পেকুয়ায় ছাত্রলীগের সংঘর্ষে পুলিশের এসআইসহ আহত-৩, আটক-১


পেকুয়া প্রতিনিধি:

পেকুয়ায় ছাত্রলীগের নামধারী কথিত গ্রুপের সাথে উপজেলা ছাত্রলীগের কমিটির মধ্যে সংঘর্ষে পুলিশ অফিসার ও কলেজ ছাত্রীসহ ৩জন আহত হয়েছে। শনিবার (১৬ ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় পেকুয়া কবির আহমদ চৌং বাজারে এ ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন, পেকুয়া থানার উপ-পরিদর্শক বিপুল চন্দ্র রায় ও দুই কলেজ ছাত্রী। তাৎক্ষনিকভাবে তাদের নাম পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় ছাত্রলীগ নামধারী নেতা এইচএম শওকতকে আটক করেছে পুলিশ।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, সকালে বিজয় ছাত্রলীগের সভাপতি কপিল উদ্দিন বাহাদুর ও সাধারণ সম্পাদক এহেতেসামুল হক একটি পক্ষ শওকত এর নেতৃত্বে আরেকটি পক্ষ পেকুয়া বাজারে অবস্থান নেয়। এ সময় দু’পক্ষে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। উপপরিদর্শক বিপুল চন্দ্র রায় একদল পুলিশ নিয়ে ঘটনা নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। ওই সময় শওকত গ্রুপের হামলায় তিনিসহ আরো কলেজ ছাত্রী আহত হয়। পরে উপপরিদর্শককে পেকুয়া সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

ঘটনার পরপরই ছাত্রলীগ সভাপতি কপিল উদ্দিন বাহাদুর জানান, শওকত ছাত্রলীগের কেউ নয়। সে কোন পদপদবীতে নেই। বিজয় দিবসে র‌্যালির নাম করে নাশকতার চেষ্টা করছিল। আমরা ছাত্রলীগের নেতৃত্বে তা প্রতিহত করতে গেলে তার নেতৃত্বে কয়েকজন উশৃঙ্খল যুবক আমাদের উপর হামলা চালায়। পুলিশ তাৎক্ষনিকভাবে তাদেরকে নিয়ন্ত্রণ করতে গেলে তাদের উপরও হামলা চালায়। এ ঘটনায় থানার এস আই বিপুল চন্দ্র রায় আহত হয়। অন্যদিকে যে দুই কলেজ ছাত্রী আহত হয়েছে তারা বাজার দিয়ে যাচ্ছিলেন।

শওকত পক্ষের অনুসারী এক নেতা বলেন, সকালে তারা বিজয় র‌্যালির আয়োজন করছিলেন। বিশাল বহর নিয়ে বিজয় র‌্যালি শুরু করার পর্যায়ে কপিল ও এহেতেসামের নেতৃত্বে আমাদের উপর হামলা চালায়। ওই সময় তাদের হামলায় পুলিশ সদস্যসহ তাদের ৩ অনুসারী আহত হয়।

পেকুয়া থানার ওসি জহিরুল ইসলাম খান বলেন, বিজয় দিবস উপলক্ষে পেকুয়া বাজারে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশের নিয়মিত টহল ছিল। ওই সময় ছাত্রলীগের দু’গ্রুপ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়লে পুলিশ শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখার চেষ্টা করে। ঐ সময় এসআই বিপুল আহত হয়। আটক করা হয় শওকত নামের একজনকে। হামলায় জড়িতদের  বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *