নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিতকল্পে সচেতনতার বিকল্প নেই: ইলিয়াস কাঞ্চন

চকরিয়া প্রতিনিধি:

নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) কেন্দ্রীয় কমিটির চেয়ারম্যান চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন বলেছেন, প্রকৃতির বেঁধে দেয়া নিয়মানুযায়ী মানুষ মাত্রই মরণশীল। তবে অস্বাভাবিক মৃত্যু কারো জন্য কাম্য নয়। চলার পথে সৃষ্টিকর্তাকে স্বরণ করার পাশাপাশি নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিতকল্পে সচেতনতার বিকল্প নেই।

গতকাল সোমবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকালে চকরিয়া উপজেলা পরিষদের মোহনা মিলনায়তনে নিরাপদ সড়ক চাই চকরিয়া উপজেলা শাখার উদ্যোগে আয়োজিত “সড়ক নিরাপত্তা” বিষয়ক এক দিনব্যাপী কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, সড়ক-মহাসড়ক আনন্দের জায়গা নয়, এটি মহাবিপদের জায়গা। যেখানে একটু অচেতনতার কারণে মূহুর্তে যন্ত্রদানবের থাবায় নিভে যেতে পারে জীবন প্রদীপ। তাই এ ব্যপারে সবাইকে সতর্ক হতে হবে। উপায়হীন মহাসড়কে ভূলের মাশুল গুনতে হবে নিজেদেরকে এবং একইভাবে কষ্ট পেতে হবে পরিবারসহ সকলকে।

চিত্রনায়ক ইলিয়াছ কাঞ্চন আরও বলেন, চালকরা কারো শত্রু নয়। সতর্কতা অবলম্বন না করলে যে কেউই নিশ্চিত দুর্ঘটনায় শিকার হবে। এতে প্রাণহাণির পাশাপাশি পঙ্গুত্ববরণ হওয়ার সম্ভাবনা আছে। তাই নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে যে যার অবস্থান থেকে সজাগ ও সচেতন হই।

কর্মশালার আগে এদিন বেলা ১১টার দিকে উপজেলা পরিষদের প্রধান সড়কে বর্ণাঢ্য র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়। পরে কর্মশালা পরবর্তী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নূরুদ্দীন মুহাম্মদ শিবলী নোমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের নারী ভাইস চেয়ারম্যান সাফিয়া বেগম শম্পা, চকরিয়া থানার ওসি মো. বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী, ওসি (তদন্ত) মো. ইয়াসির আরাফাত, নিসচা কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব এহসানুল হক কামাল, যুগ্ম মহাসচিব লিটন এরশাদ, সাংগঠনিক সম্পাদক এস.এম আমজাদ হোসেন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জহিরুল ইসলাম মিশু, চকরিয়া অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতি এমআর মাহমুদ, চকরিয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মিজবাউল হক নিসচা’র কেন্দ্রীয় মহাসচিব সৈয়দ এহসানুল হক, যুগ্ম মহাসচিব লিটন এরশাদ, নিসচা’র চকরিয়ার সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন রশিদ। এসময় সাংবাদিক, জনপ্রতিনিধি ও এনজিও প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।

নিসচা চকরিয়া উপজেলা শাখার সভাপতি সোহেল মাহমুদের সার্বিক তত্ত্বাবধানে পুরো কর্মশালায় সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করেন মো. ইশফাতুল হাসান ইশফাত। দিনব্যাপি কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন চকরিয়া কেন্দ্রীয় উচ্চ বিদ্যালয়, চকরিয়া পৌর আদর্শ শিক্ষা নিকেতনসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক প্রতিনিধি, শিক্ষার্থী, গণপরিবহনের চালক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। কর্মশালায় বিভিন্ন দিক-নির্দেশনামূলক নাটিকা ও প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শণ করা হয়। অভিভাবক ও শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে দৃষ্টি আকর্ষণ করে সড়ক-মহাসড়ক পারাপারে সতর্ক ও সচেতনতাকে অনেক বেশি গুরুত্ব দেওয়ার আহবান জানান প্রশিক্ষকগণ।

কুতুবদিয়ায় বে-ওয়ারিশ কুকুর নিধন অভিযান

 


কুতুবদিয়া প্রতিনিধি:

কুতুবদিয়ায় বে-ওয়ারিশ ও রোগাক্রান্ত কুকুর নিধন অভিযান শুরু করেছে উপজেলা প্রশাসন।

সোমবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে কুতুবদিয়া উপজেলা প্রাণী সম্পদ কার্যালয়ের সহায়তায় উপজেলা সদর বড়ঘোপ এলাকায় এ কার্যক্রম শুরু হয়।

প্রাণী সম্পদ কার্যলয়ের ফিল্ড সহকারী মোর্শেদ আলম বাহাদুর বলেন, উপজেলায় বে-ওয়ারিশ ও রোগাক্রান্ত কুকুর অত্যাধিক বেড়ে যাচ্ছে। তাই এটা নিধনে উপজেলা প্রশাসন ও প্রাণী সম্পদ বিভাগের সহযোগিতায় সোমবার এই কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

অভিযানের প্রথম দিনে বড়ঘোপ বাজার, সমুদ্র সৈকত, হাসপাতাল গেইট সহ বেশ কয়েকটি স্থানে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় ১২৬টি বে-ওয়ারিশ কুকুর নিধন করে মাটিতে পুতে ফেলা হয়েছে। মঙ্গলবার ধূরুং বাজারে অভিযান চালানো হবে। প্রায় ৮-১০ দিন অবস্থান করে উপজেলার বিভিন্ন প্রান্তে এসব কুকুর নিধন অভিযান চলবে বলে তিনি জানান।

উপজেলা নির্বাহি অফিসার মনোয়ারা বেগম বলেন, উপজেলার বিভিন্ন প্রান্তে বিশেষ করে প্রধান দু‘টি বাজার, সমুদ্র সৈকত,হাসপাতাল চত্বর সহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় বেওয়ারিশ কুকুর ও রোগাক্রান্ত কুকুর অত্যধিক বেড়ে গেছে। এতে সাধারণ জনগণ পথচারি, বিদ্যালয়ের ছোট ছোট শিশু শিক্ষার্থীদের যাতায়াতেও আক্রান্ত হচ্ছে অনেকে। ফলে এসব বে-ওয়ারিশ কুকুর নিধনে পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট এলাকায় কুকুর নিধনে স্থানীয় জনগণকে অভিযানকে সহযোগীতা করার আহবান জানান।

মহেশখালীতে উপকূলের ফের লবণের দরপতন

 মহেশখালী প্রতিনিধি:

উপকূলে  ফের লবণের দরপতন হয়েছে। মাঠ পর্যায়ে উৎপাদিত প্রতি কেজি কাঁচা লবণের বর্তমান বাজার মুল্য মাত্র ৭.৫০ টাকা। সে হিসেবে প্রতি মণ লবণের দাম ৩শ টাকা। এ মুল্য বর্তমানে সর্বোচ্চ। লবণ বিক্রির এ মুল্য অঞ্চলভিত্তিক কিছুটা তারতম্য দেখা দেয়।

কোথাও কোথাও বিক্রিমুল্য ১০-২০ টাকা এ দিক সেদিক হয়ে থাকে। তবে বর্তমানে কাঁচা লবনের বিক্রিমুল্য সর্বোচ্চ ৩শত টাকা মণ প্রতি। পরিশোধন ও অপরিশোধন লবণের মুল্য নিয়ে ব্যাপক তারতম্য পরিলক্ষিত হয়েছে।

কৃষক কাঁচা লবণের দাম কম পেয়ে থাকলেও পরিশোধনযোগ্য বাজারজাতকৃত প্যাকেট লবণের দাম আকাশচুম্বী। বর্তমান কাঁচা লবণের দরের পতন হয়েছে। গেল ১ মাসের ব্যবধানে মাঠ থেকে উৎপাদিত কাঁচা লবনের বিক্রি বাজার  উঠানামা করছে। কিছুদিন দর বাড়লেও পরবর্তীতে দরের পতন হয়েছে।

লবণ বিক্রির বাজার মুল্য কিছু দিন চাঙ্গাভাব ছিল। এতে করে উপজেলা মহেশখালী উপকুলের লবণ বিক্রিতে চাঙ্গাভাব পরিলক্ষিত হয়েছে। গেল কয়েক দিনের ব্যবধানে আবারও লবণের দামের পতন হয়েছে। এ দিকে মহেশখালী লবণের পরিমাপ নেই গত ১৬ দিন ধরে।

গেল ১০ দিন কাঁচা লবণের মুল্য কিছুদিন অপরিবর্তিত ছিল। সে সময় প্রতি কেজি কাঁচা লবণ বিক্রি হয়েছে ৮ টাকার চেয়েও বেশী। প্রতি মণ ৩শত ৪০ টাকা বিক্রি হয়েছে। লবণের সেই চাঙ্গাভাব আবারও নিন্মমুখী হয়েছে। চলতি লবণ উৎপাদন মৌসুমে জেলা সহ উপকুলে সর্বাধিক লবণ উৎপাদিত হয়।

২০১৭-২০১৮ সালের লবণ মৌসুমে কৃষক লবণ উৎপাদনের দিকে ব্যাপকভাবে উৎসাহ পেয়েছিলেন। এর আগের বছর লবণের দাম ছিল আকাশচুম্বী। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সর্বোচ্চ মুল্য লবণের নির্ধারন ছিল। ওই অর্থবছরে কৃষক প্রতি মণ লবণ বিক্রি করে ৫শ ৫০ টাকা হারে। সেই হিসেবে প্রতি কেজি কাঁচা লবণের মুল্য ছিল ১৩.৭৫ টাকা হারে। লবণের আকাশচুম্বী দাম ছিল সে সুবাদে কৃষক সর্বোচ্চ দামে লবণ চাষের জমি আগাম নেয়।

২০১৭-২০১৮ লবণ মৌসুমে প্রতি ৪০ শতক জমি আগাম নিতে কৃষকের ব্যয় হয়েছে সর্বনিন্ম ৪০ হাজার থেকে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা। পানি, সেচ ও পলিথিন বাবদ প্রতি কানি জমিতে আরও ব্যয় হয়েছে ১২ হাজার টাকা। শ্রমের মজুরী ও লবণ উৎপাদনে অন্যান্য যোগানসহ প্রতি কানিতে কৃষক প্রায় লক্ষাধিক টাকা মুলধন ব্যয় করে। ওই অর্থবছরে গড় কানি প্রতি লবণ উৎপাদিত হয়েছে ২শ থেকে ২৫০ মণ। লবণের দর পতন ছিল। উৎপাদনকারী এ সব কৃষক লোকসানে পতিত হয়।

এসময় দর পতন হওয়ায় কৃষক লবণ উৎপাদন সময়ে বিক্রি থেকে বিরত ছিল। অগ্রাহায়ন মাস থেকে লবণ উৎপাদন শুরু হয়। বাংলা বৈশাখ মাসে মাঝামাঝি সময়ে লবণ উৎপাদন থেমে যায়। প্রাকৃতিক উপায়ে কৃষক সমুদ্রের পানি থেকে এ লবণ উৎপাদন করে। সূর্যের তেজষ্ক্রিয়তা ও আলোক রশ্মি থেকে সমুদ্রের লবণ পানি সংরক্ষন করে বিশেষ কায়দায় কঠোর পরিশ্রমে এ লবণ উৎপাদন হয়ে থাকে। কৃষক কায়িকশ্রমের মাধ্যমে এ লবণ উৎপাদন করে। তবে বর্তমানে লবণের বাজার মুল্যের পতন হয়েছে।

স্থানীয় সুত্রে জানায়, মহেশখালীসহ উপকুলে হাজার হাজার টন লবণ মজুদ আছে। লবণের বাজারমুল্য নিন্মমুখী হওয়ায় কৃষক এ সব উৎপাদিত লবণ বিক্রি না করে মজুদ করেছেন। মহেশখালী উপজেলার ৬ ইউনিয়নে বিপুল পরিমাণ কাঁচা লবণ মাঠে মজুদ রয়েছে। মৌসুমে লবণের দাম কম থাকলেও বর্ষার দিকে চাঙ্গা হয়। এ দৃষ্টিভঙ্গিতে কৃষক এসব লবণ বিক্রি না করে মজুদ রাখে। মহেশখালী কুতুবদিয়া উপজেলায় কাঁচা লবণ মজুদ বেড়ে গেছে।

বিশেষ একটি সুত্র জানায়, সরকার ফের লবণ আমদানীর দিকে ঝুঁকছে। সম্প্রতি এ খবর কৃষক পর্যায়ে পৌছে যায়। এর প্রেক্ষিতে উপকুলে লবণ আমদানীর এ খবরে কৃষককুলে বেড়েছে হতাশা। লবন মহেশখালী সহ উপকুলের অন্যতম অর্থকরী সম্পদ।

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প বিসিক সুত্র জানায়, কক্সবাজার জেলা ও চট্রগ্রামের আংশিকসহ বাংলাদেশের উপকুলভাগে লবণ উৎপাদন হয়। লবণ উৎপাদনের সর্বোত্তম সময় হচ্ছে শুস্ক মৌসুম। গেল লবণ মৌসুমে কক্সবাজার জেলাসহ উপকুলে প্রায় ৭২ হাজার একর জমিতে লবণ উৎপাদন হয়। প্রতি একর লবণ উৎপাদন করতে একের অধিক শ্রমিকের প্রয়োজন হয়। লবণ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারন ছিল প্রায় ১৪ লাখ মেট্রিক টন। তবে আবহাওয়া লবণ উৎপাদনের অনুকলে থাকায় প্রায় ১৫ লাখ মেট্রিক টনের বেশী লবণ মাঠে উৎপাদিত হয়েছে। বাংলাদেশে লবণের জাতীয় চাহিদা নির্ধারন করা হয়েছে প্রায় ১৫ লাখ মেট্রিক টন। সে হিসেবে উৎপাদিত লবণ বাংলাদেশে চাহিদা মেটাতে সক্ষম। একটি স্বার্থন্বেষী মহল লবণ শিল্প নিয়ে গভীর সংকট তৈরী করছে। তারা সরকারকে ভূল তথ্য দিয়ে ফের লবণ আমদানির দিকে ধাবিত করছে। একটি দায়িত্বশীল সুত্র জানায়, ফের লবণ আমদানির এ গুজব উপকুলে সম্প্রতি ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। আর মাত্র কয়েক মাস পর বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচন হবে।

কক্সবাজারের ৪ টি সংসদীয় আসন আছে। এ জেলায় লবণ ও মৎস্য সম্পদের উপর নির্ভরশীল। প্রায় ২ লাখ মানুষ লবণ খাতে নির্ভরশীল। এ জেলার অর্থনীতির প্রাণের অন্যতম স্পন্দন এ লবণ। সেটি হয়ে থাকলে নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দলের ভোটে প্রভাব পড়বে নিশ্চিত।

মাতারবাড়ীর কৃষক  সরওয়ার, আলি আজগর জানায়, সংকট তৈরী হয়েছে লবণ নিয়ে। আমরা বাপ দাদার এ পেশা ছেড়ে যাব কোথায়? কর্ম নেই। এভাবে দরের পতন অব্যাহত থাকলে পথে বসতে হবে লবণ চাষীদের।

ধলঘাটার লবণ চাষী মোস্তাক ও হেলাল জানায়, পড়তা মিলছে না এ লবণে। এক মণ লবণ উৎপাদন করতে টাকা লাগে প্রায় ৩শতের বেশী। আর বিক্রি হচ্ছে বর্তমানে ৩শতের নীচে। করিয়ারদিয়ার সাবেক মেম্বার ও আ’লীগ নেতা সিরাজুল মোস্তফা জানায়, এমনি দাম নেই। তবে মানুষ লবণ পরিবহনে বিড়ম্বনায় ভোগছে।

কুতুবদিয়া চ্যানেল মহেশখালী চ্যানেল ভরাট হয়ে গেছে। মাতারবাড়ির কয়লা বিদ্যুতের নি:স্বরিত বর্জ্য ও পলি নদীতে গিয়ে মিশছে। এতে নদী ভরাট হচ্ছে। নৌপথে লবণ পরিবহন বন্ধ রয়েছে। লবণ আমদানীর সিদ্ধান্ত হবে সরকারের জন্য হটকারী। কিছু দালাল সরকারকে মিথ্যা তথ্য দিয়ে লবণ আমদানীর দিকে ধাবিত করছে। হাজার হাজার টন লবণ মাঠে মজুদ আছে। এগুলোর পরিসংখ্যান বের করতে হবে।

মনির উদ্দিন, ছরওয়ার উদ্দিন,আবুল কালাম ও মহেশখালীর লবণ চাষী আবুল হোসেন ও মগনামা,উজানটিয়া ইউনিয়নের লবণ চাষী  মোহাম্মদ সাদেক, আবু সুফিয়ান, লালমিয়াসহ আরও লবণচাষী জানায়, কিছু দিন লবণের দরের চাঙ্গাভাব হয়েছিল। ৩শ টাকার বেশী বিক্রি হয়েছে কাঁচা লবণ। বর্তমানে ৩০ থেকে ৪০ টাকা মণপ্রতি দাম কমেছে। প্যাকেট লবনের দাম অপরিবর্তিত। তবে উঠানামা করছে মাঠের কাঁচা লবনের দাম।

অভিনব পন্থায় ইয়াবা পাচারকালে আটক ২

কক্সবাজার প্রতিনিধি:

জুতার সোলের ভিতরে লুকিয়ে ইয়াবা পাচারের সময় কক্সবাজার বিমানবন্দরে ১ ইয়াবা পাচারকারীকে আটক করা হয়।

সোমবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় একজন মাদক পাচারকারীকে ৩১০০ পিস ইয়াবাসহ আটক করে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।

আটককৃত পাচারকারীর নাম মো: মোশারফ হোসেন (৩৩)। সে ঢাকা জেলার ধামরাই থানাধীন সোমভাগ ইউনিয়নের মো: মজনু মিয়ার ছেলে। ওই ঘটনায় কক্সবাজার সার্কেল পরিদর্শক আব্দুল মালেক তালুকদার বাদী হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৯০ এর সংশ্লিষ্ট ধারা মোতাবেক কক্সবাজার সদর মডেল থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেন।

অপরদিকে, একই দিনে সকাল ১১টায় টেকনাফের নাইট্যংপাড়ায় অভিযান পরিচালনা করে আনোয়ারা বেগম (৩৫) নামের একজন মাদক ব্যবসায়ীকে তার নিজ বাড়ি হতে ১২০০ পিস ইয়াবাসহ আটক করে টেকনাফ সার্কেল, জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।

আটককৃত ব্যক্তি টেকনাফ পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডের আব্দুস শুক্করের স্ত্রী। ওই ঘটনায় টেকনাফ সার্কেল উপ-পরিদর্শক মো: নাসির উদ্দিন বাদী হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে টেকনাফ মডেল থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেন।

কক্সবাজার কারাগারের বেহাল দশা

কক্সবাজার প্রতিনিধি:

কক্সবাজার জেলা কারাগারে গিজ গিজ করছে ধারণ ক্ষমতার চেয়েও ৭ গুণ বেশি বন্দি। ৫৩০জন ধারণ ক্ষমতার কারাগারে রয়েছে এখন সাড়ে ৩ হাজার বন্দি।

গেল কয়েকদিন ধরে কক্সবাজারে জেলা জজ না থাকায় এক দিকে সৃষ্টি হয়েছে জামিন জট। অন্যদিকে প্রতিদিন আসছে নতুন বন্দি। এতে করে বন্দির চাপে হাঁপিয়ে উঠছেন কারা কর্তৃপক্ষ। অবশ্য জেলা জজ গতকাল কক্সবাজার আদালতে যোগদান করেছেন।

সূত্রে জানা গেছে, ধারণ ক্ষমতার চেয়েও ৭ গুণ বেশি বন্দি ও অভ্যন্তরীণ অসংখ্য সমস্যা নিয়ে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে কক্সবাজার জেলা কারাগার। ৫৩০ জন বন্দীর ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন এই কারাগারে বন্দি রয়েছে ৩৫০০জন। আটক হাজতীদের সাথে সাক্ষাতেও স্বজনদের পোহাতে হচ্ছে অন্তহীন দূর্ভোগ। টাকা দিলে মিলে দেখা আর না হয় ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করেও মিলেনা দেখা। নিরাশ হয়ে ফিরে যেতে হয় বাড়িতে। জনবল সংকটসহ কক্সবাজার জেলা কারাগারে তৈরি হয়েছে নানামূখী সমস্যা। চিকিৎসক সংকটে বেহাল অবস্থায় চলছে কারাগারে বন্দিদের চিকিৎসা সেবা। আবার কারাগারের মেডিকেল এখন ইয়াবা ব্যবসায়ীদের দখলে রয়েছে বলে জানা গেছে।

জেল সুপার মোহাম্মদ বজলুর রহমান আখন্দ জানান, সরকারের নানামুখী পদক্ষেপের কারণে এ কারাগারে বন্দিদের সকলে যেমন ভাল রয়েছেন, অনুরূপভাবে তাদের অসুবিধাও প্রকট।

কর্তৃপক্ষের আন্তরিক প্রচেষ্টা থাকা স্বত্বেও ধারণ ক্ষমতার ৭গুন বেশি বন্দি থাকা এই সব হাজতী কয়েদিদের উপযুক্ত সেবা দিতে তাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। কারাগারে কোন হাজতী অসুস্থ হলে সময়মত চিকিৎসা না পাওয়ারও অহরহ অভিযোগ রয়েছে।

সম্প্রতি জামিনে মুক্ত হয়ে কারাগার থেকে বেরিয়ে আসা কয়েজন কক্সবাজার আদালতে জানান, বর্তমান জেল সুপার মোহাম্মদ বজলুর রহমান আখন্দ এই কারাগারে যোগদানের পর থেকে সেখানকার দৃশ্যপট পাল্টে গেছে। তবে, কর্তৃপক্ষের আন্তরিকতায় বন্দি সকলেই খাবার ও থাকা নিয়ে ভাল থাকলেও, কষ্ট পোহাচ্ছেন বাথরুম ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পানি নিয়ে। ধারণ ক্ষমতার অতিরিক্ত বন্দির কারণেই এই অবস্থা ক্রমশ প্রকট আকার নিচ্ছে বলে তাদের অভিমত। আবার খাবারের বিষয়েও রয়েছে নান অভিযোগ। সরকারের দেয়া বরাদ্ধকৃত খাবার পাচ্ছেনা কেউ।

এদিকে সোমবার কক্সবাজার কারাগার সরেজমিন পরিদর্শনে বন্দিদের সাক্ষাৎ কক্ষে গিয়ে দেখা গেছে সেখানে বিরাজ করছে ভয়াবহ চিত্র। সাক্ষাত প্রার্থীদের সাথে কারা অভ্যন্তরে বন্দি বেশি থাকায় স্বজনরা পোহাচ্ছেন অন্তহীন দূর্ভোগ। বাহির থেকে কোন স্বজন ভেতরে থাকা তার কোন আত্মীয়কে ডাক দিলে জবাব দিচ্ছেন অন্যজন। স্বল্প পরিসরের একটি সাক্ষাত কক্ষে গাদাগাদি করে এতগুলো লোক স্বজনদের সাথে কথা বলায় দৃশ্যটা দেখে মনে হবে, এই যেন মাছের বাজার। এই অবস্থায় কক্সবাজার কারাগারের সব সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে জরুরী ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া এখন ভুক্তভোগী সকলের দাবি।

জুরাছড়িতে সুবিধাভোগী পরিবারের মাঝে অর্থ বিতরণ

নিজস্ব প্রতিনিধি, রাঙামাটি:

রাঙামাটির জুরাছড়ি উপজেলায় সুবিধাভোগী পরিবারের মাঝে অর্থ বিতরণ করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলা বিশ্রামাগারে এসব অর্থ বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বৃষকেতু চাকমা। জেলা পরিষদ সদস্য জ্ঞানেন্দু বিকাশ চাকমা সভাপতিত্বে এসময় উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান উদয় জয় চাকমা, জেলা পরিষদ সদস্য রেমলিয়ানা পাংখোয়া, ইউএনডিপি জেলা ম্যানেজার ঐশ্বর্য চাকমা, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রবর্তক চাকমা,আ’লীগ নেতা চারু বিকাশ চাকমা, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান সুরেশ কুমার চাকমাসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বৃষকেতু চাকমা বলেছেন, এধরণের পদক্ষেপ আরও ১০ কিংবা ১৫ বছর আগে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন ছিল। পার্বত্য শান্তি চুক্তির আগে পার্বত্য চট্রগ্রাম এলাকায় অনেক সংরক্ষিত বন ছিল। পার্বত্য শান্তি চুক্তি হওয়ার পর প্রায় বন উজার হয়ে যাচ্ছে এজন্য বর্তমান সরকার এলাকার প্রান্তিক জনগোষ্টির বনসংরক্ষনের সুবির্ধাত্বে ভিলেজ কমন ফরেস্ট এর আওতায় প্রতি পরিবারকে সাত হাজার টাকা হারে দিয়ে যাচ্ছে বলে জানান তিনি।

এসব সুবিধাভোগী জনগণের প্রতি অনুরোধ করে বলেন, যাতে কোন প্রকার রির্জাভ ফরেস্ট থেকে গাছ বাঁশ অবৈধভাবে বিক্রি করা না হয়। আলোচনা সভা শেষে তিনটি ভিলেজ কমন ফরেস্ট প্রকল্পের আওতায় উপজেলার ২৫৫ উপকারভোগী পরিবারকে নগদ পরিবার প্রতি ৭হাজার টাকা প্রদান করা হয়।

কুতুবদিয়ায় ফের পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু

কুতুবদিয়া প্রতিনিধি:
কুতুবদিয়ায় আবারো পুকুরে ডুবে এক শিশুর মৃত্যু ঘটেছে।
সোমবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকালে উত্তর চাটিয়া পাড়ায় পানি ডুবির ঘটনাটি ঘটেছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সোমবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ওই গ্রামের রেজাউল করিমের ৪ বছর বয়সী শিশু কন্যা সবার অগোচরে পাশের পুকুরে তলীয়ে যায়।
পরে পুকুর থেকে ভাসমান অবস্থায় শিশুটিকে উদ্ধার করে প্রতিবেশীরা স্থানীয় ধুরুংবাজারে ডা: আলহাজ নুরুল আলম কুতুবীর প্রাইভেট চেম্বারে নিয়ে গেলে তিনি শিশুটি মৃত বলে জানান।

পানছড়ির ইকবালের স্বপ্ন আবিষ্কারক হবে


পানছড়ি প্রতিনিধি:

পানছড়ি উপজেলার আইয়ুব নগর গ্রামের আবুল খায়েরের ছেলে ইকবালের বয়স চৌদ্দ। অভারের সংসারের পঞ্চম শ্রেণীর গন্ডি পার হওয়া হয়নি তার। বর্তমানে উপজেলার বাস টার্মিনাল এলাকায় মনা মিস্ত্রির ওয়ার্কসপ তার কর্মস্থল।

শান্ত স্বভাবের ইকবাল ওয়ার্কসপে কাজের ফাঁকে ফাঁকে স্বপ্ন দেখে একজন আবিষ্কারক হবে। ইতিমধ্যে সে পুরনো লোহা, কাঠের টুকরো, পুরনো স্যালাইনের পাইপ, ইনজেকশনের পুরনো সিরিজ, পেরেক, টিনের টুকরোর মাধ্যমে আবিষ্কার করেছে কামানের গোলা, মাটি কাটার পেরোডার বা ড্রাকট্রাক ও জাহাজ।

তার নিজ হাতের তৈরী এসব জিনিসের কারিশমা দেখতে প্রতিনিয়ত ভীড় করছে দর্শনার্থী। বাস টার্মিনাল এলাকায় ওয়ার্কসপে গেলে এ প্রতিবেদককে তার তৈরী জিনিসগুলো দেখাতে দেখাতে সে জানায়, বাতাস থেকে বিদ্যুৎ তৈরী ও বন্ধুক বানানোর ফর্মূলা আমার মাথায় গোরপাক খাচ্ছে কিন্তু অর্থের অভাবে পারছিনা। ওয়ার্কসপে কাজ করে যা পাই তা খরচ হয়ে যায়।

আমার চাহিদামতো জিনিস-পত্রাদি পেলে নতুন নতুন অনেক কিছু বানাতে পারব। তাছাড়া উচ্চতর প্রশিক্ষনের কথাও সে জানায়। টার্মিনাল এলাকার অনেকেই জানায়, লেখাপড়া না জানলেও ছেলেটা খুব মেধাবী এবং শান্ত স্বভাবের। সুযোগ পেলেই সে বিভিন্ন কিছু তৈরীতে মাথা খাটায়। তাকে উচ্চতর প্রশিক্ষন দেয়া হলে ভালো কিছু আবিষ্কার করতে পারবে বলে অনেকেই ধারনা করছেন।

ক্রীড়াঙ্গন সংকট উত্তরণে রাঙামাটিতে গোলটেবিল বৈঠক

নিজস্ব প্রতিনিধি, রাঙামাটি:

‘সংকটে রাঙামাটি ক্রীড়াঙ্গন এবং উত্তরণের উপায়’ শীর্ষক গোল টেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাঙামাটি জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের আয়োজনে জেলা পরিষদ সন্মেলন কক্ষে এ বৈঠক হয়। বৈঠকে প্রধান আলোচক ছিলেন, রাঙামাটি প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি এসএম সামসুল আলম।

সংগঠনটির সভাপতি বিজয় ধরের সভাপতিত্বে মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন, রাঙামাটি পৌর মেয়র আকবর হোসেন চৌধুরী, সনাক রাঙামাটি শাখার সভাপতি অমলেন্দু হাওলাদার, জেলার প্রবীণ সাংবাদিক ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সহ-সভাপতি সুনীল কান্তি দে, রাঙামাটি পৌরসভার সাবেক মেয়র সাইফুল ইসলাম চৌধুরী ভুট্টো, জেলা যুব ইউনিয়নের সভাপতি এম জিসান বখতিয়ার, জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক সদস্য কিংসুক চাকমা, ক্রীড়া সংগঠন অ্যাডভোকেট মামুনুর রশীদ মামুনসহ জেলা ক্রীড়া ব্যক্তিত্বরা এ বৈঠকে অংশ নেন।

বৈঠকে ‘সংকটে রাঙামাটি ক্রীড়াঙ্গন এবং উত্তরণের উপায়’ শীর্ষক প্রবন্ধ পাঠ করেন, সংগঠনটির অর্থ সম্পাদক মঈন উদ্দীন বাপ্পী। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক দীপ্ত হান্নান।

গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা বলেছেন, রাঙামাটির ক্রীড়াঙ্গন পিছিয়ে থাকার প্রধান কারণ হচ্ছে অর্থ সংকট। এছাড়া আমলাতান্ত্রিক জটিলতা এ সংকটের মধ্যে অন্যতম বিদ্যমান বলে বক্তারা জানান।

স্থানীয় স্বায়িত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলোর যথাযথ সহযোগিতার অভাব, স্থানীয় ক্লাবগুলোর চরম দুর্দশার কারণে জেলার ক্রীড়াঙ্গন এগিয়ে যেতে পারছে না বক্তারা অভিমত ব্যক্ত করেন।

এ সংকট থেকে উত্তরণের উপায় সম্পর্কে বক্তারা জানান, ক্রীড়াঙ্গনকে এগিয়ে নিতে যে কোন ভাবে অর্থ সহায়তা বৃদ্ধি, মাঠে বিভিন্ন টুর্নামেন্টের আয়োজন, স্থানীয় ক্লাবগুলোকে চাঙ্গা এবং স্থানীয় স্বায়িত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলোকে যথাযথ ভাবে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে হবে বলে বক্তারা দাবি তোলেন।

খাগড়াছড়িতে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের শুভ মধু পূর্ণিমা

নিজস্ব প্রতিবেদক, খাগড়াছড়ি:

ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে খাগড়াছড়িতে উদযাপিত হচ্ছে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের শুভ মধু পূর্ণিমা।

এ উপলক্ষে রবিবার(২৪ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে বিহারে বিহারে চলছে নানা ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান।
বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের কাছে মধু পূর্ণিমা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তিথি। ভিক্ষুসংঘের ত্রৈমাসিক বর্ষাব্রতের দ্বিতীয় পূর্ণিমা তিথি মধু পূর্ণিমা।

সকাল থেকে নানা ধরণের ফুল, ফলমূল, মধু ও খাদ্যসামগ্রী নিয়ে বিহারে আসতে থাকে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী নর-নারীরা। সারা দিন সমবেত প্রার্থনা, পঞ্চশীল গ্রহণ ও অষ্টদান অনুষ্ঠান শেষে সন্ধ্যায় আকাশে মঙ্গল প্রদীপ উড়ানোর মধ্য দিয়ে শেষ হবে দিন ব্যাপী আনুষ্ঠানিকতার।