পেকুয়ায় পুলিশের উপস্থিতিতে জায়গা জবর দখলের অভিযোগ


পেকুয়া প্রতিনিধি:
পেকুয়ায় পুলিশের উপস্থিতিতে বিরোধীয় বসতবাড়ীর জায়গা জবর দখল করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভুক্তভোগী পেকুয়া উপজেলার রাজাখালী ইউনিয়নের মাঝির পাড়া এলাকার মোবারক আলীর পুত্র আকতার হোছাইন এ অভিযোগ করেন।

অভিযোগসূত্রে জানা যায়, আকতার হোছাইনের সাথে রাজাখালী মৌজার বি এস ৭২৫, ৭২৬, ৭২৮ নং খতিয়ানের ২২ শতক জমি নিয়ে একই ইউনিয়নের দশেরঘোনা এলাকার নাগুমিয়ার ওয়ারিশ তৌহিদুল ইসলাম গংদের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। উক্ত বিরোধীয় জায়গায় ৩০ বছরের অধিক দখলীয় বসতবাড়ি আকতার হোছাইনের। উক্ত জায়গার বিরোধ নিয়ে গত কিছু দিন আগে তৌহিদুল ইসলাম গং বাদী হয়ে পেকুয়া থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। পরে ওসি অভিযোগ যাচাইবাচারের জন্য থানার এ এস আই কিশোর বড়ুয়াকে দায়িত্ব দেন। ওই দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অভিযোগের ভিত্তিতে উভয় পক্ষকে নিয়ে কয়েকদফা বৈঠক করেন। বৈঠকে কোন ধরণের মিমাংসা করতে পারেনি।

শেষ পর্যন্ত পুনরায় বৈঠকের জন্য উভয় পক্ষকে নোটিশ জারি করে পেকুয়া থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। কিন্তু আকতার হোছাইন ওই বৈঠকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহের জন্য সময়ের প্রার্থনা করে ওই কর্মকর্তার কাছে। কিন্তু সময় না দিলে কক্সবাজার মানবাধিকার বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান মাহামুদুল আলী মুন্নার হস্তক্ষেপে তার প্রতিনিধির মাধ্যমে ওই মামলার সময় দেওয়ার সুপারিশ করেন তাতেও ওই কর্মকর্তা সময়ের আবেদন নাকুচ করে দেয়।

ঘটনার দিন ২৯ ডিসেম্বর দুপুর ১২টার দিকে পেকুয়া থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত এ এস আই কিশোর বড়ুয়ার নেতৃত্বে সঙ্গীফোর্স ওই বিরোধীয় বসতবাড়ীর জায়গায় উপস্থিত হয়ে প্রতিপক্ষ তৌহিদুল ইসলাম গং এর নেতৃত্বে ২০/৩০ জন সন্ত্রাসী দিয়ে বিরোধীয় ২২ শতক জায়গা থেকে ১২ শতক জায়গা দখল করে বেড়া দিয়ে দেয়।

এ ব্যাপারে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পেকুয়া থানার এ এস আই কিশোর বড়–য়ার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, ব্যস্থ আছেন। রাজাখালীতে পুলিশের উপস্থিতিতে জায়গা দখলের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানেন না বলে জানিয়ে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।

এ ব্যাপারে পেকুয়া থানার ওসি (তদন্ত) মন্জুরুল কাদের মজুমদারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন বিষয়টি আমার জানা নেই তবে জেনে নিবো তারপরও কিশোরের সাথে কথা বলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *