মসজিদ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান এ বিষয়ে কোন বিরোধ নাই


গুইমারা প্রতিনিধি:

গুইমারা থানা অফিসার ইনচার্জ সাহাদাত হোসেন টিটু বলেন, আমরা সকলেই ভাই ভাই মসজিদ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান এর বিষয়ে কোন বিরোধ নাই এবং কোন বিরোধ থাকতে দেয়া যাবেনা।

খাগড়াছড়ির গুইমারায় পশ্চিম বড়পিলাক মসজিদ কমিটি  এবং বদর পুর পীর সাহেবদের সাথে ১৫ শতক  জমি নিয়ে ১৯৯২ সাল থেকে লেগে থাকা সমস্যার সমাধান করেন। ১০ নভেম্বর সকাল ১০টার সময় বদরপুর পীর সাহেবের প্রতিনিধিগণ এবং সকল বড়পিলাক এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে এ সমস্যার সমাধান কালে এ কথা বলেন।

জানাযায় পশ্চিম বড়পিলাকে ৭৩/১০৯ হোল্ডিং এর জমি ১৯৯২ সনে আমিনুল হক কসাই থেকে খরিদ করেন পীর সাহেব। একই সময়ে ওই জমির পাশে প্রতিষ্ঠিত হয় একটি মসজিদ। মসজিদ কমিটির সাথে বদর পুর পীর সাহেবদের ১৫ শতক জমি নিয়ে বিরোধ। মসজিদ কমিটির ধারনা মসজিদের জমি বদরপুর পীর সাহেব দখল করে রেখেছে। এ নিয়ে মসজিদ কমিটি ১০জনকে আসামি করে খাগড়াছড়ি বিজ্ঞ যুগ্ম জজ এর আদালতে একটি মামলা করেছেন যা এখন বিচারাধীন রয়েছে কিন্তু বাস্তব ঘটনা ছিল ভিন্ন সরজমিনে গুইমারা থানা অফিসার ইনচার্জ সাহাদাত হোসেন টিটুর উপস্থিতে উভয় পক্ষের দুইজন আমিন দিয়ে পরিমাপ করে দেখা যায় ,মসজিদটি খাস জায়গার ভিতর অবস্থিত আছে।

পরবর্তীতে সাহাদাত হোসেন টিটু এবং এলাকাবাসীর দাবির প্রেক্ষিতে পীর সাহেবের প্রতিনিধি ১৫ শতক জমি ওয়াকফো করে দেওয়ার সম্মতি দেন এবং উভয়ে যার যার মামলা প্রত্যাহার করে নিবেন মর্মে চুক্তি সম্পাদন করা হয।

এবিষয়ে স্থানীয় গুইমারা আওয়ামী লীগের নেতা নুরুন নবী ডাক্তারের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন ইতিপুর্বে গুইমারা থানায় অনেক ওসি এসেছেন যাদের দ্বার প্রান্তে আমরা বারং বার গিয়েও কোন সমাধান পায়নি। নবযোগদান কৃত ওসি সাহাদাত হোসেন টিটু মানুষকে ভালোবাসার বন্ধনে আবদ্ধ করে জটিল এমন একটি বিষয়কে সহজ ভাবে সমাধান করে দিবেন সেটা আমরা ভাবতে পারি নাই । আমরা এলাকাবাসী গুইমারা থানা অফিসার ইনচার্জ সাহাদাত হোসেন টিটুর নিকট কৃতজ্ঞ থাকবো ।

এদিকে শুক্রবার গুইমারা জামে মসজিদের কাজের জন্য মসজিদে দাঁড়িয়ে উপস্তিত মোসল্লিদের কাছ থেকে এবং নিজের পকেট থেকে যথেষ্ট পরিমান টাকা কালেকশন করে দেন সাহাদাত হোসেন টিটু। সবমিলিয়ে গুইমারা বাসীর নিকট একজন ধর্মপ্রান ব্যক্তি হিসেবে পরিচিতি হযেছে তার ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *