image_pdfimage_print

 দীঘিনালায় আল কারীম ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ইফতার সামগ্রী বিতরণ 

 unnamed (1) copy

দীঘিনালা প্রতিনিধি:

“আসুন হতদরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ায়” এ প্রতিপাদ্য বিষয় নিয়ে দীঘিনালা উপজেলার হতদরিদ্রদের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

শনিবার উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ইফতার সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন, ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং সহকারী কমিশনার মো. মাহফুজুর রহমান।

এসময় আল কারীম ফাউন্ডেশনের সভাপতি এবং ১নম্বর কবাখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. বদিউজ্জামান এর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, আল কারীম ফাউন্ডেশনের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং দীঘিনালা সদর ইউনিয়ন পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক মো. কামরুজ্জামান প্রমুখ।

পরে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত হতদরিদ্রদের মাঝে ১ কেজি মুড়ি, ১ কেজি চিনি, ১ কেজি ছোলা, ১ কেজি পেয়াজ, ১ কেজি সয়াবিন তেল এবং আধা কেজি খেজুরসহ ইফতার সামগ্রী তুলে দেন।

লামায় গরু ব্যবসায়ী নিখোঁজের ঘটনায় একজন আটক

unnamed copy

লামা প্রতিনিধি:

লামা ইউনিয়নের মেরাখোলা মুসলিম পাড়ার গরু ব্যবসায়ী আব্দুল মজিদ(৫৮)নিখোঁজের ঘটনায় সৈয়দ করিম(৬৫)নামক একজনকে আটক করা হয়েছে। শনিবার তাকে আটক দেখিয়ে সন্দেহভাজন হিসেবে ৫৪ ধারায় আদালতে চালান দেওয়া হয়।

জানা গেছে, গত ১৩ ফেব্রুয়ারি আব্দুল মজিদ, পিতা-মৃত আবু ছৈয়দ গরু ক্রয়ের জন্য দুই লক্ষাধিক টাকা নিয়ে থানচি উপজেলায় গমন করে আর বাড়ি ফিরে আসেনি। তার স্ত্রী রাজিয়া বেগম নিখোঁজের বিষয়ে গত ৫ মার্চ লামা থানায় সাধারণ ডায়রি করেন। রাজিয়া বেগম জানান, আব্দুল মজিদ বাড়ি থেকে যাওয়ার সময় তিনটি মোবাইল নম্বর দিয়ে যান। তবে তিনি নিজে মোবাইল ব্যবহার করতেন না। যেকোন প্রয়োজনে বাড়িতে দিয়ে যাওয়া মোবাইল নম্বর সমূহে যোগাযোগ করার জন্য বলে যান। বাড়ি থেকে যাওয়ার পর হতে এ তিনটি মোবাইল নম্বর এ কল দেয়া হলে মোবাইল সংযোগ বন্ধ পাওয়া যায়।

লামা ইউপি চেয়্যারম্যান মিন্টু কুমার সেন জানান, নিখোঁজ হওয়ার পর থেকে তিনটি মোবাইল নম্বরের একটিতে যোগাযোগ করা সম্ভব হলে আব্দুল মজিদকে চিনে না বলে জানান। এ সূত্র ধরে স্থানীয় লোকজন ও আত্মীয়-স্বজন শুক্রবার বিকেলে গজালিয়া ইউনিয়নের লুলাইং মুখ এলাকা থেকে সৈয়দ করিম, পিতা- মৃত আবুল হোসেন, সাং-আশ্রয়ণ প্রকল্প, আলীকদম সদর, বান্দরবান পার্বত্য জেলা নামক ব্যক্তিকে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে নিয়ে আসে।

ইউপি চেয়্যারম্যান মিন্টু কুমার সেন লামা থানাকে খবর দিলে পুলিশ রাতে সৈয়দ করিমকে থানায় নিয়ে যান। বান্দরবান পুলিশ সুপারের নির্দেশে আটককৃত ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। আটককৃত সৈয়দ করিম জানিয়েছেন সে আলিকদমের বাসিন্দা। গত তিনমাস পূর্বে গজালিয়ার লুলাইং এলাকায় জমি লাগিয়ত নিয়ে চাষাবাদ করছেন। থানচি বাজার, তিন্দু বাজার, রেমাগ্রি বাজার ও বড় মদক বাজারে সে শুঁটকি ব্যবসা করেছে। আব্দুল মজিদ সম্পর্কে সে কিছুই জানে না।

লামা থানা অফিসার ইনচার্জ আনোয়ার হোসেন জানিয়েছেন, আপাতত আটককৃত ব্যক্তিকে ৫৪ ধারায় আটক দেখানো হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে এবং তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

খাগড়াছড়িতে গণজাগরণ মঞ্চের সংগঠকের কুশপুত্তালিকা দাহ

Khagrachhari pic (2) copy

নিজস্ব প্রতিবেদক, খাগড়াছড়ি:

খাগড়াছড়িতে গণজাগরণ মঞ্চের সংগঠক এবং তরুণ সাংবাদিক অপু দত্তের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল ও  কুশপুত্তালিকা দাহ করেছে খাগড়াছড়ি পৌরসভার মেয়র রফিকুল আলমের সমর্থকরা। শুক্রবার হাইকোর্টের সামনে থেকে ন্যায় বিচারের প্রতীক গ্রিক দেবী থেমিসের ভাস্কর্য অপসারণ এবং হেফাজত ইসলাম কর্তৃক সারাদেশে থাকা বিভিন্ন মূর্তি ও ভাস্কর্য অপসারণের দাবির প্রেক্ষিতে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয় গণজাগরণ মঞ্চের সংগঠক এবং বাংলানিউজ টোয়ান্টিফোর ডটকম’র খাগড়াছড়ি স্টাফ রিপোর্টার অপু দত্ত।

স্ট্যাটাস দেয়াকে কেন্দ্র করে শনিবার বেলা ১১টায় খাগড়াছড়ি শহরের নারকেল বাগানস্থ জেলা আওয়ামী লীগের একাংশের কার্যালয়ের সামনে থেকে অপু দত্তের কুশপুত্তালিকা নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। বিক্ষোভকারীরা আদালত সড়ক হয়ে বাজার প্রদক্ষিণ করে শাপলা চত্ত্বরে এসে সমাবেশ করে। সমাবেশ শেষে অপু দত্তের কুশপুত্তালিকা দাহ করা হয়।

সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামী লীগের একাংশের নেতা কামাল পাটোয়ারী, নুরুন্নবী প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, অপু দত্ত ফেসবুক স্ট্যাটাসে বঙ্গবন্ধুসহ জাতীয় চার নেতার ভাস্কর্য অপসারণের দাবি তুলে দুঃসাহসিকতা দেখিয়েছে। যা রাষ্ট্রদ্রোহীতার সামিল। আগামি ২৪ ঘন্টার মধ্যে তার বিরুদ্ধে প্রশাসনকে ব্যবস্থা নেয়ার অনুরোধ জানান বক্তারা।

এর আগে, মিছিল থেকে “অপু দত্তের আস্তানা জ্বালিয়ে দাও-গুড়িয়ে দাও, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে উস্কানী -হুমকিমূলক স্লোগান দেয়া হয়।

অপু দত্ত মুঠোফোনে জানান, আমি স্বাধীনতা পক্ষের মানুষ হয়ে কোন ভাবে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু, জিয়াউর রহমান ও জাতীয় চার নেতার ভাস্কর্য অপসারণের কথা বলতে পারি না। হেফাজত ইসলাম সহ বেশ কয়েকটি ধর্ম ভিত্তিক সংগঠন গত শুক্রবার হাইকোর্ট প্রাঙ্গণ থেকে গ্রিক দেবীর ভাস্কর্য অপসারণে আনন্দ মিছিল পরবর্তী সারাদেশে থাকা মূর্তি-ভাস্কর্য অপসারণের দাবি জানান। তাদের দাবির প্রেক্ষিতে আমি ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছি তাহলে বঙ্গবন্ধুসহ জাতীয় চার নেতার ভাস্কর্যগুলো কবে অপসারণ করা হচ্ছে। কিন্তু একটি স্বার্থান্বেষী মহল এর ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে রাজনৈতিক ফায়দা নেয়ার চেষ্টা করছে।

সাংবাদিকের বিরুদ্ধে হুমকিমূলক স্লোগান দিয়ে মিছিল সমাবেশ করার অনুমতি নেয়া হয়েছে কিনা সে বিষয়ে খাগড়াছড়ি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার ইনচার্জ(এসআই) হায়াত উল্লাহ’র কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান, মিছিল সমাবেশ করতে অনুমতি নেয়া হয়নি।

পুলিশের উপস্থিতিতে সাংবাদিক ও গণজাগরণ মঞ্চের এক সংগঠকের ভাবমূর্তি হননের উদ্দেশ্যে এমন কার্যক্রম করতে দেয়ায় ক্ষোভ ও নিন্দা প্রকাশ করেছেন সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ।

প্রসঙ্গত, বিগত পৌর নির্বাচনের সময় মেয়র রফিকুল আলমের বিভিন্ন দুর্নীতি ও অনিয়মের সংবাদ প্রকাশ করায় সাংবাদিক অপু দত্তকে প্রাণনাশের হুমকি দেয়ার অভিযোগ উঠে মেয়রের বিরুদ্ধে। সে অভিযোগের বিষয়ে ২০১৬ সালের ডিসেম্বর মাসে খাগড়াছড়ি সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন অপু দত্ত।

ছন্দ ও গানের সাথে বেচেঁ থাকতে চান অপু বড়ুয়া

16904768_1262507343803429_3295876947329055697_o (2) copy

নাইক্ষ্যংছড়ি প্রতিনিধি:

সাহিত্য ও সঙ্গীতাঙ্গনে এক পরিচিত নাম অপু বড়ুয়া। ছন্দ আর গানের সাথে তার পথচলা সেই ছোটবেলা থেকে। বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশনের তালিকাভুক্ত গীতিকার ও সুর সংগীত পরিচালক তিনি। আশির দশকের শেষের দিকে তিনি দৈনিক বাংলার বাণী দিয়ে সাংবাদিকতায় সম্পৃক্ত হন। সুর বুনতে বুনতে এগিয়ে এসেছেন অনেকটা দূর। তার আরও একটি পরিচয় হলো বর্তমানে তিনি বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের বিএসসি সিভিল ইঞ্জিনিয়ার পদে কর্মরত রয়েছেন। বাবা অনন্ত মোহন বড়ুয়া ও মা শাচী রাণী বড়ুয়া উভয়েই অবসরপ্রাপ্ত সরকারী চাকুরীজিবী। স্ত্রী পাপড়ী বড়ুয়া উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা। চট্টগ্রামের বাশখালীর জলদী গ্রামে জম্ম অপু বড়ুয়ার। তিন ভাই দুই বোনের মধ্যে অপু বড়ুয়া সর্ব কনিষ্ট। কক্সবাজারের রামুতে বেড়ে উঠা অপু বড়ুয়া কবি অমিত বড়ুয়ার হাত ধরে লেখা লেখিতে সম্পৃক্ত হন।

তিনি সিলেটে শ্রেষ্ঠ ছড়াকারের পুরষ্কারসহ চট্টগ্রাম থেকে প্রকাশিত শিশুকিশোর মাসিক পত্রিকা কথনের উদ্যোগে ছড়া সাহিত্যে পুরষ্কার পান। অপু বড়ুয়া এ পর্যন্ত অন্তত দুইশতাধিক গান লিখেছেন। ক্লোজআপ তারকা সালমার গলায় গাওয়া ও বন্ধু বন্ধুরে আস্স্য তুই আরো বাড়ি ও কক্সবাজারে, মনির খানের গলায় গাওয়া ”আমার অন্তর ভাইঙ্গা গড় তুমি….গড় কার অন্তর” এসকল বিখ্যাত গানসহ দেশের তারকা শিল্পীদের মধ্যে রবি চৌধুরী, শ্যাম সুন্দর বৈষ্ণব, শেফালী ঘোষ, হেড মাষ্টার খ্যাত সিরাজ, তাপস বড়ুয়া, দীপক আর্চায্য, মানস পাল, বিভাস সেন গুপ্ত, মানসী বড়ুয়া, আবীর বড়ুয়া, স্বরণ বড়ুয়াসহ অনেকে তার লেখা গান গেয়েছেন।

এছাড়াও তিনি বাংলা একাডেমির আজীবন সদস্য। ১৯৯১ সনের শেষের দিকে প্রকাশিত হয় তার আকাশে রঙ্গিন ঘুড়ি, যুগল বন্দি প্রেম, কক্সবাজারের ছড়া এ্যালবাম, আয়রে ছুটে আয় প্রিয় জলদী গাঁয়, রঙের তুলি কর্ণফুলী, আকাঁর ভাষা লেখার ভাষা, ছড়া ছন্দে মনের কথা, চট্টগ্রামের আঞ্চলিক গান সংকলিত, শৈলী ও পরীর গল্প, পেত্নী ভূতের কাণ্ড, নি:সঙ্গ বাউলসহ  মোট ১২টি বই প্রকাশিত হয়েছে।

সম্প্রতি আলাপচারিতায় ছড়াকার অপু বড়ুয়া বলেন, দেশে বর্তমানে প্রকৃত গান আর প্রকৃত সুরের যথেষ্ট অভাব আছে। প্রকৃত মানুষরা প্রকৃত কাজ না করায় এ সংকট তৈরি হয়েছে।

সুরে সুরে তিনি বলেন, পাশের বাড়ির ভাড়াটে/জাপান থেকে আসল শিখে কংফু এবং কারাতে বা তার ছোট ভাই ঈসমাইল ভোর সকালে খালি পায়ে হাটতে পারে বিশ মাইল…. এমন আট লাইনের ছড়া লিখে যদি ২-৫শ টাকা পায় তাহলে গীতিকার কেন গান লিখবে? সেই মান্ধাতা আমলের গানের মূল্য এখনো রয়েছে। যার কারণে নতুন নতুন গানের জন্য গীতিকার সৃষ্টি হচ্ছেনা। বর্তমানে একজন ছড়াকার যদি একটি ছড়া লিখে ১-২শ টাকা পায়। তাহলে একজন গীতিকার স্থায়ী, অন্তরা, সঞ্চারী ও আবেগ মিল রেখে একটি পূর্ণাঙ্গ গান সুর করার পর শিল্পী যখন সেই গান গাইবে এবং রেডিওতে প্রচার হলে তালিকাভুক্ত ওই গীতিকার গ্রেড অনুযায়ী নামে মাত্র সম্মানী পেয়ে থাকে।

দু:খ প্রকাশ করে গীতিকার ও সুর সংগীত পরিচালক অপু বড়ুয়া আরও বলেন, চট্টগ্রামের আঞ্চলিক গানের খ্যাতিমান গীতিকার-সুরকার সৈয়দ মহিউদ্দিন। তার লেখা ও সুরে গান গেয়েই জনপ্রিয় হয়েছেন শ্যামসুন্দর বৈষ্ণব, শেফালি ঘোষসহ অনেক শিল্পী। কিন্তু দুর্ঘটনায় আহত হয়ে সৈয়দ মহিউদ্দিনের দিন কাটছে অসহায় অবস্থায়। ঊর্ধ্বতন মহল তার সাহায্যে এগিয়ে আসেনি। তারপরও আমি শ্রদ্ধা জানাই রাষ্ট্রপতির একান্ত সচিব সম্পদ বড়ুয়াকে। তিনিই প্রথম সৈয়দ মহিউদ্দিনের খবর নিয়েছেন। চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছেন। লোকসঙ্গীত শিল্পী ও গীতিকার আবদুল গফুর হালি আর্থিক অসচ্ছলতার মধ্যে থেকে মৃত্যু বরণ করেছেন। আসলে শিল্পী, সাংবাদিক সারাজীবন সমাজের জন্য দিয়ে যাচ্ছে বিনিময় পাচ্ছেনা কিছু। তারপরও যতদিন বেঁচে থাকব, ছন্দের পাশাপাশি বেচেঁ থাকতে চাই গানের সাথে এমনটি জানিয়েছেন অপু বড়ুয়া।

কি খাবেন সেহরী ও ইফতারে

If 1

ডেস্ক রিপোর্ট:

আগামীকাল থেকে শুরু হচ্ছে রোজা। গরমের দিনে রোজা হওয়ায় এবং প্রায় দীর্ঘ ১৫ ঘন্টা রোজা থাকতে হবে বলে এবারের রোজায় খাদ্যাভ্যাসে বাড়তি সচেতনতা বিশেষ প্রয়োজন।

বুঝে শুনে না খাওয়া দাওয়া না করলে এসময়ে পেটের অসুখ এবং ক্লান্তিতে ভোগার সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু একটু সচেতন থাকলেই এসময়ে বিভিন্ন ধরণের অসুস্থতা এড়িয়ে সুস্থ থাকা যায়।

দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকতে হবে বলে খেয়াল রাখতে হবে যেন শরীরে পানির ঘাটতি না থাকে। খাদ্য তালিকায় অন্যান্য খাবারের  পাশাপাশি প্রচুর পানিও রাখতে হবে।

এবারের রোজায় সেহরী ও ইফতারে কি খাওয়া যেতে পারে তা নিয়ে আজকের আয়োজন।

সেহরী: সেহরীতে পরিমিত খাবার গ্রহণ করাই ভালো। একেবারে না খেয়ে থাকা বা অতিরিক্ত খাওয়া কোনটাই স্বাস্থ্যের জন্য ভালো হবেনা। খাবারে পর্যাপ্ত পরিমাণে শর্কারার পাশাপাশি সুষম পরিমাণে মাছ, মাংস, ডাল ও ডিম রাখা যেতে পারে। দই বা দুধ খাওয়া ও সেহরীতে বেশ উপকারী।

ইফতার: ইফতারে ভাজাপোড়া যত কম খাওয়া যায় ততই ভালো। তার পরিবর্তে পর্যাপ্ত পরিমাণে ফল ও লেবুর শরবত খেতে পারলে ভালো হয়। খেজুর খাওয়াও বেশ ভাল। পানির ভাগ বেশি থাকাতে তরমুজ জাতীয় ফল বেশ উপকারী। এছাড়াও দই, চিড়া অথবা খিচুরীও খাওয়া যেতে পারে।

এভাবে একটু সচেতনতার সাথে খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুললে তা আপনাকে এ রোজায় আপনাকে সুস্থ থাকতে সাহায্য করবে।

কুতুবদিয়া হাসপাতালে অক্সিজেন নেই, বিপাকে মুমূর্ষু রোগীরা

কুতুবদিয়া প্রতিনিধি
কক্সবাজারের কুতুবদিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অক্সিজেন নেই ৭ দিন ধরে। প্রচন্ড তাপদাহে নানা ব্যধির মওসুমে হাসপাতালে আগত রোগীরা জরুরী অক্সিজেন সুবিধা পাচ্ছে না। শিশুদের নিউমোনিয়া, হার্ট স্ট্রোক সহ হৃদরোগের ঝুঁকি নিয়ে আসা রোগীদের অধিকাংশের জরুরী অক্সিজেন প্রয়োজন হয়। কিন্তু বিপদের সময় অক্সিজেন থাকে না। গত মঙ্গলাবার (২৩ মে) সন্ধ্যা ৭টার দিকে পানিতে ডোবা স্থানীয় বড়ঘোপ মিয়ার পাড়ার আ. শুক্কুরের শিশু কন্যা তাসকিয়া (৮)কে জরুরী বিভাগে নিয়ে আসা হয়। কর্তব্যরত চিকিৎসক ও কর্মচারিরা প্রায় আধা ঘন্টা চেষ্টা করে শিশুটির শ্বাস-প্রশ্বাস সচল করলেও অক্সিজেন দিতে পারেনি। বেসরকারি সংস্থা গনস্বাস্থ্য কেন্দ্রে অক্সিজেন দেয়ার জন্য রেফার করা হয়। অবশ্য ভাগ্যের জোরে শিশুটির প্রাণ বাঁচে এ যাত্রায়।

কিছুদিন আগেও বড়ঘোপ বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ি হাজী মো. ইসলাম হৃদ রোগের সমস্যা নিয়ে হাসপতালে এলে ওয়ার্ডে অক্সিজেন নেই বলে জানানো হয়। রোগীর স্বজনেরা শেষ পর্যন্ত জানতে পারে হাসপাতালের ষ্টোরে অক্সিজেন সিলিন্ডার  রয়েছে। পরে ষ্টোর কিপারকে ডেকে এনে ওই রোগীকে অক্সিজেন দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম পাঠানো হয়। অভিযোগ রয়েছে অনেক সময় থাকলেও ওয়ার্ডে কতিপয় কর্মচারি জরুরী প্রয়োজনে “অক্সিজেন” নেই বলেও জানান তারা। আবার কখনো ভিআইপি কোন রোগী আসলে স্বল্প প্রয়োজনেও আিক্সজেন ব্যবহার হয় বলে একজন দায়িত্বশীল জানান।

হাসপাতালের ষ্টোর কিপার রুহুল আমিন জানান, ষ্টোরে অক্সিজেন সিলিন্ডার না থাকায় গত ১৭ মে জেলা সিভিল সার্জন অফিসে যোগাযোগ করেছিলেন। পাওয়া জায়নি তখন। আরো ৩/৪ দিন সময় লাগতে পারে। এ ছাড়া ষ্টোর থেকে ওয়ার্ডে অক্সিজেন সিলিন্ডার নেয়ার পর সিলিন্ডার খালি হলেও ষ্টোরে আবার সময় মত জমা না দেয়ার কথাও জানান তিনি।

হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মোহাম্মদ জায়নুল আবেদীন বলেন, প্রয়োজনের তুলনায় অক্সিজেন সরবরাহ অনেক কম। প্রতি মাসে মাত্র ৩/৪ টি ছোট সাইজের অক্সিজেন সিলিন্ডার হাসপাতালের জন্য বরাদ্ধ দেয়া হয়। যা নিয়মিত ব্যবহার হলে এক সপ্তাতেই শেষ হয়ে যায়। দ্বীপাঞ্চল থেকে জেলা সিভিল সার্জন অফিস থেকে ঝুঁকি নিয়ে সিলিন্ডার বহন, সময় মতো বিল না পাওয়া, সময়মতো সরবারহ না থাকা সহ ভোগান্তি অনেক। যে কারণে তিনি প্রতিমাসে অক্সিজেন বরাদ্ধের পরিমাণ বাড়ানোর দাবি জানিয়ে আসছেন বলে জানান।

পার্বত্যনিউজ সম্পাদকের মায়ের মৃত্যুতে মাটিরাঙ্গা প্রেস ক্লাব নেতৃবৃন্দের শোক

নিজস্ব প্রতিবেদক, মাটিরাঙ্গা :

পার্বত্য চট্টগ্রাম ভিত্তিক জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল ‘পার্বত্যনিউজের’ সম্পাদক মেহেদী হাসান পলাশের মায়ের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন মাটিরাঙ্গা প্রেস ক্লাব নেতৃবৃন্দ।

মাটিরাঙ্গা প্রেস ক্লাবের সভাপতি এম এম জাহঙ্গীর আলম, সহ-সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন জয়নাল, সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান ভুইয়া ও যুগ্ম-সম্পাদক সাগর চক্রবর্তী কমল প্রেরিত শোকবার্তায় মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।

প্রসঙ্গত, পার্বত্যনিউজের’ সম্পাদক মেহেদী হাসান পলাশের মা গত এপ্রিল মাসের শুরুতে ব্রেইন স্ট্রোক করার পর থেকে অসুস্থ ছিলেন।

চকরিয়ায় পবিত্র মাহে রমজানকে স্বাগত জানিয়ে বর্ণাঢ্য র‌্যালি

chakaria pic 26-5-17
চকরিয়া প্রতিনিধি:
চকরিয়ায় পবিত্র মাহে রমজানকে স্বাগত জানিয়ে পৌরসভার কোচপাড়া সিরাতুল মোস্তাকিম কাফেলার উদ্যোগে ২৬ মে জুমার নামাজের পর বর্ণাঢ্য র‌্যালী বের করা হয়েছে। র‌্যালীটি চকরিয়া পৌর বাসটার্মিনাল এলাকা থেকে শুরু হয়ে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক প্রদক্ষিণ করে পুরাতন বাসষ্টেশন হয়ে কোচপাড়া রাস্তার মাথায় গিয়ে সমাবেশে মিলিত হয়।

চকরিয়া পৌরসভার কোচপাড়া সিরাতুল মোস্তাকিম কাফেলার সভাপতি মো. রুবেলের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মো. কুতুব উদ্দিনের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত র‌্যালীতে উপস্থিত ছিলেন চকরিয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি আবদুল মজিদ, কাফেলার উপদেষ্টা মাস্টার জামাল উদ্দিন, সহসভাপতি নুরুল আবছার, যুগ্ম সম্পাদক কাইছার হামিদ, ছাত্রনেতা মো. ছাদেক হোসেন, প্রচার সম্পাদক ইমরানুল ইসলাম, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মৌলানা ইব্রাহিম খলিল, সহ প্রচার সম্পাদক রিয়াদুল ইসলাম, সহসাংগঠনিক সম্পাদক নেজাম উদ্দিন, কার্যকরি সদস্য মোজাফ্ফর আহমদ, কুতুব উদ্দিন, জয়নাল আবদীন ড্রাইভারসহ সকল সদস্যবৃন্দ ও এলাকার ধর্মপ্রাণ মুসল্লীগন উপস্থিত ছিলেন।

সমাবেশে বক্তারা র‌্যালীতে ‘আহলান সাহলান-মাহে রমযান’ ‘রমযানের পবিত্রতা রক্ষা কর-করতে হবে’ ইত্যাদি শ্লোগানে রাজপথ মুখরিত করে তুলেন। বক্তারা বলেন, মাহে রমযানের পবিত্রতা রক্ষা করতে যাবতীয় অশ্লীলতা-বেহায়াপনা বন্ধ করা, দিনের বেলায় হোটেল-রেস্তোরা বন্ধ রাখা, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা, দ্রব্য মূল্যের উর্ধ্বগতিরোধ করার জোর দাবী জানান।

মারমা সম্প্রদায়ের ভাষা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে সমুন্নত রাখতে হবে- কংজরী চৌধুরী

26.05.2017_Matiranga Marma NEWS Pic (1)
নিজস্ব প্রতিবেদক, মাটিরাঙ্গা :

মারমা সম্প্রদায়ের ভাষা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে সমুন্নত রাখতে সকলকে দ্বিধাবিভক্তি ভুলে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানিয়ে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরী বলেছেন, সংস্কৃতি হচ্ছে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির সেতুবন্ধন আর এই সংস্কৃতিকে বাঁচিয়ে রাখা আমাদের দায়িত্ব। নিজেদের উন্নতি চাইলে অসাম্প্রদায়িক মনোভাব নিয়ে সকলকে একসাথে কাজ করতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

শুক্রবার সন্ধ্যায় মাটিরাঙ্গা উপজেলা মারমা উন্নয়ন সংসদ আয়োজিত ‘সাংগ্রাই পুনর্মিলনী ও সাংস্কৃতিক’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মাটিরাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বি.এম মশিউর রহমান, মাটিরাঙ্গা পৌরসভার মেয়র ও মাটিরাঙ্গা উপজেলা আওয়ামীলীগের আহবায়ক মো. শামছুল হক এবং বাংলাদেশ মারমা উন্নয়ন সংসদের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারন সম্পাদক সাথোয়াই মারমা বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন। মাটিরাঙ্গা উপজেলা মারমা উন্নয়ন সংসদের সভাপতি চাইলপ্রু চৌধুরী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।

অন্যান্য সম্প্রদায়ের তুলনায় মারমা সম্প্রদায়ের লোকজন শিক্ষা ক্ষেত্রে পিছিয়ে আছে উল্লেখ করে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরী বলেন প্রজন্ম রক্ষায় শিক্ষিত জাতি হিসেবে নিজেদেরকে সমাজের জায়গা তৈরী করে নিতে হবে। যার যার সন্তানকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত করে তুলতে অভিভাবকদের দায়িত্বশীল হওয়ার আহবান জানান তিনি। এসময় তিনি বেকার যুবকদের আত্মকর্মী হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে মাটিরাঙ্গা উপজেলা মারমা উন্নয়ন সংসদে দীর্ঘমেয়াদী কম্পিউটার ও সেলাই প্রশিক্ষন কর্মসুচী চালুর ঘোষনা দেন।

অনুষ্ঠানে মাটিরাঙ্গা উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম-আহবায়ক সুবাস চাকমা, মাটিরাঙ্গা সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হিরনজয় ত্রিপুরা, মারমা উন্নয়ন সংসদ নেতা আতুশী মারমা ও মাটিরাঙ্গা উপজেলা মারমা উন্নয়ন সংসদের সাধারন সম্পাদক সদুঅং মারমা প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

পরে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরীসহ আমন্ত্রিত অতিথিগণ মারমা সম্প্রদায়ের বিভিন্ন শিল্পীদের পরিবেশনায় এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন।

মানিকছড়িতে মাহে রমজানকে স্বাগত জানিয়ে র‌্যালি

FB_IMG_14957653551043452
মানিকছড়ি প্রতিনিধি:

পবিত্র মাহে রমজানকে স্বাগত জানিয়ে মানিকছড়িতে বর্ণ্যাঢ্য র‌্যালি করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আহলে সুন্নত জামায়েত, ইসলামী যুব আন্দোলন, ইসলামী শ্রমিক আন্দোলন ও ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন। শুক্রবার বাদে  আছর উপজেলা বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ প্রাঙ্গণ হতে র‌্যালিটি বের হয়ে উপজেলা সদর বাজারের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে উপজেলা প্রেস ক্লাব প্রাঙ্গনে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ উক্ত উপজেলা সভাপতি মু. জামাল উদ্দিন মৃধা নেতৃত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মাওলানা ফরিদ উদ্দিন দা. বা. পরিচালক তিনটহরী মহিউস্ সুন্নাহ মাদ্রাসা। বিশেষ অতিথি হিসাবে আরো বক্তব্য রাখেন মাওলানা আল আমিন সাধারন সম্পাদক ইসলামী আন্দোলন উপজেলা শাখা, মু. মুজিবুর রহমান সভাপতি- ইশা ছাত্র আন্দোলন  উপজেলা শাখা, মু. দেলোয়ার হোসেন সহ-সভাপতি ইশা ছাত্র আন্দোলন জেলা শাখা।

মাওলানা মহিউদ্দিন বিন সুরুজ আহ্বায়ক ইসলামী যুব আন্দোল উপজেলা শাখা। মাওলানা বশির উদ্দিন সাধারন সম্পাদক ইশা ছাত্র আন্দোলন হাটহাজারী শাখা, বক্তারা মাহে রমজানের পবিত্রতা রক্ষার্থে বিভিন্ন দাবি তুলে ধরেন। তার মাঝে দিনের বেলায় হোটেল রেস্তোরাঁ বন্ধ এবং সকল অশ্লীল কাজ থেকে বিরত থাকা, ২৪ ঘণ্টা নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা ও দ্রব্যমূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখা।