খাগড়াছড়িতে ইপিআই সরঞ্জাম ক্রয়ে ব্যাপক অনিয়ম, তদন্তে নেমেছে দুদক


মানিকছড়ি প্রতিনিধি:

১৫-১৬ অর্থবছরে খাগড়াছড়ি জেলা সিভিল সার্জন অফিস কর্তৃক তৃণমূলে ইপিআই সেন্টারে সরঞ্জাম ক্রয়ে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগের তদন্ত শুরু করেছে  দুর্নীতি দমন কমিশন।

দুদক হটলাইন (১০৬)-এ ‘দৈনিক সবুজ পাতার দেশ ’ পত্রিকার সম্পাদক মো. জুলহাস উদ্দীনের  অভিযোগের প্রেক্ষিতে দুর্নীতি দমন কমিশন এ তদন্ত শুরু করে।

অভিযোগে বলা হয়, খাগড়াছড়ি জেলা সিভিল সার্জন অফিস গত ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে জেলার ৯ উপজেলার সকল ইপিআই সেন্টার প্রতি ১টি প্লাসটিকের টেবিল, ২টি চেয়ার, ১টি ব্যাগ ও ১টি সাইন বোর্ড সরবরাহ দেখিয়ে প্রায় ৫৬ লক্ষ টাকার মালামাল ক্রয়ে ব্যাপক অনিয়ম করেছে।

ওই অভিযোগের প্রেক্ষিতে দুদক রাঙ্গামাটির উপ-পরিচালক মো. সফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া ২৫ এপ্রিল সরজমিনে তদন্তে আসেন। তদন্তের প্রথম দিন লক্ষ্মীছড়ি, মানিকছড়ি ও মাটিরাঙ্গার বিভিন্ন ইপিআই সেন্টার ঘুরে দেখেন এবং হাসপাতালে সকল ইপিআই কর্মীর (স্বাস্থ্য সহকারী) বক্তব্য গ্রহণ করেন।

তদন্তকালে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাসহ সকল ইপিআই কর্মী ও দুপ্রক সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। তদন্তের প্রথম দিনে মানিকছড়ি ও লক্ষ্মীছড়ি উপজেলার কোথাও অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি বলে জানান দুদক কর্মকর্তা।

দুদক,  রাঙ্গামাটির উপ-পরিচালক মো. সফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া জানান, দুদকের হট লাইনে পরিচয় নিশ্চিত করে অভিযোগের প্রেক্ষিতে দুদক বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে সরজমিনে তদন্ত শুরু করেছে। তদন্তের প্রথম দিনে ২ উপজেলার কোথাও অভিযোগের সত্যতা মেলেনি। পুরো তদন্ত শেষে এ বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেবে দুদক।

এ ঘটনায় অনিয়ম প্রমানিত হলে জড়িত কিংবা অভিযোগের সত্যতা পাওয়া না গেলে অভিযোগকারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদিকে দুদক কর্মকর্তা লক্ষ্মীছড়ি হাসপাতালে যাওয়ার খবর জানাজানির ফলে আজ হাসপাতাল চত্বর ছিল কর্মকর্তা-কর্মচারীর পদচারণায় মুখরিত।

অনেক দিন পর হাসপাতালে শুরু হয় কর্মযজ্ঞ। দু’এক জন কর্মচারীর বিরুদ্ধে গোপন অভিযোগ উঠে দায়িত্ব অবহেলার। এ নিয়ে কর্মচারীর হাজিরা খাতা, স্বাক্ষর খতিয়ে দেখে অনিয়মের সত্যতা খুঁজে পান দুদক কর্মকর্তা ।

পরে সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীর নিয়মিত উপস্থিতিসহ স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প. কর্মকর্তা ডা. মো. শেখ মজিবুর রহমানকে অনুরোধ করা হয়।

 

One thought on “খাগড়াছড়িতে ইপিআই সরঞ্জাম ক্রয়ে ব্যাপক অনিয়ম, তদন্তে নেমেছে দুদক

  1. মিথ্যা নিউজ। অভিযোগের সত্যতা আছে। কত টাকার বিনিমিয়ে নিউজটি প্রকাশ করেছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *