রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে বাংলাদেশের পাশে থাকবে চীন


পার্বত্যনিউজ ডেস্ক:

রোহিঙ্গা সমস্যা যথাসম্ভব দ্রুত সময়ে শান্তিপূর্ণভাবে সমাধানে চীন বাংলাদেশের পাশে থাকবে বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত মা মিং কিয়াং।

তিনি বলেন, আমরা যেমন বিপর্যের মুখোমুখি হই, ঠিক তেমনি বাংলাদেশও রোহিঙ্গা নিয়ে বিপর্যয়ের মুখোমুখি হয়েছে। আমরা কথা দিচ্ছি বাংলাদেশের পাশে থাকবো।

রোববার (২৯ অক্টোবর) রাজধানীর শেরে-বাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে দুই দেশের সরকারের মধ্যে ফ্রেমওয়ার্ক এগ্রিমেন্ট (কাঠামোগত চুক্তি) স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে চীনের রাষ্ট্রদূত এসব কথা বলেন।

মিং কিয়াং বলেন, বাংলাদেশ ও মিয়ানমার উভয়ে আমাদের বন্ধু রাষ্ট্র। আমরা আশা করবো দু’দেশের সঙ্গে সেই সম্পর্ক বজায় থাকবে। দুই ভ্রাতৃসুলভ রাষ্ট্র এক সঙ্গে বসে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান বের করে ফেলবো। ইতিমধেই আমি লক্ষ্য করেছি, যে আলোচনার মাধ্যমে কিছু কিছু দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়েছে রোহিঙ্গা নিয়ে।

মহেশখালীর গভীর সমুদ্র থেকে চট্টগ্রাম বন্দরে পরিশোধিত ও অপরিশোধিত তেল পরিবহনে ৪৬ দশমিক দশমিক ৭ কোটি ডলার ঋণ সহায়তা দিয়েছে চীনা এক্সিম ব্যাংক। প্রতি ডলার সমান ৮০ টাকা ধরে বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩ হাজার ৭৪২ কোটি টাকা।

‘ইনস্টালেশন অব সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং(এসপিএম) উইথ ডাবল পাইপ লাইন’ প্রকল্পের আওতায় ঋণ দিচ্ছে চীন। মহেশখালী থেকে চট্টগ্রাম বন্দর পর্যন্ত দু’টি পাইপলাইন নির্মিত হবে। প্রতিটা পাইপ লাইনের দৈর্ঘ্য হবে ১১০ কিলোমিটার করে। পরিশোধিত এবং অপরিশোধিত মিলিয়ে বছরে ৯ মিলিয়ন টন তেল পরিবহন করা সম্ভব হবে।

দুই দেশের সরকারের মধ্যে এ ফ্রেমওয়ার্ক এগ্রিমেন্ট (কাঠামোগত চুক্তি) স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব কাজী শফিকুল আযম ও ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত মা মিং কিয়াং সই করেন।

চুক্তিসই অনুষ্ঠানে চীনা রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, বিদ্যুৎ খাত যে কোনো দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তেল পরিবহনে অপচয় রোধে প্রকল্পটি সহায়তা করবে। সেই সঙ্গে কাজের দক্ষতাও বৃদ্ধি পাবে। আমি মনে করি বাংলাদেশ-চীন দ্রুত অর্থনৈতিক অগ্রগতির দেশ। এক সঙ্গে দু’দেশের অবকাঠামোর উন্নয়ন করতে চাই। তবে এর জন্য দরকার দু’দেশের মধ্যে ভালো রাজনৈতিক সম্পর্ক।

এসময় বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু, চীনা দূতাবাসের কর্মকর্তারা ও প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

 

সূত্র: বাংলানিউজ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *