খাগড়াছড়ি পৌরসভার ৫৮ কোটি ৮৮ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিবেদক, খাগড়াছড়ি:

খাগড়াছড়ি পৌরসভার ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে ৫৮ কোটি ৮৮ লাখ ২৫ হাজার ৮৩৯ টাকার উন্মুক্ত বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে।

বুধবার সকালে খাগড়াছড়ি পৌরসভার সম্মেলন কক্ষে এ বাজেট ঘোষণা করেন পৌরসভার মেয়র মো. রফিকুল আলম। প্রস্তাবিত বাজেটে ব্যয় ধরা হয়েছে ৫৫ কোটি ১৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা এবং সার্বিক স্থিতি ৩ কোটি ৭৪ লাখ ৩৫ হাজার ৮৩৯ টাকা।

প্রস্তাবিত বাজেটে রাজস্ব আয় ৭ কোটি ৫৭ লাখ ৩৫ হাজার ৯১২ টাকা এবং রাজস্ব ব্যয় ৭ কোটি ৫৪ লাখ ৯০ হাজার টাকা, উদ্ধৃত ২ লাখ ৪৫ হাজার ৯১২ টাকা। উন্নয়ন খাতে সম্ভাব্য সরকারি অনুদান ২ কোটি ৫০ লাখ, বিশেষ প্রকল্প অনুদান ৪৪ কোটি ১২ লাখ ৪৯ হাজার ৬৯০ টাকা।

মূলধন আয় ৪ কোটি ৫৫ লাখ ৪ হাজার ৪৩১টাকা। মূলধন ব্যয় ৯৩ লাখ টাকা।

বাজেট ঘোষণা অনুষ্ঠানে খাগড়াছড়ি পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী দীলিপ বিশ্বাস ও সচিব পারভিন আক্তারসহ পৌরসভার কাউন্সিলর, সাংবাদিক ও সুশিল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। বাজেট বাস্তবায়নে মেয়র মো. রফিকুল আলম পৌরবাসীর সহযোগিতা কামনা করেন।




পাট শিল্পের সাথে দেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি জড়িত

Pat Dibos copy

নাইক্ষ্যংছড়ি প্রতিনিধি:

সারাদেশের ন্যায় বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতেও পাট দিবস পালিত হয়েছে। ‘সোনালী আশেঁর সোনার দেশ, পাট পণ্যের বাংলাদেশ’ এ শ্লোগানকে প্রাধান্য দিয়ে সোমবার (৬মার্চ) সকাল ১০টায় বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও আলোচনা সভার মাধ্যমে দিবসটি পালন করে উপজেলা প্রশাসন।

উপজেলা পরিষদ হল রুমে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) এসএম সরওয়ার কামাল বলেন, পাটকে ভালবাসা মানে বাংলাদেশকে ভালবাসা। কারণ পাট শিল্পের সাথে বাংলাদেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি জড়িত। তাই দৈনন্দিন জীবনে ক্রয়-বিক্রয় ক্ষেত্রে পাটজাত প্যাকের উপর গুরুত্ব এবং পাট চাষে উদ্বুদ্ধ হতে হবে।

উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা শাহ নেওয়াজের সঞ্চালায় আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক তসলিম ইকবাল চৌধুরী, সদস্য সচিব মো ইমরান মেম্বার, ছালেহ আহমদ সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক মো. শাহাদাত, আওয়ামী লীগ নেতা ডা. ইসমাইল, নারী নেত্রী ওজিফা খাতুন রুবি প্রমুখ।

এছাড়াও অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা শিক্ষা অফিসার আবু আহমদ, সমন্বিত সমাজ উন্নয়ন প্রকল্পের প্রকল্প ব্যবস্থাপক একেএম রেজাউল হক, সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি তারেক রহমান, স্বেচ্ছাসেবকলীগ সভাপতি আবদুস সাত্তার, প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক আবুল বশর নয়ন, সদর ইউপির মহিলা মেম্বার জুহুরা বেগম প্রমুখ।




পরিক্ষা মূলক পোস্ট!

পরিক্ষা মূলক পোস্ট!




উপজাতি সন্ত্রাসীদের তান্ডবে হুমকির মুখে পাহাড়ের অর্থনীতি

নানিয়ারচর-আনারস-বাগান

মিয়া হোসেন, পার্বত্যাঞ্চল থেকে ফিরে :

উপজাতি সন্ত্রাসীদের তান্ডবে পাহাড়ের অর্থনীতি হুমকির মুখে। মাথার ঘাম পায়ে ফেলে কৃষকরা ফসল চাষ করেন, আর ফসল ঘরে তোলার সময় সন্ত্রাসীরা এসব ফসল ধ্বংস করে দিচ্ছে। বিশেষ করে বাঙালিদের গাছা পালা ও আনারস বাগান প্রতি বছরই কেটে নষ্ট করে দিচ্ছে উপজাতি সন্ত্রাসীরা। দিন দিন উপজাতি সন্ত্রাসীদের এ তান্ডব বেড়েই চলছে। ক্ষতিগ্রস্তরা কোন প্রতিকারও পাচ্ছেন না।

এক হিসাবে দেখা গেছে, গত দুই বছরে উপজাতি সন্ত্রাসীরা বাঙালিদের ৫ লাখ ৩৯ হাজার গাছ কেটে ধ্বংস করে দিয়েছে। অবিলম্বে এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেয়া না হলে পাহাড়ের অর্থনীতির পাশাপাশি জাতীয় অর্থনীতিও ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, গত ২৪ ডিসেম্বর শনিবার রাঙমাটির নানিয়ারচর বুড়িঘাট ইউনিয়নের ৪ নং টিলার স্থানীয় বাসিন্দা মঈনুল হোসেনের প্রায় চার কানি জমির আনারস বাগানের ৪৫ হাজার চারা সন্ত্রাসীরা কুপিয়ে ও উপরে ফেলে সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করেছে। ঘটনাস্থলটি উপজাতীয় অধ্যুষিত এলাকায় বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। গভীর রাতে এ ঘটনা ঘটলেও পরের দিন রবিবার বিকেলে এ ঘটনা জানাজানি হয়।

ক্ষতিগ্রস্ত বাগান মালিক মো. মঈনুল হোসেন জানান, তিনি গত ৬/৭ বছর আগ থেকে তার নিজস্ব পনে ৫ একর জায়গায় আনারস বাগন করে আসছেন। এ বছরও তিনি ৪ কানি জায়গায় আনারস চারা লাগিয়েছেন। চারা লাগানোর একদিন পর তিনি খবর পান তার বাগানের চারা কেটে ও উপরে ফেলা হয়েছে। ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘটনার সত্যতা পেয়ে তিনি এ বিষয়ে জানাতে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান প্রমোদ খীসাকে বারবার ফোন করেও পাননি বলে জানান। এ জায়গা নিয়ে কারো সাথে কোন বিরোধ নেই বলেও তিনি জানান।

তিনি ধারণা করছেন, এ ঘটনা উপজাতীয় সন্ত্রাসীরা ঘটিয়েছে। তিনি আরোও জানান, তার ওই জায়গায় আনারস বাগান করতে গেলে বিগত পাঁচ বছর আগে পাহাড়ি সংগঠন ইউপিডিএফ তার কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা চাঁদা নেয়। এ ঘটনায় তার প্রায় চার লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানান ক্ষতিগ্রস্ত মো. মঈনুল হোসেন।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, ইসলাম ধর্মগ্রহণ করে রাঙামাটির নানিয়ারচর উপজেলার বুড়িঘাটের মিজানুর রহমানকে বিয়ে করেন মিনু ত্রিপুরা (এখন আয়েশা সিদ্দিকা বেগম)। ইসলাম ধর্মগ্রহণ এবং বাঙালি ছেলেকে বিয়ে করার ফলে বিভিন্ন সময়ই তাকে হুমকী দিতে থাকে পাহাড়ি সন্ত্রাসী সংগঠনগুলোর স্থানীয় নেতারা। কথা না শোনায় গত ৮ নভেম্বর মিনু ত্রিপুরাকে (আয়েশা সিদ্দিকা) অপহরণ করে নিয়ে যায় ইউপিডিএফের সন্ত্রাসীরা। ইসলাম ধর্ম ত্যাগ ও বাঙালি ছেলেকে ছেড়ে দেয়ার শর্তে এবং যৌথবাহিনীর চিরুনী অভিযানে ২৪ ঘণ্টা পর তাকে ছেড়ে দেয়া হয়। কিন্তু কথা না রাখায় ১১ নভেম্বর রাতের অন্ধকারে আয়েশার শ্বশুরের ৮২ হাজার আনারস গাছ কেটে রেখে যায় উপজাতি দুর্বৃত্তরা।

পার্বত্য সমঅধিকার আন্দোলনের নানিয়ারচর উপজেলার নেতা মো. কবির হোসেন জানান, নানিয়ারচর উপজেলার ৩নং বুড়িঘাট মধ্যমপুলি পাড়ায় উথুইং মং মারমা ও অংসুই প্রু মারমার নেতৃত্বে একদল উপজাতি মধ্যরাতে জামাল সিকদার ও মধুমিয়ার আনারস বাগানে হানা দেয়। এ সময় তারা দুই একর বাগানের সব ছোট-বড় আনারস কেটে ফেলে। ওই বাগানে ৮২ হাজার আনারস গাছ ছিল বলে তিনি জানান। এমনকি অব্যাহতভাবে তাদেরকে (আয়েশা ও মিজানুর রহমান) হত্যারও হুমকী দিচ্ছে সন্ত্রাসীরা।

শুধু আয়েশা সিদ্দিকা-মিজানুর রহমান বা মঈনুল হোসেনই নয়, প্রতিনিয়তই পার্বত্য চট্টগ্রামে পাহাড়ি সন্ত্রাসীদের কারণে অর্থনৈতিক ক্ষতির শিকার হচ্ছেন কোন না কোন বাঙালি পরিবার। বাঙালি ছেলের সাথে কোন উপজাতি মেয়ের সম্পর্ক, বিয়ে হলে কিংবা ঘনিষ্ঠতা হলেই হুমকীর পাশাপাশি অর্থনৈতিকভাবেও ক্ষতিগ্রস্ত হতে হয় তাদের।

বাঙালিদের অর্থনৈতিকভাবে পঙ্গু করে দেয়া, ভয়-ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে পাহাড় ছাড়া করার ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবেই সন্ত্রাসীরা এমনটি করছে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। গোয়েন্দা সূত্রের তথ্যেও বলা হয়েছে, বারবার বাঙালিদের ফসল-গাছ কেটে ফেলছে, ফসল চাষে বাধা দিলে কোন না কোন সময় বাঙালিরা পাহাড় ছাড়া হবে এমনটাই চিন্তা করে উপজাতি সন্ত্রাসীরা।

২০১৪ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০১৬ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত এই দুই বছরে পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকায় পাচঁ লাখ ৩৯ হাজারেরও বেশি গাছ কেটে ফেলেছে পাহাড়ি সন্ত্রাসীরা। যার সবগুলোই বাঙালিদের। এর কোনটির পেছনে রয়েছে বাঙালি-উপজাতি ছেলে-মেয়ের প্রেম বা বিয়ে, কোনটিতে চাঁদা না দেয়া।

গত ১৪ নভেম্বর খাগড়াছড়ির লক্ষ্মীছড়ি উপজেলার ময়ূরখিলে ৮৪টি মশলা গাছ ও ৪টি আম গাছ কেটে ফেলে উপজাতি সন্ত্রাসীরা। ১৪ নভেম্বর খাগড়াছড়ির রামগড়ে যৌথ খামারে আড়াই হাজার পেঁপে গাছ, ৬শ’ কলা, ৩০টি লিচু ও ২০টি লেবু গাছ কেটে ফেলে, ২৮ আগস্ট বান্দরবানের আলীকদমে গাজী রাবার বাগানের ৬৯৩টি রাবার গাছ কাটা হয়, ২৭ ফেব্রুয়ারি খাগড়াছড়ির সিন্দুকছড়িতে কর্ণেল বাগানে ২শ’টি ফলের গাছ, ২৫ জানুয়ারি বান্দরবানের আলীকদমে এক হাজার ৯৬৭টি রাবার গাছ ও ৭টি আম গাছ কাটা হয়।

আগের বছর ১৩ আগস্ট খাগড়াছড়ির লহ্মীছড়ির রেপাতলীতে ২০ হাজার রাবার গাছ ও ৫০টি কলা গাছ ও ১১ জানুয়ারি রাঙামাটির নানিয়ারচর উপজেলার জামতলীতে ৩৫ হাজার আনারস গাছ কেটে ফেলে দুর্বৃত্তরা। ২০১৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর একই উপজেলার বগাছড়িতে ৩ লাখ ফলন্ত আনারসের গাছ ও ২১ হাজার সেগুন গাছ কেটে ফেলা হয়। নির্ধারিত চাঁদা না দেওয়ায় গতবছর বান্দরবানের লামা উপজেলায় একটি রাবার বাগানের গোডাউন পুড়িয়ে দেয় জেএসএস-সন্ত লারমা গ্রুপের সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা। এরপরও চাঁদা না দিলে পুরো বাগান পুড়িয়ে দেয়ার হুমকী দেয়া হয়।

শুধু গাছ কেটে বা ব্যবসা বন্ধ করে ক্ষান্ত থাকছে না তারা। বাঙালি পাড়া বা সেনা-বিজিবি ক্যাম্প থেকে একটু দূরে বাঙালিদের জমি থাকলে সেখানে চাষাবাদও করতে দেয়া হয় না। চাষাবাদ করতে গেলে বাধা, ফসল পুড়িয়ে দেয়া এমনকি বাড়ি-ঘরও পুড়িয়ে দেয়ার ঘটনা ঘটছে।

খাগড়াছড়ির মহালছড়ি উপজেলার চেংড়াছড়ি গুচ্ছগ্রামে দেখা যায় এমন সন্ত্রাসের শিকার ৪শ’ পরিবার। যারা তাদের নামে সরকারের দেয়া ফসলি ও বসতি জমি হারিয়ে একটি গুচ্ছগ্রামে মানবেতর জীবন-যাপন করছেন। থাকার জায়গার অভাবে গরু, ছাগল এবং মানুষ বসবাস করছে একই ঘরে। স্থানীয়রা জানান, ১৯৮১ সালে ৫৬টি পরিবারকে ওই এলাকার বিভিন্ন স্থানে বসবাসের জন্য খাস জমি বরাদ্দ দেয়া হয়। কিন্তু পাহাড়ি উপজাতিদের অব্যাহত বিরোধিতা ও আক্রমণের কারণে ১৯৮৮ সালে তারা সেই জমি ছেড়ে দিয়ে একত্রিত হয়ে গুচ্ছগ্রামে বসবাস করছেন তারা। সে সময় ৫৬টি পরিবারকে ২৫ শতাংশ বসতি জমি এবং পৌনে চার একর চাষযোগ্য জমি দিয়ে পুনর্বাসিত করা হয়। ৩০ বছর পর সেই ৫৬ পরিবার এখন ৪০০ পরিবারে পরিণত হয়েছে। কিন্তু ২৫ শতাংশ জমির মধ্যে এক শতাংশও বাড়েনি। অন্যদিকে চাষযোগ্য যে পৌনে চার একর জমি তাদের দেয়া হয়েছিল তা পাহাড়ে হওয়ার কারণে উপজাতিদের বাধা ও অপহরণের ভয়ে সেগুলোতে চাষ তো দূরের কথা পা পর্যন্ত ফেলতে পারেন না বাঙালিরা। কেউ বাধা ডিঙিয়ে চাষ করার কথা চিন্তা করলেই রাতের অন্ধকারে তাকে অপহরণ করে হত্যা করা হয়।

গুচ্ছগ্রামের বাসিন্দা মুকুল হোসেন বলেন, ৩০ বছর আগে গুচ্ছগ্রামে বসবাস করার জন্য যে জমি দিয়েছিল এখন সেই জমিতে আমাদের পরিবারদের আর জায়গা হয় না। মানুষ বেড়েছে, পরিবার বেড়েছে, কিন্তু জমিতো বাড়েনি। অন্যদিকে চাষের জন্য পাহাড়ে যে জমি দিয়েছে সেই জমিতে তো আমরা যেতেই পারি না। পুলিশের কাছে অভিযোগ করলে বলা হচ্ছে নিজেদের সমস্যা নিজেরাই সমাধান করো।

বাঙালিদের অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতে বাধার পাশাপাশি পার্বত্য এলাকার উন্নয়নেও সব সময় বাধা দিয়ে আসছে বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনগুলো। স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, সাম্প্রতিক সময়েই হাদাছড়ি ও দেওয়ান পাড়ায় দুটি ব্রীজের টেন্ডার, অর্থ বরাদ্দ ও কাজ দেয়া হলেও ব্রীজ দুটির কাজ বন্ধ হয়ে যায়। নির্মাণের সাথে যুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলো জানায়, সন্ত্রাসী সংগঠনগুলো চাঁদা না দিলে কাজ করতে দেয়া হবে না বলে জানায়। একটি, দুটি নয়, তিনটি সংগঠনই পৃথকভাবে চাঁদা দাবি করে। এমনকি ব্রীজের কাজ পরিদর্শন করার জন্য খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক যেতে চাইলে তাকে যেতে দেয়া হয়নি। পথে বাধা এবং প্রাণনাশের হুমকী দিয়ে ফিরিয়ে দেয়া হয়।

রাঙামাটি জেলার এসপি সাঈদ তারিকুল হাসান এ প্রসঙ্গে বলেন, এভাবে বাগান ধ্বংস করে দৃষ্কৃতকারীরা এলাকায় সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা সৃষ্টি করতে চায়। তবে আমরা সতর্ক আছি কোনভাবেই যেনো এধরনের ঘটনা না ঘটে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করে বিচারের আওতায় আনার চেষ্টা হচ্ছে।

সাবেক পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী দীপংকর তালুকদার বলেন, বিচ্ছিন্নতাবাদী গ্রুপগুলো সবসময় পাহাড়ে অশান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করে। বাগান কেটে, দোকান পুড়িয়ে; এছাড়াও নানাভাবে ইস্যু তৈরির মাধ্যমে পরিবেশকে অস্থিতিশীল করে তোলার চেষ্টা করছে তারা।




চকরিয়ার বাবু অনিল কান্তি ধর পেলেন সর্বোচ্চ করদাতার রাষ্ট্রীয় সম্মাননা

anil-kanti-dhar-pic-26-11-16-copy

চকরিয়া প্রতিনিধি:

কক্সবাজার জেলার সর্বোচ্চ করপ্রদানকারী হিসেবে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সম্মাননা (সিআইপি) পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন চকরিয়া পৌরসভার নিউ মার্কেটস্থ মর্ডাণ স্বর্ণ বিতানের স্বত্ত্বাধিকারী বাবু অনিল কান্তি ধর (মহাজন)।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ভূমি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী এমপি উক্ত সম্মাননা তুলে দেন। গত ২৪নভেম্বর আয়কর বিভাগ চট্টগ্রাম কর্তৃক বঙ্গবন্ধু কনফারেন্স হল, ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার আগ্রাবাদ চট্টগ্রামে কর অঞ্চল সমূহের করদাতাবৃন্দের মধ্যে সর্বোচ্চ ও দীর্ঘমেয়াদী ক্যাটাগরীতে সম্মাননা প্রদান এবং আয়কর সপ্তাহ উদ্বোধনী অনু্ষ্ঠান সম্পন্ন হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার মো: রুহুল আমিন, চট্টগ্রাম কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনার সৈয়দ গোলাম কিবরিয়া, চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি’র সভাপতি মাহবুবুল আলম, চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি’র সভাপতি মো: খলিলুর রহমান, চট্টগ্রাম ওমেন চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি’র সভাপতি বেগম কামরুন মালেক।

আয়কর বিভাগ থেকে সর্বোচ্চ আয়কর দাতা হিসেবে সিআইপি পদকে ভূষিত হওয়ায় চকরিয়া মর্ডাণ স্বর্ণ বিতানের স্বত্ত্বাধিকারী বাবু অনিল কান্তি ধর সরকারের সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।




কক্সবাজারের আতিক আবারও সিআইপি

cip-cox

নিজস্ব প্রতিবেদক:

কক্সবাজারের বিশিষ্ট ঠিকাদার আতিকুল ইসলাম আবারও সিআইপি পদকে ভূষিত হয়েছেন। এ নিয়ে  ২০০৮ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত টানা সপ্তমবারে মত তিনি হলেন জেলার সর্বোচ্চ কর প্রদানকারি।

জানা গেছে, আতিক দক্ষিণ চট্টগ্রামের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান উন্নয়ন ইন্টারন্যাশনাল, সমৃদ্ধি মাল্টিপারপাস এ্যাকুয়া কালচার ফ্যাসিলিটি এন্ড রিসার্চ সেন্টার ও উন্নয়ন রেডি মিক্স কনক্রিট এর স্বত্বাধিকারী)।

এদিকে, আতিকুল ইসলাম সিআইপি ২০১৫-২০১৬ অর্থ বছরে ৩ কোটি ১৭ লক্ষ ২৮ হাজার ৯৪৩ টাকা এবং ২০১৪-২০১৫ অর্থ বছরে ৪ কোটি ৫২ লক্ষ ৩২ হাজার ৮৮৯ টাকা আয়কর ও ভ্যাট প্রদান করেন।

বৃহস্পতিবার ২৪ নভেম্বর ২০১৬ সকাল ১০টায় চট্টগ্রামস্থ ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের ‘বঙ্গবন্ধু কনফারেন্স হল’ রুমে আতিকুল ইসলাম সিআইপিকে সর্বোচ্চ করদাতা হিসেবে এ সম্মাননা প্রদান করা হবে। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সম্মাননা প্রদান করবেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ভূমি মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জনাব সাইফুজ্জামান চৌধুরী এমপি।

উল্লেখ্য, বিশিষ্ট ব্যবসায়ি আতিকুল ইসলাম (সিআইপি) কক্সবাজার জেলার কুতুবদিয়া উপজেলার আলী আকবর ডেইল ইউপি’র প্রাক্তন চেয়ারম্যান মরহুম আলহাজ্ব নুরুল ইসলাম’র প্রথম পুত্র এবং কক্সবাজার সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়’র প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক মরহুম আলহাজ্ব মোজেহেরুল হকের দৌহিত্র।




বান্দরবানে ইউসিবি ব্যাংক শাখার উদ্বোধন

bandarban-pic-21-11

নিজস্ব প্রতিবেদক:

বান্দরবানে ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক (ইউসিবি) ১৬৩ তম শাখার উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ক্য শৈ হ্লা ফিতা কেটে শাখাটির উদ্বোধন করেন।

এ সময় ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আলী, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল জব্বার, পৌরসভার মেয়র মোহাম্মদ ইসলাম বেবী, পার্বত্য চট্টগ্রম আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য শফিকুর রহমান, বান্দরবান চেম্বার অব কমার্সের ভাইস চেয়ারম্যান লক্ষি পদ দাশ, ব্যাংকের শাখা ম্যানেজার সুদিত কুমার বড়ুয়া প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।

ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আলী বলেন, মুনাফা আমাদের লক্ষ্য নয়, প্রত্যান্ত অঞ্চলের জনগনের দৌড় গোড়ায় ব্যাংকিং সেবা পৌঁছে দেয়ায় আমাদের উদ্দেশ্যে। এ শাখায় ইন্টারনেটের আধুনিকায়ন হওয়ায় গ্রাহকরা ঘরে বসেই ব্যাংক সেবা নিতে পারবেন।

তিনি বলেন, পার্বত্যবাসীর উন্নয়নে সহযোগীতার হাত বাড়াতে এ শাখা উদ্ধোধন করা হয়েছে। দেশের অর্থনেতিক মুক্তির জন্য কাজ করছে ইউসিবি ব্যাংক। দেশের প্রত্যান্ত অঞ্চলে ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের শাখা রয়েছে। জনগনকে জনশক্তিতে রুপান্তিরিত করতে ভূমিকা রাখছে ইউসিবি ব্যাংক।

পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ক্য শৈ হ্লা বলেন, এক সময়ের পশ্চাৎপদ বান্দরবান আজ অনেক উন্নত। কিন্তু সেভাবে বান্দরবানে ব্যাংকিং সেবার মান উন্নত হয়নি। অধিক মুনাফার চেয়ে ব্যাংকের মূল উদ্দেশ্য হওয়া উচিত সেবা।

তিনি বলেন, ইউসিবি ব্যাংক সহজ শর্তে ঋণ দিয়ে পার্বত্যাঞ্চলের বাসিন্দাদের আর্থসামাজিক উন্নয়নে সহযোগীতা বাড়াতে এবং সেবাগুলো পাহাড়ের বঞ্চিত মানুষদের দৌড় গোড়ায় পৌঁছে দেবে।




চকরিয়ায় দুই দিনব্যাপি আয়কর মেলার উদ্বোধন

চকরিয়া প্রতিনিধি:

‘জনকল্যাণে রাজস্ব- সুখি স্বদেশ গড়তে ভাই, আয়করের বিকল্প নেই’ এ শ্লোগানকে সামনে রেখে চকরিয়া উপ-কর অধিদপ্তর আয়োজিত ২দিনব্যাপি আয়কর মেলা বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় দি কিং অব চকরিয়া মিলনায়তনে শুরু হয়েছে।

চট্টগ্রাম কর অঞ্চল-৪ এর অতিরিক্ত কমিশনার মুহাম্মদ মফিজ উল্যা’র সভাপতিত্বে ও চকরিয়া উপ-কর অধিদপ্তরের সহকারী উপ-কর কমিশনার আমান উল্লাহ আমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন কক্সবাজার-১ আসনের (চকরিয়া-পেকুয়া) সংসদ সদস্য হাজী মৌলভী মোহাম্মদ ইলিয়াছ। তিনি বর্ণিল বেলুন, শান্তির প্রতিক পায়রা ও ফিতা কেটে ২দিনব্যাপি আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন চকরিয়া পৌরসভা মেয়র মোহাম্মদ আলমগীর চৌধুরী।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন চকরিয়া উপ-কর কমিশনার কাজী সাদেক হোসাইন। আরও বক্তব্য রাখেন ইসলামী ব্যাংক চিরিংগা শাখার ব্যবস্থাপক এভিপি মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম।




পার্বত্য চট্টগ্রামের ক্ষুদ্র নৃগো্ষ্ঠীর লোকদেরও আয়করের আওতায় আনা উচিত- জেলা প্রশাসক খাগড়াছড়ি

received_932276906916070

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি:

পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর লোকদের আয়করের আওতায় আনা উচিত মন্তব্য করে খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, ‘হিল ট্রাক্টস ম্যানুয়েল ১৯০০’ আইনে পাহাড়ি জাতিগোষ্ঠীদের আয়কর মওকুফ করা হয়। ১১৬ বছরে পাহাড়ি জাতিগোষ্ঠীর আত্মসামাজিক অবস্থার যেমন উন্নয়ন হয়েছে তেমন করে তাদের আয়ও বেড়েছে বহুগুণে। তাই পাহাড়ীদেরও আয়কর দেয়া উচিত।

তিনি বলেন, পাহাড়ীদের আয়কর রেয়াত সুবিধা থাকায় এখানে বসবাসকারী বাঙালী ঠিকাদাররাও পাহাড়ী ঠিকাদারদের নামে লাইসেন্স ক্রয় করে ব্যবসা করছেন। এতে তাদেরও আয়কর দিতে হচ্ছে না। আর এভাবে রাষ্ট্র বিপুল ক্ষতির সম্মুখিন হচ্ছে। তাই পাহাড়ি জাতিগোষ্ঠীদের আয়করের আওতায় আনতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন জেলা প্রশাসক।

২ অক্টোবর বুধবার খাগড়াছড়ি পৌরসভা মিলনায়তনে ২দিনব্যাপী আয়কর মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ ওয়াহিদুজ্জামান এ কথা বলেন।

চট্টগ্রাম কর অঞ্চল-৩ এর যুগ্ম কর কমিশনার ফরিদ আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মজিদ আলী, খাগড়াছড়ি পৌরসভার মেয়র রফিকুল আলম, খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক জাহেদুল আলম, জেলা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজের পরিচালক সুদর্শন দত্ত প্রমুখ। দু’দিন ব্যাপী আয়কর মেলার প্রথম দিনে খাগড়াছড়ি জেলার ব্যবসায়ী, ঠিকাদার, চাকরীজীবীসহ নানা শ্রেণী পেশার মানুষ মেলা প্রাঙ্গণে ভিড় করেন।

এ সময় চট্রগ্রাম কর অঞ্চল-৩ এর যুগ্ন-কমিশনার  ফরিদ আহম্মেদ এর সভাপতিত্বে উদ্বোধনী সভায় উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন খাগড়াছড়ি পুলিশ সুপার মো. মজিদ আলী, পৌর মেয়র রফিকুল আলম, চেম্বার অব কমার্সের পরিচালক সুদর্শন দত্ত প্রমূখ । আয়কর দিয়ে দেশের উন্নয়নের অংশীদার হতে সকলকে অনুরোধ জানিয়ে খাগড়াছড়ি চেম্বার অব কমার্সের পরিচালক সুদর্শন দত্ত বলেন, আমাদের এ অঞ্চলে কর বৈষম্য হচ্ছে। একই সাথে ব্যবসা করে একজন কর দেন অার অন্যকে কর দিতে হয়না।

মেলার উদ্বোধন শেষে চট্টগ্রাম কর অঞ্চল-৩ এর সহকারি কমিশনার জোবায়ের আহম্মদের হাতে ব্যাক্তিগত আয়কর রিটার্ন তুলে দেন পৌর মেয়র রফিকুল আলম।




বান্দরবানে আয়কর মেলার উদ্বোধন

bandarban-pic-2-11

নিজস্ব প্রতিবেদক

বান্দরবানে আয়কর মেলা ২০১৬’র উদ্বোধন করা হয়েছে। বুধবার সকালে সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত মেলার উদ্বোধন করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বীব বাহাদুর উশৈসিং এমপি।

চট্টগ্রাম কর অঞ্চল-২ পরিদর্শী যুগ্ন কর কমিশনার বেগম শামিনা ইসলামের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক মো. হারুন অর রশিদ, পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায়, আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য কাজল কান্তি দাশ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক দিদার-এ আলম মোহামদ মাকসুদ চৌধুরী, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল কুদ্দুস, নির্বাহী অফিসার সুজন চৌধুরী, করদাতাসহ বিভিন্ন শ্রেনী পেশার নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।

বীর বাহাদুর বলেন, আয়কর মেলার উদ্দেশ্য হল জনগণকে আয়কর দিতে উদ্বুদ্ধ করা। জনগন যত বেশী আয়কর দিবে সরকার তত বেশী উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে অংশ গ্রহন করতে পারবেন।

তিনি বলেন, কর দেওয়ার জন্য বয়সের কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। কর দিয়ে আমি সমাজের জন্য কিছু করছি এই বাহাদুরি আমাদের সবার মধ্যে থাকতে হবে।

আয়কর অফিস সূত্রে জানাগেছে, গতবছর আয়কর রির্টান দাখিল করেছেন প্রায় সাড়ে ১১শ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান। চলতি বছর আরো অনেক ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান আয়করের আওতায় আসবে বলে সংশ্লিষ্টদের ধারনা।