মিয়ানমার ধ্বংস করে দেবে বাংলাদেশের অর্থনীতিকে: অর্থমন্ত্রী

 

পার্বত্যনিউজ ডেস্ক:

ওয়াশিংটন ডিসি, ১৫ অক্টোবর- মিয়ানমারে সেনাবাহিনীর নিধনযজ্ঞের মুখে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সামলানোকেই বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সমস্যা হিসেবে দেখছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

এর মধ্য দিয়ে মিয়ানমার বাংলাদেশের অর্থনীতিকে ‘ধ্বংস’ করে দিচ্ছে বলে উপলব্ধি তার।

ওয়াশিংটন ডিসিতে বিশ্ব ব্যাংক-আইএমএফের বার্ষিক সম্মেলন চলাকালে শনিবার ইন্টারন্যাশনাল মনেটারি অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল কমিটির (আইএমএফসি) বৈঠক শেষে রোহিঙ্গাদের নিয়ে প্রতিবেদকের কাছে এই প্রতিক্রিয়া জানান অর্থমন্ত্রী।

তিনি বলেন, এই সম্মেলনের সব বৈঠকেই মিয়ানমার থেকে আসা রোহিঙ্গাদের নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।

“সবখানেই আমি বিষয়টি উপস্থাপন করছি। তারা সবাই সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন। বিশ্ব ব্যাংকও সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তারা অনুদান ও ঋণ দুটোই দিতে চেয়েছে।

“এটা ঠিক যে, বিভিন্ন দাতা দেশ ও সংস্থার কাছ থেকে বড় ধরনের সহায়তা পাওয়া যাবে। কিন্তু তারপরও আমাদের উপর বড় ধাক্কা আসবে।”

মিয়ানমারের রাখাইনে কয়েক দশক ধরে জাতিগত নিপীড়নের শিকার রোহিঙ্গাদের ওপর গত ২৫ অগাস্ট নতুন করে দমন অভিযান শুরু করে দেশটির সেনাবাহিনী। হত্যা, নির্যাতনের মুখে দলে দলে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশ অভিমুখী হয়।

গত দেড় মাসে পাঁচ লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে ঢুকেছে, যেখানে এই জনগোষ্ঠীর আরও চার লাখের মতো মানুষ আগে থেকেই এদেশে আশ্রয় নিয়ে আছে।

মিয়ানমারের তীব্র সমালোচনা করে মুহিত বলেন, “মিয়ানমার একটা ব্লাডি কান্ট্রি, মিয়ানমার একটা বদমায়েশ দেশ। এই মিয়ানমার দেশটি এ বছর বাংলাদেশের অর্থনীতিকে ধ্বংস করবে। এটা বাংলাদেশের জন্য রিয়েল ক্রাইসিস, এটা বাংলাদেশের উপর হামলার শামিল।

“মিয়ানমারের সেনাবাহিনী বিশ্বে একমাত্র জনবিচ্ছিন্ন সেনাবাহিনী। সম্পূর্ণ সম্পদ সেনাবাহিনীর পেছনে খরচ হয়।”

রোহিঙ্গাদের কারণে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে কী ধরনের প্রভাব পড়বে সে বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, “রোহিঙ্গাদের জন্য আমাদের বিশাল অংকের টাকা খরচ করতে হবে। এটা আমাদের ভাবিয়ে তুলছে। দেশে গিয়েই বাজেট অ্যালোকেশন এদিক- ওদিক করতে হবে।”

বিশ্ব ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে রোহিঙ্গাদের পেছনে কেন খরচ করা হবে-এ প্রশ্নের জবাবে মুহিত বলেন, “আমরা মানবিক। আমাদের প্রধানমন্ত্রী প্রথম থেকেই তাদের জন্য গেইট খুলে দিয়েছেন। তিনি মানবিক বলেই এ কাজটি করেছেন। বিশ্ববাসী তাকে ধন্যবাদ জানিয়েছে।”

তবে রোহিঙ্গাদের ওপর সহিংসতা বন্ধ এবং তাদের বাংলাদেশ থেকে ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমারের ওপর ঠিকমতো চাপ দেওয়া হচ্ছে না বলে মনে করছেন মুহিত।

“আসলেই তেমন চাপ দেওয়া হচ্ছে না। চীন-রাশিয়া তো কিছুই করছে না। সম্মিলিতভাবে সবাই মিলে মিয়ানমারের উপর অর্থনৈতিক-বাণিজ্যসহ নানা বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা উচিৎ।”

সূত্রঃ বিডিনিউজ২৪.কম




চকরিয়ায় অস্থির হয়ে উঠেছে চাউলের বাজার: সিন্ডিকেট ব্যবসায়ী হাতে জিন্মি সাধারণ মানুষ

 

চকরিয়া প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের চকরিয়ায় কোন কারণ ছাড়াই হঠাৎ করেই অস্থির হয়ে উঠেছে চালের বাজার। এক সপ্তাহের ব্যবধানে বেপরোয়া ভাবে সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীরা সব ধরনের চাল প্রতি কেজিতে প্রায় ৪-৫ টাকা বেড়ে বিক্রি করায় সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার ভেতরে না থাকায় বিপাকে পড়েছে নিম্ন আয়ের মানুষ। তবে চালের এই দাম বাড়ার কারণ হিসেবে কোনো উত্তর খুঁজে পাচ্ছেনা বলে কয়েকজন ক্ষুদ্র চাল বিক্রেতা ও ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন। সরকারের পক্ষ থেকে চাল মজুতদার ও সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কড়া হুঁশিয়ারি দেয়া হলেও প্রতিদিনই চকরিয়ায় বাড়ছে এ চালের দাম। বিপুল পরিমাণ চাল প্রতিটি দোকানে মজুদ থাকার পরও দাম বাড়ায় বিপাকে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা। বিশেষ করে নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য চালের দাম বেড়ে যাওয়ায় দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মিনিকেট চাল প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫৫-৫৮ টাকা, মোটা চাল কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে ৩৫ থেকে ৪০ টাকায়। এতে নিম্ন আয়ের সাধারণ মানুষ চাল ক্রয় করতে অনেকটাই অসহায় হয়ে পড়েছেন।

পাইকারি চাল ব্যবসায়ী ও আড়তদাররা বলছেন, মিল মালিক ও বড় বড় ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন অজুহাতে এ চালের দাম রাতারাতি বাড়িয়ে দিচ্ছেন। তাছাড়া এখন মোবাইলের মাধ্যমে ঘণ্টায়-ঘণ্টায় চালের দাম পরিবর্তন করছেন বড় চাল ব্যবসায়ীরা। ফলে তাদের নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে এ চাউলের বাজার বলে ব্যবসায়ীরা জানান।

উপজেলার একাধিক বাজার সরেজমিন ঘুরে দেখাযায়, বদরখালী বাজার, ইলিশিয়া বাজার, চকরিয়া পৌরশহর, ডুলাহাজারা, খুটাখালী বিএমচর, কোনাখালী, হারবাং ও বরইতলীসহ বিভিন্ন বাজারে মিনিকেট চাল প্রতিকেজি বিক্রি হতো ৫২টাকা এখন সে চাল বিক্রি হচ্ছে ৫৮-৬০টাকা বা তারও উপরে। মোটা চাল বিক্রি হতো ৪০-৪২টাকা কেজিতে এখন সেই চাল কিনতে হচ্ছে প্রতিকেজি ৫২ থেকে ৫৪ টাকায়। এক সপ্তাহের ব্যবধানে চালের দাম বেড়েছে কেজিতে ৫ থেকে ৮ টাকা।  আবার চালের দামের ক্ষেত্রে এক একটি এলাকায় ভিন্ন ভিন্ন দামে পাওয়া গেছে চালের দাম। এ নিয়ে কোন ব্যবসায়ীরা সদুত্তর দিতে পারছে না। চালের এই মূল্যবৃদ্ধির জন্য ব্যবসায়ীরা বলছেন, এটা চালের মিল ও আড়তদারদের এক ধরণের কারসাজি। আবার অনেকে বলেছেন, অতিবৃষ্টি, বন্যা ও রোহিঙ্গা ইস্যুর জন্য চাউল আমদানী জটিলতাকেও দায়ী করছে।

বিক্রেতারা জানান, মুলত বড় বড় চাউল ব্যবসায়ী ও আড়তদার বাজারের চাউলের দামটা বাড়িয়েছে, সে কারণে খুচরা বাজারে এ সব চালের দাম বেড়েছে। মিল মালিকরাও চাল ছাড়ছে না, তাই বাজারে চালের সরবরাহ কম। এছাড়া বাজারে প্রশাসনের  কঠোর মনিটরিং প্রয়োজন বলে মনে করেন ব্যবসায়ী মহল।

বদরখালী বাজারের চাল ব্যবসায়ী ছৈয়দ নুর সওদাগরের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, চালের মোকাম থেকে আমরা যে দামে চাউল ক্রয় করি এর সঙ্গে কিছু মুনাফা যুক্ত করে খুচরা বাজারের ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করে থাকি। এখানে কোন ধরণের কারসাজি নেই। কারসাজি যদি হয়ে থাকে তাহলে তা মিলাররা করে থাকেন। তিনি বলেন, আমদানিকারক ও মিলারদের কারসাজিতে চালের দাম হু হু করে বাড়ছে। তাদের নিজস্ব গুদামে চালের অবৈধ মজুদ রাখেন। তা ছাড়া চকরিয়া পৌরশহরেরর মধ্যে অধিকাংশ বড় বড় ব্যবসায়ী চাউল মজুদ রেখে খোলা বাজারে ছাড়ছেনা। বড় দোকানের গোডাউনে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে অভিযান চালালে তা বেরিয়ে আসবে।

এদিকে খুটাখালী বাজারের ক্ষুদ্র চাল ব্যবসায়ী নুর আহমদ বলেন, বর্তমানে বেসামাল অবস্থা চাউলের বাজার। দিন দিন লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে চালের দাম। চাল নিয়ে এই চালবাজির জন্য অনেকেই দায়ী করছেন ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটকে। একমাস ধরে চালের দাম ক্রমাগত বৃদ্ধি পেলেও এক সপ্তাহে মধ্যে বেড়েছে কেজিতে কমপক্ষে ৫ টাকা। যা ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়ের কাছে অস্বাভাবিক। এমন দাম বৃদ্ধির কারণে বিস্মিত হয়েছেন অনেক ব্যবসায়ী।

বিএমচর বহদ্দার কাটা এলাকার রিক্সা চালক নুরু ও দিন মজুর নুরুল ইসলাম আক্ষেপ করে বলেন, দিন দিন চাউলের দাম বৃদ্ধি হওয়ায় আমাদের মত শ্রমিকের মোটা চাউল ক্রয় করাও নাগালের বাহিরে চলে গেছে। এ ভাবে চালের বাজার অস্থিরতা থাকলে নিম্ন আয়ের মানুষের জীবনযাত্রা দুর্বিসহ হয়ে পড়বে। এ থেকে পরিত্রাণ পেতে প্রশাসনের জরুরী ভিত্তিতে উদ্যোগ নেয়া দরকার বলে তারা জানায়।

এ বিষয়ে চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাহেদুল ইসলাম বলেন, চাউলের মূল্যবৃদ্ধি ব্যাপারে উপজেলা প্রশাসনের মাঠ পর্যায়ে মনিটরিং করা হচ্ছে। যদি ন্যায্য মূল্যের চেয়ে কেউ অতিরিক্ত টাকা নিয়ে থাকে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে তিনি জানান।

 




কাপ্তাই ওয়াগ্গা ইউপির উন্মুক্ত বাজেট সভা অনুষ্ঠিত

কাপ্তাই প্রতিনিধি:

কাপ্তাই ৫নং ইউপি ওয়াগ্গা ইউনিয়ন পরিষদের সর্বস্তরের জনসাধারণের অংশ গ্রহণের মধ্যে দিয়ে সোমবার (১৮ সেপ্টেম্বর) ইউপি চেয়ারম্যান চিরঞ্জিত তনচংগ্যার সভাপতিত্বে উন্মুক্ত বাজেট সভা অনুষ্ঠিত হয়।

২০১৭-২০১৮ সনের বাজেট পেশ করেন ইউপি সচিব জামাল উদ্দিন। এবারের বাজেট ধরা হয় ৬০লাখ ৯৭হাজার ১৬২টাকা। উন্মুক্ত বাজেট সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন নির্বাহী কর্মকর্তা তারিকুল আলম। ইউপি সদস্য মাহ্বুব আলমের সঞ্চালনায়  স্বাগত বক্তব্য রাখেন ইউপি সদস্য অংচাইপ্র মারমা।

বাজেটের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন কাপ্তাই উপজেলা আ’লীগ সভাপতি অংসুইচাইন চৌধুরী, ইউপি চেয়ারম্যান প্রকৌশলী আব্দুল লতিফ, খ্যাইসাঅং মারমা, উপজেলা আ’লীগ এর সহ-সভাপতি দিপ্তীময় তালুকদার, সাংবদিক করিব হোসেন, তথ্য অফিসার মোহাম্মাদ হারুন, প্রধান শিক্ষক সুবিমল তংচঙ্গ্যা, ইউপি সদস্য অমল দে প্রমুখ।

এসময়  সকল ইউপি সদস্য, কার্বারী ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। প্রধান অতিথি বলেন, এ ইউনিয়নে আরো বেশি পরিমান বাজেট বাড়ানোর জন্য উন্নয়ন খাত বাহির করতে হবে। তাহলে এলাকার উন্নয়ন হবে।

উল্লেখ্য, ইতিমধ্যে কাপ্তাই উপজেলার আরো চারটি ইউনিয়ন পরিষদের বাজেট সভা অনুষ্ঠিত হয়।

 




রামগড়ে প্রাইম ব্যাংকের ১৪৬তম শাখার উদ্বোধন

রামগড় প্রতিনিধি:

খাগড়াছড়ির রামগড়ে আধুনিক ব্যাংকিং সেবাদানের লক্ষ্য নিয়ে বৃহষ্পতিবার(১৪ সেপ্টেম্বর) আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করলো প্রাইম ব্যাংক। এটি এ পার্বত্য উপজেলার সর্বপ্রথম প্রাইভেট ব্যাংক  এবং পার্বত্য চট্টগ্রামে প্রাইম ব্যাংকের প্রথম শাখা।

ব্যাংকটির ভাইস চেয়ারম্যান ও চট্টগ্রামের বিশিষ্ট শিল্পপতি নাদের খান প্রধান অতিথি হিসেবে ১৪৬তম এ শাখার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আহমেদ কামাল চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী সভায় প্রধান অতিথি নাদের খান ছাড়াও বিশেষ অতিথি ছিলেন খাগড়াছড়ির সাবেক এমপি একেএম আলীম উল্লাহ, রামগড় উপজেলা চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম ভুইয়া, গুইমারা উপজেলা চেয়ারম্যান উশেপ্রু মারমা, রামগড় পৌরসভার মেয়র মোহাম্মদ শাহজাহান কাজী রিপন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মো আব্দুল কাদের, উপজেলা পরিষদের মহিলা সদস্য ফাতেমা খাতুন।

স্বাগত বক্তব্য দেন প্রাইম ব্যাংকের রামগড় শাখার ব্যবস্থাপক মো. সালাউদ্দিন কাদের মাসুদ। ব্যবসায়ীদের পক্ষে বক্তব্য রাখেন মো. শাহ আলম ।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রাইম ব্যাংকের শাখা নেটওয়ার্কের প্রধান মো. এজাজ হোসাইন, প্রাইম ব্যাংক লিমিটেড কোম্পানির সেক্রেটারি এহসান হাবিব, চট্টগ্রাম জোনাল প্রধান মো. আনোয়ারুল ইসলাম চৌধুরি, এফএমডি ডিভিশন প্রধান মেজর(অব:) সাইফ আল আমীন, রামগড় ও হালদাভ্যালী চা বাগানের সিনিয়র ব্যবস্থাপক মো. জাহাঙ্গীর আলম, রাউজান, লালদীঘি ও হেয়াকো শাখার ম্যানেজার যথাক্রমে মো. ইউনুছ, মো. আবুল কালাম ও মীর আহমেদসহ ব্যাংকের বিভিন্ন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি, ব্যবসায়ী, সরকারি কর্মকর্তা, মুক্তিযোদ্ধা, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

চট্টগ্রামের অক্সিজেন শাখার ব্যবস্থাপক মুজাহিদ বিন কায়সারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী সভা শেষে বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। রামগড় কোর্ট জামে মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা মো. আকতার হোসাইন মোনাজাত পরিচালনা করেন। এর আগে ভোরে ব্যাংক ভবনে খতমে কোরআনের আয়োজন করা হয়।




কাপ্তাই চিৎমরম ইউপির উন্মুক্ত বাজেট ষোষণা

কাপ্তাই প্রতিনিধি:

কাপ্তাই ৩নং চিৎমরম ইউনিয়ন পরিষদের উন্মুক্ত বাজেট ঘোষণা বুধবার (সেপ্টেম্বর) ইউপি কার্যালয়ে ইউপি চেয়ারম্যান খ্যাইসা অং মারমার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।

২০১৭-২০১৮ অর্থ বছরের আয়-ব্যায়ের উন্মুক্ত বাজেট পেশ করেন ইউপি সচিব ইন্দ্র লাল তঞ্চঙ্গ্যা। ২০১৬-২০১৭ সালের বাজেট ধরা হয় ৬১লাখ ৩৬হাজার ২৪০টাকা এবং ২০১৭-২০১৮ সালের চলতি অর্থ বছরের বাজেট ধরা হয় ১কোটি ৪০লাখ ১৯হাজার ৮০টাকা।

উন্মুক্ত বাজেট ঘোষণায় প্রধান অতিথি ছিলেন, কাপ্তাই নির্বাহী কর্মকর্তা তারিকুল আলম। স্বাগত বক্তব্য রাখেন ইউপি সদস্য আব্দুর রাজ্জাক। বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা আ’লীগ সভাপতি অংসুইছাইন চৌধুরী, উপজেলা পরিষদ ভাইসচেয়ারম্যান নুর নাহার বেগম, সুব্রত বিকাশ তংচঙ্গ্যা, ইউপি চেয়ারম্যান প্রকৌশলী আব্দুল লতিফ, মাধ্যামিক শিক্ষা অফিসার মো. নাদির আহমেদ, ইউপি সদস্য মিচিংপ্র মারমা, থোয়াইচিংপ্র কার্বারী, মিনুপ্র কার্বারী, ইউপি সদস্য সাথোইপ্র মারাম ও ইখ্যাচাই মারমা প্রমুখ।

প্রধান অতিথি নির্বাহী অফিসার বলেন, বাজেট বাড়াতে হলে আয়ের খাত বাড়াতে হবে। সমাজ উন্নয়নের জন্য আয়ের খাত বাড়ানো অত্যান্ত জরুরী বলে তিনি মন্তব্য করেন। বাজেট ঘোষণায় সকল ইউপি সদস্য, কার্বারী, বিভিন্ন গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।




খাদ্যমন্ত্রী চাল আনতে মিয়ানমার গেলেন

পার্বত্যনিউজ ডেস্ক

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের উচ্ছেদের ডামাডোলের মধ্যে দেশটি থেকে চাল আমদানির চুক্তি করতে মিয়ানমার গেলেন খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম। গতকাল বুধবার(৬ সেপ্টেম্বর) খাদ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল মিয়ানমার গেছে। দলটি মিয়ানমার থেকে বছরে ১০ লাখ টন চাল আমদানির ব্যাপারে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর (এমওইউ) করবে। পাশাপাশি দ্রুত ২ থেকে ৩ লাখ টন চাল আমদানির ব্যাপারেও চুক্তি করার আশা করছে তারা।

বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলে খাদ্যমন্ত্রী ছাড়াও আছেন খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আতাউর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক তোফাজ্জল হোসেন মিঞা, খাদ্যমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সহকারী মোহাম্মদ হেলাল হোসেন। মন্ত্রীর নিজের খরচে তার স্ত্রী তায়েবা ইসলামও সফরসঙ্গী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। দলটি ৯ সেপ্টেম্বর মিয়ানমার ছাড়বে বলে খাদ্য মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা নির্দেশে বলা হয়েছে।

এর আগে ৪ সেপ্টেম্বর খাদ্যসচিব মো. কায়কোবাদ হোসেন ও উপসচিব জহিরুল ইসলাম খাদ্যনিরাপত্তা ও পুষ্টি বিষয়ে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে কলম্বিয়া যান। খাদ্যমন্ত্রীর মতো খাদ্যসচিবেরও ৯ সেপ্টেম্বর দেশে ফেরার কথা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী, মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও সচিবের একসঙ্গে বিদেশ ভ্রমণ সাধারণভাবে পরিহার করার কথা বলা হয়েছে। অবশ্য জাতীয় স্বার্থে বিশেষ ক্ষেত্রে তা করা যেতে পারে।




অনুপ্রবেশ নিয়ে ঝামেলা চললেও মিয়ানমার থেকে সাগর পথে আসছে কোরবানীর পশু

কক্সবাজার প্রতিনিধি:

বাংলাদেশ মিয়ানমার সীমান্তে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ নিয়ে ঝামেলা চললেও ঠিকই মিয়ানমার থেকে সাগরপথে বাংলাদেশে আসছে কোরবানীর পশু। কক্সবাজারের সীমান্ত উপজেলা টেকনাফের শাহপরীরদ্বীপ জেটিঘাট দিয়ে করিডোরে আসছে এসব পশু। প্রতিদিন সাগর-নদী পাঁড়ি দিয়ে শত শত গরু, মহিষ আসছে ট্রলারে করে। আর সেখান থেকেই রাজধানী ঢাকা সহ চলে যাচ্ছে দেশের নানা প্রান্তে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মিয়ানমার থেকে কক্সবাজারের টেকনাফের শাহপরীরদ্বীপ করিডোর দিয়ে আসছে কোরবানীর পশু। প্রতিদিন শত শত গরু, মহিষ ও ছাগল নিয়ে জেটি ঘাটে ভিড়ছে কোরবানীর পশু ভর্তি ট্রলার। এ কারণে রাজধানী ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে বেপারীরা গরু-মহিষ ক্রয় করতে আসছে শাহপরীরদ্বীপের করিডোরে। কোরবানীর আগেই সরবরাহ করতে ট্রাকে করে নিয়ে যাচ্ছে দেশের নানা প্রান্তে।

তবে গত বছরের চেয়ে এই বছর মিয়ানমারের পশুর দাম অনেকটা কম হলেও রাজস্ব আয় হচ্ছে বেশী। অপরদিকে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা গরু ব্যবসায়ীদের সার্বিক নিরাপত্তার ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে বলে জানান, আমদানিকারকরা। তারা আরো জনান, মিয়ানমার থেকে পশু আমদানি দিন দিন বাড়ছে এবং আবহাওয়া ভাল থাকলে আগামীতে আরো বেশী কোরবানীর পশু আসার সম্ভাবনার রয়েছে।

মিয়ানমারের পশুর দাম স্বাভাবিক থাকায় এই বছর বেশী পরিমাণ কোরবানীর পশু ক্রয় করতে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে এসেছেন এই বেপারীরা।

শাহপরীরদ্বীপ করিডোরে আগত গরু ব্যবসায়ীদের সার্বিক নিরাপত্তা দিতে পুলিশ সবসময় তৎপর বলে জানিয়েছেন টেকনাফ থানার (ওসি) মো: মাঈন উদ্দিন।

চলতি বছরের জুলাই-আগস্ট মাসে টেকনাফের শাহপরীরদ্বীপ করিডোর দিয়ে সাড়ে ৮ হাজার কোরবানীর পশু আমদানি হয়েছে। এতে ৪২ লাখ ৫৫ হাজার ৬শত টাকা রাজস্ব আদায় হয়ে বলে জানান, টেকনাফ স্থলবন্দরের রাজস্ব শাখার কর্মকর্তা এএসএম মোশারফ হোসেন।

উল্লেখ্য, গত ২০১৬-২০১৭ অর্থ বছরে জুলাই-আগস্ট মাসে মিয়ানমার থেকে গরু-মহিষ এসেছে ৩হাজার ৯২৭টি। এতে রাজস্ব আদায় হয়েছে ১৯ লাখ সাড়ে ৬৩হাজার টাকা। অপরদিকে, ২০১৭-২০১৮ চলতি অর্থবছরে সাড়ে ৮ হাজার গরু-মহিষ ও ছাগল আমদানি করা হয়েছে। যা ২৩ আগষ্ট পর্যন্ত রাজস্ব আদায় করা হয়েছে ৪২ লাখ ৫৫ হাজার ৬শ টাকা। যা গত বছরের চেয়ে দ্বিগুন বেশী। ঈদের পুর্বে মিয়ানমার থেকে আরো কোরবানীর পশু আমদানির সম্ভাবনা রয়েছে।




বাংলাদেশের ওষুধ শিল্পের বিশ্বজয়

 

পার্বত্যনিউজ ডেস্ক:

একাত্তরে স্বাধীনতা পরবর্তী মুমূর্ষু বাংলাদেশ। অন্নের সঙ্গে ওষুধের সংকট। বাঁচতে হলে দুটোই দরকার। সুজলা সুফলা বাংলাদেশের মাটিতে তখনও রক্তের দাগ। বিপন্ন চাষিদের মাঠে যেতেই ভয়। প্রতিবেশী দেশের বদন্যতায় অন্ন সংস্থান যদিও বা হল, ওষুধ কোথায়। রোগশয্যার রোগীর পাশে দাঁড়িয়ে প্রেসক্রিপশন লিখতে লিখতে ডাক্তার জানিয়ে দিচ্ছেন, এ সব ওষুধ আপনাদের যোগাড় করতে হবে। না পেলে কিছু করার নেই।

ওষুধ তো আকাশের মেঘ নয় যে বৃষ্টি হয়ে টুপটাপ ঝরবে। অনেক কষ্টে ২০ শতাংশ ওষুধ দেশে তৈরি। বাকি ৮০ শতাংশ আসবে কোত্থেকে। ইউরোপ, আমেরিকার বহুজাতিক ওষুধ কোম্পানিও ওষুধ দিতে নারাজ। তাদের সাফ কথা, ডলার দাও, ওষুধ নাও। সদ্য স্বাধীন দেশে ডলারের রিজার্ভ তখন শূন্য।

দুঃসময়ে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ায় পূর্ব ইউরোপের হাঙ্গেরি। সেখানকার ওষুধ সংস্থা ইগিস, গেইডেন, রিখটার কাইরন, মেডিম্পেস বাংলাদেশে ওষুধ সরবরাহে রাজি হয়। তারা জানিয়ে দেয়, বার্টার সিস্টেমে বা পণ্যের বিনিময়ে ওষুধ দেবে। এ তো হাতে চাঁদ পাওয়া। হাঙ্গেরিতে যেতে লাগল বাংলাদেশের পাট আর অন্যান্য কাঁচা পণ্য। পরিবর্তে এল ওষুধ।

অন্যের করুণায় বাঁচাটাও তো সম্মানের নয়। ধীরে ধীরে ওষুধ উৎপাদন শুরু বাংলাদেশে। বিদেশি সংস্থার মাথায় হাত। বাংলাদেশের বাজার হারালে যে বিরাট ক্ষতি। ১৯৮২তে অর্ডিন্যান্স জারি করে বিদেশের ওষুধ নিয়ন্ত্রণ। কুঁড়ি থেকে ফুল হওয়ার মতো পাপড়ি মেলল বাংলাদেশের ওষুধ শিল্প। এই মুহূর্তে বিশ্বের অনুন্নত ৪৮ দেশের মধ্যে ওষুধ উৎপাদনে শীর্ষে বাংলাদেশ। ২৫৭ কোম্পানির ২৪ হাজার ব্র্যান্ডের ওষুধ। বছরে ২৫ হাজার কোটি টাকার ওষুধ দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে যাচ্ছে। রফতানি বাড়ছে দ্রুত। কর্মসংস্থান দু’লাখের।

বাংলাদেশের ওষুধ সবচেয়ে বেশি যাচ্ছে মায়ানমারে। তারপর শ্রীলঙ্কায়। পাঁচ বছরে রফতানি দ্বিগুণ। ১২ মাসে রফতানি ৮ কোটি ডলারের বেশি। কাঁচামাল আমদানিতে এখনও যে খরচ হচ্ছে সেটা বন্ধ হবে ১০ বছরে। বাংলাদেশই তৈরি করবে যা দরকার। তখন রফতানি বেড়ে দাঁড়াবে ৩০০ কোটি ডলারে।

বর্তমানে রফতানি বাণিজ্যে সবচেয়ে এগিয়ে পোশাক শিল্প। টাকার অঙ্কে ওষুধ রফতানি তাদেরও ছাপিয়ে যাবে। ওষুধ রফতানির পথিকৃত বেক্সিমকো। ১৯৯২এ ইরাক, হংকং, ভিয়েতনাম, কোরিয়ায় পেনিসিলিন পাঠিয়ে চমক দেয়। পরের জায়গাটা নেয় প্যারাসিটামল। এবার যাবে কার্ভিডিলোল। আমেরিকার অনুমোদন পাওয়ায় হৃদযন্ত্রের ব্যাধি নিরাময়ের এই দুর্লভ ওষুধটি রফতানিতে কোনও বাধা নেই।

আপাতত বাংলাদেশের ওষুধ যাচ্ছে ১৬০ দেশে। চাহিদা উত্তরোত্তর বাড়ছে। অতিরিক্ত রফতানিতে ডলারের রিজার্ভে আর কোনও সংকট নেই। জীবনদায়ী ওষুধ দিয়ে বিশ্বকে বাঁচাচ্ছে বাংলাদেশ। সেই ওষুধেই বাংলাদেশের অর্থনীতিতে প্রাণের জোয়ার।




মানিকছড়ির কোরবানীর বাজারে বেচা-কেনায় মন্দা, খামারী ও কৃষকরা পুঁজি নিয়ে চিন্তিত

 

মানিকছড়ি প্রতিনিধি:

পার্বত্য জনপদ খাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে এবার কোরবানীর হাটে বেচা-কেনায় মন্দাভাব বিরাজ করছে। ফলে খামারী ও কৃষকরা পুঁজি হারিয়ে সর্বস্বান্ত হওয়ার উপক্রম।

শনিবার ছিল মানিকছড়ির ঐতিহ্যবাহী রাজবাজারে হাটবার। রাজবাড়ীর পার্শ্বে নদীর চরে বিশাল চর জুড়ে বসেছে গরুর হাট। ভোর হতে না হতে স্থানীয় খামারী ও কৃষকরা পালিত হাজার হাজার গরু নিয়ে বাজারে সমবেত হলেও বিকাল পর্যস্ত ১৫% গরু বেচা-কেনা হয়েছে গত বছরের চেয়ে ৩০% কম বাজার মূল্যে! ফলে খামারী ও কৃষকরা পুঁজি নিয়ে বেশ চিন্তিত হয়ে পড়েছেন। শনিবারের বাজারে উঠা সবচেয়ে বড় ষাঁড়টি বিক্রি হয়েছে ১ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা মূল্যে। যেটি গত বছরের চেয়ে অন্তত ৪০ হাজার টাকা কমমূল্যে।

গরুটির বিক্রেতা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক আবদুল মান্নান এর বড় ভাই আবদুল মালেক। তিনি জানান, গত বছর কোরবানীর বাজার থেকে ৭২ হাজার টাকায় ক্রয় করা গরুটিকে প্রাকৃতিক ঘাস, কুড়া, খৈল ও ভূষি খাইয়ে এটি ঘরে রেখে লালন-পালন করেছি। দৈনিক গরুটির পেছনে ২ শত টাকার উর্ধ্বে ব্যয় হয়েছে। সে অনুযায়ী লাভ হয়নি। এভাবে দেশী গরুর বাজার কমে গেলে পূঁজি হারানোর আশংকায় খামারী ও কৃষকরা গরু পালনে আগ্রহ হারাবে।

আর বাজারের সেরা গরুটি কিনেছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও যোগ্যাছোলা ইউপি চেয়ারম্যান মো. জয়নাল আবেদীন। অন্যান্য বছর চট্টগ্রাম, নোয়াখালি, ফেনী, লক্ষ্মীপুর, কুমিল্লার পাইকাররা এখানে এসে কোরবানীর গরু কিনলেও এবার শুধু চট্টগ্রাম ও ফটিকছড়ি, নাজিরহাট থেকে কিছু পাইকার এসেছেন।

ফলে পাহাড়ের গরু এবার সমতলে তেমন যাচ্ছে না। চট্টগ্রাম থেকে আসা পাইকার মো. জমির আলী জানান, সীমান্ত দিয়ে অবাধে ভারতের গরু আসার কারণে দেশী গরুর চাহিদা নেই। তারপরও দেশী গরুর মাংস স্বাদ এবং প্রাকৃতিক খাবারে বেড়ে উঠার কারণে বিত্তশালী ব্যক্তিরা পাহাড়ের দেশী গরু দিয়ে কোরবানী করেন।

আগামী রবিবার, বুধবার ও বৃহস্পতিবার উপজেলার তিনটহরী ও মানিকছড়ি বাজারে কোরবানীর হাট বসবে বলে নিশ্চিত করেছেন বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. নুরুল ইসলাম।

এদিকে বাজারের আইনশৃঙ্ক্ষলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অফিসার ইনচার্জ মো. মাইন উদ্দীন খান বিশেষ উদ্যোগ নিয়ে একাধিক পুলিশ টিম মোতায়েন করেছেন।




কাপ্তাই ইউপিতে উন্মুক্ত বাজেট ঘোষণা

কাপ্তাই প্রতিনিধি:

সোমবার কাপ্তাই ৪নং ইউপি কার্যালয়ে ২০১৭-২০১৮ আর্থিক সনের উন্মুক্ত বাজেট ঘোষণা কাপ্তাই ৪নং ইউপি কার্যালয়ে ইউপি চেয়ারমান প্রকৌশলী আব্দুল লতিফের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।

বাজেট ঘোষনায় প্রধাণ অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তারিকুল আলম। ২০১৭-১৮ সালের বাজেট পেশ করেন ইউপি সচিব অজিতেশ্বর চাকমা। সচিব বলেন, চলতি বছরের অর্থ্যাৎ ২০১৬-১৭ সনের সংশোধিত বাজেট ৬০ লক্ষ ৫৮ হাজার টাকা এবং ২০১৭-১৮ সনের পরবর্তী বছরের বাজেট আয় এবং ব্যায় হিসাব ধরা হয়েছে ৭২ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা।

বাজেটের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে এলাকার বিভিন্ন লোকজন আলোচনা করেন। সকল বাজেটের বিষয় নিয়ে প্রশ্নের উত্তর প্রদান করেন কাপ্তাই ইউপি চেয়ারম্যান প্রকৌশলী আব্দুল লতিফ।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অংসুইছাইন চৌধুরী, উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান সুব্রত বিকাশ তংচঙ্গ্যা, ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ারুল ইসলাম চৌধুরী বেবী, চিরঞ্জিত তংচঙ্গ্যা, হেডম্যান থোয়াইঅং মারমা, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি সাগর চক্রবর্ত্তী, বিউবো সিবিত্র নেতা আব্দুল ওহাব প্রমুখ।

বাজেট ঘোষণার সময় কাপ্তাই ইউনিয়নের বিভিন্ন ব্যবসায়ী, শিক্ষক, সাংবাদিক, সমাজ কর্মী, প্রতিষ্ঠান প্রধান, সকল ইউপি সদস্যসহ সকল স্তরের লোকজন উপস্থিত ছিলেন। প্রধান অতিথি নির্বাহী কর্মকর্তা তারিকুল আলম বলেণ, এ ইউপি হতে বাজেট আরো বাড়াতে হবে এবং বাজেট বাড়ানোর জন্য এলাকায় আরো বহু খাত রয়েছে সে বিষয়ে নজর দেওয়ার জন্য ইউপি চেয়ারম্যানকে আহ্বান করা হয়।