সন্তান বড় হয়ে পিতামাতার সাথে বেইমানি করলেও গাছ কখনো বেইমানি করেনা: কংজরী


গুইমারা প্রতিনিধি:

কিছু সন্তান বড় হয়ে পিতামাতার সাথে বেইমানি করলেও গাছ কখনো বেইমানি করেনা। পাহাড়ের মাটি সমতলের মাটির চেয়ে অনেক বেশি উর্বর। এ মাটিকে কাজে লাগাতে হবে।

পরিবেশ রক্ষায় গাছ লাগানোর উপর গুরুত্বরোপ করে গুইমারা উপজেলা মিলনায়তনে অসহায়-দরিদ্র, ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের ৩০টি পরিবারের মাঝে ৩ হাজার ফলদ গাছের চারা বিতরণ কালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরী এসব কথা বলেন।

শনিবার(১৮ আগস্ট) বিকালে খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদের উদ্যোগে গুইমারা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এর  সার্বিক তত্তাবধানে চারা বিতরণ কার্যক্রম শেষ হয়।

এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে গুইমারা সদর ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মেমং মারমা, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলমসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

এসময় কংজরী চৌধুরী আরও বলেন, বাড়ির আঙিনা আর পরিত্যক্ত জমিতে ফলদ বৃক্ষ রোপনের মাধ্যমে আর্থিক স্বচ্ছলতা আনতে হবে। ফলদ ও বনজ গাছ লাগালে শুধু অর্থ উপার্জন হয়না, এতে পরিবেশ রক্ষা হয়, দেশীয় ফলে স্বাস্থ্যের জন্যও বিভিন্ন ধরণের পুষ্টি পাওয়া যায়।

কংজরী বলেন, বর্তমান সরকার সংশ্লিষ্ট দপ্তরের মাধ্যমে বৃক্ষ রোপণের জন্য ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষীদের মাঝে সচেতনতা বাড়াতে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করে যাচ্ছে। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা থাকলে ২০২১ সালের অনেক আগেই বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হবে। প্রত্যেকে বিভিন্ন ফলদ ও বনজ গাছ লাগিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

এর পর প্রতিটি কৃষককে ১০০টি চারা, ৫০ কেজি সার এবং নগদে ১ হাজার টাকা তুলে দেন তিনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *