যারা আন্দোলনের কথা বলেন, তারাতো মঞ্চে বসে ঘুমায় আর ঝিমায়: সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের


চকরিয়া প্রতিনিধি:

ঢাকা মহানগর নাট্য মঞ্চে ড.কামাল হোসেন নতুন করে নাটক করছেন। নাটক করে কোন লাভ নেই। আওয়ামীলীগকে সরানো কঠিন। কারণ, জনগণের ভোটে আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় রয়েছেন। ষড়যন্ত্র করে ক্ষমতায় আসার দিন শেষ হয়েছে। যারা আন্দোলনের কথা বলেন, তারাতো মঞ্চে বসে ঘুমায় আর অনেকে ঝিমায়। আন্দোলন করবেন কীভাবে ?

রবিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৪টায় চকরিয়ায় শহীদ আবদুল হামিদ পৌর বাসটার্মিনাল মাঠে চকরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এসব কথা বলেন।

চকরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জাফর আলমের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন চৌধুরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত বিশাল জনসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, প্রেসিডিয়াম সদস্য সাবেক আইনমন্ত্রী এডভোকেট আবদুল মতিন খসরু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবু-উল হানিফ এমপি, সাংগঠনিক সম্পাদক একেএম এনামুল হক শামীম, সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক প্রকৌশলী আবদুস সবুর, উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আমিনুল ইসলাম, উপ-দপ্তর ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া।

সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী বলেন, ডা: বদরুদ্দোজা চৌধুরী বিএনপি নিয়ে জাতীয় ঐক্য করেছেন। মনে আছে, গণভবন থেকে দুর-দুর করে তাড়িয়ে দিয়ে মহাখালী ফ্লাইওভারের নিচে দলের নেতাকর্মীরা কী পিঠুনি দিয়েছিলো। ৩০দল দিয়ে জাতীয় ঐক্য কোন কাজে আসবে না।

তিনি আরও বলেন, ২০০১সালে অক্টোবরের নির্বাচনের পর কী হয়েছে তার আপনারা দেখেছেন। মনে আছে, কিভাবে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের উপর অমানষিক নির্যাতন করা হয়েছে। ঘর ছাড়া করেছে। পুকুরের মাছ লুট করেছে। এমন কী থানার মধ্যে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের বেধে নির্যাতন করেছে। বিএনপির দূর্গ ভেঙ্গে গেছে। চট্টগ্রামের কর্ণফুলি নদীর তিরে বিএনপির দূর্গে যে মানুষের উপস্থিতি হয়েছে। চকরিয়াতেও বিএনপির দূর্গ ভেঙ্গে গেছে। তিনি সাংবাদিকদের সমালোচনা করে বলেন, ইলেকট্রনিক মিডিয়া ঠিক থাকলেও কিছু কিছু প্রিন্ট মিডিয়া যেভাবে জাতীয় ঐক্যের গঠন নিয়ে সংবাদ ছাপিয়েছে। অথচ ঢাকা থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত মহাসড়কে হাজার হাজার মানুষের ঢল নেমেছে। সেসব সংবাদ ছাপা হয়নি। বিএনপি-জামায়াত নয়, আওয়ামী লীগের প্রতিপক্ষ আওয়ামী লীগই যথেষ্ট। আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ থাকলে যে কোন বিজয় অর্জন করা সম্ভব।

সভায় বক্তব্য রাখেন, কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এড. সিরাজুল মোস্তফা, সাধারণ সম্পাদক মেয়র মুজিবুর রহমান, উখিয়া-টেকনাফ সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদি, মহেশখালী-কুতুবদিয়া সংসদ সদস্য আশেক উল্লাহ রফিক, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুল হায়দার রোটন, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এডভোকেট আমজাদ হোসেন, রেজাউল করিম, সাবেক সহ-সভাপতি শফিকুল কাদের শফি, চকরিয়া পৌরসভার মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক আলমগীর চৌধুরী, চকরিয়া পৌরসভা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান জাহেদুল ইসলাম লিটু।

এদিকে বিকাল দুইটার দিকে আওয়ামী লীগের হাজার হাজার নেতাকর্মী ও দলীয় সমর্থক এবং জনসাধারণ মিছিলে মিছিলে পৌরবাস টার্মিনালের জনসভা স্থলের দিকে আসতে থাকে। বিকাল চারটার মধ্যে জনসভাটি কানায় কানায় পূর্ন হয়ে জনসমুদ্রে পরিণত হয়। একপর্যায়ে তিল পরিমাণ ঠাই নেই পুরো বাসটার্মিনাল এলাকায়। মানুষের লোকারন্যে হয়ে যায় সভাস্থল ছাড়াও মহাসড়কে। এতে মহাসড়কে যানবাহন গুলোতে ঘন্টাব্যাপী জটলা লেগে যায়। জনসভা স্থলে হাজার হাজার মানুষ অপেক্ষা করতে থাকে প্রিয় নেতা সড়ক ও সেতু মন্ত্রীর জন্য। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় জনসভা স্থলে আসেন সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এমপি। এসময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সালাহউদ্দিন আহমদ সিআইপি, জেলা আওয়ামী লীগ নেতা রনজিত দাশ, ইউনুছ বাঙ্গালী, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য আমিনুর রশিদ দুলাল, সাবেক ত্রান ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক নুরুল আবছার, সরওয়ার আলম, মোক্তার আহমদ চৌধুরী, অধ্যক্ষ গিয়াস উদ্দিন, এম আর চৌধুরী, মাতামুহুরী থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী বাবলা, সাধারণ সম্পাদক ইউপি চেয়ারম্যান মহসিন বাবুল, সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান এসএম জাহাংগীর আলম বুলবুল, সহ-সভাপতি মকছুদুল হক ছুট্টো, জেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি জহিরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক শফিউল্লাহ আনসারী, পেকুয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবুল কাসেম, চকরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মোক্তার আহমদ চৌধুরী, এমআর চৌধুরী, ছৈয়দ আলম কমিশনার, চকরিয়া পৌরসভার সাধারণ সম্পাদক আতিক উদ্দিন চৌধুরী, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক শাহনেওয়াজ তালুকদার, সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম, শওকত ওসমান চেয়ারম্যান, সাংগঠনিক সম্পাদক ও চকরিয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মিজবাউল হক, চিরিঙ্গা ইউপি চেয়ারম্যান জসীম উদ্দিন, কোনাখালী ইউপি চেয়ারম্যান দিদারুল হক সিকদার, চেয়ারম্যান মিরানুল ইসলাম, চেয়ারম্যান মক্কী ইকবাল হোসেন, চকরিয়া পৌরসভা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি অধ্যাপক মোসলেহ উদ্দিন মানিক, চকরিয়া পৌরসভার প্যানেল মেয়র বশিরুল আইয়ুব, পৌরসভা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক ফেরদৌস ওয়াহিদ, সহসভাপতি তনপন কান্তি দাশ, লিটন সিকদার, কাউন্সিলর রেজাউল করিম, সাংগঠনিক সম্পাদক মুজিবুর রহমান লিটন, চকরিয়া উপজেলা যুবলীগের সভাপতি শহীদুল ইসলাম শহীদ, সাধারণ সম্পাদক কাউছার উদ্দিন কছির, চকরিয়া উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি শওকত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক বাবলা দেবনাথ, চকরিয়া পৌরসভা যুবলীগের সভাপতি হাসানগীর হোছাইন, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি হায়দার আলী, সাবেক সভাপতি শেফায়েতুল কবির বাপ্পী, উপজেলা শ্রমিকলীগের আহবায়ক ও জেলা শ্রমিকলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জামাল উদ্দিন, চকরিয়া পৌরসভা শ্রমিক লীগের সভাপতি জহিরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন ধুলু, চকরিয়া উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মো: মারুফ, সাধারণ সম্পাদক আরহান মো: রুবেল, পৌরসভা ছাত্রলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *