পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফের পদত্যাগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফ পদত্যাগ করেছেন। শুক্রবার পাকিস্তানের জাতীয় জবাবদিহি আদালত নওয়াজ শরীফকে প্রধানমন্ত্রী পদের অযোগ্য ঘোষণার কিছু পরেই তিনি এই পদত্যাগ করেন।

একই সাথে বিপুল অঙ্কের বেনামি সম্পত্তি রাখার অভিযোগে পাক প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করার নির্দেশ দিল জবাবদিহি আদালত।  একই আদেশে আদালত অর্থমন্ত্রী ইসহাক ধরকেও অযোগ্য ঘোষণা করেছে। পাকিস্তানের জিও টিভি প্রকাশিত খবরে একথা বলা হয়েছে।

পানামা পেপাস মামলার ৫ টি রায়ের সবগুলোই পাকিস্তানের এই প্রধানমন্ত্রী, তার কন্যা মারিয়াম, পুত্র  হোসাইন এবং হাসানের বিরুদ্ধে গিয়েছে। নওয়াজ শরীফ সুপ্রীম কোর্টের এই সিদ্ধান্তে দুঃখ প্রকাশ করেছেন। এবং একই সাথে পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী বাছাইয়ের ব্যাপারে কাজ শুরু করে দিয়েছেন।

এটি নওয়াজ শরীফের তৃতীয় মেয়াদে প্রধানমন্ত্রীত্ব ছিলো। মনে হচ্ছিল পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে তিনিই প্রথম মেয়াদ পূর্ণ করতে চেয়েছেন। কিন্তু মেয়াদ পুর্তির এক বছর আগেই তাকে পদত্যাগ করতে হলো। আগামী ২০১৮ সালে পাকিস্তানে জাতীয় নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে।

পাকিস্তানের সুপ্রীম কোর্ট নির্বাচন কমিশনকে তার সংসদীয় আসন খালি করার নির্দেশও দিয়েছে। নির্দেশ পেয়ে পাকিস্তান নির্বাচন কমিশন আসন খালি করার কৌশলগত কাজও শুরু করে দিয়েছে। সুপ্রীম কোর্টের মতে, শরীফ তার নমিনেশন পেপারে দুবাই ভিত্তিক ক্যাপিটাল কোম্পানী এফজেডই এর কথা উল্লেখ করেননি। যা অসততা ও অবিশ্বস্ততার পর্যায়ে পড়ে। বিচারকগণ রায়ে বলেছেন, নওয়াজ শরীফ আদালত ও পার্লামেন্টের প্রতি অসততা আচরণ দেখিয়েছেন যা তার পদের প্রতি অযোগ্য প্রমাণ করে।

পাকিস্তানের এটর্নি জেনারেল আসতার আওসাফ আলী জানিয়েছে, পদত্যাগ করা সত্ত্বেও প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফ তার অফিসের থাকবেন এবং রাষ্ট্রপতির সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষা করবেন।

পাকিস্তান সংবিধানের ১৯০ ধারা অনুযায়ী দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী ক্ষমতায় থাকবেন না না থাকবেন না সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহনের জন্য রাষ্ট্রপতিকে ক্ষমতা দেয়া হয়েছে।

 




নওয়াজ শরীফকে প্রধানমন্ত্রী পদের অযোগ্য ঘোষণা করলো পাকিস্তান জবাবদিহি আদালত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফকে প্রধানমন্ত্রী পদের অযোগ্য ঘোষণা করেছে পাকিস্তানের জবাবদিহি আদালত। এই রায়ের পর প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেন নওয়াজ শরীফ। বিপুল অঙ্কের বেনামি সম্পত্তি রাখার অভিযোগে পাক প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করার নির্দেশ দিল পাকিস্তানের জাতীয় জবাবদিহি আদালত। নওয়াজ শরিফকে প্রধানমন্ত্রী পদে থাকার অযোগ্য বলে ঘোষণা করে দিল পাকিস্তানের এ আদালত। শুক্রবার আদালত এক রায়ে এ ঘোষণা দেয়। একই আদেশে আদালত অর্থমন্ত্রী ইসহাক ধরকেও অযোগ্য ঘোষণা করেছে। পাকিস্তানের জিও টিভি প্রকাশিত খবরে একথা বলা হয়েছে।

পানামা পেপাস মামলার ৫ টি রায়ের সবগুলোই পাকিস্তানের এই প্রধানমন্ত্রী, তার কন্যা মারিয়াম, পুত্র  হোসাইন এবং হাসানের বিরুদ্ধে গিয়েছে।

বিস্তারিত আসছে….




তিপ্রাল্যান্ড কি আরেক গোর্খাল্যান্ড হবে?


নিজাম উদ্দিন লাভলু, রামগড়(খাগড়াছড়ি)সংবাদদাতা:

ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে তিপ্রাল্যান্ড নামে পৃথক একটি প্রদেশ প্রতিষ্ঠার দাবীতে আইপিএফটি (ইন্ডিজিনাস পিপলস ফ্রন্ট অব ত্রিপুরা) নামে একটি সংগঠন ত্রিপুরায় গত ১০দিন ধরে আন্দোলন সংগ্রাম চালাচ্ছে। ভারতীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমে আশঙ্কা ব্যাক্ত করে বলা হয়েছে তিপ্রাল্যান্ড কি গোর্খাল্যান্ড আন্দোলনের দিকে এগুচ্ছে?

এদিকে খাগড়াছড়িতে ‘বাংলাদেশ ত্রিপুরার্স’ ব্যানারে পৃথক তিপ্রাল্যান্ডের এ আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানিয়ে বৃহষ্পতিবার মানববন্ধন করেছে একদল স্থানীয় ত্রিপুরা উপজাতীয় নারী-পুরুষ।

কোলকাতা ও আগরতলার বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক সূত্রে জানা গেছে, আইপিএফটি নামে একটি সংগঠন তিপ্রাল্যান্ড নামে পৃথক একটি রাজ্য প্রতিষ্ঠার দাবীতে গত ১০ জুলাই অনির্দিষ্টকালের জন্য ত্রিপুরা রাজ্যে সড়ক ও রেল অবরোধ কর্মসূচির ঘোষণা দেয়। ফলে সেখানে সড়ক ও রেল অবরোধের কারণে জনজীবন অচল হয়ে পড়ে।

অন্যদিকে, পৃথক তিপ্রাল্যান্ড প্রতিষ্ঠার দাবীতে আইপিএফটির ডাকা অনির্দিষ্টকালীন অবরোধ কর্মসূচির প্রতিবাদে বুধবার প্রদেশ কংগ্রেস ১২ঘন্টার ধর্মঘটের ডাক দেয়।

আইপিএফটির অবরোধ কর্মসূচি চলাকালে সংগঠনটির কর্মীরা নগ্ন হয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। এ নিয়ে ত্রিপুরা রাজ্য জুড়ে ব্যাপক নিন্দার ঝড় উঠে। সেখানকার একটি ট্যাবলয়েট পত্রিকায় এ সংক্রান্ত প্রকাশিত সংবাদের শিরোনাম দেয়া হয়, ‘তিপ্রাল্যান্ড নাকি লেংটাল্যান্ড?’।

সংবাদে উল্লেখ করা হয়, আন্দোলনের নামে আইপিএফটির এ ধরণের অশালীন, অশ্লীলতায় সব মহলে ব্যাপক সমালোচনার ঝড় উঠে।

সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত খবরে জানা গেছে, তিপ্রাল্যান্ড প্রতিষ্ঠার ইস্যু নিয়ে আইপিএফটি ভারতের কেন্দ্রিয় সরকার ও রাজ্যসরকারের সাথে ত্রিপাক্ষিক আলোচনার দাবী জানালেও তাতেও সাড়া দেয়নি সেদেশের সরকার।

এদিকে ত্রিপুরায় নতুন করে পৃথক তিপ্রাল্যান্ড প্রতিষ্ঠার এমন দাবী উঠায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এনিয়ে সেখানকার সচেতন নাগরিকরা প্রতিবাদের ঝড় তুলেছেন।

আইটিএফের সভাপতি নরেন্দ্র চন্দ্র দেব বর্মা এই ইস্যুতে রাজ্য ও কেন্দ্র সরকারের সাথে আলোচনার আহ্বান জানিয়েছেন।

এদিকে, ভারতের ত্রিপুরায় আইপিএফটি’র পৃথক তিপ্রাল্যান্ড প্রতিষ্ঠার আন্দোলনের প্রতি সমর্থন ও সংহতি জানিয়ে ২০ জুলাই বৃহস্পতিবার খাগড়াছড়ি সদরে মানববন্ধন করেছে ত্রিপুরা উপজাতীয় নারী পুরুষরা। ‘বাংলাদেশ ত্রিপুরার্স’ ব্যানারে সকাল ১১টার দিকে খাগড়াছড়ি প্রেসক্লাবের সামনে এ মানববন্ধনে এডভোকেট শুভ্রদেব ত্রিপুরা, কলেজ ছাত্র নয়ন ত্রিপুরা, পানছড়ির মনিন্দলাল ত্রিপুরা ও রণ বিকাশ ত্রিপুরা প্রমুখ বক্তব্য দেন।

ভারতের ত্রিপুরায় পৃথক তিপ্রাল্যান্ড প্রতিষ্ঠার দাবীতে চলমান আন্দোলনের প্রতি পুর্ণ সমর্থন জানিয়ে বক্তারা বলেন, ‘এটা ন্যায় সঙ্গত ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন। বাংলাদেশের ত্রিপুরা জনগোষ্ঠী এ আন্দোলনের প্রতি সবর্দা সমর্থন দিয়ে যাবে।’

এদিকে ভারতের ত্রিপুরায় পৃথক তিপ্রাল্যান্ড প্রতিষ্ঠার এ আন্দোলনের সমর্থনে খাগড়াছড়িতে শতাধিক ত্রিপুরা উপজাতীয় নারী পুরুষের মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা নিয়ে বিভিন্ন মহলে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত খাগড়াছড়ির এডেভোকেট শুভ্রদেব ত্রিপুরা বলেন, মূল ত্রিপুরা ল্যাণ্ডের আয়তন ১০৪৯২ বর্গ কি.মি.। এর মধ্যে জেনারেল ল্যান্ড ৩৩৬৯.৩৫ বর্গ কি.মি.। এখানে বাঙালীসহ সবাই বাস করে। বাকি ৭১৩২.৬৫ বর্গ কি.মি. এলাকা ত্রিপুরা ট্রাইবাল অটোনোমাস ডিস্ট্রিক্ট কাউন্সিলের(টিটিএডিসি) মাধ্যমে শাসিত হয়।

এটি একটি স্বশাসিত এলাকা। এখানে ট্রাইবাল ছাড়া অন্য কেউ বসবাস করতে পারবে না- এমন সংরক্ষণ আইন রয়েছে। এই এলাকা অনুন্নত হওয়ায় ভারতের সংবিধান অনুযায়ী তিপ্রাল্যান্ড নামে পৃথক একটি রাজ্য প্রতিষ্ঠার জন্য এসি দেববর্মার নেতৃত্বে দীর্ঘদিন আন্দোলন চলে আসছে। বাংলাদেশের ত্রিপুরারা সেই আন্দোলনের সাথে সংহতি প্রকাশ করেছে মাত্র।




ভূমিধ্বসে ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে এক মিলিয়ন ডলার বরাদ্ধ জাতিসংঘের

পার্বত্যনিউজ:

সম্প্রতি বাংলাদেশের ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসন কার্যক্রমে আর্থিক সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে জাতিসংঘের কেন্দ্রীয় জরুরি সাড়া প্রদান তহবিল (সের্ফ) এক মিলিয়ন মার্কিন ডলার বরাদ্দ করেছে। ক্ষতিগ্রস্ত ৫১ হাজার মানুষকে সহায়তার জন্য ১০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার চাওয়া হলে এই এক মার্কিন ডলার বরাদ্দ দেয়া হয়।

গতকাল শুক্রবার ঢাকাস্থ জাতিসংঘের আবাসিক কার্যালয়ের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়। এতে আরো বলা হয়, গত জুন মাসে ভারি বৃষ্টিপাতের কারণে মারাত্মক ভূমিধস ও তীব্র বন্যায় বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামে ১৬৬ জনের মৃত্যু হয় এবং বহুসংখ্যক মানুষ আহত হন।

বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে মারাত্মক এ ভূমিধসে অনেক ঘরবাড়ি ধ্বংস হয়েছে এবং বহু মানুষ অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়।

রাঙ্গামাটি, চট্টগ্রাম ও বান্দরবান জেলায় সংঘটিত এ ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় সের্ফ তহবিলের এ অর্থ প্রয়োজনের কিছু অংশ মেটাবে বলে উল্লেখ করে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জাতিসংঘের তিনটি সংস্থ জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি), জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল (ইউএনএফপিএ) এবং জাতিসংঘ শিশু তহবিলের (ইউনিসেফ) মাধ্যমে এ অর্থ প্রদান করা হবে। সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত রাঙামাটি জেলার চাহিদা মেটাতে এ অর্থ ব্যবহার করা হবে।




জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থার সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করলেন রামুর করুনাশ্রী ভিক্ষু


রামু প্রতিনিধি :
জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) এর উদ্যোগে থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠিত আর্ন্তজাতিক সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে যোগদান শেষে দেশে ফিরেছেন, রামুর ১০০ ফুট সিংহশয্যা বুদ্ধমুর্তি সম্বলিত বিমুক্তি বিদর্শন ভাবনা কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও অধ্যক্ষ করুনাশ্রী ভিক্ষু।

গত ৭ হতে ১০ জুলাই পর্যন্ত থাইল্যান্ডের চেংরাই শহরের চেরাটন ইন্টারন্যাশনাল মেডিটেশন সেন্টারে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে বিশ্বশান্তি কামনায় বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হয়।

তিনদিন ব্যাপী সম্মেলনে বাংলাদেশ প্রতিনিধি করুনাশ্রী ভিক্ষু বাংলাদেশের বেকারত্ব, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত বন্যা, খরা, ভূমিকম্পসহ বিভিন্ন সমস্যা ও এসবের প্রতিকার নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য প্রদান করেন।

তিনি বাংলাদেশে বিরাজমান সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশের কথা উল্লেখ করে দেশের উন্নয়ন, অগ্রগতি অব্যাহত রাখতে সম্মেলনে আসা বিশ্ব নেতৃবৃন্দের সহযোগিতা কামনা করেন।

সম্মেলনে বিশ্বের ২০টিরও বেশী দেশের সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা, ধর্মীয় ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ অংশ নেন। সম্মেলন উপলক্ষে ৫ দিনের সফর শেষে দেশে ফিরেছেন অধ্যক্ষ করুনাশ্রী ভিক্ষু। তিনি সকলের প্রতি মৈত্রীময় শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।




মহেশখালীতে এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণের চুক্তি

মহেশখালী প্রতিনিধি:

মহেশখালীতে ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনে আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ফিন্যান্স করপোরেশন (আইএফসি) ও প্রকল্প বাস্তবায়নের দায়িত্ব পাওয়া এক্সিলারেট এনার্জি বাংলাদেশ লিমিটেডের মধ্যে চুক্তি হয়েছে।

মঙ্গলবার ঢাকার একটি হোটেলে প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি উপদেষ্টা তৌফিক-ই-এলাহী চৌধুরী ও বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপুর উপস্থিতিতে এ চুক্তি হয়।

এসময় জানানো হয়, আইএফসি ছাড়াও জাইকা, সিডিসি, ডিইজি এবং এফএমও এই প্রকল্পে অর্থের যোগান দিচ্ছে। প্রকল্পে খরচ হবে ১৭৯ দশমিক ৫০ মিলিয়ন ডলার, যার ইক্যুইটি ৫৩ দশমিক ৮ মিলিয়ন ডলার এবং ঋণ ১২৫ দশমিক ৭ মিলিয়ন ডলার। প্রকল্পে আইএফসির ঋণ ৩২ দশমিক ৮ মিলিয়ন ডলার। এছাড়া সিডিসি ২৫ মিলিয়ন, ডিইজি ১৫ মিলিয়ন, এফএমও ২০ মিলিয়ন ডলার ঋণ দিচ্ছে।

অনুষ্ঠানে তৌফিক-ই-এলাহী চৌধুরী বলেন,‘এই প্রকল্পটি বাংলাদেশের জন্য মাইলফলক। দ্রুততম সময়ের মধ্যে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করে গ্যাসের চাহিদা পূরণ করা হবে। এ জন্য সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে।”

বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন,জ্বালানি নিরাপত্তা বিধানের অন্যতম চ্যালেঞ্জ দক্ষ জনশক্তি। প্রাকৃতিক গ্যাসের বিকল্প হিসেবে এলপিজি ও এলএনজি ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এলএনজির ব্যবহার বাংলাদেশে এখনও হয়নি। আশা করা যাচ্ছে ২০১৮ সালের প্রথম দিক থেকে এলএনজির ব্যবহার শুরু হবে। এজন্য ব্যবস্থাপনা লেভেলে দক্ষ জনশক্তি প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানে এক্সিলারেট এনার্জির (ইইবিএল) পক্ষে চিফ ফাইন্যান্স অফিসার এবং ম্যানেজিং ডিরেক্টর নিক বিডফোর্ট এবং আইএফসির পক্ষে বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার মিজ উইন্ডি ওর্য়ানার চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
কক্সবাজারের মহেশখালীতে ৫০০ এমএমসিএফডি ক্ষমতা সম্পন্ন একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের লক্ষ্যে ২০১৬ সালের ১৮ জুলাই জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ এবং এক্সিলারেট এনার্জির মধ্যে ইমপ্লিমেনটেশন এগ্রিমেন্ট এবং পেট্রোবাংলা ও ইউবিএলের মধ্যে টার্মিনাল ব্যবহার চুক্তি হয়। ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে এলএনজি ধারণ ক্ষমতা হবে ১ লাখ ৩৮,০০০ ঘনমিটার। ১৫ বছর পর টার্মিনালটি কোনো বিনিময় মূল্য ছাড়া পেট্রোবাংলার কাছে হস্তান্তর করা হবে চুক্তি অনুযায়ী। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব নাজিমুদ্দিন চৌধুরী, পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান আবুল মনসুর মো ফয়জুল্লাহ, আইএফসির প্রিন্সিপ্যাল ইনভেস্টমেন্ট অফিসার কামাল দোরাবাইলাসহ দাতা সংস্থাগুলোর প্রতিনিধিরা চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।




পার্বত্য চুক্তি বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়ে স্কটল্যান্ডে ইউএনপিও’র ১৩তম সম্মেলনে রেজুলেশন গ্রহণ


পার্বত্যনিউজ ডেস্ক:

পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির যথাযথ ও পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়ে স্কটল্যান্ডের এডিনবার্গ শহরে অনুষ্ঠিত প্রতিনিধিত্বহীন জাতি ও জাতিগোষ্ঠীর সংগঠন (ইউএনপিও) এর ১৩তম সাধারণ সম্মেলনে এক রেজুলেশন গ্রহণ করা হয়েছে। উক্ত রেজুলেশনে পার্বত্য চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য সময়সূচি ভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা (রোডম্যাপ) ঘোষণার জন্য বাংলাদেশ সরকারকে আহ্বান জানানো হয়েছে। ইনফরমেশন এন্ড পাবলিসিটি ডিপার্টমেন্ট অভ পিসিজেএসএস কর্তৃক প্রকাশিত এক খবরে এ তথ্য দেয়া হয়েছে।

খবরে আরো বলা হয়েছে, গত ২৬-২৮ জুন ২০১৭ ইউএনপিও’র এই ১৩তম সাধারণ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সম্মেলনে ইউএনপিও’র অতীত ও ভবিষ্যত কার্যক্রম ও কর্মকৌশল বিষয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এছাড়া উক্ত সম্মেলনে ৮-সদস্যক প্রেসিডেন্সীর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইউএনপিও’র সাধারণত ১৮-২৪ মাস অন্তর একবার সাধারণ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ইউএনপিও’র ২৪টি সদস্য-সংগঠনের প্রতিনিধি এই সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন।

পাবত্য চট্টগ্রাম থেকে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির সহ সভাপতি ও রাঙ্গামাটি পার্বত্য আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য উষাতন তালুকদার এবং জনসংহতি সমিতির সাধারণ সম্পাদক প্রণতি বিকাশ চাকমা উক্ত সম্মেলনে যোগদান করেন। উক্ত ১৩তম সম্মেলনে পশ্চিম বেলুচিস্তানের মি. নাসের বোলাদাই’কে প্রেসিডেন্ট এবং আফ্রিকার ওগাডেন থেকে মি. আবদিরহমান মাহদি ও ওয়ার্ল্ড ওইগুর কংগ্রেসের মি. দোলকুন ইসাকে ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে নির্বাচিত করা হয়।

ইউএনপিও সাধারণ সম্মেলনে পার্বত্য চট্টগ্রাম সংক্রান্ত গৃহীত রেজুলেশনে আরো বলা হয় যে, দীর্ঘ আড়াই দশক ধরে আন্দোলনের ফলে পার্বত্য চট্টগ্রাম সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে ১৯৯৭ সালের ২রা ডিসেম্বর পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। কিন্তু দীর্ঘ দুই দশক অতিক্রান্ত হলেও পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ ও তিন পার্বত্য জেলা পরিষদের কার্যাবলী হস্তান্তর; পার্বত্য চট্টগ্রামের জুম্ম অধ্যুষিত অঞ্চলের বৈশিষ্ট্য সংরক্ষণ; ‘অপারেশন উত্তরণ’সহ অস্থায়ী ক্যাম্প প্রত্যাহার; ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তিকরণ, ভারত প্রত্যাগত জুম্ম শরণার্থী ও আভ্যন্তরীণ উদ্বাস্তুদের স্ব স্ব জায়গা-জমি প্রত্যর্পণসহ পুনর্বাসন; পার্বত্য চট্টগ্রামের সকল চাকুরিতে জুম্মদের অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে স্থায়ী বাসিন্দাদের নিয়োগ, চুক্তির সাথে সঙ্গতি বিধানকল্পে পুলিশ এ্যাক্ট, পুলিশ রেগুলেশন ও ১৯০০ সালের পার্বত্য চট্টগ্রাম শাসনবিধিসহ পার্বত্য চট্টগ্রামে প্রযোজ্য অন্যান্য আইন সংশোধন; সেটেলার বাঙালিদেরকে পার্বত্য চট্টগ্রামের বাইরে সম্মানজনক পুনর্বাসন ইত্যাদি চুক্তির মৌলিক বিষয়সমূহ এখনো অবাস্তবায়িত অবস্থায় রয়েছে।

ইউএনপিও সাধারণ সম্মেলনে বলা হয় যে, ১৫ বছর ধরে দেনদরবারের পর অবশেষে গত ৬ অক্টোবর ২০১৬ জাতীয় সংসদে পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন (সংশোধন) আইন ২০১৬ পাশ করা হয়। কিন্তু আইন সংশোধন করলেও ভূমি কমিশনের জন্য সরকার এখনো পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ করেনি, প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগের উদ্যোগ গ্রহণ করেনি, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান জেলায় দু’টি শাখা অফিস স্থাপন করেনি, সর্বোপরি কমিশনের কার্যপ্রণালী বিধিমালা চূড়ান্ত করেনি। কার্যপ্রণালী বিধিমালা ব্যতীত কমিশনের ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তির কাজ তথা বিচারিক কার্যক্রম শুরু করা কঠিন বলে তিনি অভিমত ব্যক্ত করেন।

রেজুলেশনে আরো বলা হয় যে, পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি ও আদিবাসী বিষয়ক জাতিসংঘের ঘোষণাপত্র বাস্তবায়িত না হওয়ায় পার্বত্য চট্টগ্রামে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা বৃদ্ধি পেয়ে চলেছে। বিশেষ করে সাম্প্রতিক সময়ে পার্বত্য চট্টগ্রামে নিরাপত্তা বাহিনীর নিপীড়ন-নির্যাতন জোরদার হয়েছে। অবৈধ গ্রেফতার ও আটক, অমানুষিক নির্যাতন, অস্ত্র গুঁজে দিয়ে গ্রেফতার, মিথ্যা মামলায় জড়িত করে জেলে প্রেরণ, তল্লাসীর নামে জনসংহতি সমিতির অফিসসহ ঘরবাড়ির জিনিসপত্র তছনছ ইত্যাদি মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।




বাংলাদেশে পাহাড়ধসে বিপুল প্রাণহানির ঘটনায় বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান এবং কূটনৈতিকবৃন্দের শোকপ্রকাশ

পার্বত্যনিউজ ডেস্ক : বাংলাদেশের চট্টগ্রামসহ রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানে পাহাড় ধসে বিপুলসংখ্যক মানুষের প্রাণহানির ঘটনায় বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান এবং কূটনৈতিকবৃন্দ গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। গভীর শোক প্রকাশ করে যারা বার্তা দিয়েছেন তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত জোয়েল রাইফম্যান, ইইউ রাষ্ট্রদূত পিয়েরে মায়াদুন এবং বৃটিশ হাইকমিশনার এলিসন ব্লেইক।

বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে প্রেরিত এক শোকবার্তায় রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন নিহতদের শোকাহত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা এবং আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন।

বার্তায় তিনি আরও বলেন, আপনাদের দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে বন্যা ও পাহাড় ধসে এই প্রাণহানির ঘটনায় আমার আন্তরিক সমবেদনা গ্রহণ করুন।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশে ভয়াবহ ভূমিধসে বিপুল সংখ্যক মানুষের প্রাণহানিতে শোক জানানোর পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে অনুসন্ধান ও উদ্ধার তৎপরতায় সহযোগিতার প্রস্তাব করেছেন।

এক টুইট বার্তায় মোদি লিখেছেন, ভূমিধসে বাংলাদেশে প্রাণহানিতে আমি শোহাহত। নিহতদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি আমার সমবেদনা রইলো। আহতদের প্রতি আমার প্রার্থনা।

অপর এক টুইটে তিনি লিখেছেন, বাংলাদেশের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে অবস্থান করছে ভারত। প্রয়োজন হলে আমরা স্থানীয় অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযানে সহায়তা দিতে প্রস্তুত।

বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত জোয়েল রাইফম্যান রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও চট্টগ্রামে পাহাড়ধসে ব্যাপক প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির ঘটনায় সরকারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।

ঢাকাস্থ যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জোয়েল রাইফম্যানের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়, গত ১৩ জুন চট্টগ্রাম, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবানে পাহাড়ধসে যে প্রাণহানি ও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীর পক্ষ থেকে আমি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও উদ্ধারকারীদের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করছি।

আপনাদের এ দুঃখ-দুর্দশায় আমরা গভীরভাবে মর্মাহত। সকল সাহসী উদ্ধারকারীকে আমরা সাধুবাদ জানাই।

বাংলাদেশে নিযুক্ত বৃটিশ হাইকমিশনার এলিসন ব্লেইক এবং ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের (ইইউ) রাষ্ট্রদূত পিয়েরে মায়াদুন পার্বত্য তিন জেলায় পাহাড় ধসে হতাহতের ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে শোক বার্তা দিয়েছেন।

ওই শোক বার্তায় ইইউ রাষ্ট্রদূত পিয়েরে মায়াদুন বলেন, ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা করতে ইইউ প্রস্তুত আছে।

অন্যদিকে, বৃটিশ হাইকমিশনার এলিসন ব্লেইক এক টুইট বার্তায় হাহাড় ধসে হতাহতের ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে এ ঘটনায় নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন।




লংগদুতে অগ্নিসংযোগের প্রতিবাদে মিয়ানমারে বিক্ষোভ

পার্বত্যনিউজ ডেস্ক:

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের মংডুতে জাতিসংঘ অফিসের বাইরে রাঙামাটিতে পাহাড়িদের ঘরবাড়িতে অগ্নি সংযোগের প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছে স্থানীয়রা। বৌদ্ধ ভিক্ষু ও স্থানীয় আরাকানিরা সহ আরাকান ন্যাশনাল পার্টির (এএনপি) নেতৃত্বে ৩শ’ মানুষ এতে অংশগ্রহণ করে।

বুধবারের এ প্রতিবাদ সমাবেশ থেকে জাতিসংঘের কাছে পার্বত্য চট্টগ্রামের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী চাকমাদের কথিত ‘সুরক্ষার’ দাবি জানানো হয়। এ খবর দিয়েছে মিয়ানমারের স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ‘দ্য ইরাবতী’।

মংডুর পুলিশ কর্মকর্তা মাজ কিয়াও মিয়া কর্তৃপক্ষ এ বিক্ষোভ মিছিলের অনুমতি দিয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন। বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীরা মংডুর উপকণ্ঠে অবস্থিত জাতিসংঘ শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর এর কার্যালয়ে গিয়ে আরাকান থেকে বাংলাদেশে আসা চাকমা জনগোষ্ঠীর কথিত ‘সুরক্ষার’ দাবি জানিয়েছে।

বিক্ষোভকারীদের হাতে থাকা প্ল্যাকাডে ইংরেজিতে লেখা ছিল, ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস! হোয়ার ইজ দ্য ইউএন? হোয়ার এজ দ্য হিউম্যান রাইটস? হোয়াট ইজ ইউএন ডুইং।’

এর অর্থ, আমরা ন্যায়বিচার চাই। কোথায় জাতিসংঘ? কোথায় মানবাধিকার? কী করছে জাতিসংঘ?

 




চীনা ব্যবসায়ীর এক দিনের আয় তিনশো কোটি ডলার

পার্বত্যনিউজ ডেস্ক:

চীনের ইন্টারনেট ধনকুবের জ্যাক মা এক দিনেই তার সম্পত্তি বাড়িয়েছেন তিনশো কোটি ডলার। তার মালিকানাধীন কোম্পানি ‘আলিবাবা’র শেয়ারের দাম নিউ ইয়র্কের স্টক এক্সচেঞ্জে বাড়তে থাকায় এক দিনেই তার সম্পদ এতটা বেড়ে গেছে।

বাজার বিশ্লেষকরা যা আশা করেছিলেন, তার চেয়েও অনেক বেশি ভালো ব্যবসা করছে আলিবাবা। ফলে শেয়ার বাজারে এ কোম্পানির শেয়ার এখন বেশ চাঙ্গা। ‘আলিবাবা’কে চীনের ই-বে বলে গণ্য করা হয়। সমস্ত কিছুই বিক্রি হয় তাদের ইন্টারনেট সাইটে।

জ্যাক মা ১৯৯৯ সালে এ কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেন। এর আগে তিনি ইংরেজি শিক্ষক হিসেবে কাজ করতেন।
ষাট হাজার ডলার দিয়ে জ্যাক মা তার ব্যবসা শুরু করেন। শুরুর দিকে তিনি তার ব্যবসা পরিচালনা করতেন নিজের অ্যাপার্টমেন্ট থেকে।

‘আলিবাবা’ এখন চীনের সবচেয়ে বড় ইন্টারনেট কোম্পানিগুলোর একটি। এর বাজার মূল্য এখন চল্লিশ হাজার কোটি ডলার। জ্যাক মা এ মূহুর্তে এশিয়ার সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি বলে মনে করা হচ্ছে।

সুত্রঃ বিবিসি বাংলা