parbattanews bangladesh

রক্ত আমরা কখনোই বৃথা যেতে দেবো না: দীপংকর

রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি:

আওয়ামী লীগের ডাকা এ হরতালে টঙ্গি, ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জে পুলিশ ও ইপিআর’র গুলিতে মনু মিয়া, শফিক ও শামসুল হকসহ ১১জন বাঙালি শহীদ হন। তাদের এই রক্ত আমরা কখনোই বৃথা যেতে দেবো না।

বৃহস্পতিবার (৭ জুন) ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবস উপলক্ষে রাঙ্গামাটি জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিলে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাবেক প্রতিমন্ত্রী দীপংকর তালুকদার এসব কথা বলেন।

এ সময় আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন রাঙ্গামাটি জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি হাজী কামাল উদ্দিন, রাঙ্গামাটি জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক হাজী মো. মুছা মাতব্বর, দপ্তর সম্পাদক রফিকুল মাওলা, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক অভয় প্রকাশ চাকমা, রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগ সদস্য বৃষকেতু চাকমাসহ আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা বক্তব্য রাখেন।

সাবেক প্রতিমন্ত্রী দীপংকর তালুকদার বলেন, ১৯৬৬ সালের ৭ জুন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর নেতৃত্বে ও ঘোষিত বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ ৬-দফা দাবির পক্ষে এবং পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্বশাসনের দাবিতে দেশব্যাপী তীব্র গণআন্দোলনের সূচনা হয়। এরপর থেকেই বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আপোষহীন সংগ্রামের ধারায় ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের দিকে এগিয়ে যায় পরাধীন বাঙালি জাতি।

তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি তাসখন্দ চুক্তিকে কেন্দ্র করে লাহোরে অনুষ্ঠিত সম্মেলনের সাবজেক্ট কমিটিতে ৬-দফা উত্থাপন করেন এবং পরের দিন সম্মেলনের আলোচ্যসূচিতে যাতে এটি স্থান পায় সে ব্যাপারে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করেন। কিন্তু এই সম্মেলনে বঙ্গবন্ধুর এ দাবির প্রতি আয়োজকপক্ষ থেকে গুরুত্ব প্রদান করা হয়নি। তারা এ দাবি প্রত্যাখ্যান করে। প্রতিবাদে বঙ্গবন্ধু সম্মেলনে যোগ না দিয়ে লাহোরে অবস্থানকালেই ৬-দফা উত্থাপন করেন। এ নিয়ে পশ্চিম পাকিস্তানের বিভিন্ন খবরের কাগজে বঙ্গবন্ধুকে বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা বলে চিহ্নিত করা হয়।

পরে আলোচনা সভার শেষে জেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।