রাঙ্গামাটিতে বঙ্গবন্ধুর ৪৩তম শাহাদাত বার্ষিকীতে জেলা পরিষদের মিলাদ ও আলোচনা সভা


রাঙামাটি প্রতিনিধি:

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে শোক র‌্যালী, বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে পুস্পস্তবক অর্পণ, আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিল করেছে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ।

বুধবার (১৫ আগস্ট) সকালে সদর উপজেলা পরিষদ হতে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল পর্যন্ত শোক র‌্যালী শেষে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে পুস্পস্তবক অর্পন করা হয়। এরপর  রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ সভাকক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বৃষ কেতু চাকমা’র সভাপতিত্বে ও পরিষদের জনসংযোগ কর্মকর্তা অরুনেন্দু ত্রিপুরা’র সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ সদস্য সবির কুমার চাকমা, জেলা সিভিল সার্জন ডা. শহীদ তালুকদার, জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. মনোরঞ্জন ধর, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোঃ হাবিব উল্যা, জেলা সমবায় কর্মকর্তা ইউছুফ হাসান চৌধুরী ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক পবন কুমার চাকমা বক্তব্য রাখেন। এসময় পরিষদের হস্থান্তরিত বিভাগের অন্যান্য কর্মকর্তাগন উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা সভায় রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বৃষ কেতু চাকমা বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন ছিল একটি স্বাধীন দেশ গড়ার। স্বপ্ন ছিল একটি সার্বভৌম রাষ্ট্রের। স্বপ্ন ছিল এ দেশের খেটে খাওয়া মেহনতী মানুষের অর্থনৈতিক স্বাধীনতার। যার জন্য আমরা পেলাম একটি স্বাধীন দেশ, ঘাতকরা সেই মহান ব্যাক্তিকে বেঁচে থাকতে দেয়নি।

তিনি বলেন, ১৬কোটি মানুষ যদি আজ বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার সাথে কাজ করতে পারি তাহলেই বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়া সম্ভব।বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বাস্তবায়নে আমাদের সকলকে কাজ করে যেতে হবে।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, বঙ্গবন্ধু মৃত্যু বরণ করেননি বরং তিনি বেঁচে আছেন আমাদের মাঝে। তিনি জীবন দিয়ে দেশের প্রতি তার ভালবাসা প্রকাশ করে গেছেন। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারণ করে দেশকে সামনে এগিয়ে নিতে সবাইকে এক সাথে কাজ করতে হবে।

আলোচনা সভার শুরুতেই বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গবন্ধুর পরিবারের নিহতদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত ও কিছুক্ষন নীরবতা পালন করা হয়। পরে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের বিভিন্ন ট্রেডে ১২জন প্রশিক্ষনপ্রাপ্ত প্রশিনার্থীদের মাঝে আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি লক্ষ্যে ৪লক্ষ ৬০হাজার টাকা প্রদান করা হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *