বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারীদেরকে দপ্তরী জাহাঙ্গীর বিভিন্ন সময় গালিগালাজ করে‘চাকুরী কেমনে কর’ বলে হুমকী দিয়ে থাকেন। ফলে একজন শিক্ষক থানায় জিডি করতে বাধ্য হয়েছেন।

শিক্ষকরা লিখিত অভিযোগে বলেন, বিদ্যালয়ের গেইটের কাছে অন্বেষা নামে কোচিং সেন্টার পরিচালনা করেন দপ্তরী জাহাঙ্গীর। তাকে দিয়েই ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র  আনয়ন ও সেটিংএর কাজ করান। প্রশ্নপত্রও গচ্ছিত রাখা হয় দপ্তরীর কাছেই। পরীক্ষা চলার সময় দপ্তরীর নিকট হতেই প্রশ্ন নিয়ে শিক্ষকদের পরীক্ষার হলে যেতে হয়। বিদ্যালয়ের একজন চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীকে এ ধরণের ‘ক্ষমতা’ প্রদানকে নৈতিকতা বিবর্জিত, বেআইনী ও শিক্ষক সমাজকে হেয় ও অপমান করার শামিল দাবি করেছেন।

শিক্ষকরা বলেন, বিদ্যালয়ের নামে থাকা বিশাল একটি পুকুর বছরের পর বছর ধরে দপ্তরী জাহাঙ্গীর ভোগ করছেন। মাছ চাষ করে অর্থগৃধু হচ্ছেন। শিক্ষক ও কমিটির সাথে আলোচনা ছাড়া এবং প্রকাশ্য নিলামনা দিয়ে দপ্তরীকে মাছ চাষের অনুমতি দিয়েছেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক।

এ ব্যাপারে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বলেন, পুকুরটিতে আতাউল নামে এক ব্যক্তির সাথে যৌথ ভাবে মাছ চাষ করেন জাহাঙ্গীর। বৈধ উপায়ে পুকুর নিলামনা দেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন তিনি। স্থানীয় বাজারের কাপড়ের দোকানদার আতাউল বলেন, ‘আমি পুকুরটিতে কিছু মাছ ফেলেছি, তবে এখনো পর্যন্ত কাগজে পত্রে নিলাম নেইনি’।

সহকারী শিক্ষক মো. জাহাঙ্গীর আলম মনছুরী বলেন, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ও দপ্তরী মিলে বিদ্যালয়ের বড় ও মাঝারী সাইজের ৮টি বৃক্ষ নিধন করেছেন। যার মূল্য কয়েক লক্ষ টাকা হবে। এ বৃক্ষ নিধণের ক্ষেত্রে কোন প্রকার সরকারি অনুমোদন নেওয়া হয়নি। বিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনিয়মের প্রতিবাদ করায় দপ্তরী আমাকে ও অন্য শিক্ষকদের মৃত্যুর হুমকী দিয়েছেন। আমি বাধ্য হয়ে থানায় জিডি করেছি।

শিক্ষকরা বলেন, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নিজের মর্জিমাফিক বিদ্যালয়ে আসা যাওয়া করেন। নিয়মের ধার ধারেননা। বিদ্যালয়ে বিভিন্ন সংস্কারের নামে বিল ভাউচার করে অর্থ আত্মসাত করছেন। শিক্ষক কিংবা কমিটির সাথে আলোচনা না করেই বিদ্যালয়ের বেসরকারি তহবিল থেকে অর্থ উত্তোলন করে কথিত ‘কেন্টিন’ নির্মাণ করেছেন।

অভিযুক্ত দপ্তরী বক্তব্য জানতে কয়েক বারতার মুঠোফোনে কল দিয়েও সংযোগ পাওয়া যায়নি। বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান বলেন, শিক্ষকদের স্বাক্ষরিত অভিযোগ পত্র পেয়ে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি করেছি। তদন্ত কমিটির রিপোর্ট হাতে পেলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




উপজেলা চেয়ারম্যানের মানহানিকর বক্তব্যে আলীকদমে চার ইউপি চেয়ারম্যানের সংবাদ সম্মেলন

আলীকদম প্রতিনিধি:

আলীকদম উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কর্তৃক মিথ্যা ও মানহানিকর বক্তব্য দিয়ে ‘বিভ্রান্তি’ সৃষ্টির অভিযোগে উপজেলার চার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানরা বৃহস্পতিবার বিকেলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। আলীকদম প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত এ সংবাদ সম্মেলেন লিখিত বক্তব্যে সদর ইউপি চেয়ারম্যান জামাল উদ্দিন বলেন, লামায় প্রশাসন কর্তৃক চাল আটকের ঘটনায় আলীকদম উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের দেয়া বক্তব্য উদ্দেশ্য প্রণোদিত, বানোয়াট ও সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার শামিল।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন চৈক্ষ্যং ইউপি চেয়ারম্যান ফেরদৌস রহমান, নয়াপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান ফোগ্য মার্মা ও কুরুকপাতা ইউপি চেয়ারম্যান ক্রাতপুং ম্রো।

উল্লেখ্য, বুধবার লামা উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক ১৮৪ বস্তা চাল আটকের ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংবাদ মাধ্যমে আলীকদম উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আবুল কালামের দেওয়া বক্তব্যের জেরে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। পরে জানা যায়, জব্দ করা চালগুলি সেনাবাহিনীর রেশনের বৈধ চাল।

ইউপি চেয়ারম্যানদের দাবি, ‘উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের বক্তব্য উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বানোয়াট। গত ২০১৬-১৭ অর্থবছরে আলীকদম উপজেলায় বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) খাতে ১ কোটি ১১ লাখ বরাদ্দের অর্থ লুটপাটের বিরুদ্ধে সম্প্রতি জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন ইউপি চেয়ারম্যানরা। মনগড়া ও অস্তিত্বহীন সংগঠনের নামে প্রকল্প দেখিয়ে সরকারি অর্থ লুটপাটের প্রতিবাদ করায় উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দিয়ে আমাদের মানহানি করার অপচেষ্টা করছেন’।

লিখিত বক্তব্যে চেয়ারম্যানরা জানান, গত বুধবার লামা বাজারের একটি চালের দোকান থেকে ১৮৪ বস্তা চাল জব্দ করেন লামা উপজেলা প্রশাসন। চাল জব্দের ঘটনাকে কেন্দ্র করে আলীকদম উপজেলা চেয়ারম্যান মো. আবুল কালাম কোন প্রকার যাচাই-বাছাই না করেই সংবাদ মাধ্যমে জানায়, চালগুলি আলীকদমের বিভিন্ন ইউনিয়নের। বিতরণ না করে সুযোগ বুঝে সংশ্লিষ্টরা কালোবাজারে বিক্রয় করে দিয়েছে’।

তারা বলেন, বৃহস্পতিবার আলীকদম ইউএনও কার্যালয়ে সেনাবাহিনীর প্রতিনিধির উপস্থিতিতে তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে প্রমাণিত হয়, লামায় জব্দকৃত চালগুলি সেনাবাহিনীর রেশনের চাল ছিল। সেগুলি ভিজিডির চাল নয়। লামায় জব্দ করা চালগুলো সিদ্ধ আর আলীকদমে যেসব ভিজিডির চার বিতরণ করা হয় তা হয় আতপ চাল। আলীকদমে ২০১৬-২০১৭ অর্থবছরের সর্বশেষ বরাদ্দ গত জুন মাসের ভিজিডির চাল ইতোমধ্যেই সুষ্ঠুভাবে বিতরণ করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে আলীকদম উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান বলেন, লামায় জব্দ করা চালগুলি ভিজিডির নয়। এগুলি সেনাবাহিনীর বিক্রিত রেশনের চাল ছিল। বৃহস্পতিবার সেনাবাহিনীর প্রতিনিধি, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকসহ সংশ্লিষ্টদের সাথে আলাপ করে সেটি নিশ্চিত হওয়া গেছে।




আলীকদমে আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবসে সাংবিধানিক স্বীকৃতি দাবি

 

আলীকদম  প্রতিনিধি:

পার্বত্য চট্টগ্রামের শান্তি চুক্তি পূর্ণ বাস্তবায়ন ও সাংবিধানিক স্বীকৃতির দাবিতে বান্দরবানের আলীকদম উপজেলায় আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস পালন করা হয়েছে। র‌্যালিতে নেতৃত্ব দেন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস)।

বুধবার (৯ আগস্ট) আদিবাসী দিবস উপলক্ষ্যে আলীকদম বাজার পাড়া থেকে বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে আলীকদম প্রেসক্লাব চত্ত্বরে উপজেলা জেএসএস সভাপতি শ্রী কাইনথপ ম্রো’র সভাপতিত্বে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বান্দরবান জেলা জেএসএস এর সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ইয়াঙান ম্রো। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা জেএসএস কমিটির ছাত্র ও যুব বিষয়ক সম্পাদক সাংথোয়াই মার্মা। স্বাগত বক্তব্য রাখেন আলীকদম উপজেলা পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ সভাপতি বিচিত্র তঞ্চঙ্গ্যা।

অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন কার্বারি কল্যাণ পরিষদ সভাপতি আগস্টিন ত্রিপুরা, পিসিজেএসএস এর সাধারণ সম্পাদক চাথোয়াই মং মার্মা, সহ-সাধারণ সম্পাদক থোয়াইরা মার্মা, সাংগঠনিক সম্পাদক বাচিংনু মার্মা, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক পরাস্ত ম্রো, বিগহা ত্রিপুরা ও রারুই ম্রো প্রমুখ।

সভায় বক্তারা বলেন, আদিবাসীদের সাংবিধানিক স্বীকৃতি দিতে সরকারকে বাধ্য করা হবে। পার্বত্য শান্তি চুক্তি পূর্ণ বাস্তবায়ন ও পার্বত্য চট্টগ্রামসহ দেশের সকল আদিবাসীদের সাংবিধানিক স্বীকৃতি দিতে হবে। বক্তারা সরকারকে পার্বত্যাঞ্চলে শান্তিচুক্তি বিরোধী কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থেকে আদিবাসী নেতৃবৃন্দের সাথে আলাপ-আলোচনা করে পার্বত্যবাসীর সমাস্যা সমাধানে আহ্বান জানান।




মতবিনিময় সভায় জেলা প্রশাসক: আলীকদমে এডিপি’র প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগের তদন্ত হবে

 

আলীকদম প্রতিনিধি:

আলীকদমে এডিপি’র প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগের তদন্ত হবে বলে জানিয়েছেন বান্দরবান জেলা প্রশাসক দিলীপ কুমার বণিক। একই সাথে অবৈধভাবে পাথর উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের হুশিয়ারীও দেন তিনি।

রবিবার আলীকদম উপজেলা পরিষদ হলরূমে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ ঘোষণা দেন।

জেলা প্রশাসকের পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে রবিবার দুপুরে আলীকদম উপজেলার উন্নয়ন কার্যক্রম, আইন-শৃঙ্ক্ষলা পরিস্থিতি এবং দুর্নীতি বিরোধি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এতে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবুল কালাম, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান, ভাইস চেয়ারম্যান কাইনথপ ম্রো, ইউপি চেয়ারম্যান জামালউদ্দিন, ফোগ্য মারমা ও ভারপ্রাপ্ত ইউএইচ এন্ড এফপিও ডা. মাহতাবউদ্দিনসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিরা।

উল্লেখ্য যে, গত ২০১৬-১৭ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচীর (এডিপি) ১ কোটি ১১ লাখ টাকার প্রকল্পে দুর্নীতি হয়েছে মর্মে উপজেলা চেয়ারম্যান ও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেন চার ইউপি চেয়ারম্যান। এনিয়ে দৈনিক যুগান্তরে ‘আলীকদমে এডিপি’র কোটি টাকার প্রকল্পে দুর্নীতি’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ পায়। সভায় এ দুর্নীতি নিয়ে ইউপি চেয়ারম্যানরা জেলা প্রশাসকের কাছে প্রকাশ্য অভিযোগ করেন। জেলা প্রশাসক তার বক্তব্যে এ দুর্নীতির অভিযোগের তদন্তে শ্রীঘ্রই একটি কমিটি গঠন করা হবে বলে জানান।




পাথরদস্যুতার শিকার আলীকদম উপজেলা

আলীকদম প্রতিনিধি:

বান্দরবানের আলীকদম উপজেলার বিভিন্ন ঝিরি ও খাল পাথরদস্যুতার কবলে পড়েছে। পাথরদস্যুরা এখন বেপরোয়া। সাম্প্রতিক সময়ে কয়েকজন পাথরদস্যুকে চি‎হ্নিত করা হলেও নেয়া হয়নি আইনগত ব্যবস্থা।

বান্দরবান জেলা প্রশাসক শনিবার বিকেলে জানিয়েছেন আলীকদমে পাথর আহরণের কোনো অনুমতি নেই। প্রয়োজনে জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে।

সরেজমিন অনুসন্ধানে জানা গেছে, আলীকদম-থানচি সড়ক নির্মাণ কাজে ব্যবহারের অজুহাতে কয়েকজন ব্যক্তি সড়কটির আশেপাশের ঝিরি থেকে হাজার হাজার ঘনফুট পথরের স্তুপ গড়ে তোলে। সে সময় পাথরদস্যুতার সাথে জড়িত ছিলেন আলীকদমের আবুল কালাম, হেলাল সওদাগর, চকরিয়ার কলিম উদ্দিন ও হুমায়ুন।

অপরদিকে, উপজেলার বাঘেরঝিরি এলাকায় অবৈধভাবে পাথর উত্তোলনে জড়িত জাহিদ, কবির, মাহাবুব, সুজিত ও মহিউদ্দিন। এছাড়াও লামা বন বিভাগের মাতামুহুরী রিজার্ভের তুলাতলী, বুজি ও ধুমচি খাল এলাকা থেকে নির্বিচারে পাথর তুলছে স্থানীয় ও বহিরাগত কতিপয় ব্যক্তি। গতকাল স্থানীয় বন বিভাগ ইমরান নামে একজন পাথরদস্যুকে আটক করে থানায় সোপর্দ করেছেন।

আলীকদম-থানচি সড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ৪৬ হাজার ঘনফুট পাথর জব্দ করেন। সম্প্রতি সেসব পাথর নিলামে বিক্রি করা হয়। নিলামে ৪৬ হাজার ঘনফুট পাথর নিলাম পান স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান জামাল উদ্দিন। অপরদিকে, বাঘের ঝিরি এলাকায় আরো ৩ হাজার ঘনফুট পাথর জব্দ করা হয়।

গত দু’বছর আগে আলীকদম-থানচি সড়কের বিভিন্ন ঝিরি থেকে যারা অবৈধভাবে পাথর উত্তোলনে জড়িত ছিলেন তাদের অন্যতম স্থানীয় আবুল কালাম ঠিকাদার। সম্প্রতি তিনি স্থানীয় একজন ইউপি চেয়ারম্যানের মাধ্যমে ৪০ হাজার ঘনফুট ‘পাথর পরিবহণের অনুমতিপত্র’ পেয়েছেন। এখন সে ‘অনুমতিপত্র’ দিয়ে অবৈধ পাথরকে বৈধ করার সুযোগ পেয়েছেন গুণধর এ ঠিকাদার।

স্থানীয়রা বলেন, সেসব পাথর অবৈধভাবে আহরণে যারা জড়িত ছিলেন ঘুরেফিরে তাদেরকেই নিলাম দেওয়া হয়।  ভ্রাম্যমান আদালত পাথর জব্দ করলেও পাথরদস্যুদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।

তবে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান বলেন, ভ্রাম্যমান আদালত পাথর জব্দের পাশাপাশি জড়িতদের বিরুদ্ধে জরিমানা করেছেন।

উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান কাইনথপ ম্রো বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে মাতামুহুরী রিজার্ভ এলাকা থেকে কতিপয় ব্যক্তি পাথর আহরণ করছেন। এতে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হবে এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠী পানি সংকটে ভূগবেন। একই দাবি করেন কুরুকপাতা ইউপি চেয়ারম্যান ক্রাতপুং ম্রো। তার মতে, মাতামুহুরী রিজার্ভ থেকে নির্বিচারে পাথর তোলার বিষয়ে বন বিভাগের হস্তক্ষেপ করা উচিত।

স্থানীয়রা জানান, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পাহাড়ধস ও ও নদীর নাব্যতা সংকটের পেছনে অন্যতম কারণ নির্বিচারে পাথর উত্তোলন। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় মাটি খুঁড়ে পাথর উত্তোলন, আহরণ বা পরিবহণ নিষিদ্ধ।

জানতে চাইলে বান্দরবান জেলা প্রশাসক দিলীপ কুমার বণিক শনিবার বিকেলে মুঠোফোনে জানান, আলীকদমে পাথর আহরণের কোনো অনুমতি নেই। যারা এসব করছে প্রয়োজনে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে।




আলীকদমে এডিপি’র প্রকল্প নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ

আলীকদম প্রতিনিধি:

বান্দরবানের আলীকদম উপজেলায় ২০১৬-১৭ অর্থবছরে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচীর (এডিপি) ১ কোটি ১১ লাখ টাকায় গৃহীত ৭৯ টি প্রকল্পের বাস্তবায়ন নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। অর্থবছর শেষ হলেও অনেক প্রকল্পের কাজ না করে অর্থ আত্মসাত করা হয়।

প্রকল্প বাছাই, প্রস্তুতকরণ ও অনুমোদন পদ্ধতিতে মানা হয়নি স্থানীয় সরকার বিভাগের নির্দেশিকা। উপজেলা চেয়ারম্যান নিজের আখের গোছাতে ভুয়া ও মনগড়া প্রকল্প গ্রহণ করেন। উপজেলার চারটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানরা এনিয়ে জেলা প্রশাসকের কাছে অভিযোগ করে তদন্ত দাবি করেছেন। তবে প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়নে দুর্নীতি হয়নি বলে দাবী করেন ইউএনও এবং উপজেলা প্রকৌশলী।

বান্দরবান জেলা প্রশাসকের কাছে উপজেলার চারজন ইউপি চেয়ারম্যানের স্বাক্ষরিত অভিযোগে প্রকাশ, গত ২০১৭-১৭ অর্থবছরে আলীকদম উপজেলায় এডিপির সাধারণ খাতে ৭৩ লাখ ৬৫ হাজার টাকায় ৫০টি প্রকল্প এবং বিশেষ খাতে ৩৮ লাখ ৩০ হাজার টাকায় ২৯ টি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। প্রকল্প বাছাই, প্রস্তুতকরণ ও অনুমোদন পদ্ধতিতে মানা হয়নি ‘উপজেলা পরিষদ উন্নয়ন তহবিল নির্দেশিকা। প্রকল্প বাছাই কমিটিতে ইউপি চেয়ারম্যানদের মতামত নেয়া হয়নি।

অভিযোগপত্রে স্বাক্ষর করেন ১নং আলীকদম ইউপি চেয়ারম্যান জামাল উদ্দিন, ২নং চৈক্ষ্যং ইউপি চেয়ারম্যান ফেরদৌস রহমান, ৩নং নয়াপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান ফোগ্য মার্মা ও ৪নং কুরুকপাতা ইউপি চেয়ারম্যান ক্রাতপুং ম্রো। তারা সকলেই বিগত ইউপি নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান।

স্থানীয় সরকার বিভাগের নির্দেশনায় বলা আছে, ‘ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের আহবান করে তাঁদের উপস্থিতিতে প্রণীত উন্নয়ন প্রকল্পগুলো পরীক্ষা ও বাছাই করবেন। কমিটি প্রকল্পগুলো বাছাই চূড়ান্ত করে উপজেলা পরিষদ সভায় পেশ করবে’।

ইউপি চেয়ারম্যানরা অভিযোগ করেন, ‘অর্থবছর শেষ হলেও এসব প্রকল্পের বেশীর ভাগ বাস্তবায়ন হয়নি। প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়ন না করে প্রকল্পের টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। প্রকল্প বাছাইয়ে ইউপি চেয়ারম্যানদের মতামত নেওয়া হয়নি। নিয়মানুযায়ী ইউনিয়ন পরিষদে উপ-বরাদ্দের চিঠি দেয়া হয়নি। এডিপির অর্থবরাদ্দের বিষয় গোপন করা হয়। অর্থ বছরের শেষের দিকে তড়িঘড়ি করে উপজেলা চেয়ারম্যানের নির্দেশনামতে মনগড়া প্রকল্প নিয়ে আত্মসাতের সুযোগ করা হয়। অস্তিত্বহীন সংগঠনের নামেও প্রকল্প নেওয়া হয়েছে।

সদর ইউপি চেয়ারম্যান জামাল উদ্দিন বলেন, এক ইউনিয়নের মেম্বারকে অন্য ইউনিয়নের প্রকল্পের কমিটির ‘পিআইসি’ করা হয়। এতে ইউপি চেয়ারম্যান ও মেম্বারদের মাঝে পরিকল্পিতভাবে বিরোধ তৈরি করছেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান। একই অভিযোগ অন্য তিনজন ইউপি চেয়ারম্যানদেরও।

নয়াপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান ফোগ্য মার্মা ও কুরুকপাতা ইউপি চেয়ারম্যান ক্রাতপং ম্রো বলেন, সরকার প্রধানের অভিপ্রায়ে আলীকদমের দুইটি ইউনিয়নকে বিভাজন করে ৩নং নয়াপাড়া ও ৪নং কুরুকপাতা ইউনিয়ন গঠিত হয়। নবগঠিত এ দুই ইউনিয়নের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে বিভিন্ন অগ্রাধিকার প্রকল্প গ্রহণের কথা। নবগঠিত ইউনিয়ন দুইটিতে উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণে বিমাতা সুলভ আচরণ করে উপজেলা পরিষদ।

অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা প্রকৌশলী হেলালুর রহমান বলেন, এডিপির অর্থে এমন সুন্দর করে অতীতে আলীকদমে কোন প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়ন হয়নি। নির্দেশিকা মেনে সব প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। কোনো দুর্নীতি হয়নি।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান বলেন, ইউপি চেয়ারম্যানদের কোন অভিযোগ আমার জানা নেই। নানা কারণে কিছু প্রকল্প দেরীতে বাস্তবায়ন হচ্ছে। তবে শীঘ্রই সব প্রকল্প শতভাগ বাস্তবায়ন করা হবে।




আলীকদমে গয়ামঝিরি বিদ্যালয় ভাঙনের কবলে

আলীকদম প্রতিনিধি:

আলীকদম উপজেলায় ২০১৩ সালে নির্মিত গয়ামঝিরি পঞ্চবিহারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ভাঙনের কবলে পড়ে বিলীন হওয়ার উপক্রম হয়েছে। ১৫০০ বিদ্যালয়বিহীন এলাকায় স্কুল নির্মাণ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) বিদ্যালয়টি নির্মাণ করে। বর্তমানে সেখানে শ্রেণি কার্যক্রম চলছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার নয়াপাড়া ইউনিয়নের গয়ামঝিরির পাশ ঘেঁষে অপরিকল্পিতভাবে স্থান নির্ধারণ করে বিদ্যালয়টি নির্মিত হয়। নির্মাণ ব্যয় ছিল প্রায় ৬১ লাখ টাকা। বিদ্যালয় নির্মাণকালে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে উঠে নানা অভিযোগ। গতবছর এবং চলতি বর্ষায় প্রবল বর্ষণে গয়ামঝিরির স্রোত বেড়ে যাওয়ায় বিদ্যালয়ের পাশে ভাঙন দেখা দেয়। বর্তমানে ভাঙন বিদ্যালয়ের পূর্ব পাশের ৪/৫ ফুটের মধ্যেই চলে এসেছে।

নয়াপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান ফোগ্য মারমা জানান, পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশে তিনি এবং এলজিইডির একজন প্রকৌশলী বুধবার বিদ্যালয়ের ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করেন। তবে জরুরী ভিত্তিতে ভাঙন রোধের জন্য কোন অর্থ বরাদ্দ হাতে নেই।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আলমগীর জানান, ভাঙন নিয়ে বিদ্যালয়ের শিক্ষক, অভিভাবক ও ছাত্র-ছাত্রী শঙ্কিত হয়ে পড়েছে। তিনি কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

উপজেলা প্রকৌশলী হেলাল রহমান জানান, বুধবার উপজেলা মাসিক উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভায় এ বিদ্যালয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। অর্থবছর শেষ হওয়ায় কোন বরাদ্দ হাতে নেই। তারপরও ভাঙন রোধে চেষ্টা করা হচ্ছে।




আলীকদম ইউএনও’র সাথে বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সাক্ষাত

 

আলীকদম প্রতিনিধি:

বান্দরবানের আলীকদম উপজেলা বিএনপির নবগঠিত আহ্বায়ক কমিটির নেতৃবৃন্দ বুধবার বিকেলে ইউএনও’র সাথে সাক্ষাত করেছেন। এতে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাশুক আহামদ, যুগ্ম আহ্বায়ক যথাক্রমে জুলফিকার আলী ভূট্টো, আব্দুল হামিদ, মোহাম্মদ ইউনুচ, শিরিনা আক্তার ও জয়নাল আবেদীন প্রমুখ।

এ সময় ইউএনও বিএনপি নেতাদেরকে উপজেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় ভূমিকা রাখাসহ সুষ্ঠ রাজনৈতিক পরিবেশ নিশ্চিত করার পরামর্শ দেন।




আলীকদম বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি গঠিত

আলীকদম প্রতিনিধি:

বান্দরবানের আলীকদম উপজেলায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদি দল-বিএনপি’র ৫১ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি গঠিত হয়েছে। একই সাথে পূর্বের আলীকদম উপজেলা বিএনপি’র কমিটি বাতিল করা হয়েছে।

মাশুক আহামদকে আহ্বায়ক, মো. জুলফিকার আলী ভূট্টো, আব্দুল হামিদ, মো. মনছুর আলম, শিরিনা আক্তার, মো. ইউনুচ মিয়া ও জয়নাল আবেদীনকে যুগ্ম আহ্বায়ক করে ৫১ সদস্যের এই কমিটি গঠিত হয়। ২৪ জুলাই বান্দরবান জেলা বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক জসিম উদ্দিন তুষার স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা গেছে।

মঙ্গলবার বিকেলে আলীকদম প্রেসক্লাবে নবগঠিত আহ্বায়ক কমিটির নেতারা এক মতবিনিময় সভায় মিলিত হন। এতে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাশুক আহামদ, যুগ্ম আহ্বায়ক মো. জুলফিকার আলী ভূট্টো, আব্দুল হামিদ মো. মনছুর আলম, শিরিনা আক্তার, মো. ইউনুচ মিয়া ও জয়নাল আবেদীন প্রমুখ।

জানতে চাইলে মঙ্গলবার বিকেলে জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক জাবেদ রেজা বলেন, পূর্বের কমিটির কারণে আলীকদমে বিএনপির রাজনীতি স্থবির হয়ে পড়ে ছিল। তাই তৃণমূল নেতাকর্মীদের সংগঠিত করে ৫১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।




আলীকদমে স্কুলে স্কুলে বৃক্ষরোপন

 

আলীকদম প্রতিনিধি:

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের উদ্যোগে সারা দেশের মতো আলীকদম উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়, উপজেলা রিসোর্স সেন্টার ও উপজেলা শিক্ষা অফিসের তত্বাবধানে বৃক্ষরোপন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। রবিবার এবং সোমবার এ বৃক্ষরোপন করা হয়।

ইউআরসি ইন্সট্রাক্টর মোহাম্মদ আলমগীর জানান, উপজেলা শিক্ষা অফিস ও আলীকদম ইউআরসি’র সামনে এবং প্রাথমিক বিদ্যালয় গুলোতে ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছ রোপন করা হয়।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উপজেলার দুর্গম বিদ্যালয় গুলো সঠিক ভাবে না চলায় কিছু কিছু বিদ্যালয়ে অধিদপ্তরের নির্দেশনা মতে গাছ লাগানো হয়নি।