parbattanews bangladesh

বান্দরবানে বিএনপির গণতন্ত্র হত্যা দিবসে পুলিশের লাঠিচার্জ, আটক ৩

নিজস্ব প্রতিবেদক, বান্দরবান:

বান্দরবানে বিএনপিকে গণতন্ত্র হত্যা দিবসের কর্মসূচিতে মিছিল-সমাবেশ করতে দেয়নি পুলিশ। সকালে দলীয় কার্যালয় থেকে কেন্দ্রীয় কর্মসূচি পালনে জেলা বিএনপির সভানেত্রী মাম্যাচিং ও সিনিয়ার সহ-সভাপতি অধ্যাপক ওসমান গণির নেতৃত্বে কালো পতাকা হাতে নেতাকর্মীরা শহরের মাদ্রাসা শপিং কমপ্লেক্সের সামনে আসলে বাধা দেয় পুলিশ।

পরে সেখানে সড়কে বসে কালো পতাকা হাতে প্রতিবাদ জানান নেতাকর্মীরা। সড়কে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির কারণে পুলিশের সাথে নেতাকর্মীরা বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ে। পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে তারা সমাবেশ করতে চাইলে পুলিশ লাঠিচার্জ করে নেতাকর্মীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।

ঘটনাস্থল থেকে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি সাবিকুর রহমান জুয়েল, কলেজ ছাত্রদল সভাপতি মোরশেদ ওমর রাশেদ এবং সদস্য মো. রাসেলকে পুলিশ আটক করে। পরে কয়েক দফা নেতা কর্মীরা মিছিল করার চেষ্টা করেও পুলিশের তৎপরতায় তা ব্যর্থ হয়।

পরে এক সংবাদ সম্মেলনে ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই আটক নেতাকর্মীদের নিঃশর্তে মুক্তি না দিলে কঠোর আন্দোলনের হুমকি দেন বিএনপি নেতারা।

তবে পুলিশ বলছে, বিনা অনুমতি ও নিষেধ সত্ত্বেও কর্মসূচি পালনের চেষ্টা করলে পুলিশ বাঁধা দেয়।

সূত্র জানায়,  বিএনপির তিন নেতাকে আটকের পর  সকাল সাড়ে ১১টায় শহরের ফুড প্যালেস রেস্টুরেন্টে জেলা বিএনপির সভাপতি ম্যাম্যা চিংয়ের সভাপতিত্বে এক সংবাদ সম্মেলন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি অধ্যাপক মো. ওসমান গনি ও সাধারণ সম্পাদক মো. জাবেদ রেজা।

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি নেতারা অভিযোগ করে বলেন, বিএনপির শান্তিপূর্ণ মিছিল ও সমাবেশে পুলিশ লাঠিচার্জ করে তিন নেতাকর্মীকে আটক করে নিয়ে গেছে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আটক নেতাকর্মীদের নিঃশর্তে মুক্তি না দিলে তারা কঠোর আন্দোলন যাবেন।

বান্দরবান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. গোলাম সরোয়ার বলেন, বিনা অনুমতি ও পুলিশের নিষেধ অমান্য করে তারা কর্মসূচি পালনের চেষ্টা করে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তাদের তিন নেতাকর্মীকে আটক করে আইনি প্রক্রিয়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অন্যদিকে জুমার নামাজের পর থেকে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা কর্মীরা খণ্ড খণ্ড মিছিল করছে। বিকালে বঙ্গবন্ধু মুক্তমঞ্চে গণতন্ত্র রক্ষা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা করা হবে বলেও জানা গেছে।