শাহজাহান চৌধুরীকে জয়ী করতে সাধারণ ভোটারও মাঠে

উখিয়া প্রতিনিধি:

কক্সবাজার ৪ উখিয়া-টেকনাফ আসনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি’র মনোনীত প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরীকে জয়ী করতে নেতা-কর্মী, সমর্থক ও সাধারণ ভোটারগণ ধানের শীষ মার্কায় প্রচারণায় নেমেছে।

সীমান্ত উপজেলা উখিয়া-টেকনাফের সর্বস্তরের জনগণ শাহজাহান চৌধুরীকে সর্মথন জানিয়ে দিন-রাত কাজ করে যাচ্ছে। পরিক্ষিত বিএনপি’র কান্ডারী শাহজাহান চৌধুরী ও প্রচার-প্রচারণার পাশাপাশি গণসংযোগ এবং নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য রাখছেন।

শাহজাহান চৌধুরীর ধানের শীষ মার্কার নির্বাচনী জনসভা গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জালিয়া পালং ইউনিয়নের ইনানী এলাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। মেম্বার ছলিম উল্লাহ’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জনসভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির মনোনীত প্রার্থী শাহজাহান চৌধুরী। বিশেষ বক্তা ছিলেন, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এডভোকেট শাহজালাল চৌধুরী।

শাহজাহান চৌধুরী উখিয়া সদর স্টেশন ও দারোগা বাজারে ৩ ঘন্টাব্যাপী গণসংযোগ করছেন। গণসংযোগ কালে শত শত সাধারণ জনতা ও ভোটারগণ তাকে দেখে এগিয়ে আসেন। এ সময় সাধারণ জনতা ধানের শীষে ভোট দিয়ে শাহজাহান চৌধুরীকে নির্বাচিত করার প্রতিশ্রুতি দেন।

খাগড়াছড়িতে জনসেবার সুযোগ চান সোলেমান আলম শেঠ

নিজস্ব প্রতিবেদক, মাটিরাঙ্গা:

খাগড়াছড়ি জেলা প্রতিষ্ঠাসহ খাগড়াছড়ির উন্নয়নে সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ’র অবদানের কথা উল্লেখ করে খাগড়াছড়িতে জনসেবার সুযোগ চেয়েছেন খাগড়াছড়ি সংসদীয় আসনে জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী মো. সোলেমান আলম শেঠ।

বুধবার খাগড়াছড়ি নির্বাচনী এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণার প্রথম দিনে মাটিরাঙ্গার বিভিন্ন ইউনিয়নে নির্বাচনী গণসংযোগকালে তিনি এসব কথা বলেন।

বুধবার দুপুরের দিকে দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের নিয়ে মাটিরাঙ্গা উপজেলা সদর থেকে শুরু করে খেদাছড়া, বেলছড়ি, শান্তিপুর, রামশিরা, বড়নাল, তবলছড়ি ও তাইন্দংয়ের বিভিন্ন গ্রামে লাঙ্গলের পক্ষে গণসংযোগকালে বিভিন্ন পথসভায় তিনি  বলেন, জাতীয় পার্টিকে ছাড়া দেশে সুশাসন ও উন্নয়ন সম্ভব নয়। জাতীয় পার্টির শাসনামলে দেশে যে উন্নয়ন হয়েছে তা আর কখনোই হয়নি। এজন্য জাতীয় পার্টিকে আবারো ক্ষমতায় আনতে হবে। ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে একটি ভোট দেশে উন্নয়নে গতিধারা ফিরিয়ে আনা সম্ভব।

দুইটার কিছু আগে নির্বাচনী প্রচারণায় বের হওয়ার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে আচরন বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ মোবাইল কোর্টে জরিমানার কথা উল্লেখ করে তিনি অভিযোগ করে বলেন, কিন্তু সরকার দলীয় প্রার্থী সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত প্রচার-প্রচারণা চালালেও তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়না। তিনি সব প্রার্থীর প্রতি সমান আচরণ করতে প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানান।

গণসংযোগকাল তার সাথে খাগড়াছড়ি জেলা জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক অমৃত কুমার ত্রিপুরা, জাতীয় পার্টি নেতা মনিন্দ্র লাল ত্রিপুরা, মো. ফয়েজ আহমদ ও মাটিরাঙ্গা উপজেলা জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক মো. আবুল হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে বিভিন্ন স্থানে গণসংযোগকালে খাগড়াছড়ি সংসদীয় আসনে জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী মো. সোলেমান আলম শেঠকে দেখতে সাধারণ মানুষের ঢল নামে। সাধারণ মানুষের ভালবাসায় সিক্ত সোলায়মান আলম শেঠ নির্বাচনে জয়ের ব্যপারে আশাবাদ ব্যক্ত করে সাংবাদিকদের বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচন হলে এ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী বিপুল ভোটে বিজয়ী হবে।

চকরিয়ায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবস পালিত

চকরিয়া প্রতিনিধি:

ডিজিটাল বাংলাদেশ হবে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা’ এ প্রতিপাদ্যকে সামনে নিয়ে সারাদেশে প্রথমবারের মতো পালিত হলো ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবস।

এরই আলোকে কক্সবাজারের চকরিয়ায় (১২ডিসেম্বর) বুধবার সকালে উপজেলা প্রশাসনের বর্ণাঢ্য আয়োজনে দিবসটি উপলক্ষে নানা কর্মসূচীর মধ্যদিয়ে পালিত হয়ছে।

দিবসের শুরুতে উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি পৌরশহরে প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে উপজেলা পরিষদের হলরুম মোহনা মিলনায়তনে গিয়ে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

চকরিয়া আবাসিক মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ এস এম মনজুর আলমের সভাপতিত্বে ও উপজেলা টেকনিশিয়ান এরশাদুল হক সঞ্চলনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন,  উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নূরুদ্দীন মুহাম্মদ শিবলী নোমান।

আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, চকরিয়া থানার ওসি (তদন্ত) মো. আতিক উল্লাহ, উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার রতন বিশ্বাস, চকরিয়া কোরক বিদ্যাপীঠ প্রধান শিক্ষক নুরুল আখের, চকরিয়া কেন্দ্রীয় উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহমুদুল হক প্রমুখ।

এদিন সকালে দিবসটি নিয়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীদের অংশ গ্রহণে রচনা প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠান শেষে প্রধান অতিথি ২০১৮ সালে ডিজিটাল সেবায় অবদান রাখার জন্য শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ( মাল্টিমিডিয়া ক্লাস রুম) চকরিয়া কেন্দ্রীয় উচ্চ বিদ্যালয়, শ্রেষ্ঠ ইউপি সচিব – ডুলাহাজারা ইউপি সচিব হুমায়ুন কবির, শ্রেষ্ঠ ডিজিটাল সেন্টার-বরইতলী ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার, শ্রেষ্ঠ উদ্যোক্তা- রূপম নাথ, ফাসিয়াখালী ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার, শ্রেষ্ঠ ফ্রিল্যান্সার- তাবিনুল ইসলাম, শিমসন বাঢ়ে, মোরশেদুল ইসলাম সোহেল সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করেন। এছাড়াও স্কুল পর্যায়ে রচনা প্রতিযোগিতার বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝেও পুরস্কার প্রদান করা হয়।

চকরিয়ায় চোরাই গরু উদ্ধার, গ্রেফতার-২

চকরিয়া  প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের চকরিয়ায় ৪টি চোরাই গরুসহ চোর সিন্ডিকেটের ২মহিলা সদস্যকে গ্রেফতার করেছে চকরিয়া থানা পুলিশ।

মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে কোনাখালী ইউনিয়নের মরণঘোনা পূর্ব পাড়া থেকে চোরাই গরু উদ্ধার করা হয়। এসময় চোর সিন্ডিকেটের ২ মহিলা সদস্যকে মাতামুহুরী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই অরুণ কুমার চাকমা তাদের আটক করেছেন।

সূত্র জানায়, দক্ষিণ চট্টগ্রামে একটি বিশাল চোর সিন্ডিকেট চকরিয়া উপজেলায় রয়েছে। তারা পুলিশি অ্যাকশন এড়াতে এখন নতুন কৌশল অবলম্বন করে চুরি কাজে মহিলাদের ব্যবহার করছেন। ফলে আড়ালে থেকে গরু চোরের মুল হোতারা পার পেয়ে যাচ্ছেন।

এঘটনা গরুর মালিক পেকুয়া উপজেলার গোয়াখালীর মাতব্বর পাড়ার আবু আকতারের পুত্র মোহাম্মদ ইকবাল বাদী হয়ে চকরিয়ায় থানায় চোর সিন্ডিকেটের ২ মহিলাকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন। আটককৃতরা হলেন, চকরিয়া পৌরসভার করাইয়াঘোনা নবাব মিয়ার স্ত্রী রোকেয়া বেগম (৪২) ও একই এলাকার মৃত আবুল কাশেমের স্ত্রী মনোয়ারা বেগম প্রকাশ ছমুদা বেগম।

গরুর মালিক মোহাম্মদ ইকবাল বলেন, পেকুয়া উপজেলা গোয়াখালী মাতব্বর পাড়ার বিলে চরণ ভূমিতে আমার পালিত ৪টি গরু ছেড়ে দিলে সন্ধ্যার পর থেকে গরুগুলো খোঁজ পাওয়া যায়নি। পরে অনেক খোঁজাখুঁজির পর গোপন সূত্রে খবর পেয়ে কোনাখালীর মরণঘোনার এক বাড়িতে গরুগুলোর সন্ধান পাওয়ার পর আইনী সহায়তার মাধ্যমে উদ্ধার করি।

চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী বলেন, পেকুয়া চুরি হওয়া ৪টি গরু থানার উপপরির্দশক অরুণ কুমার চাকমা কোনাখালী ইউনিয়নের মরণঘোনা থেকে উদ্ধার করেছে। এ ঘটনায় চোর সিন্ডিকেটের ২মহিলা সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এব্যাপারে গরুর মালিক বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছে।

কুতুবদিয়া চ্যানেলে নিষিদ্ধ ১০ বিহিন্দি জাল জব্দ

কুতুবদিয়া প্রতিনিধি:

কুতুবদিয়া ও মাতারবাড়ি চ্যানেল থেকে নিষিদ্ধ বিহিন্দ জাল জব্দ করেছে কোস্টগার্ড। বুধবার (১১ ডিসেম্বর) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত সাগরে অভিযান চালানো হয়।

কোস্টগার্ড কন্টিজেন্ট কমান্ডার কামরুল হাসান বলেন, কুতুবদিয়া ও মহেশখালীর মাতার বাড়ি চ্যানেলে অবৈধ নিষিদ্ধ জাল বসানোয় অভিযান চালিয়ে উভয় স্থান থেকে ১০টি বিহিন্দি জাল জব্দ করা হয়।

পরে লেমশীখালী দরবার জেটিঘাটে জালগুলো পুড়িয়ে ফেলা হয় বলে তিনি জানান।

এসময় কোস্টগার্ড সদস্য ছাড়াও স্থানীয় উপজেলা মৎস্য অফিসের (বিফ)  প্রতিনিধি মহিউদ্দিন কুতুবী উপস্থিত ছিলেন।

ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভোটারদের নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে গমন নিশ্চিত করতে হবে- সুলতানা কামাল

স্টাফ রিপোর্টার:

ভোটারদের নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে গমন নিশ্চিত করতে হবে। এখন নির্বাচন জনগণের কথা ভেবে হয় না। নির্বাচন হয় শুধু ক্ষমতায় যাবার জন্য।

বুধবার(১২ ডিসেম্বর) বেলা ১১টায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে “ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পার্বত্য তিন জেলার আদিবাসী ভোটারদের অবাধ অংশগ্রহণ” বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা অ্যাড. সুলতানা কামাল এসব কথা বলেন।

পার্বত্য চট্টগ্রাম কমিশন, পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক কমিটি ও এসোসিয়েশন ফর ল্যান্ড রিফর্ম এ্যান্ড ডেভলপমেন্ট(এএলআরডি) এর যৌথ উদ্যোগে সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন মানবাধিকার কর্মী খুশী কবির, ড. মেঘনা গুহঠাকুরতা ও ব্যরিস্টার সারা হোসেন প্রমুখ। পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক কমিটির পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন গৌতম দেওয়ান, অধ্যাপক মংসানু চৌধুরী। এএলআরডির পক্ষ থেকে ছিলেন শামসুল হুদা।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পার্বত্য অঞ্চলের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে লিখিত বক্তব্য পেশ করেন পার্বত্য নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক গৌতম দেওয়ান। এসময় সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।

অ্যাড. সুলতানা কামাল বলেন, আমরা নির্বাচন কমিশনের কাছে ভোটারদের অধিকার নিশ্চিতকরণে কোনো লিখিত আবেদন করিনি, তবে মাঠে কোথায় ভোটারদের ভয় ও শঙ্কা রয়েছে তা আরও জরিপ করে তারপর আমরা লিখিতভাবে আবেদন করব।

ক্ষমতাসীন দলের নেতারা বিভিন্ন সময় হুমকি দিচ্ছেন এমন অভিযোগের বিষয় তুলে ধরে তিনি বলেন, যারা হুমকি দিচ্ছেন “ অমুক মার্কায় ভোট দিলে হামলা করা হবে” তাদের কেন ধরা হচ্ছে না?

ভোট কেন্দ্রে পর্যবেক্ষকদের ভূমিকা নিয়ে নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কেন্দ্রে পর্যবেক্ষকরা মোবাইল নিতে পারবে না, কোনো প্রকার ক্যামেরা ব্যবহার করা যাবে না। তারা যদি মোবাইল নিতে না পারে, ক্যামেরা ব্যবহার না করা যায়, তাহলে প্রমাণ কোথা থেকে সংগ্রহ করবে? পর্যবেক্ষকরা তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা কীভাবে নিবে? তা না হলে তো পর্যবেক্ষক থাকার কোনো মানেই হয় না।

পার্বত্য অঞ্চলের মানুষ স্বাধীন নয় অভিযোগ করে তিন বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের মানুষদের বিভিন্ন কাজের ক্ষেত্রে নিজের পরিচয়পত্র দেখাতে হয়। পার্বত্য অঞ্চলের ভোটারদের র্নির্বিঘ্নে ভোট দিতে আসতে পারবে কি না আমরা তাঁর নিশ্চয়তা চাই।

এসময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সংসদ এখনো বহাল আছে, মন্ত্রীরা এখনো তাঁদের পদে থেকে সকল সরকারি সুযোগ সুবিধা ভোগ করছে। এটা একদম অনৈতিক ব্যবহার হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী একজন প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন, তিনি কীভাবে নির্বাচনকালীন প্রধানমন্ত্রী থাকেন?

মানবাধিকার কর্মী খুশী কবির বলেন, সবাই নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে এতে আমরা আনন্দিত। নির্বাচন কমিশনের উচিত তারা যেন শুধু সরকারের পক্ষ না নিয়ে সবার নির্বাচনে অংশগ্রহণের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সকলকে সমান ভাবে দেখে।

জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, জনগণেরও একটি দায়িত্ব আছে। জনগণের নিজেদেরও উচিত চারদিকে নজরদারী রাখা। জনগণকে বলব, আপনারা ভোট কেন্দ্রে যাবেন। ভোট কেন্দ্রে যদি জনগণের স্বতস্ফুর্ত উপস্থিতি থাকে তাহলে ভোট জালিয়াতির সুযোগ থাকবে না।

অন্যতম প্রধান আলোচক হিসেবে ব্যারিস্টার সারা হোসেন বলেন, এটা কোনো উৎসবমূখর নির্বাচন নয়। নির্বাচনের আগ মুহূর্তে বিভিন্ন স্থানে ঘটতে থাকা সংঘাতই এর প্রমাণ। একদিকে এক দল মামলায় হয়রানি হচ্ছে। নির্বাচনের আগেও তাদের গ্রেফতার করা হচ্ছে, মামলা চলমান রয়েছে। অন্য দল নির্বাচনি প্রচারণায় মাঠে নেমেছে।

নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার নিরাপত্তা নিয়ে যেখানে সন্দিহান সেখানে পর্যবেক্ষকদের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার যে বক্তব্য দিয়েছেন তা দুঃখজনক।

এসময় পার্বত্য অঞ্চলের এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলের ভোটাররা নির্বিঘ্নে যেন ভোট দিতে আসতে পারে তার নিশ্চয়তায় নির্বাচন কমিশনের প্রতি পদক্ষেপ নিতে তিনি আহ্বান জানান।

কাউখালীতে বিএনপি জোট মনোনীত প্রার্থী মনিস্বপন দেওয়ানের গণসংযোগ

কাউখালী প্রতিনিধি:

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে মাঠে নেমেছে কাউখালী উপজেলা বিএনপি।

নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে বুধবার(১২ডিসেম্বর) উপজেলার ৩ ইউনিয়নের ১৫টি স্থানে গণসংযোগ ও পথসভা করেছে দলটি।

এতে বক্তব্য রাখেন বিএনপি জোট মনোনীত প্রার্থী মনিস্বপন দেওয়ান। এসময় তার সফর সঙ্গী হিসেবে সাথে ছিলেন জেলা বিএনপি ও জামায়াতের সিনিয়র নেতারা।

দিনব্যাপী কাউখালীতে গণসংযোগের অংশ হিসেবে মনিস্বপন দেওয়ান উপজেলার বেতবুনিয়া ইউনিয়নের ৪টি, কলমপতি ইউনিয়নের ৫টি, ঘাগড়া ইউনিয়নের ৭টি স্থানে ধানের শীষের পক্ষে প্রচারণা চালান।

কাউখালী বাজারে অনুষ্ঠিত পথসভায় সাধারণ ভোটারদের উদ্দেশ্যে মনিস্বপন বলেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লড়াই। অন্যায়ের বিরুদ্ধে ন্যায় প্রতিষ্ঠার লড়াই, সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার ফিরে পাওয়ার লড়াই।

তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন কথা দিয়ে তা রাখতে পারছেন না। তফশীল ঘোষণার পর কমিশন লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরীর কথা বললেও বিভিন্ন স্থানে জোটের নেতা কর্মীদের উপর সরকারিদল জুলুম নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছে। এমনকি কাউখালীর দলীয় কার্যালয়ে সরকারি দল তালা দেয়ার ঘটনাও ঘটিয়েছে।

তিনি ভয়ভীতির উর্ধ্বে থেকে আগামী নির্বাচনে ধানের শীষের প্রার্থীকে জয়লাভ করার মধ্যমে সকল নিপীড়ন, অন্যায় অত্যাচারের জবাব দেয়ার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান।

কাউখালী উপজেলা বিএনপির সভাপতি জসিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত গণসংযোগ ও পথসভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, রাঙ্গামাটি জেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব শাহ আলম, জেলা জামায়াতের আমীর মো. আব্দুল আলীম, পৌর শাখার আমীর মো. আবুল মনছুর, জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম পনির, যুগ্ম সম্পাদক নিজাম উদ্দিন, জেলা যুবদলে সাধারণ সম্পাদক আবু সাদাৎ মো. সায়েম, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক, জাহাঙ্গীর আলম তালুকদার, জেলা বিএনপি নেতা উষাহলা রোয়াজা, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমএ মনছুর, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আব্দুল মোতালেব, সহ-সভাপতি মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, বিএনপি নেতা মহিউদ্দিন, ছাত্রদল সভাপতি মো. মোমিনুল হক, যুবদল সভাপতি মো. আবুল হাসেম প্রমুখ।

লংগদুতে আনসার ও ভিডিপি সমাবেশ-১৮ অনুষ্ঠিত

লংগদু  প্রতিনিধি:

রাঙামাটির লংগদু উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কার্যালয়ের উদ্যোগে ‘‘উপজেলা আনসার ও ভিডিপি সমাবেশ’’২০১৮ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার(১২ডিসেম্বর), লংগদু উপজেলা পরিষদ সন্মেলন কক্ষে  আয়োজিত সমাবেশে উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রবীর কুমার রায় এতে সভাপতিত্ব করেন।

উপজেলা আনসার ও ভিডিপি’র ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. দেলোয়ার হোসেন এর পরিচালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, লংগদু উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. তোফাজ্জল হোসেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, বাইট্টাপাড়া ১আনসার ব্যাটালিয়নের কমান্ডার আবু বক্কর ছিদ্দিক, রাঙামাটি সদর উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা মো. ফজলে রাব্বি, লংগদু থানা অফিসার ইনচার্জ রঞ্জন কুমার সামন্ত।

শেষে সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের স্বীকৃতি হিসেবে এবছর লংগদুতে ৩০জন আনসার ও ভিডিপি সদস্য ও সদস্যাকে বাইসাইকেলসহ বিভিন্ন পুরস্কার প্রদান করা হয়।

লংগদুতে গাঁজা ও নেশাজাতীয় ঔষধসহ মহিলা আটক

লংগদু প্রতিনিধি:

রাঙামাটির লংগদুতে একটি বাসাবাড়ি থেকে ১কেজি গাঁজা, নেশাজাতীয় বিভিন্ন ঔষধ, সিরিঞ্জ-সহ এক মহিলাকে আটক করেছে যৌথ বাহিনী।

আটককৃত মহিলার নাম জরিনা বেগম(৫০)। সে উপজেলার মাইনীমুখ ইউনিয়নের বাইট্টাপাড়া এলাকার মৃত আব্দুল কুদ্দুসের স্ত্রী। পরে তাকে লংগদু থানায় সৌপর্দ করা হয়।

জোন সূত্র ও থানা সূত্র জানায়, লংগদু সেনা জোনের সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার মো. হেলাল উদ্দিনের নেতৃত্বে একটি দল দুপুর একটার সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার ভাইট্টাপাড়া এলাকায় বেসরকারি এনজিও সংস্থা আশা অফিসের পাশে মৃতঃ আব্দুল কুদ্দুছের বাড়িতে তল্লাসী চালিয়ে থেকে ১কেজি গাঁজা, নেশাজাতীয় বিভিন্ন ঔষধ, সিরিঞ্জ উদ্ধার করেছে। মাদক দ্রব্য ব্যবসার দায়ে ওই বাড়ির কর্তা মৃত কুদ্দুছের স্ত্রী জরিনা বেগম(৫০) আটক করা হয়।

লংগদু থানার এস আই মো. বেলাল হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আটককৃত জরিনা বেগম গোপনে অনেক দিন ধরে এই নেশাজাতীয় দ্রব্যের ব্যবসা করে আসছিল। আটককৃতের বিরুদ্ধে মাদক নিয়ন্ত্রণ সংশোধ আইনে মামলা করা হয়েছে। বুধবার(১২ ডিসেম্বর) সকালে মাদক বিক্রেতা জরিনা বেগমকে কোর্টে চালান দেওয়া হয়েছে।

গভীর রাতে কম্বল বিতরণ করলেন কক্সবাজারের ডিসি

কক্সবাজার প্রতিনিধি:

কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন মঙ্গলবার(১১ ডিসেম্বর) গভীর রাতে কক্সবাজার শহরে শীতার্থদের মাঝে দুই শতাধিক কম্বল বিতরণ করেছেন।

শহরের বাস টার্মিনাল, মুক্তিযোদ্ধা মাঠ, জেলা প্রশাসন ভবন সংলগ্ন এলাকা, লালদিঘীর পাড় ও হলিডে মোড় সহ শহরের বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে এসব শীতের কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।

গভীর রাতে কক্সবাজার জেলা প্রশাসন ভবন এলাকায় কম্বল পেয়ে এক বৃদ্ধ বলেছেন-‘ এবার বেশ উপকৃত হলাম। কেননা শীতের প্রথম ধাক্কায় পাওয়া এ কম্বল মাঘ-পৌষের শীত সামাল দিতে পারব।’ বৃদ্ধের মতে শীতের কষ্ট পাবার পর কম্বল পেয়ে লাভ কি ? এখন শীতের প্রারম্ভে যে কম্বল পেলাম তাই এবারের শীত নিবারণের জন্য যথেষ্ট সহায়ক হবে।

শীতার্ত মানুষগুলো যখনই এসব এলাকায় শুয়েছিলেন বা কেউ কেউ ঘুমিয়েছিলেন তাদেরই গায়ে তুলে দেয়া হয় কম্বলগুলো। জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেনর সাথে এসময় জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা যথাক্রমে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ মাহিদুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মাসুদুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ আশরাফুল আবছার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মো. আশরাফ হোসেনসহ জেলা প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।