মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ধরে রাখতে যুব সমাজের প্রতি আহ্বান


11

নিজস্ব প্রতিবেদক:

১৯৭১ সালে যুদ্ধকালীন সময়ে গেরিলা কৌশলে যুদ্ধ পরিচালনার জন্য গোটা বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল। তারমধ্যে ১নং সেক্টরের আওতাধীন পার্বত্য চট্টগ্রামের রামগড় ছিল অত্যাধিক গুরুত্বপূর্ণ সেক্টর। তাই মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও রামগড়ের মান ধরে রাখতে যুব সমাজকেই অগ্রনী ভূমিকা পালন করতে হবে। দুপুরে খাগড়াছড়ির রামগড়ে পার্বত্য চট্রগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের অর্থায়নে নব-নির্মিত ত্রিপুরা যুব কল্যাণ সমিতির যুব প্রশিক্ষন কেন্দ্রের উদ্বোধন কালে প্রধান অতিথির ব্যক্তব্যে এসব কথা বলেন পার্বত্য চট্রগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের সচিব ও পার্বত্য চট্রগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান নব বিক্রম কিশোর ত্রিপুরা।

ত্রিপুরা যুব কল্যাণ সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি রতন বৈষ্ণব ত্রিপুরার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রধান অতিথির সহর্ধমিনী লেখক ও শিল্পী অনামিকা ত্রিপুরা, পার্বত্য চট্রগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান তরুন কান্তি ঘোষ, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুর রহমান তরফদার, রামগড় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল-মামুন মিয়া, খাগড়াছড়ি দক্ষিনাঞ্চলের সহকারী পুলিশ সুপার কাজী হুমায়ুন রশিদ, কেন্দ্রিয় বাংলাদেশ ত্রিপুরা কল্যাণ সংসদের সাবেক সভাপতি সুরেশ মোহন ত্রিপুরা প্রমূখ।

অনুষ্ঠানে নারী প্রতিনিধির পক্ষে বক্তব্য রাখেন জলসা ত্রিপুরা।এসময় স্থানীয় হেডম্যান-র্কাবারী, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিকসহ বাংলাদেশ ত্রিপুরা কল্যাণ সংসদের সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *