রোয়াংছড়িতে গবাদি পশু ও উন্নতমানের ফলদ চারা বিতরণ


রোয়াংছড়ি প্রতিনিধি:

বান্দরবান জেলা পরিষদ, রোয়াংছড়ি উপজেলায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও প্রাণীসম্পদ অধিদপ্তর কর্তৃক আয়োজিত গবাদি পশু ও উন্নতমানের ফলদ চারা বিতরণ উপজেলা কৃষি অফিস প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় অনুষ্ঠিত গবাদি পশু ও উন্নতমানের ফলদ চারা তিবরণ অনুষ্ঠানে বান্দরবান জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. আলতাফ হোসেন এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বান্দরবান জেলা পরিষদের অন্যতম সদস্য ক্যসাপ্রু মারমা, সদস্য কাঞ্চনজয় তঞ্চঙ্গ্যা, উপজেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মাউসাং মারমা, নির্বাহী অফিসার রবীন্দ্র চাকমা, বান্দরবান ডিএডিসি উপ-পরিচালক দীপক কুমার দাশ, জেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা মো. আনিসুর রহমান প্রমুখ।

এছাড়াও রোয়াংছড়ি সদর ইউপির চেয়ারম্যান চহ্লামং মারমা, আলেক্ষ্যং ইউপির চেয়ারম্যান বিশ্বনাথ তঞ্চঙ্গ্যা, তারাছা  ইউপির চেয়ারম্যান উথোয়াইচিং মারমা, নোয়াপতং ইউপির প্যানেল চেয়ারম্যান উবাপ্রু মারমা, উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা অমিত কুমার দে, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি মেম্বার, কারবারী ও গণ্যমান্য ব্যক্তি বর্গ উপস্থিত ছিলেন। উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা প্রকাশ বড়ুয়ার সঞ্চলনায় উপজেলায় কৃষি কর্মকর্তা হাবিবুন নেছা স্বাগত বক্তব্য রাখেন।

এসময় অন্যান্য বক্তারা বলেন, কৃষিকে বাঁচতে হলে কৃষি কাজে উৎপাদন বৃদ্ধি করতে হবে। কৃষি কাজে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। যাতে কৃষকরা উন্নতমানের ফসল উৎপাদন করে লাভবান হতে পারে। নানা কাজের পাশাপাশি মৌসুম অনুযায়ী ফলদ ও বিভিন্ন প্রজাতির গাছ লাগাতে হবে।

বনবিভাগে ২৫ শতাংশ বন না থাকায় বর্তমানে পানি সংকটময় হযে যাচ্ছে। এ অবস্থা হলে ভবিষ্যতে আরো সমস্যা হবে। ইতোমধ্যে জনগণের সচেতনতা না থাকায় প্রায় বনাঞ্চল প্রাকৃতিক গাছ পালাগুলো উজার হয়ে যাচ্ছে। কৃষি কাজে বাঁচাতে হলে প্রচুর পরিমাণে নানাধিক গাছ রোপন করা প্রয়োজন বলেও মনে করেন বক্তারা।

প্রধান অতিথি ক্যসাপ্রু মারমা বলেন, সরকার কৃষকদের পাশে থেকে সার্বিক সহযোগিতা দিয়ে থাকেন। যাতে কৃষকদের বিভিন্ন সমস্যা পোহাতে না হয় এমব্যবস্থা গ্রহণ করে থাকি। তবে কৃষকরাও কৃষি কাজের মনো নিবেশ করে উৎপাদন বৃদ্ধি করতে হবে। শুধু তাই নয় কৃষকরা চাইলে পরস্পর সহযোগিতার মাধ্যমে দেশকে বদলে দিতে পারেন। কৃষি উন্নয়নে বাংলাদেশ সরকার সাফল্যের দিকে ধাবিত হচ্ছে। কৃষি উন্নয়নে বিপ্লব ঘটেছে  বাংলাদেশে। বিশ্বের দিকে তাকালে দেখা যায় পাশ্ববর্তী দেশ শ্রীলঙ্কার মধ্যে শতভাগ কৃষি কাজে জরিত। ওই দেশে শিক্ষিত হয়েও প্রান্তিক কৃষক হিসেবে পরিচিত লাভ করেছে।

সভা শেষে লটারির মাধ্যমে বাছাই করে কৃষকদের মাঝে নগদ অর্থসহ গরু, ছাগল ও নানা প্রজাতির উন্নতমানের ফলদ চারা বিতরণ করা হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *