কক্সবাজারে বড় ভাইয়ের গুলিতে ছোট ভাই খুুন

নিজস্ব প্রতিবেদক:
কক্সবাজার সদরে বড় ভাইয়ের গুলিতে আবদু শুক্কুর (১৯) নামে এক যুবক খুন হয়েছেন। শুক্রবার বিকেল ৪টায় সদর উপজেলার ঝিলংজা ইউনিয়নের জানারঘোনার ফুটখালী মসজিদের সামনে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আবদু শুক্কুর ও ঘাতক এরশাদ উল্লাহ ওই এলাকার নাজিম উদ্দিনের ছেলে।

ঝিলংজা ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলাম বাহাদুর জানান, নিহত যুবক পেশায় রাজমিস্ত্রীর সহকারী। তিনি দক্ষিণ জানারঘোনার সিরাজুল হকের ছেলে রাজমিস্ত্রী মনসুরের সহকারী হিসেবে কাজ করতেন। কাজের টাকা নিয়ে শুক্রবার দুপুর দেড়টার দিকে মসজিদ মাঠে মনসুরের সঙ্গে শুক্কুরের কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে হাতাহাতি হলে মুসল্লিরা তাৎক্ষণিক বিষয়টি সুরাহা করে দেন। কিন্তু মনসুর এ নিয়ে এরশাদ উল্লাহকে নালিশ করে।

তিনি আরও জানান, এরশাদের সঙ্গে ছোট ভাই শুক্কুরের পুুুরোনো কলহের কারণে সম্পর্ক তেমন ভালো ছিল না। মনসুরের নালিশ শুনে এরশাদ উল্লাহ মসজিদ মাঠেই তার আপন ছোট ভাইকে গুলি করে। এতে আহতবস্থায় তাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে আনা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

কক্সবাজার সদর থানার ওসি (তদন্ত) কামরুল আজম জানান, নিহতের মরদেহ কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে রয়েছে। তার শরীরে ৩টি গুলির চিহ্ন রয়েছে।
কক্সবাজার সদর থানার ওসি ফরিদ উদ্দিন খন্দকার জানান, ঘাতককে ধরতে পুলিশের অভিযান চলছে।

পুলিশ টেকনাফের দুই ইয়াবা কারবারীর লাশ উদ্ধার করেছে নেত্রকোনা থেকে

নিজস্ব প্রতিনিধি, কক্সবাজার:
পুলিশ টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের দুই যুবকের গুলিবিদ্ধ লাশ নেত্রকোনা জেলা থেকে  উদ্ধার করেছে বলে জানা গেছে।

তারা হলো- হ্নীলা  মন্ডল পাড়ার মৌলভী দীল মোহাম্মদের বড় ছেলে ইসমাঈল এবং ওসমান।  পরিবারের লোকজন ছবি দেখে তাদের পরিচয় নিশ্চিত করেছে। তারা দুইজনই ইয়াবা কারবারে জড়িত বলে স্থানীয়রা নিশ্চিত করেছেন।

নিহতদের পরিবারের লোকজন দাবি করেছে, তারা ঢাকায় চাকরি করছে বলে পরিবারকে জানিয়েছিলো। তারা যে ইয়াবা ব্যবসা করতো এটা পরিবার কোনোভাবেই জানতো না।

টেকনাফের স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত ইসমাঈল এবং ওসমান দীর্ঘদিন ঢাকায় রয়েছে। টেকনাফের সিন্ডিকেটের বিভিন্ন মাধ্যমে পাঠানো ইয়াবা তারা ঢাকা ও আশেপাশের এলাকায় বিক্রি করতো।

নেত্রকোনা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ বোরহান উদ্দিন জানান, নেত্রকোনা সদর উপজেলার মদনপুর ইউনিয়নের মনাং ইট খলার পাশের বাগানে গভীর রাতে মাদক বেচা কেনা হতে যাচ্ছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মডেল থানার পুলিশ রাত দুটার দিকে সেখানে পৌঁছলে মাদক ব্যবসায়ীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে। এ সময় আত্ম-রক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি ছুঁড়ে। এ সময় বন্দুকযুদ্ধে দুই মাদক ব্যবসায়ী নিহত এবং তিন পুলিশ আহত হন।

পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে দু’টি পাইপ গান, ৭শ ৫ গ্রাম হেরোইন, ৩ হাজার ৫ পিস ইয়াবা উদ্ধার করে। পরে নিহতদের লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

কক্সবাজার জেলা পুলিশের মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আফরুজুল হক টুটুল শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টায় জানান, নেত্রকোনা থেকে এখন পর্যন্ত কোনো কাগপত্র বা ছবি তাদের কাছে আসেনি। আর নিহতের ব্যাপারেও কোনোভাবে অবগত হয়নি তিনি।

বিলাইছড়িতে আবারো আ’লীগ নেতার উপর হামলা

নিজস্ব প্রতিনিধি, রাঙামাটি:

রাঙামাটির বিলাইছড়ি উপজেলার ৩নং ফারুয়া ইউনিয়নের আ’লীগের সদস্য নিসাইপ্রু মারমাকে একদল দুর্বৃত্ত অতর্কিত হামলা চালিয়ে মারধর করেছে।

শুক্রবার (২৫ মে) রাতে রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালে তাকে ভর্তি করানো হয়। বর্তমানে আ’লীগের এ নেতাকে সুচিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে বলে হাসপাতাল সূত্রে জানানো হয়।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, একদল দুর্বৃত্ত শুক্রবার সকালে ওই ইউনিয়নের দূর্গম এলাকা ওরাছড়ি গ্রামে এসে অতর্কিত হামলা চালিয়ে নিসাইপ্রুকে গুরুতর জখম করে। এরপর তাকে আহত অবস্থায় রেখে দুর্বৃত্তরা চলে যাওয়ার সময় বলে উঠে একে যেন কেউ হাসপাতালে ভর্তি না করায়।

সন্ত্রাসীদের ভয়ে সকাল থেকে এ নেতাকে কেউ হাসপাতালে ভর্তি না করালেও রাতে রাঙামাটি জেলা পরিষদের সদস্য রেমলিয়ানা পাংখোয়া ঘটনাস্থল থেকে আ’লীগের এ নেতাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে বোটযোগে নিয়ে এসে রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালে এনে ভর্তি করায়।

বিলাইছড়ি উপজেলা আ’লীগের জৈষ্ঠ্য এক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, এ ঘটনা পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি’র (পিসিজেএসএস) ক্যাডাররা করেছে। এ উপজেলা থেকে আ’লীগকে নিশ্চিহ্ন করতে জেএসএস’র সন্ত্রাসীরা পূর্বের ন্যায় এ ধরণের ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটিয়েছে।

উপজেলা আ’লীগের এ নেতা এ ঘটনার জন্য তীব্র নিন্দা এবং প্রশাসনকে এ ব্যাপারে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জোর দাবি জানান।

এদিকে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বিলাইছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি ) নাছির উদ্দীন জানান, আ’লীগের পক্ষ থেকে এখনো কোন মামলা দায়ের করেনি, মামলা দায়ের করলে অপরাধীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

চকরিয়ায় পুলিশের অভিযানে ইয়াবাসহ ৩পাচারকারী আটক

চকরিয়া প্রতিনিধি:

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে দেশ জুড়ে চলছে মাদক বিরোধী অভিযান। জঙ্গী দমনের মতো এবার মাদক দমনের কথা জানিয়েছেন খোদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জাতীয় ভাবে ঘোষণা এসেছে মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স। প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, বাংলাদেশ পুলিশের আইজিপি ও র‍্যাবের মহাপরিদর্শক এ মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন। এরই আলোকে ইতিমধ্যে চকরিয়া থানা পুলিশের কয়েকটি টিম মাদক অভিযানে মাঠপর্যায়ে জোরদার কাছ চালিয়ে যাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে চট্রগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে চকরিয়ায় থানা পুলিশের অভিযানে ১হাজার ২০০ ইয়াবাসহ একটি ব্যবহৃত প্রাইভেট নোহা (বক্সি) গাড়ির চালকসহ ৩ পাচারকারীকে আটক করেছে পুলিশ।

পুলিশ এ সময় ইয়াবা পাচারকাজে ব্যবহ্নত নোহাগাড়ি (ঢাকা মেট্রো-গ-২৬-৮৭২৬)থেকে তল্লাশী চালিয়ে এসব ইয়াবা উদ্ধার করে। পাচার কাজে ব্যবহ্নত গাড়িটি জব্দ করা হয়েছে।

ধৃত পাচারকারী হলেন, টেকনাফ উপজেলার সদর ৭নম্বর ওয়ার্ডের হাজম পাড়া এলাকার শামসুল আলমের পুত্র সাদ্দাম হোসেন (২৫), তারসহকর্মী একই উপজেলার সদর ৫নম্বর ওয়ার্ডের ডেইল পাড়া এলাকার বশির আহমদের পুত্র মো. ইসমাঈল (২৮) ও সদর ৬নম্বর ওয়ার্ডের একই এলাকার আবদুল গফুরের পুত্র মনির আলম(২৭)।

শুক্রবার(২৫মে) রাত দেড়টার দিকে কক্সবাজারের মহাসড়কস্থ উপজেলার ফাঁসিয়াখালী হাসেরদীঘি রাস্তার মাথা নামক এলাকায় থানা পুলিশের একটি টিম তল্লাশী চালিয়ে এসব ইয়াবাসহ নোহাগাড়ি জব্দ করে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত্রে চকরিয়া থানার উপপরিদর্শক(এস আই) রুহুল আমিনের নেতৃত্বে সঙ্গীয় পুলিশ নিয়ে একটি টিম মাদক উদ্ধারে অভিযানে যায়। চট্রগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চকরিয়াস্থ হাসেরদীঘি রাস্তার মাথা এলাকায় ওই দিন রাত্রে দেড়টার দিকে ইয়াবা পাচারকারীরা অবস্থান নেয়ার গোপন সংবাদ পেয়ে থানা পুলিশের টিমও অবস্থান নেয়। এসময় কক্সবাজার থেকে চট্রগ্রামগামী কালো রংয়ের একটি প্রাইভেট নোহা গাড়ি (ঢাকা মেট্রো-গ-২৬-৮৭২৬)মহাসড়কের রাস্তার ধারে থামানো হয়। পুলিশ ইয়াবা পাচারের গোপন সংবাদ পেয়ে গাড়ি তল্লাশী করলে ওই সময় গাড়িতে থাকা ৩ ইয়াবা পাচারকারী আটক করে। পুলিশ তাদের দেহ তল্লাশী করে এসব পাচারকারীর কাছ থেকে ১হাজার ২০০ ইয়াবা উদ্ধার করেন। এ সময় পুলিশ ইয়াবা পাচার কাজে ব্যবহ্নত প্রাইভেট নোহাগাড়ি জব্দ করে চালক ও তার সহকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়।

এ ব্যাপারে চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মো. বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরীর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ব্যবহ্নত নোহাগাড়ি জব্দ করে। ঘটনায় জড়িত চালকসহ ৩জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। থানার এস আই রুহুল আমিন বাদী হয়ে সংশ্লিষ্ট মাদক আইনে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে বলেও তিনি জানান।

রামুর দক্ষিণ মিঠাছড়িতে চাঁদা না দেয়ায় নির্মাণাধিন সেতু ভেঙ্গে দেয়ার অভিযোগ

 

রামু প্রতিনিধি:

রামুর দক্ষিণ মিঠাছড়িতে চাঁদা না দেয়ায় একটি নির্মাণাধিন সেতু ভেঙ্গে দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

শুক্রবার (২৫ মে) সকাল সাতটার দিকে দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়নের সমিতিপাড়া স্টেশনের পাশে এ ভাংচুরের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় রামু থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়া হলেও কাউকে আটক করেনি পুলিশ।

রামু থানায় অভিযোগটি দিয়েছেন, ওই এলাকার মৃত হাবিবুর রহমানের ছেলে ব্যবসায়ী রশিদুল হক। লিখিত এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, এলাকার সচেতন ব্যক্তি হিসেবে তিনি ওই এলাকার বাসিন্দাদের যাতাযাতের দূর্ভোগ লাঘবে নিজ অর্থায়নে একটি পাকা সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু করেন। কাজ শুরুর পর থেকেই এলাকার মৃত মো. হোছনের ছেলে জসিম উদ্দিন, মৃত নুরুল আলমের ছেলে রফিকের নেতৃত্বে আরও ৪/৫ জনের একটি চক্র চাঁদা চেয়ে তাকে খুন, জখমসহ নানাভাবে হুমকী দিয়ে আসছিলো।

ঘটনার সময় তিনি কাজের অগ্রগতি দেখতে গেলে জসিম, রফিকের নেতৃত্বে চাঁদাবাজ চক্র তাকে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে ১ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তারা ব্যবসায়ী রশিদুল হককে কিল, লাথি, ঘুষি মারতে থাকে। একপর্যায়ে হামলাকারীরা সাথে থাকা লোহার সামগ্রী নিয়ে নির্মাণাধিন সেতুটি ভেঙ্গে দেয়। এতে প্রায় দেড় লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

এ ঘটনায় জনমনে ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে।

রামুতে হিলফুল ফুজুল এর উদ্যোগে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ

রামু প্রতিনিধি:

রামুর পূর্ব রাজারকুলে সংগঠন হিলফুল ফুজুল সংগঠনের উদ্যোগে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ, ইফতার মাহফিল ও মাহে রমজানের তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (২৫ মে) বিকালে পূর্ব রাজারকুলস্থ সংগঠনের নিজস্ব কার্যালয়ে এ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, রাজারকুল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুফিজুর রহমান মুফিজ।

সংগঠনের সভাপতি সরওয়ার কামালের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মৌলভী নাজির হোছাইনের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, সংগঠনের উপদেষ্টা ব্যবসায়ী কামাল উদ্দিন, ফতেখাঁরকুল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মুন্সী আবদুর রহিম, যুবনেতা মনছুরুল আলম, রামু কলেজের প্রভাষক কৃতি ফুটবলার মো. জাহাঙ্গীর আলম, দৈনিক কক্সবাজার এর স্টাফ রিপোর্টার সোয়েব সাঈদ, মুন্সী মোহাম্মদ হারুন, আওয়ামী লীগ নেতা লিয়াকত আলী, আরিফুল হক, সংগঠনের অর্থ সম্পাদক এহসান করিম, সহ সাধারণ সম্পাদক মো. কামাল, সাবেক সভাপতি ওবাইদুল হক ও এনামুল হক, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আজিজুল হক, ইয়ং ডেভলেপমেন্ট সোসাইটির সভাপতি রেজাউল করিম, সাধারণ সম্পাদক মান্না প্রমুখ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাজারকুল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুফিজুর রহমান মুফিজ বলেন, এ সংগঠন শুরু থেকে এলাকার উন্নয়ন, দুঃস্থ মানুষের সেবা, আদর্শ নাগরিক সৃষ্টি, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে অনন্য ভুমিকা পালন করে আসছে। এ সংগঠনের যে কোন কাজে সার্বিক সহায়তা দেয়া হবে।

আলোচনা সভা শেষে এলাকার অর্ধ শতাধিক দরিদ্র পরিবারকে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়। এতে আমন্ত্রিত অতিথি, এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ইফতার আয়োজনে শরিক হন।

কুতুবদিয়া ধূরুং বাজারে আবর্জনার ভাগাড়

কুতুবদিয়া প্রতিনিধি:

কুতুবদিয়ার প্রসিদ্ধ ব্যবসা কেন্দ্র ধূরুং বাজারের ভেতরেই আবর্জনার ভাগাড়। প্রতিদিন বিভিন্ন দোকানের ময়লা ফেলে দূর্গন্ধ সৃষ্টি করায় সংশ্লিষ্ট এলাকার ব্যবসায়ী, পথচারীদের ভোগান্তি বেড়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ধুরুং বাজারের কেন্দ্রীয় মসজিদ গলিতে সরকারি খাস জায়গায় প্রতিনিয়ত বাজারের ময়লা-আবর্জনা ফেলা হচ্ছে। দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে বাজার জুড়ে। এ গলিতে হাঁটবারে দই, কবুতর, বেত-বাঁশের ঝুড়ি ইত্যাদি বিক্রেতারা কেনা-বেঁচা করে থাকে। ময়লার ভাগাড়ের পাশেই ধূরুংবাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ। দিনে-রাতে ওই পথে মসজিদে যাতায়াতে ময়লার দুর্গন্ধে নাকাল হয় মুসুল্লীদের। প্রতিনিয়ত ভোগান্তীর দরুন স্থানীয় বাসুদেব চক্রবর্তী গত বছর ১০ অক্টোবর এর প্রতিকার চেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর আবেদন করেন।

নির্বাহী অফিসার সুজন চৌধুরী উপজেলা সমবায় কর্মকর্তাকে তদন্তপূর্বক সমাধান দেয়ার জন্য দায়িত্ব দেন। তদন্ত কর্মকর্তা একাধিকবার গিয়ে বাজারের ইজারাদারকে বিষয়টি অবহিত করলে বাজারের পরিচ্ছন্ন কর্মী ময়লার ভাগাড় থেকে কিছু আবর্জনা অপসারণ করেই খালাস। দীর্ঘ ৭ মাসেও স্থায়ী কোন সমাধান হয়নি।

ময়লার ভাগাড়টি অপসারণে আবেদনকারী বাসুদেব চক্রবর্তী জানান, প্রতিনিয়ত আবর্জনা ফেলায় দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে । পথচারি, ব্যবসায়ী, মুসুল্লীদের দুর্ভোগ কমেনি ৭ মাসেও। ময়লার পাশাপাশি প্রতিদিন কতিপয় প্রভাবশালীর একাধিক মালবাহী ট্রলি রাখায় আড়ালে আবর্জনা ফেলেই চলছে কতিপয় দোকান্দার।

বাজারের ইজারাদার কামরুল হাসান সিকদার বলেন, বাজারের আবর্জনা ফেলার জন্য নির্দিষ্ট কোন জায়গা নেই। তবে মসজিদ গলির ওই জায়গায় পরিচ্ছন্ন কর্মী কোন আবর্জনা ফেলেনা। স্থানীয় কিছু দোকানদার ওখানে আবর্জনা ফেলে বলে তিনি জানান। তা ছাড়া ওই গলিতে সপ্তাহে দু’বার হাঁটবারে খুচরা অস্থায়ী বিক্রেতাদের কাছ থেকে হাশিল আদায় করলেও ওই গলিটি বাজারের আওতায় নয় বলেও জানান তিনি।

উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা কামাল পাশা বলেন, বাজারের সচেতন ব্যক্তির আবেদনের পর দায়িত্ব দেয়া হলে তিনি কয়েকবার সেখানে গিয়ে সংশ্লিষ্ট ইজারাদারকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ করেন। সেমতে একবার পরিষ্কার করা হয় বলেও তিনি জানান। তবে স্থায়ী সমাধান করতে হলে মসজিদ কমিটি, বাজারের ইজারাদার ওব্যবসায়ীদের সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে বলে তিনি জানান।

মাদক ব্যবসায়ীদের প্রতি জিরো টলারেন্স হচ্ছে কিন্তু ধর্ষকদের জিরো টলারেন্স হচ্ছে না: পঙ্কজ ভট্টাচার্য

নিজস্ব প্রতিনিধি:

ঐক্য ন্যাপ এর সভাপতি পঙ্কজ ভট্টাচার্য বলেছেন, মাদক ব্যবসায়ীদের প্রতি জিরো টলারেন্স হচ্ছে কিন্তু ধর্ষকদের জিরো টলারেন্স হচ্ছে না।

শুক্রবার (২৫ মে) সকালে ঢাকার শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ২ ত্রিপুরা কিশোরী হত্যার বিচারের দাবিতে বাংলাদেশ আদিবাসী ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ ও বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরাম এর মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি  একথা বলেন।

তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, রাষ্ট্র তুমি কার? রাষ্ট্র তুমি ধর্ষকের কিনা, রাষ্ট্র তুমি হত্যাকারীর কিনা? রাষ্ট্র তুমি পাকিস্তানি মনস্তত্বের কিনা; আজ এ প্রশ্ন সর্বত্র দেখা দিয়েছে।

উইলিয়াম নকরেক এর সঞ্চালনায় সঞ্জীব দ্রং এর সভাপতিত্বে মানববন্ধনে আরও উপস্থিত ছিলেন, অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌস, বিশিষ্ট্য নাট্যকার, অভিনেতা ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মামুনুর রশীদ, জাতীয় আদিবাসী পরিষদের সভাপতি রবীন্দ্রনাথ সরেন, আদিবাসী নেত্রী রাখি ম্রং, ফাল্গুনী ত্রিপুরা, কাপেং ফাউন্ডেশনের পরিচালক পল্লব চাকমা, আদিবাসী ফোরাম এর সদস্য হিরণ মিত্র চাকমা, ত্রিপুরা কল্যাণ সংসদের সভাপতি বরেন্দ্রলাল ত্রিপুরাসহ বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

মানববন্ধনে দুই ত্রিপুরা কিশোরীর বাকি হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করা হয়। বক্তারা দাবি করে বলেন, সারাদেশ ধর্ষকদের অভয়্যারণ্যে পরিণত হচ্ছে। দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না হওয়াই সারাদেশেই ধর্ষণ বাড়ছে বলে দাবি করেন বক্তারা।

খাগড়াছড়িতে ইউপিডিএফ’র (প্রসীত) আস্তানায় যৌথ বাহিনীর অভিযান, অর্থ ও বিপুল সরঞ্জামসহ আটক-১

নিজস্ব প্রতিবেদক, খাগড়াছড়ি:

খাগড়াছড়িতে ইউপিডিএফ’র প্রসীত গ্রুপের আস্তানায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে সাড়ে পাঁচ লাখ টাকা ও বিপুল সরঞ্জামসহ একজনকে আটক করা হয়েছে।

শুক্রবার(২৫ মে) বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে জেলা সদরের গিরিফুল এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়।

নিরাপত্তা বাহিনীর সূত্র জানায়, ইউপিডিএফ’র প্রসীতের সশস্ত্র গ্রুপের একটি বৈঠক চলছে এমন তথ্যের ভিত্তিতে যৌথবাহিনী গিরিফুল এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযান টের পেয়ে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে গেলেও একজনকে আটক করতে সক্ষম হয়।

পরে আস্তানাটি তল্লাশী চালিয়ে সাড়ে পাঁচ লাখ টাকা, অস্ত্র বহনের ৭টি বড় ব্যাগ, বেশ কিছু মোবাইল ফোন ও অন্যান সরঞ্জাম উদ্ধার করে।

এ সংবাদ লেখা পর্যন্ত নিরাপত্তা বাহিনী আশ-পাশ এলাকায় অভিযান চালাচ্ছে বলে জানা গেছে।

রাজস্থলীতে সেনা অভিযানে বিপুল পরিমান কাঠ জব্দ

 

রাজস্থলী প্রতিনিধি:

রাঙ্গামাটি রাজস্থলী উপজেলার আমছড়া পাড়া নামক স্থানে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে প্রায় ২ লক্ষ টাকার অবৈধ সেগুন কাঠ ও মিনি পিকাপ (নং-১১.০৩৩০ ৬) জব্দ করেছে সেনাবাহিনী।

রাজস্থলী আর্মি ক্যাম্পের ওয়ারেন্ট অফিসার মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে শুক্রবার ইফতারের সময় আমছড়া পাড়া ঝুলন্ত ব্রিজ এবং বন বিভাগের সন্নিকটে জব্দ করে।

সেনা সূত্রে জানা যায়, কাঠগুলো পাচারের জন্য স্তুপ করা হয়েছিল। গোপন সংবাদ পেয়ে কাঠগুলো জব্দ করতে সক্ষম হয়। জব্দকৃত কাঠগুলো স্থানীয় সদর রেঞ্জের রেঞ্জ কর্মকর্তার নিকট জমা করা হয়েছে বলে সেনাবাহিনী ওয়ারেন্ট অফিসার মিজানুর রহমান জানান।