image_pdfimage_print

৯০ রানের বিশাল ব্যবধানে শ্রীলঙ্কাকে হারালো বাংলাদেশ

bd

পার্বত্যনিউজ ডেস্ক :

ডাম্বুলায় শ্রীলঙ্কাকে ৯০ রানে হারিয়ে মাশরাফিরা ওয়ানডে সিরিজ শুরু করলেন জয় দিয়েই। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বাংলাদেশের আগের চারটি জয় ছিল উইকেটের ব্যবধানে। প্রথমবারের মতো রানের ব্যবধানে হারালেন মাশরাফিরা। ৪৫.১ ওভারে ২৩৪ রানে অলআউট হয়েছে শ্রীলঙ্কা।

৩২৫ রান তাড়া করতে নেমে স্কোরবোর্ডে কোনো রান না তুলতেই মাশরাফি বিন মুর্তজার করা প্রথম ওভারেই এলবিডব্লু গুনাথিলাকা। ঘুরে দাঁড়াবে কী, বাংলাদেশের বোলারদের দুর্দান্ত বোলিংয়ে আরও চাপে শ্রীলঙ্কা। ১১ ওভারে ৩১ রানে নেই ৩ উইকেট। কেন দেশ থেকে কেন তাঁকে উড়িয়ে নেওয়া হয়েছে, বোঝালেন মেহেদী হাসান মিরাজ। কুশল মেন্ডিসকে (৪) আউট করেছেন।ফিরিয়েছেন শ্রীলঙ্কার ইনিংসে একমাত্র ফিফটি পাওয়া দিনেশ চান্ডিমালকেও।

২৮.৫ ওভারে ম্যাচে ঘুরে দাঁড়ানোর সব সম্ভাবনা যেন শেষ করে দিল বাংলাদেশ। ১২১ রানে ৫ উইকেট নেই শ্রীলঙ্কার।

এর আগে বাংলাদেশ ৫ উইকেটে করে ৩২৪ রান। তাতেই শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বাংলাদেশ নিজেদের সর্বোচ্চ রানের ইনিংসটা নতুন করে লেখাল। শুরু থেকে একপ্রান্ত ধরে রেখে খেলে তামিম ইকবালই রাখলেন মূল ভূমিকা। ১৪২ বলের ইনিংসটায় মেরেছেন ১৫টি চার, ছয় একটি। ৪৮তম ওভারে আউট হওয়ার আগে বাংলাদেশকে দিয়ে গেছেন ৩০০-র গতিপথ। যে পথ ধরেই বাংলাদেশ পেয়েছে দুর্দান্ত এক জয়।

সংক্ষিপ্ত স্কোর
বাংলাদেশ: ৫০ ওভারে ৩২৪/৫ (তামিম ১২৭, সাকিব ৭২, সাব্বির ৫৪, মোসাদ্দেক ২৪*, মাহমুদউল্লাহ ১৩*; লাকমাল ২/৪৫, গুনারত্নে ১/৪০, সান্দাকান ১/৪৩)।
শ্রীলঙ্কা: ৪৫.১ ওভারে ২৩৪ (চান্ডিমাল ৫৯, পেরেরা ৫৫, পাথিরানা ৩১, গুনারত্নে ২৪; মোস্তাফিজ ৩/৫৬, মাশরাফি ২/৩৫, মেহেদী ২/৪৩, সাকিব ১/৩৩, তাসকিন ১/৪১, মোসাদ্দেক ০/২১)।
ফল: বাংলাদেশ ৯০ রানে জয়ী।

পেকুয়ায় বঙ্গবন্ধু স্মৃতি পাঠাগারের উদ্বোধন

পেকুয়া প্রতিনিধি:

পেকুয়া বঙ্গবন্ধু স্মৃতি পাঠাগারের উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার বিকেলে পেকুয়া জিএমসি ইনস্টিটিউশনের সামনে পাঠাগারের উদ্বোধন করেন জেলা আওয়ামীলীগের শিক্ষা ও মানব সম্পদ বিষয়ক সম্পাদক এবং সুচিন্তা বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমন্বয়ক ড. মোহাম্মদ আশরাফুল ইসলাম সজিব।

পাঠাগার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, পেকুয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সহসভাপতি মো. শহিদুল্লাহ, জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সদস্য এস এম শাহাদাত হোসেন, পেকুয়া উপজেলা নাগরিক কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক এটিএম জায়েদ মোর্শেদ, সুচিন্তা পেকুয়া উপজেলা শাখার আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট রাশেদুল কবির, পেকুয়া উপজেলা বঙ্গবন্ধু স্মৃতি পাঠাগারের সভাপতি শহিদুল ইসলাম হিরু, সাধারণ সম্পাদক ফোরকান এলাহী, আলী হোসেন, মো. ইসমাঈল, ওসমান সরওয়ার বাপ্পি প্রমুখ।

উদ্বোধন শেষে ড. সজিব বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতি সংরক্ষণে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে তরুণ সমাজকে সংগঠিত কওে ওনার জীবনী জানার সুযোগ করে দিতে হবে। এজন্য বঙ্গবন্ধু স্মৃতি পাঠাগারের মতো প্রতিষ্ঠান বা ক্লাবঘর খুব দরকার। আমি আশা করছি, এলাকার কঁচিকাঁচা শিক্ষার্থীরা এ পাঠাগারে এসে বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জানার সুযোগ পাবে।

পেকুয়া থানার নতুন ওসি আব্দুল মজিদ যোগদান

পেকুয়া প্রতিনিধি:
পেকুয়া থানার নতুন ওসি হিসাবে আব্দুল মজিদ যোগদান করেছেন। গত ২৪ মার্চ কক্সবাজার জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে পেকুয়া থানার ওসি হিসাবে যোগদান করেন তিনি।

এর পর ২৫ মার্চ তিনি পেকুয়া থানার ওসি জিয়া মোহাম্মদ মোস্তাফিজ ভুইয়ার কাছ থেকে দায়িত্বভার বুঝে নেন। এর আগে ওসি আব্দুল মজিদ কুতুবদিয়া থানার ওসি ছিলেন।

এদিকে পেকুয়া থানার ওসি জিয়া মোহাম্মদ মোস্তাফিজ ভুইয়াকে নানা অনিয়ম দূর্ণীতির অভিযোগে কুতুবদিয়া থানায় বদলী করে পুলিশের উধর্ধতন কর্তৃপক্ষ। তিনিও কুতুবদিয়া থানায় যোগদান করেছেন। গত কয়েকবছর আগে আব্দুল মজিদ পেকুয়া থানার এস আই হিসাবে দায়িত্বপালন করেছিলেন।

মাটিরাঙ্গায় হাজারো মোমবাতি জ্বেলে বর্বর গণহত্যার প্রতি ঘৃণা জানালো জনতা

25.03.2017_Zenoside Day NEWS Pic (13)

নিজস্ব প্রতিবেদক, মাটিরাঙ্গা :

নতুন প্রজন্মের তাসনিম শাহরিয়ার আর বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মনুছর আলীর হাত ধরে জ্বেলে ওঠা হাজারো মোমবাতি জ্বেলে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কালোরাতে ঘুমন্ত-নিরস্ত্র সাধারণ বাঙ্গালীর উপর চালানো পাকবাহিনীর বর্বর গণহত্যার প্রতি ঘৃণা জানালো খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গার হাজার হাজার মানুষ। ২৫ মার্চ কালরাতে বর্বর পাকবাহিনীর হাতে গণহত্যার শিকার মানুষদের স্মরণে ১ মিনিট নিরবতা পালন করে অংশগ্রহণকারীরা।

জাতীয় গণহত্যা দিবস উপলক্ষে মাটিরাঙ্গা উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে মাটিরাঙ্গা বাজার ব্যবসায়ী কমিটির সহযোগিতায় ঢাকা-খাগড়াছড়ি সড়কে রাত সাড়ে ৮টা থেকে ৯টা পর্যন্ত ৩০ মিনিটি স্থায়ী এ কর্মসুচী পালন করা হয়।

৩০ মিনিট ব্যাপী এ মোমবাতি প্রজ্জলন অনুষ্ঠানে মাটিরাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বি.এম মশিউর রহমান, মাটিরাঙ্গা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মো. মনছুর আলী, মাটিরাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. সাহাদাত হোসেন টিটো ও মাটিরাঙ্গা উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম-আহবায়ক সুবাস চাকমা প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

জাতির ইতিহাসে ঘৃনিত ২৫ মার্চকে জাতীয় গণহত্যা দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নেয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়ে মাটিরাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বি.এম মশিউর রহমান বলেন, ২৫ মার্চ অপারেশন সার্চলাইটের নামে পাকবাহিনী বাংলাদেশকে পরিণত করেছিল এক মৃত্যুপুরীতে। তিনি বলেন, তরুন প্রজন্মকে এ জঘন্য বর্বরতা সঠিকভাবে ধারণ করতে হবে এবং ইতিহাসের এ নির্মম সত্যটি বিশ্ববাসীকে জানাতে হবে।

রাতের অন্ধকারে ঘুমন্ত, নিরস্ত্র, নিরীহ হাজার হাজার বাঙ্গালিকে নির্বিচারে হত্যা, তাঁদের ঘর-বাড়িতে অগ্নিসংযোগ, মা-বোনদের সম্ভ্রমহানিসহ নজিরবিহীন মানবতাবিরোধী কর্মকান্ডের ভয়াবহতা ভুলে যাবার নয় উল্লেখ করে মাটিরাঙ্গা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মো. মনছুর আলী বলেন, রাজাকার ও জঙ্গিবাদমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার শপথ নিয়ে সমানের দিকে এগুতে হবে।

হাজারো মানুষের অংশগ্রহণে জাতীয় গণহত্যা দিবসের এ অনুষ্ঠানে মাটিরাঙ্গা উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন বিভাগীয় প্রধান ছাড়াও মাটিরাঙ্গা উপজেলা আওয়ামীলীগের আহবায়ক ও পৌর মেয়র মো. শামছুল হক, মাটিরাঙ্গা পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি মো. হারুনুর রশীদ ফরাজী, মাটিরাঙ্গা ডিগ্রী কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রশান্ত কুমার ত্রিপুরা, মাটিরাঙ্গা সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিরনজয় ত্রিপুরা, মাটিরাঙ্গা ইসলামিয়া আলিম মাদরাসার অধ্যক্ষ কাজী মো. সলিম উল্যাহ, মাটিরাঙ্গা বাজার ব্যবসায়ী কমিটির সভাপতি ও পৌর কাউন্সিলর মো. আবুল হাসেম ভুইয়া, মাটিরাঙ্গা মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. আশরাফ উদ্দিন খোন্দকার, মাটিরাঙ্গা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আবুল হাসেম, উপজেলা ছাত্রলীগের আহবায়ক মোহাম্মদ আলী প্রমুখ অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন।

চকরিয়া শাহারবিল কামিল মাদ্রাসার প্রাক্তন ছাত্র পরিষদের কমিটি গঠিত

CHAKARIA SAHARBIL MADRASAH (M.P ELIAS) 25-03-2017
চকরিয়া প্রতিনিধি:
২৫ মার্চ শনিবার এ অঞ্চলের প্রাচীন আরবী বিদ্যাপিঠ চকরিয়া শাহারবিল আনয়ারুল উলুম কামিল (এম,এ) মাদ্রাসার ৯৯ তম বার্ষিক সীরাতুন্নবী স. ও ইছালে সাওয়াব মাহফিল শুরু হয়েছে। বাদে জোহর থেকে মাহফিল চলছে। এ মাহফিলে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে দক্ষিণ চট্টলার সিংহ পুরুষ খ্যাত, প্রখ্যাত আলেমেদ্বীন মরহুম-আলহাজ্ব হযরত মৌলানা ছিদ্দিক আহমদ আজাদ সাহেবের সুযোগ্য পুত্র বিশিষ্ঠ ওয়ায়েজ আলহাজ্ব ফানা-ফিল্লাহ বিন-আজাদ।

এদিকে সকাল ১১টায় অত্র মাদ্রাসার প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রীদের এক মিলন মেলা ও সমাবেশ এবং পরে মাদ্রাসার শত বর্ষ উদযাপন উপলক্ষে এক প্রস্তুতি মিটিংও অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চকরিয়া-পেকুয়া আসনের সাংসদ হাজী মোহাম্মদ ইলিয়াছ এমপি। সভাপতিত্ব করেন মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ মহেশখালী উপজেলার প্রবীন আলেম আলহাজ্ব মৌলানা নুরুল ইসলাম।

মিটিং শেষে সর্ব সম্মতিক্রমে চকরিয়া-পেকুয়া আসনের মাননীয় সাংসদ হাজী মোহাম্মদ ইলিয়াছ এমপিকে প্রধান উপদেষ্ঠা করে মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ আলহাজ্ব মৌলানা নুরুল ইসলামকে আহ্বায়ক, যুগ্ন আহ্বায়ক করা হয়েছে যথাক্রমে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আলহাজ্ব মৌলানা রুহুল কুদ্দুস আনওয়ারী আল আজহারী, হাফেজ এনামুল হক, হাকিম মৌলানা মনজুরুল কাদের বাবুল, আলহাজ্ব মনজুরুল কাদের টুকু ও মৌলানা হেদায়াত উল্লাহ ও অপরাপর সদস্য সহ প্রাক্তন ছাত্র পরিষদ নামে মোট ৩১ সদস্য বিশিষ্ঠ একটি আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে।

মিটিং শেষে মৌলানা নুরুল ইসলাম মোনাজাত পরিচালনা করেন। পরে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হবে এবং এ সংগঠনের আয়োজনেই আগামী বছর মাদ্রাসার শত বর্ষ উদযাপন করা হবে বলে জানান, মাননীয় সাংসদ হাজী মোহাম্মদ্ ইলিয়াছ।

চকরিয়া উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে গণহত্যা দিবস পালন

চকরিয়া প্রতিনিধি
২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস উপলক্ষে শনিবার যথাযথ মর্যাদায় চকরিয়া উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে নানা কর্মসুচির মাধ্যমে দিবসটি পালিত হয়েছে। এদিন সকালে পৌর কমিউনিটি সেন্টার মাঠে বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থী এবং পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে দিবসটি স্বরণে ডিসপ্লে প্রদর্শন করা হয়।

পরে চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাহেদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ জাফর আলম।

বিশেষ অতিথি উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম আজাদ, উপজেলা সহকারি কমিশনার ভুমি মো. দিদারুল আলম, কক্সবাজার জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান ও চকরিয়া পৌরসভা আওয়ামীলীগের সভাপতি জাহেদুল ইসলাম লিটু, চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.জহিরুল ইসলাম খাঁন।অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিপুল সংখ্যাক শিক্ষার্থী এবং সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।

চকরিয়ার চরাপাড়া এলাকায় মরণনেশা ইয়াবা সেবন ও রমরমা বাণিজ্য!

CHAKARIA CONAKHALI 25-03-2017
চকরিয়া প্রতিনিধি
কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার কোনাখালী ইউনিয়নের চড়াপড়া এলাকায় মরণনেশা ইয়াবা ট্যাবলেট বিক্রি ও সেবনে অতিষ্ট হয়ে উঠেছে পুরো এলাকা। এ নিয়ে এলাকার মানুষের মাঝে সৃষ্টি হয়েছে তীব্র প্রতিক্রিয়া। উঠতি বয়সের যুবক ও নানান মানুষের আনাগোনা বেড়ে যাওয়ায় ওই এলাকার নারী-পুরুষের মাঝে বিরাজ করছে এক ধরণের আতঙ্ক।

মরণনেশা ইয়াবা ট্যাবলেট শহর ছেড়ে যখন গ্রামীণ এলাকার মধ্যে সাধারণ মানুষের হাতে চলে আসছে তা রোধ করতে কঠিন হয়ে যাবে বলে সচেতন মহল জানান। স্থানীয় প্রশাসন জেনে ও না দেখার মত নীরব ভুমিকা পালন করছে। এলাকার সচেতন ব্যাক্তিরা বলেন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের নীরব ভুমিকা দেখে বহিরাগত কিছু দুবৃর্ত্তরা চড়াপাড়া এলাকায় এসে প্রতিনিয়ত ইয়াবা ট্যাবলেট দিব্যি বিক্রির রমরমা হাট বসিয়েছে বলে জানা যায়। স্থানীয় ভাবে কোনাখালী ইউনিয়নের ৩নম্বর ওয়ার্ডের পেঠান আলীর পুত্র মোজাম্মেলসহ বেশ কয়েক জন ব্যাক্তি প্রায় এক বছর ধরে মরণনেশা ইয়াবা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে বলে সুত্রে জানান।

সরেজমিন ঘুরে ও খোঁজনিয়ে জানাগেছে, কোনাখালীর চড়াপড়া এলাকার পাশ্বোক্ত মাতামুহুরী নদী লগোয়া মোজাম্মেল নামের একটি মৎস্য ঘের রয়েছে।এ ঘেরের খামার বাড়িতে প্রতিনিয়ত চলছে ইয়াবা বিক্রি ও সেবন। ইয়াবা ট্যাবলেট সেবন ও বিক্রি করার সময় চড়াপড়া এলাকার মৃত আবদু ছালামের পুত্র শাহেদুল করিম ওই মৎস্য ঘেরে হাতে নাতে ইয়াবা বিক্রি ও সেবনবস্থায় পুর্ব বড় ভেওলার ঈদমনি এলাকার জামাল বলির পুত্র সুমন ও মন্নান নামে দুইজন ব্যাক্তির ছবিতোলা হয়। ছবি তোলার পরই চড়াপড়া এলাকা থেকে দু’জনে পালিয়ে যায়। এনিয়ে ঘেরের মালিক মোজাম্মেলেরর কাছে স্থানীয় শাহেদসহ বেশ কয়েকজন ব্যাক্তি ইয়াবা বিক্রি ও সেবনের কথা জিজ্ঞাস করলে উল্টো তাদের উপর চড়াও হয়ে যায়। পরে মোজাম্মেলের যোগসাজসে ঈদমনি এলাকার জামাল বলির পুত্র সুমন ও মন্নানের নেতৃত্বে দেশীয় তৈরি অস্ত্র শস্ত্র নিয়ে ৩০/৪০জন লোকজন নিয়ে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালানোর চেষ্টা চালায়। বর্তমানে ইয়াবা বিক্রি ও সেবনে বাধা দেয়ায় স্থানীয় চড়াপড়া এলাকার শাহেদকে প্রাণনাশের হুমকি ও ভয়ভীতি দেখাচ্ছে বলে এলাকাবাসী জানায়।

প্রতিদিন চড়াপড়া এলাকায় নানা ধরণের অপরাধ সংগঠিত হচ্ছে। এই এলাকার কোমলমতি শিক্ষার্থী ও উঠতি যুবকের হাতে তুলে দেয়া হচ্ছে মরণনেশা ইয়াবা ট্যাবলেট, গাজাঁসহ বিভিন্ন অবৈধ নেশা জাতীয় দ্রব্যাদী। বিভিন্ন অপরাধ কর্মকান্ড দেখে ওই এলাকার নারীসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ ফুসে উঠেছে।সহসায় এ জগন্যতম অপরাধ রোধ করার জন্য স্থানীয় এলাকাবাসী সাংবাদিকদের নিয়ে সরেজমিনে পরিদর্শন করান।

এ ব্যাপারে স্থানীয় কোনাখালী ইউপি চেয়ারম্যান দিদারুল হক সিকদারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, চড়াপড়া এলাকায় ইয়াবা বিক্রি ও সেবন করার বিষয়টি নিয়ে আমি গুরুত্বসহকারে দেখব। বিষয়টি ব্যাপারে উধ্বর্তন কতৃর্পক্ষকে জানানো হবে।

মাতামুহুরী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ(আইসি)পুলিশ পরিদর্শক সমীর চন্দ্র সরকারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আসলে এলাকাটি খুবই খারাপ। এখানে নানা ধরণের মাদকের ব্যবসা করে যাচ্ছে এ কথাটি শুনেছি। যখন খবর পেয়ে থাকি তখনই অভিযান চালানো হয়। জনবল সংকটের কারণে অনেক সময় বড় ধরণের অপারেশনেও যাওয়া দুস্কর হয়ে পড়ে। আমার উধ্বর্তন কতৃর্পক্ষকে এ ব্যাপারে বলা হয়েছে। তারপরও এ বিষয়টি খতিয়ে দেখব।

রামগড় আ,লীগের সংবাদ সন্মেলনে দাবী : উপজেলা চেয়ারম্যানের বাসভবনে কথিত হামলার ঘটনা মিথ্যা

20170325_185712

রামগড় প্রতিনিধি
রামগড় উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম ভুইয়ার বাসায় হামলা এবং তাঁর প্রাণ নাশের চেস্টার অভিযোগ মিথ্যা ও সাজানো নাটক বলে দাবি করেছে আওয়ামীলীগ।

বৃহস্পতিবার খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপি এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে অভিযোগ করে, রামগড়ে  আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী আলমগীরের নেতৃত্বে ৩০/৩৫ জন সন্ত্রাসী উপজেলা চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম ভুইয়ার বাস ভবনে হামলা চালায় এবং তাঁর  প্রাণ নাশের চেষ্টা করা হয়। বিএনপির এই প্রেস বিজ্ঞপ্তিটি পার্বত্যনিউজ ডট কমসহ কয়েকটি অন লাইন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত হয়। এর প্রেক্ষিতে শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টায় দলীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সন্মেলনের আয়োজন  করে আওয়ামীলীগ।

সংবাদ সন্মেলনে আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ বলেন, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত দলীয় অফিসে গণ হত্যা দিবস ও স্বাধীনতা দিবস পালনের প্রস্তুতি সভা হয়। এতে আওয়ামীলীগ ও অংগ সংগঠনের নেতাকর্মীরা সবাই উপস্থিত  ছিলেন। রাতে অনলাইন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত বিএনপির প্রেস রিলিজে তারা জানতে পারেন  উপজেলা চেয়ারম্যানের বাসায় কথিত হামলার কথা।

আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, হামলার ঘটনা মিথ্যা। আর হয়ে থাকলে তা বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দল  অথবা পারিবারিক দ্বন্দ্বে হতে পারে। আবার সাজানো ঘটনা ঘটিয়ে আওয়ামীলীগের সুনাম নষ্ট করার ষড়যন্ত্রও হতে পারে।

বিগত বিএনপি জামায়াত সরকারের আমলে রামগড়ে আওয়ামীলীগের নেতা কর্মী সমর্থকদের উপর অত্যাচার, নির্যাতন ও বাড়িঘর ছাড়া করার কথা উল্লেখ করে তারা বলেন, আওয়ামীলীগ নেতার মায়ের জানাজায়ও আসতে দেয়া হয়নি। অথচ দল ক্ষমতায় আসার পর আওয়ামীলীগ অত্যাচার,  নির্যাতনের প্রতিশোধ না নিয়ে সব দলের সহবস্থানের পরিবেশ গড়ে তোলা হয়েছে। শান্তি পূর্ণ সহবস্থান নষ্ট করে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে বিএনপি  একের পর এক মিথ্যা  অভিযোগ তুলছে।

সংবাদ সন্মেলনে উপজেলা চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম ভুইয়ার বিরুদ্ধে সরকারি বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের টাকা লুটপাটসহ দাপ্তরিক নানা অনিয়ম, দুর্নীতির অভিযোগ করা হয়।

সংবাদ সন্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন আহবায়ক কাজী  নুরুল আলম (আলমগীর)। বক্তব্য দেন, খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য শের আলী ভুইয়া, উপজেলা আওয়ামীলীগের আহবায়ক ও ইউপি চেয়ারম্যান মো. শাহ আলম, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি মো. মোস্তফা হোসেন, পৌর আওয়ামীলীগের আহবায়ক  রফিকুল ইসলাম কামাল।

উপস্থিত ছিলেন, পৌর আওয়ামীলীগের যুগ্ন আহবায়ক বিশ্ব ত্রিপুরাসহ আওয়ামীলীগ, ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতৃবৃন্দ  ।

মাটিরাঙ্গায় গণহত্যা দিবসে আওয়ামী লীগের মোমবাতি প্রজ্জ্বলন

IMG_20170325_190418 copy

নিজস্ব প্রতিবেদক, মাটিরাঙ্গা:

বাঙালি জাতির ইতিহাসে ঘৃণিত ২৫মার্চ গণহত্যা দিবস উপলক্ষে প্রয়াতদের স্মরণে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন কর্মসূচি পালন করেছে মাটিরাঙ্গা উপজেলা  ও পৌর আওয়ামী লীগ  ও সহযোগী সংগঠন।

রাষ্ট্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে দলীয় কার্যালয়ের সামনের সড়কে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন মাটিরাঙ্গা উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক ও মাটিরাঙ্গা পৌরসভার মেয়র মো. শামছুল হক।

এসময় মাটিরাঙ্গা উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক সুবাস চাকমা, মাটিরাঙ্গা পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. হারুনুর রশীদ ফরাজী, সাধারণ সম্পাদক ও প্যানেল মেয়র মো. আলাউদ্দিন লিটন, মাটিরাঙ্গা উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মো. রফিকুল ইসলাম, মাটিরাঙ্গা উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. জহিরুল ইসলাম খোন্দকার, মাটিরাঙ্গা উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক ও পৌর কাউন্সিলর মোহাম্দ আলী, পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি মো. সাইফুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মো. তছলিম উদ্দিন রুবেলসহ আওয়ামীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগসহ বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ছাড়াও মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের জনগণ উপস্থিত ছিলেন।

পরে দলীয় নেতাকর্মীসহ উপস্থিত জনতার উদ্দ্যেশ্যে মাটিরাঙ্গা উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক ও মাটিরাঙ্গা পৌরসভার মেয়র মো. শামছুল হক বলেন, বাঙালি জাতির ইতিহাসে সবচেয়ে ঘৃণিত ২৫শে মার্চ গণহত্যা দিবস হিসেবে পালন করার সিদ্ধান্ত গ্রহণের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু কণ্যা শেখ হাসিনা স্বাধীনতার ৪৬ বছর পর আবার একটি ইতিহাসের সৃষ্টি করেছেন।

বান্দরবানে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠির এক দম্পতিকে গলা কেটে হত্যা

17505984_10211370929964256_1577948259_n copy

নিজস্ব প্রতিবেদক, বান্দরবান :

বান্দরবানের লামায় ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠির এক দম্পতিকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। শনিবার ভোর রাতে উপজেলার ফাসিয়াখালি ইউনিয়নের ইয়াংছা এলাকার ছোটপাড়ায় নিজ বাড়ীতে এই ঘটনা ঘটে। লামা থানার ওসি আনোয়ার হোসেন এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

নিহতরা হলেন সাবেক মেম্বার ক্ল্যা হ্লা চিং মারমা (৭৫), চিং হ্লা নী মারমা (৫০)। স্থানীয়রা ধারণা করছে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে এই হত্যাকান্ড ঘটতে পারে।

নিহতের মেয়ে মাঅং মার্মা (৪২) বলেন, বাবা-মা দুইজন নিজেদের বাড়িতে একা থাকত। সকালে তাদেরকে রান্না করে দিতে এসে দেখি আমার বাবা মায়ের রক্তাক্ত লাশ বিছানায় পড়ে আছে। আমার চিৎকারে আশপাশের লোকজন সবাই ছুটে আসে।

নিহতের ছেলে মংক্যাহ্লা বলেন, ঘরের আলমারি, সিন্দুক, বক্সের তালা খোলা রয়েছে। সারা ঘর এলামেলো ও জিনিসপত্র গুলো ছড়ানো ছিটানো রয়েছে।

পাড়া কারবারী অংশৈ প্রু মার্মা বলেন, ক্যাহ্লাচিং মার্মা সাবেক মেম্বার। তার জায়গা জমি ও অনেক সম্পত্তি রয়েছে। পাড়ার সবার সাথে তার সম্পর্ক ভাল ছিল।

ঘটনা জানাজানির পর পর লামার ইয়াংছা ক্যাম্পের সেনাবাহিনীর একটি টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

ফাসিয়াখালি ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার আপ্রুচিং মারমা বলেন, আমি সকালে ওনাদের (নিহত দম্পতির) ছেলের কাছ থেকে খবর পাই। খবর পেয়ে পুলিশকে জানাই।

লামা থানার ওসি আনোয়ার হোসেন জানান, এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে আমরা এলাকায় পুলিশ পাঠিয়েছি।