সরকারের মহেশখালী-কুতুবদিয়ায় হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন


মহেশখালী প্রতিনিধি:

মহেশখালী-কুতুবদিয়ায় গত সাড়ে ৪ বছরে বাস্তবায়নাধীন বিদ্যুৎ প্রকল্প, অর্থনৈতিক জোন ব্যতীত অন্তত ৩ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প ইতোমধ্যে বাস্তবায়ন হয়েছে। উন্নয়ন প্রকল্প ছাড়াও লবণের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতকরণ ও অধিগ্রহনকৃত জমির ন্যায্যমূ্ল্য পুনঃনির্ধারণকরণ ছিল আশেক উল্লাহ রফিক এমপি’র অনন্য অবদান।

তিনি গত ৪ বছরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের ধারা তৃণমূল পর্যায়ে পৌঁছতে সক্ষম হয়েছেন।

প্রাপ্ত তথ্য মতে, মহেশখালীতে গত ৪ বছরে ৩৫ কি.মি. সড়ক (নির্মাণ/সংস্কার) ও অন্তত ৪৫ কি.মি. গ্রামীণ সড়ক নির্মাণ করা হয়েছে।

বর্তমানে কুতুবদিয়া উপজেলায় ৪০০ কোটি টাকার উন্নয়ন মূলক কাজ চলমান রয়েছে। তৎমধ্যে বেড়ীবাঁধ নির্মাণে ৯৭ কোটি, আজম সড়ক পুননির্মাণ, ৪টি জেটি নির্মাণ ও ৭৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ১১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কাম সাইক্লোন সেন্টার নির্মাণ কাজ অন্যতম। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই মহেশখালী জেটির সম্মুখে খাল খনন ও মহেশখালীর সাথে চৌফলদন্ডী ফেরী চলাচলের কাজ শুরু হবে। ইতোমধ্যে ছোট মহেশখালীর লম্বা ঘোনা বাজার থেকে মুদিরছড়া পর্যন্ত সড়ক পাকাকরণের কাজ শুরু হবে এ সড়কের জন্য ১ কোটি ২৬ লাখ বরাদ্দ হয়েছে।

মাতারবাড়ি সংযোগ সড়ক সড়ক ও জনপথ বিভাগের আওতায় এনে দ্রুত নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ায় ওই সড়ক নির্মাণে ১৮ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। মাতারবাড়ি ও ধলঘাটায় স্থায়ী বেড়ীবাঁধ নির্মাণের জন্য ৫৭ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে। শীঘ্রই বেড়ীবাঁধ নির্মাণ কাজ শুরু হবে।

গত ৪ বছরে শিক্ষাকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিয়েই কাজ করেছেন তিনি। ৯৫ ভাগ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে উন্নয়নের আওতায় এনেছেন। যা এখনো চলমান রয়েছে। উন্নয়ন ও অনুন্নয়ন খাতে ২০১৪-২০১৭ সময়ে ২২টি কালভার্ট নির্মাণ/পূনঃনির্মাণ করা হয়েছে।

এ ছাড়া ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রণালয়ের অধীনে নির্মিত হয়েছে ৩৮টি কালভার্ট। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় সাংসদের নেতৃত্বে মহেশখালীতে গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার (কাবিখা) প্রকল্পের মাধ্যমে শিক্ষা ও চিকিৎসায় নিরবিছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে সোলার সিস্টেম স্থাপন করা হয়েছে, গোরকঘাটা হাইস্কুলে কম্পিউটার ল্যাবসহ স্কুল ক্যাম্পাস আলোকিত করণে সোলার স্থাপন করেছেন। বড় মহেশখালী আইল্যান্ড হাই স্কুলে শেখ রাসেল ডিজিটাল কম্পিউটার ল্যাবসহ কমপ্লেক্স আলোকিত করণে সোলার স্থাপন করেছেন। কুতুবজোম আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে শেখ রাসেল ডিজিটাল কম্পিউটার ল্যাবসহ কমপ্লেক্স আলোকিত করনে সোলার স্থাপন। বঙ্গবন্ধু মহিলা কলেজে কম্পিউটার ল্যাবসহ কমপ্লেক্স আলোকিত করনে সোলার স্থাপন। হোয়ানক পানিরছড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে মাল্টিমিডিয়া ক্লাস রুমসহ কমপ্লেক্স আলোকিত করনে সোলার স্থাপন। বড় মহেশখালী ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে সোলার বিদ্যুৎ সরবরাহ। ধলঘাটা ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে সোলার বিদ্যুৎ সরবরাহ।

এতে মোট ৩৫৪টি মসজিদ, ৪৪টি মন্দির, ২৮টি কমিউনিটি ক্লিনিক, ৩৭টি বিদ্যালয়ে সোলার প্যানেল স্থাপন করা হয়েছে। ৪৫ হাজার মানুষকে ভিজিএফ সুবিধা দেওয়া হয়েছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মাঝে ৫৫০ বান্ডিল ঢেউটিনসহ প্রায় ১ কোটি টাকা নগদ সহায়তা দেওয়া হয়েছে। ১৬৫টি রাস্তা সংস্কার প্রকল্প বাস্তবায়ন ও ৫৫টি বিদ্যালয়ে আর্থিক অনুদান দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়াও অসংখ্য উন্নয়ন প্রকল্প চলমান রয়েছে। গোরকঘাটা ও আদিনাথ জেটিতে সোলার বাতি স্থাপন, উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্স-এ সোলার বাতি স্থাপন, কালারমারছড়া, হোয়ানক, গোরকঘাটা বাজার, বড় মহেশখালী নতুন বাজারসহ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের বাজারগুলোতে এবং বিভিন্ন বিদ্যালয় ও মসজিদে ওই প্রকল্পের মাধ্যমে সোলার বাতি স্থাপন করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষিত আলোকিত বাংলাদেশ গড়াই আমাদের অঙ্গীকার- বাস্তবায়নে কাজ করে অন্ধকার গ্রামে আলোক সজ্জায় সজ্জিত করেছেন সাংসদ আশেক উল্লাহ রফিক।

উপজেলার গ্রামীণ রাস্তায় ছোট ছোট ব্রীজ নির্মাণ করে গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থায় সেতুবন্ধন করেছেন তিনি। কালামারছড়া ইউনিয়নের নয়াপাড়া রাস্তার ব্রীজ, হোয়ানকের ছনখোলাপাড়া ধলায়্যারছড়ি রাস্তায় ব্রীজ নির্মাণ, হোয়ানকের কেরুণতলী ছারার উপর ব্রিজ নির্মাণ, মাতারবাড়ী ইউনিয়নের লাইল্যাঘোনা-রাজঘাট সংযোগ সড়কে রাস্তার উপর ব্রীজ নির্মাণ, বড় মহেশখালী চেমছড়ি ছরার উপর ব্রিজ নির্মাণ, ছোট মহেশখালী ইউনিয়নের চৌচালা রাস্তা পারা-পারে সেতু নির্মাণসহ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে অগণিত কালবার্ট নির্মাণ করে জনসাধারণের চলাচল নির্বিঘ্ন করেছেন এমপি আশেক উল্লাহ রফিক এর সময়ে যা চোখে পড়ার মত।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় আশ্রয়ন প্রকল্প-২ এর অধীনে “যার জমি আছে ঘর নাই, তার নিজ জমিতে গৃহ নির্মাণ” উপ-খাতের আওতায় উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের ৮জন উপকার ভোগীকে ঘর নির্মাণ করে দেওয়া হয়। বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ওই মহতি প্রকল্পের সুফল ভোগ করছেন মহেশখালীর ৮ পরিবার। এ ছাড়া ২৯৬ জন গৃহহীন লোককে বসতবাড়ি নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে।

উপজেলার কুতুবজোম ইউনিয়নের ঘটিভাংগা আশ্রয়ন প্রকল্প, শাপলাপুর ইউনিয়নের দিনেশপুর আশ্রয়ান প্রকল্প- নির্মাণের মধ্যদিয়ে ঘর নেই এমন ব্যক্তিরদের আশ্রয়নে ঘর এর ব্যবস্থা করেছেন বর্তমান সরকারের সময়ে। এছাড়া আরও কয়েকটি আশ্রয়ান প্রকল্প নির্মানাধীন রয়েছে। ইতোমধ্যে এ প্রকল্পের আওতায় প্রায় ২০০ পরিবার সুফল ভোগ করছেন। সাংসদ আলহাজ্ব আশেক উল্লাহ রফিক সরকারের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে শিক্ষায় পিছিয়ে পড়া মহেশখালী উপজেলার শিক্ষার মান উন্নয়নের ক্ষেত্রে ব্যাপক কাজ করে যাচ্ছেন।

সরকারি দপ্তর থেকে প্রাপ্ত তথ্য মতে, সাংসদ বিগত বছরে ৪ বছরে মহেশখালী উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের বিদ্যালয় গুলোর ব্যাপক উন্নয়ন করেছেন। শিক্ষা ক্ষেত্রে মহেশখালী ডিগ্রী কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে রূপান্তর করেছেন। বড় মহেশখালী বঙ্গবন্ধু মহিলা কলেজকে সরকারি বঙ্গবন্ধু মহিলা কলেজে রূপান্তর করেছেন। মহেশখালীর বিদ্যালয়বিহীন গ্রামে ৫টির অধিক প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করে এলাকায় শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিয়েছেন। উপজেলার ঘটিভাংগা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে প্রাথমিক থেকে নিম্ন মাধ্যমিকে রূপান্তর করা হয়েছে।

বর্তমান সরকারের উন্নয়নমুখী মেগা প্রকল্প-মাতারবাড়ী কয়লা বিদ্যুৎ, মহেশখালী-আনোয়ারা গ্যাস সঞ্চালন লাইন, ইস্টার্ন রিফাইনারীন প্রকল্প, অর্থনৈতিক জোনসহ বেশ কয়েকটি প্রকল্প প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের কক্সবাজার-২ (মহেশখালী-কুতুবদিয়ার ) সাংসদ আলহাজ্ব আশেক উল্লাহ রফিক এর ক্ষমতায় থাকাকালীন ঘোষিত এবং স্থাপিত হতে চলছে।

স্থানীয়রা সাংসদ আশেক উল্লাহ রফিকের যুগ উপযোগী যুগান্তকারী পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছেন এবং এই মেগা প্রকল্প গুলো বাস্তবায়ন করতে বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেছেন।

কুতুবদিয়া দ্বীপে গ্রামীণ অবকাঠামো গেল ৪ বছরের উন্নয়ন বিগত এক যুগের উন্নয়নের রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। যার ফলে আশাবাদী হয়ে উঠেছেন দ্বীপ কুতুবদিয়ার সাধারণ মানুষ। কুতুবদিয়ায় মহিলাদের জন্য আশেক উল্লাহ রফিক এমপি প্রতিষ্ঠা করেছেন কুতুবদিয়া মহিলা কলেজ।

কুতুবদিয়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস সূত্রে প্রকাশ, গত ২০১৪-১৭ অর্থ বছরে কুতুবদিয়া দ্বীপের মহেশখালী-কুতুবদিয়া আসনের সাংসদ আলহাজ্ব আশেক উল্লাহ রফিক (এমপি) বিশেষ বরাদ্দে গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন ও সোলার প্যানেল স্থাপনের জন্য দফায় দফায় ৭০৪টি প্রকল্পের অধীনে ১ কোটি টাকা ও ৬৫৬ মেট্রিক টন চালের বরাদ্দের মাধ্যমে গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন ও সোলার প্যানেল স্থাপন করেন। এছাড়াও গত সাড়ে ৩ বছরে অর্থ বছরে দুর্যোগ ত্রাণ ও পূনর্বাসন মন্ত্রনালয়ের অধীনে দ্বীপের বিভিন্ন খালের উপর ১৫টি সেতু নির্মিত হয়েছে। যার অর্থ বরাদ্দ ২ কোটি ৭৪ লক্ষ ৭৫ হাজার ৯ শ টাকা। প্রাকৃতিক দূর্যোগ রোয়ানু, অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে ৫৩০ বাণ্ডিল ঢেউটিন বিতরণ করেছেন আশেক উল্লাহ রফিক এমপি।

ইতোমধ্যে শুরু হবে কুতুবদিয়ায় বেড়ীবাঁধ নির্মাণ কাজ। এ জন্য বরাদ্দ হয়েছে ৯৭ কোটি টাকা।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয় (এলজিইডি) কুতুবদিয়া উপজেলা প্রকৌশলী অফিস সূত্রে প্রকাশ, গত সাড়ে ৩ বছরে এমপির বিশেষ বরাদ্দে তৃতীয় প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন তিনটি বিদ্যালয় পূনঃনির্মাণে ৩ কোটি ৩৪লাখ টাকা ব্যয় করা হয়েছে। এ ছাড়া ৬টি প্রাথমিক বিদ্যালয়-কাম ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্র নির্মাণ করা হয়েছে এতে ব্যয় হয়েছে প্রায় ১৫ কোটি টাকা। বিদ্যালয়বিহীন ১৫ গ্রামে বিদ্যালয় স্থাপন প্রকল্পের আওতায় কুতুবদিয়ায় তিনটি বিদ্যালয় স্থাপন ব্যয় ১ কোটি ৮৯ লাখ ৭৩ হাজার টাকা, গ্রামীণ সড়ক ও হাট বাজার উন্নয়ন প্রকল্প ২৯৩০ মিটার উন্নয়নের অধীনে অন্তত ৩ কোটি টাকা। তন্মধ্যে ৪টি কালভার্ট নির্মাণে ৩০ লাখ ২৫ হাজার টাকা ব্যয়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে গ্রামীণ সড়ক ও হাট বাজার উন্নয়ন প্রকল্পে প্রায় ৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে। ৯টি সাইক্লোন সেন্টার মেরামত বাবদ ২৭ লাখ টাকা। এ ছাড়াও ইউনিয়ন সংযোগ সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যয় করা হয়েছে ৩ কোটি টাকা। পল্লী সড়ক ও কালভার্ট রক্ষনাবেক্ষণ প্রকল্প ১৪,০৩৩ মিটার সড়ক মেরামতের জন্য ২ কোটি ৭২ লাখ ৫৯ হাজার টাকা।

আশেক উল্লাহ রফিক এমপি জানিয়েছেন, উন্নয়নই আমার রাজনীতি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পরিকল্পনা ও উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নই আমার প্রধান লক্ষ্য। তিনি উপকূলের লোকজনকে ভালোবাসেন বলেই দেশের বৃহৎ প্রকল্পগুলো মহেশখালীতেই বাস্তবায়ন করছেন। একই সাথে উন্নয়নের আওতায় এনেছেন কুতুবদিয়া উপজেলাকে। প্রধানমন্ত্রীর গৃহীত প্রকল্প সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হলে মহেশখালী ও কুতুবদিয়া উপজেলা হবে দেশের অর্থনীতির চালিকা শক্তি।

রাজনৈতিক ব্যাপারে তিনি বলেন, মহেশখালী ও কুতুবদিয়া আওয়ামী লীগে কোন বিভেদ নেই। মহেশখালী ও কুতুবদিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন সম্পন্ন হয়েছে। এ ছাড়া সহযোগী সংগঠনের সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন নেতৃত্ব আসছে। এ দুই উপজেলায় সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করায় দলে গতিশীলতা এসেছে।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *