parbattanews bangladesh

প্রচলিত আইন আর প্রথাগত নিয়মের যাঁতাকলে পিষ্ট পার্বত্য চট্টগ্রামের উপজাতি নারীরা

সন্তোষ বড়ুয়া, রাঙ্গামাটি থেকে:

পার্বত্য চট্টগ্রামের উপজাতি নারীরা সরকারী এবং বেসরকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকুরী ও শিক্ষাখাতে কোটাসহ নানান ধরনের সুযোগ-সুবিধা এবং অগ্রাধিকার পেয়ে আসছে। পাশাপাশি পার্বত্য চট্টগ্রামে বিভিন্ন দেশী-বিদেশী এনজিও সংস্থা এবং দাতাগোষ্ঠীসমূহ কর্তৃক পরিচালিত কার্যক্রমেও নারীদের বিশেষ অগ্রাধিকার দেয়া হয়। এছাড়াও পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি প্রতিষ্ঠায় নিয়োজিত সেনাবাহিনী কর্তৃক বিভিন্ন সময়ে বিনামূল্যে কম্পিউটার, সেলাই, হস্তশিল্প প্রশিক্ষণসহ নানান ধরনের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নমূলক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়ে থাকে।

যেখানে উপজাতি পুরুষদের চেয়ে উপজাতি নারীদেরকে অগ্রাধিকার দেয়া হয়ে থাকে। এমনকি বাংলাদেশের সংবিধানেও নারী-পুরুষের সমতা, ধর্ম, বর্ণ ও শ্রেণি নির্বিশেষে সকলের সম অধিকারকে মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে।

সার্বজনীনভাবে যেখানে নারীদেরকে সমঅধিকার দেয়ার পাশাপাশি তাদেরকে বৈষম্যমূলক পরিস্থিতি থেকে মুক্তি দিতে কাজ করছে সবাই, ঠিক সেখানেই উপজাতি পুরুষরা তাদের নারীদেরকে প্রচলিত আইন আর প্রথাগত নিয়ম- এই দুই দ্বন্দ্বের যাঁতাকলে পিষ্ট করছেন। কিন্তু উপজাতি জনগোষ্ঠীর সমাজ ব্যবস্থা এবং তাদের রীতিনীতি অনুযায়ী পুরুষতান্ত্রিকতার বেড়াজাল ডিঙ্গিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে নারীরা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারছে না। উপজাতিদের প্রথাগত রীতিনীতি এবং পদ্ধতিগত ঐতিহ্য নারীদের আরো পিছিয়ে দিচ্ছে।

সব ক্ষেত্রে নারীদের বঞ্চিত করা হয়েছে। নারীদের ব্যক্তিগত জীবন, বৈবাহিক জীবন, সম্পত্তির উত্তরাধিকার কোনো ক্ষেত্রেই সার্বিকভাবে তাদের মূল্যায়ন করা হচ্ছে না। কারণ পার্বত্য চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান-সার্কেল চিফ, হেডম্যান, কার্বারি যাদের ওপর পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসরত উপজাতিদের সামাজিক বিচার, মৌজা সার্কেলের ভূমি ও প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনাসহ খাজনা আদায়ের দায়িত্ব অর্পিত, এ প্রতিষ্ঠানগুলো পুরুষতান্ত্রিক ক্ষমতা কাঠামোর অন্তর্ভুক্ত। তারা কি নিজেদের স্বার্থেই তাদের নারী সমাজকে বন্দী করে রাখছে?

প্রচলিত আইন আর প্রথাগত নিয়মের বেড়াজালে আটকা পড়ে ৬ টি চ্যালেঞ্জ নিয়ে তিন পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়িতে বসবাস করছেন উপজাতি নারীরা। এগুলো হচ্ছে বৈষম্যমূলক আচরণ, সম্পত্তির উত্তরাধিকার, বিবাহ বিচ্ছেদ, সন্তানের অভিভাবকত্ব, ভরণপোষণ ও নির্যাতন। সমতলের মুসলিমসহ অন্যান্য সম্প্রদায়ের নারীরা পিতা বা স্বামীর সম্পত্তির উত্তরাধিকার, বিবাহ সংক্রান্ত প্রমাণপত্র এবং অন্যান্য সামাজিক অধিকার যথাযথভাবে পেলেও উপজাতী নারীরা তাদের এ জাতীয় অধিকার থেকে বঞ্চিত।

এসব উপজাতি জনগোষ্ঠীর বসবাস বাংলাদেশের ভূ-খণ্ডে হলেও, তারা নারীদের অধিকারের বিষয়ে বাংলাদেশের সংবিধান, আইন-এর শাসন ইত্যাদি অনুসরণ না করে নিজেদের প্রথাগত রীতিনীতি এবং পদ্ধতিগত ঐতিহ্য অনুসরণ করেন। এখানে উল্লেখ্য যে, উপজাতিরা প্রথাগত রীতিনীতি এবং পদ্ধতিগত ঐতিহ্য অনুসরণ করলেও এর কোন লিখিত দলিল নেই। যার ফলে উপজাতি কর্তা-ব্যক্তিরা (সার্কেল চীফ, হেডম্যান, কারবারী) তাদের নিজস্ব স্বার্থ রক্ষা এবং খামখেয়ালীপনার মাধ্যমে বিভিন্ন বিচার এবং সালিশ বসিয়ে প্রথাগত রীতিনীতি এবং পদ্ধতিগত ঐতিহ্য অনুসরণ করে বিভিন্ন বিষয়ের সুরাহা করে থাকেন। এতে করে উপজাতি নারীরা নানান বৈষম্যের স্বীকার হচ্ছে।

এ প্রসঙ্গে পার্বত্য অঞ্চলের মানবাধিকার কর্মী এডভোকেট সুস্মিতা চাকমা তার বক্তব্যে একটি দৈনিক পত্রিকাকে বলেন, তিন পার্বত্য জেলায় যেভাবে উপজাতি মেয়েদের ওপর বৈষম্য বাড়ছে তাতে আমরা সত্যিই উদ্বিগ্ন। এখানে নারীরা ভীষণভাবে উপেক্ষিত। উত্তরাধিকার সূত্রে তারা সম্পত্তির মালিক হতে পারেন না। বাবা মারা গেলে ওই সম্পত্তির মালিক হচ্ছেন ছেলেরা। আবার কারও ছেলে সন্তান না থাকলে সম্পত্তি পাচ্ছেন ভাইয়ের ছেলেরা। তিনি আরও বলেন, পার্বত্য জেলাগুলোতে হেডম্যান ও কার্বারি সিস্টেম রয়েছে।

তারা পারিবারিক আদালতের মতো বিচার-আচার করেন। এসব বিচারেও বেশিরভাগ নারী ন্যায় বিচার পাচ্ছেন না। সব মিলিয়ে উপজাতি নারীদের সামাজিক মর্যাদা নানাভাবে ভূলুণ্ঠিত হচ্ছে। একই প্রসঙ্গে পার্বত্য চট্টগ্রাম মহিলা সমিতির সাধারণ সম্পাদক সুপ্রভা চাকমা ঐ পত্রিকাকে বলেন, উপজাতি নারীরা দীর্ঘদিন ধরে সহিংসতা ও উত্তরাধিকার নিয়ে আন্দোলন করে আসছে। জাতিগতভাবে এখানে রয়েছে নানা প্রথা। পাশাপাশি রয়েছে প্রচলিত আইন।

২০১১ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০১৫ সালের জুলাই মাস পর্যন্ত রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলায় অবস্থিত ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারের তথ্য অনুযায়ী মোট ২২০ জন নারী ও শিশু ভিকটিম সেবা গ্রহণ করেছেন। এদের মধ্যে ৪৪ জন ধর্ষণের শিকার হলেও পারিবারিক সহিংসতার শিকার সেবাগ্রহণকারীর সংখ্যা ৭১ জন, যারা উপজাতি সম্প্রদায়ের প্রথাগত রীতিনীতির স্বীকার। বর্তমানে পারিবারিক সহিংসতার শিকার সেবাগ্রহণকারীর সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

উপজাতি নারীদের অধিকার ও বঞ্চনা নিয়ে কাজ করা সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বেশিরভাগ উপজাতীয় সম্প্রদায়ের প্রথা অনুযায়ী নারীদের পিতা-মাতা ও স্বামীর সম্পদের মালিকানায় উত্তরাধিকারের কোনো পদ্ধতি নেই। এ কারণে উপজাতী নারীরা সম্পত্তির অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। যার প্রকৃত উদাহরণ অবসরপ্রাপ্ত সাবেক সেনা সার্জেন্ট মুকুল চাকমা।

গত ৩০ মে ২০১৬ তারিখে রাঙ্গামাটি জেলার বাঘাইছড়ি থেকে আঞ্চলিক সংগঠণ জেএসএস’এর হাতে অপহৃত হন অবসর প্রাপ্ত সার্জেন্ট মুকুল চাকমা। যিনি এখনো পর্যন্ত নিখোঁজ। ঘটনার পর বিভিন্ন চড়াই উৎরাই পেরিয়ে থানায় মামলা দায়ের করার পর থেকে স্থানীয় সন্ত্রাসী কর্তৃক নানান রকম হুমকির সম্মুখীন হয়েছে মুকুল চাকমার স্ত্রী এবং কন্যা নমিসা চাকমা। চট্টগ্রাম নাসিরাবাদ মহিলা কলেজের অনার্সের ছাত্রী নমিসা চাকমা নিরাপত্তাহীনতার কারণে পড়ালেখা বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়েছে।

নিরাপত্তাহীনতার কারণে এখন তারা সন্ত্রাসীদের হুমকির মুখে নিজ ভিটেমাটি ছেড়ে আত্নগোপনে পালিয়ে বেড়াচ্ছে। তার মা এবং তারা দুই বোন এখন আর পৈতৃক ভিটায় যেতে পারছেন না। যেহেতু সার্জেন্ট মুকুল চাকমার কোন পুত্র সন্তান নেই তাই এই সুযোগে প্রথাগত রীতিনীতি এবং পদ্ধতিগত ঐতিহ্যের দোহাই দিয়ে সার্জেন্ট মুকুল চাকমার সমস্ত সম্পত্তি গ্রাস করছে তার আত্মীয় স্বজনরা। অথচ সম্পত্তি পাওয়া তো দূরের কথা, প্রাণ ভয়ে পালিয়ে বেড়াতে হচ্ছে, সার্জেন্ট মুকুল চাকমার অসহায় পরিবারকে।

উপজাতীরা তাদের সম্প্রদায়ের বিবাহ বন্ধনের ক্ষেত্রে নারীদের মতামতকে প্রাধান্য না দিয়ে শুধুমাত্র অভিভাবকদের মতামতের ভিত্তিতে পাত্রস্থ করে থাকে। কোন কোন ক্ষেত্রে অন্য সম্প্রদায়ের যুবকের সঙ্গে কোন মেয়ে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হলে তাকে পরিবার ও সমাজচ্যুত করা হয়। এমনকি সমাজের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী একটি শূকর অথবা এর মূল্যের সমপরিমাণ অর্থ জরিমানা করে, ছেলে এবং মেয়েকে জুতার মালা পরিয়ে জনসম্মুখে ঘুরানো হয়। যা বর্তমান প্রেক্ষাপটে সচেতন সমাজে কোনো ক্রমেই কাম্য নয়।

এছাড়াও পার্বত্য চট্টগ্রামের উপজাতি তরুণীরা প্রেমিক বা স্বামী হিসেবে বাঙালি যুবকদের সাথে সম্পর্ক করলে পাহাড়ি সংগঠনগুলো এসব বিয়ে বা সম্পর্ক মেনে না নিয়ে ওই উপজাতি মেয়েকে অপহরণ করে নিয়ে ধর্ষণ, নির্যাতনসহ চরমভাবে লাঞ্ছিত করে এবং পরিবারের উপর মোটা অংকের চাঁদা ধার্য করে।

এ ব্যাপারে রাঙামাটি জেলার বিলাইছড়ি উপজেলার কেরণছড়ি মৌজা কার্বারী অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি অংচাখই কার্বারী একটি পত্রিকাকে জানান, কোনো পাহাড়ি মেয়ে বাঙালি ছেলেকে বিয়ে করলে উপজাতিদের সামাজিক নিয়মে কোনো শাস্তির বিধান নেই। তবে আমরা এ ক্ষেত্রে কার্বারী প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে সাধারণত ২০ হাজার টাকা জরিমানা করে থাকি।

এরপর তাদের একত্রে বসবাসে সমস্যা নেই। কিন্তু বাস্তবতা তা বলে না। কেননা, উপজাতীয় ওই সব নারীর উপর সামাজিক ও আঞ্চলিক সংগঠনগুলো বিচারের নামে ভয়াবহ নির্যাতন করে থাকে। এমনকি নিলামে পর্যন্ত তোলা হয় ওই নারীকে। খাগড়াছড়ির রেটিনা চাকমা তার প্রমাণ।

এরকম ভূক্তভোগীর সংখ্যা অনেক আছে। ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারির দিকে ভালবেসে এক বাঙালী ছেলেকে বিয়ে করার অপরাধে খাগড়াছড়ির গুইমারার উমাচিং মারমা (১৮) নামে এক তরুণী ও তার পরিবারকে নির্যাতন ভোগসহ মোটা অঙ্কের চাঁদা দিতে হয়।

এভাবে পার্বত্য চট্টগ্রামে বাঙালী মুসলিম ছেলেকে ভালোবেসে মাটিরাঙার সোনাবি চাকমা, রাঙামাটির কুতুকছড়িতে রিনা ত্রিপুরা, রামগড়ের মণিকা ত্রিপুরা, নানিয়ারচরের জ্যোৎস্না চাকমা ও আয়েশা সিদ্দিকা ওরফে মিনুরওজা মারমাসহ অসংখ্য পাহাড়ী মেয়েকে অপহরণ, গণধর্ষণ, হত্যাসহ বিভিন্ন নারকীয় অভিজ্ঞতার শিকার হতে হয়েছে। যার সর্বশেষ উদাহরণ হল গত ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭ তারিখে মাটিরাংগার বাইল্যাছড়ি এলাকা হতে চলন্ত বাস থেকে স্বামীর সামনে থেকে নয়ন ত্রিপুরা ওরফে ফাতেমা বেগমকে উপজাতি সন্ত্রাসী কর্তৃক অপহরণ।

পার্বত্য এলাকায় অপসংস্কৃতির বেড়াজালে বন্দি উপজাতী পুরুষদের ভোগ্য পণ্যের শিকার হতে হচ্ছে সাধারণ উপজাতি নারীদেরকেও। নানান রকম ভয়-ভীতি দেখিয়ে তারা নিজ সম্প্রদায়ের নারীদেরকে ধর্ষণ করতেও পিছপা হচ্ছে না। সম্প্রতি, রাংগামাটিতে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের (সিএইচটিডিবি) এক চাকমা নারী কর্মচারীকে চাকুরীচ্যুতির ভয় দেখিয়ে দিনের পর দিন ধর্ষণ করেছে ওই প্রতিষ্ঠানেরই এক চাকমা উপ-সহকারী প্রকৌশলী। বেকার স্বামী, ছেলে-মেয়ের আহার ও পড়ালেখার খরচের দিকে তাকিয়ে নীরবে সব এতদিন সব সহ্য করে গিয়েছিলেন এই অসহায় চাকমা নারী।

অতঃপর নীরবতা ভেংগে এক পর্যায়ে প্রতিষ্ঠানটির ভাইস-চেয়ারম্যানের নিকট প্রতিকার চেয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ওই চাকমা নারী। কিন্তু ধর্ষিতার এই অভিযোগ পেয়েও কোন পদক্ষেপ নেয়নি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এমনকি পাহাড়ের কোন নারী সংগঠনও এর বিরুদ্ধে কোন প্রতিবাদ করেনি। এ ঘটনা স্পষ্টতই প্রমাণ করে যে পাহাড়ের উপজাতি নারীরা আসলে কতটা অসহায়।

বিবাহের নিবন্ধন না থাকায় বর্তমান শিক্ষিত উপজাতি যুব সমাজের মধ্যে একাধিক বিবাহ করার প্রবণতার পাশাপাশি পূর্বের স্ত্রীকে অস্বীকার ও ভরণপোষণ সঠিকভাবে প্রদান না করার ঘটনা ঘটছে অহরহ। উপজাতী নারীরা চরমভাবে অবমূল্যায়িত হলেও বাংলাদেশের প্রচলিত আইনের আশ্রয় নিতে তারা অধিকাংশ ক্ষেত্রে সাহস পান না। সমাজ তাদের একেবারেই সহযোগিতা করে না।

তাই বাধ্য হয়ে তাদের সাম্প্রদায়িক প্রথা এবং সামাজিক রীতিনীতি অনুযায়ী স্থানীয় হেডম্যান ও কারবারির করা বিচারের রায় মাথা পেতে মেনে নিতে হয়।

পৃথিবীতে যুগে যুগে মানুষ সামনে এগিয়ে যাওয়ার সংগ্রাম করছে। কোনো গোত্র বা জনগোষ্ঠীর সব নিয়ম কানুন বা প্রথা সর্ব গ্রহণযোগ্য নাও হতে পারে, তাই যুগে যুগে মানুষ ভালো ব্যবস্থাপনাকেই গ্রহণ করেছে, অপছন্দনীয় বিষয়গুলোকে ছুড়ে ফেলে দিয়েছে, নারী কিংবা পুরুষ সবাইকে মানুষ হিসেবে সমভাবে মূল্যায়ন করে সামনে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছে। উপজাতি নেতারা এবং আঞ্চলিক দলগুলো বিষয়টিকে গুরুত্বের সাথে বিবেচনায় আনবেন এই প্রত্যাশা আমাদের সবার।