পেকুয়ায় এক প্রবাসীর মৃত্যু নিয়ে রহস্য, আটক-১ 


পেকুয়া প্রতিনিধি:

পেকুয়ায় এক প্রবাসীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। শুক্রবার রাত সাড়ে আটটার দিকে পেকুয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের সরকারী ঘোনা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এক ব্যক্তিকে আটক করছে পুলিশ। স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী এবং থানা সূত্রে জানায়, ওই এলাকার সৌদি প্রবাসী আবদু শুক্কুর(৫৫) এর মৃত্যু হয়। আবদু শুক্কুর ওই এলাকার মৃত আলী আহমদের পুত্র। এ ঘটনায় কাইছার নামের একজনকে আটক করে পুলিশ। সে বারবাকিয়া ইউনিয়নের পাহাড়িয়াখালী এলাকার নুরুল হোছাইনের পুত্র। প্রবাসী আবদু শুক্কুরের মেয়ে শারমিনের সাথে বারবাকিয়া ইউনিয়নের পাহাড়িয়াখালী এলাকার শাহ আলমের ছেলে শামশুল আলমের সাথে বিয়ে হয়েছিল। তাদের সংসারে দুই সন্তানের জন্ম হয়। শশুর বাড়ীতে মেয়ে শারমীনকে যৌতুকের জন্য প্রায় সময় মারধর করত। সে কারনে দীর্ঘ ৫ বছর আগে তাদের বিবাহ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এরপর পিতা আবদু শুক্কুর মেয়ে শারমীনকে অন্যত্র বিয়ে দেয়।

এ দিকে শুক্রবার শারমীনের পূর্বের সংসারের আসাদুল্লাহ নামের এক ছেলে মায়ের নিকট চলে আসে। সেই ছেলে পিতার বাড়ীতে নিয়ে যাওয়ার জন্য পিতা শামশুল আলম ও ৩/৪ জন লোক নিয়ে তার ছেলেকে নিতে আসে। সে যেতে না চাইলে জামাই শামশুল আলম গংদের সাথে কথাকাটাকাটি হয় আব্দু শুক্কুরের। পরে বিকালে আবার স্থাণীয় গ্রাম পুলিশ মং পুরু ও কাউচার কে নিতে পাঠায়। জামাইপক্ষের লোকজন আব্দু শুক্কুরকে বাহিরে ডেকে নিয়ে যায়। এক পর্যায়ে আবদু শুক্কুরের সাথে জামাইপক্ষের লোকজনের বাকবিতণ্ডা হয়। সেখানে বাড়ির অদুরে বিলের মধ্যে আবদু শুক্কুরকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।

এ দিকে পরিবারের পক্ষ থেকে দাবী করেন আবদু শুক্কুর হার্টস্টোক হয়ে মারা যায়। এ ব্যাপারে এলাকাবাসী দাবী করছে তাকে জামাই পক্ষের লোকজন হামলা করে মেরে ফেলেছে।

এ ব্যাপারে পেকুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ জিয়া মোহাম্মদ মুস্তাফিজ ভূইয়া জানান, তিনি স্টোক করে মারা গেছে বলে ধারনা করা হচ্ছে।

image_pdfimage_print

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *