বাঙালি যুবককে গুলি করে প্রাণনাশের চেষ্টায় অবশেষে ৫দিন পরে মামলা নিল থানা


কাপ্তাই প্রতিনিধি:

কাপ্তাই উপজেলার রাইখালী ইউনিয়নে ডংনালা লামার পাড়া বন্যহাতি তাড়ানোর কথা বলে অবস্থায় কাউছার নামের এক বাঙালি যুবককে ডেকে নিয়ে গুলি করে প্রাণনাশের চেষ্টা চালিয়েছে উপজাতি সন্ত্রাসীরা। তারই প্রেক্ষিতে অবশেষে পাঁচদিন পর মামলা নিল থানা।

পরিবারের লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানাযায়, পাহাড়ি-বাঙালীদের চলাচলের একটি পথ নিয়ে দীর্ঘ এক বছরপর পূর্ব শত্রুতার জের ধরে প্রতিশোধ নিতে রাতে ঘর থেকে ডেকে নিয়ে পাহাড়ের টিলায় হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি করে।

জানাযায়, রাইখালী ইউনিয়ন হতে প্রায় ৭কি. মি. দুরে লামার পাড়া সেখানে বাঙ্গালীদের পাশাপাশি বসবাস কর ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী। ওই এলাকায় যাতায়াতের একটি পথ নিয়ে একবছর পূর্বে পাহাড়ি-বাঙ্গালীদের দুপক্ষের মধ্যে বিতর্ক সৃষ্টি হয়। পরে ইউপি চেয়ারম্যান, সদস্য ও এলাকার লোকজন ঘটনাটি মধ্যস্থতায় সমাধান করা হয়।  এলাকার ক্যাসুই মারমার ছেলে অংসুইনু মারমা ও আরো কয়েকজন বালু শ্রমিক কাউছার (২২) এর সাথে সখ্য গড়ে তোলে প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য ।

কাউছারের পিতা হেলাল উদ্দীন জানান,(৭,অক্টোবার১৮ইং) রাতে অংসুইনু মারমা ও তার সহযোগীরা বন্যহাতি তাড়ানোর কথা বলে ঘর থেকে ডেকে নিয়ে টিলার ওপারে দৈশীয় তৈরি এলজি দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে দুটি গুলি করে  গুরুতরভাবে আহত করে কাউছারকে। এবং অংসুইনু মারমার সহযোগী একজন গলা টিপে ধরে অন্যজন লাথি মারতে থাকে। কাউছার গুলিবিদ্ধ অবস্থায় চিৎকার করতে থাকে। এমন সময় এলাকার লোকজন ও তার পরিবার চিৎকার শুনে দৌড়ে এসে রক্তাক্ত অবস্থা  দেখে প্রথমে রাঙ্গুনিয়া হেলথ কেয়ার হাসপাতাল পরে  চটগ্রাম মেডিকেল হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। বর্তমানে আহত যুবক মেডিকেল হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জালড়ছে।  এলাকায় এ নিয়ে উত্তেজনা দেখা দিলে ৫ আর.ই কাপ্তাই বাঙ্গাল হালিয়া সেনা ক্যাম্প, ৪১বিজিবি ও চন্দ্রঘোনা থানার পুলিশ ঘটাস্থলে যায়।

অভিযোগকারী জানান, চন্দ্রঘোনা থানায় মামলা নিতে কালক্ষেপন করায় অবশেষে দীর্ঘ পাঁচ দিন পর অংসুইনু মারমাকে প্রধান আসামি করে চার জনের বিরুদ্ধে চন্দ্রঘোনা থানায় ১১অক্টোবার বিকালে গুলিবিদ্ধ  কাউছারের পিতা হেলাল উদ্দিন বাদি হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা নং-১তারিখ,১১/১০/ ।

নিউজটি কাপ্তাই বিভাগে প্রকাশ করা হয়েছে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *