রাঙামাটির কাচালং নদী থেকে গলাকাটা লাশ উদ্ধার


বাঘাইছড়ি প্রতিনিধি:

রাঙ্গামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলার বটতলী কাচালং নদী থেকে সোমবার সকাল ৮:৪০ মিনিটের দিকে বাঘাইছড়ি থানা পুলিশ একটি পচে ফুলে ওঠা লাশ উদ্ধার করে।

স্থানীয়দের ধারণা, রাঙ্গামাটি সাজেকের উত্তর ভাইবোন ছড়া নামক এলাকায় ৭/৮/২০১৭ রবিবার মধ্যরাতে শান্তিলাল চাকমার ৫৫) কে কুপিয়ে হত্যা করেছে তার পুত্র সোহেল চাকমা(২৫) ও ভাতিজা আলোময় চাকমা(৩৩)।

হত্যার পর লাশ পাহাড়ী ঝিরিতে ফেলে পালানোর সময় এলাকাবাসীর হাতে আটক হয়। পরে তাদের সাজেক থানা পুলিশের কাছে তুলে দেয়া হয়। পরে পুলিশ আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করে। তবে লাশটি আসলেই শান্তিলাল চাকমার কিনা পুলিশ তা এখনো নিশ্চিত করতে পারেনি।

এলাকাটি দূর্গম হওয়ায় পুলিশের পক্ষে লাশ উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।ধরণা করা হচ্ছে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে পাহাড়ী ঢলের সাথে ভেসে লাশটি কাচালং নদীতে এসে পড়ে।

এলাকাবাসী কাছে খবর পেয়ে বাঘাইছড়ি থানা পুলিশের একটি টিম সকাল ৮ ঘটিকায় বটতলী গ্রামে গিয়ে লাশটি আটক করে থানায় নিয়ে আসে। এদিকে লাশ উদ্ধারের সংবাদ পেয়ে সাজেক থানা থেকে পুলিশের একটি টিম বাঘাইছড়ি থানার উদ্যেশে রওনা দিয়েছে। সাথে শান্তি লাল চাকমার পরিবারের সদস্যরা রয়েছেন। তারা পৌঁছলে লাশের পরিচয় নিশ্চিত হওয়াসহ আইননানুগ ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান বাঘাইছড়ি থানার অফিসার্স ইন্চার্জ জনাব মো: আমীর হোসেন।

তবে লাশ উদ্ধার নিয়ে বিভিন্ন মহলে নানা গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে যে, এটি শান্তি লাল চাকমার লাশ নয়। কারণ উদ্ধার হওয়া লাশের আনুমানিক বয়স ৩০/৩৫ বছর হবে। আর মামলার এজাহার এবং গ্রামবাসীর তথ্যমতে, শান্তিলাল চাকমার বয়স ৫৫ বছর।

তাই এলাবাসীর ধারণা লাশটি অন্য কারো হতে পারে, কেননা নদীতে লাশ ভেসে আসার ঘটনা এটিই নতুন নয়। পাহাড়ী সন্ত্রাসীদের হত্যা করে বনের গভীরে ফেলে রাখা কোনো লাশ হতে পারে যা বন্যার প্রবল স্রোতে নদীতে এসে পড়েছে।  তাই ভালো ভাবে অনুসন্ধান করা অতীব জরুরী।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *