পাহাড় ধসে দুর্গতদের দেখতে যাওয়ার পথে মির্জা ফখরুলের উপর হামলা


পার্বত্যনিউজ ডেস্ক:

পাহাড় ধসে দুর্গতদের দেখতে যাওয়ার পথে চট্টগ্রামে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের গাড়ি বহরে হামলা চালিয়েছে দুর্বৃত্তরা। পাহাড়ধসে নিহত ও ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণের জন্য রাঙামাটি যাওয়ার পথে হামলায় শিকার হয়েছেন বিএনপি প্রতিনিধি দলের সদস্যরা।

হামলায় দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান রুহুল আলম চৌধুরীসহ ৫ জন আহত হয়েছেন। হামলার কারণে রাঙামাটি যেতে না পেরে নগরীতে ফিরে আসছে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুলের নেতৃত্বের প্রতিনিধি দল। রোববার সকাল ১০টার দিকে রাঙ্গুনিয়া উপজেলার গোছরা এলাকায় হামলা হয় বলে জানা গেছে।

বিএনপি নেতাদের অভিযোগ সরকার দলের ক্যাডাররা এ হামলা চালিয়েছে।  আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, রাঙামাটি যাওয়ার পথে রাঙ্গুনিয়া উপজেলার গোছরা এলাকা পার হওয়ার পর আমাদের গাড়ি লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল ছুড়তে থাকে। পরে ৩০ থেকে ৪০ জন যুবক লোহার রড ও লাঠি নিয়ে আমাদের গাড়ি ভাংচুর করে। হামলায় দলের মহাসচিব, আমিসহ অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছি।

হামলা এবং বাধার কারণে রাঙামাটি না গিয়ে নগরীতে ফিরে আসছেন জানিয়ে আমীর খসরু বলেন, জীবনের নিরাপত্তা না থাকায় আমরা রাঙামাটি যাইনি।

রাজনৈতিক জীবনে এমন ন্যাক্কারজনক হামলা প্রত্যক্ষ করেননি মন্তব্য করে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, আমরা কল্পনাও করতে পারিনি এমন হামলা হবে। দেশের রাজনীতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে বিশ্বাস করতে পারছি না।

দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুলের নের্তৃত্বে প্রতিনিধি দলে রয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান রুহুল আলম চৌধুরী, চট্টগ্রাম বিষয়ক সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান শামীম, বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. ফাওয়াজ হোসেন শুভ, নগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার সকালে ইউএস বাংলার একটি ফ্লাইটে করে ঢাকা থেকে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুলের নেতৃত্বের প্রতিনিধি দল।সকাল সাড়ে ৮টায় বিমানবন্দর থেকে সড়ক পথে রাঙা্মাটির উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেন তারা।

আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর পাজেরো গাড়িতে উঠেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, রুহুল আলম চৌধুরী ও মাহবুবু রহমান শামীম। এছাড়া আরও অন্তত ১০টি পাজেরো জিপ গাড়িতে করে রওয়ানা দেন প্রতিনিধি দলের সদস্য, নগর ও উত্তর জেলা বিএনপির নেতারা। প্রতিনিধি দলের গাড়ি বহরের সামনে একটি গাড়িতে ছিলেন বন্দর থানা বিএনপির সভাপতি এম এ আজিজ।

তিনি বলেন, আমরা একটি জিপ গাড়িতে বহররের সামনে ছিলাম। গোছরা বাজার অতিক্রমের পর দেখি ৩০ থেকে ৪০ জন যুবক লোহার রড ও লাঠি নিয়ে হামলা করতে আসছে। এসময় আমরা গাড়ি দ্রুত ঘুরিয়ে দলের মহাসচিবকে বহনকারী গাড়ির চালককে গাড়ি ঘুরানোর কথা বলি। কিন্তু ততক্ষণে হামলা শুরু হয়ে যায়।

দলের মহাসচিব গাড়ির সামনের সিটে ছিলেন জানিয়ে তিনি বলেন, তারা দলের শীর্ষ নেতাদের দেখে গাড়িতে হামলা চালায়। হামলায় মহাসচিব, স্থায়ী কমিটির সদস্য, রুহুল আলম ও মাহবুবুর রহমান শামীম আহত হন। হামলাকারীরা বহরের অধিকাংশ গাড়িতে ভাংচুর চালিয়েছে বলেও জানান তিনি।

ঘটনার বর্ণনায় বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘পাহাড় ধসে নিহত ও ক্ষতিগ্রস্তদের পরিবারকে সমবেদনা জানাতে বিএনপি চেয়ারপারসনের নির্দেশে আমরা ঢাকা থেকে চার জনের একটি দল চট্টগ্রামে এসেছি। চট্টগ্রাম বিমান বন্দর থেকে আমরা রাঙামাটির উদ্দেশে রওয়ানা হয়েছিলাম। রাস্তায় জানতে পারলাম রাঙামাটির যে রাস্তায় ভাঙন  শুরু হয়েছিল সেটি  ভেঙে গেছে। ওই রাস্তা হয়ে রাঙামাটি যাওয়া সম্ভব নয়।

তখন আমরা সিদ্ধান্ত নিলাম কাপ্তাই লেক হয়ে নদী পথে রাঙামাটি পৌঁছাবো। যে কারণে বিমানবন্দর থেকে সরাসরি কাপ্তাই যাওয়ার জন্য বের হয়েছি। ইছাখালী বাজারে যেতে না যেতেই মুশলধারে বৃষ্টি শুরু হয়। বৃষ্টি ঠেলে কিছুদূর যেতেই হঠাৎ ৩০-৪০ যুবক লাঠিসোটা, হকস্টিক, রামদা ও বড় বড় পাথর নিয়ে আমাদের গাড়িতে আক্রমণ করলো।

প্রথমেই তারা গাড়ি সামনের গ্লাসে পাথর ছুঁড়ে মারে। এরপর অনবরত তারা হকস্টিক, লাঠিসোটা দিয়ে ভাঙচুর চালায়। এতে আমাদের স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী রক্তাক্ত হয়েছেন, মেজর জেনারেল (অব) রহুল আলম চৌধুরী আহত হয়েছেন, আমি নিজেও আহত হয়েছি।’

এ সময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও দলের চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান শামীম আহত হন। গাড়ি বহরে থাকা একজনের মাথা ফেটে গেছে।

রবিবার সকাল সোয়া এগারোটার দিকে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘আমাদের জীবন হুমকির মুখে। আমার হাতের আঙুল ফেটে গেছে, মহাসচিব হাতে ব্যাথা পেয়েছেন। আমাদের গাড়ি পুরোপুরি ভেঙে দেওয়া হয়েছে।’ তিনি এই হামলার জন্য আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদের দায়ী করেছেন।

হামলার পর মির্জা ফখরুলের প্রতিক্রিয়া

পাহাড় ধসের দুর্গতদের দেখতে রাঙামাটি যাওয়ার পথে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় হামলার শিকার হওয়ার বিষয়ে কথা বলেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে রবিবার বেলা ১টার দিকে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী রক্তাক্ত হয়েছেন।  আমি আঘাত পেয়েছি, আরও কয়েকজন আঘাত পেয়েছেন। কে কতটুকু আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছেন তা বড় কথা নয়।

আসল কথা হচ্ছে এই আঘাত গণতন্ত্রের প্রতি আঘাত। জাতীয়বাদী রাজনীতির প্রতি আঘাত, মুক্তবুদ্ধি ও সুস্থ চিন্তার প্রতি আঘাত। এ আঘাত যারা সরকারের খারাপ কাজের প্রতিবাদ করেন তাদের প্রতিও আঘাত। এই আক্রমণের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের চরিত্র আরও বেশি করে উম্মোচিত হয়েছে।’

মির্জা ফখরুল আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সবসময় দাবি করে তারা গণতন্ত্র বিশ্বাস করে। আসলে তারা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না, ভিন্নমতেও তাদের বিশ্বাস নেই। সহনশীলতা বলতে তাদের কিছুই নেই। এভাবে আক্রমণ আমাদের কাছে দুঃস্বপ্নের মতো এবং অবিশ্বাস্য। আমাদের পর্যায়ের নেতৃবৃন্দের ওপর যদি এ ধরনের হামলা হয়, তাহলে সাধারণ মানুষের কী অবস্থা তা সহজেই অনুমেয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা তো সেখানে জনসভা অথবা পার্টির মিটিং করতে যাচ্ছিলাম না। আমরা দুর্গত ও পাহাড় ধসে নিহতদের পরিবারকে পার্টির পক্ষ থেকে সমবেদনা জানাতে যাচ্ছিলাম। এই আক্রমণের একমাত্র প্রতিবাদ তখনই হবে যখন আমরা জনগনকে ঐক্যবদ্ধ করে এই ফ্যাসিস্ট, অপশক্তিকে পরাজিত করে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে পারবো।’

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আজকের এ সুনির্দিষ্ট আক্রমণ কোথা থেকে আসতে পারে আপনারা তদন্ত করে দেখবেন। আওয়ামী লীগের লোকেরা এটা করেছে। এটা কোথা থেকে আসতে পারে আপনারা সেটা ভালো করে বলতে পারবেন।’

সংবাদ সম্মেলনে স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, এটি একটি অবিশ্বাস্য ঘটনা। কোনও সভ্য দেশে এ ধরনের আক্রমণ হতে পারে না। আমাদের রাজনীতি করতে দেবেন, এখন ত্রাণও দিতে পারবো না।’

তিনি বলেন, ‘একটি রাজনৈতিক দলের মহাসচিব ও জ্যেষ্ঠ নেতৃবৃন্দের ওপর যদি আক্রমণ হয় তাহলে আর বাকি থাকে কী? এর পরে কি আর রাজনীতি থাকে? রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের মাধ্যমে এ সরকার ক্ষমতায় টিকে রয়েছে।’

সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন  দলের ভাইস চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী, খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব) রহুল আলম চৌধুরী, কেন্দ্রীয়  সাংগঠনিক সম্পাদক মাহববুর রহমান শামীম, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্করসহ নেতাকর্মীরা।

ওবায়দুল কাদেরের প্রতিক্রিয়া

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ওপর হামলা অন্যায় বলে মন্তব করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ‘এটা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।’

রবিবার রাজধানীতে বিমানবন্দর সড়কে বিআরটিএর ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে গিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘যে বা যারাই মির্জা ফখরুলের গাড়িবহরে হামলা করুক না কেন, সেটা অন্যায়। আওয়ামী লীগ এটা খতিয়ে দেখছে, তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘আমি ইতিমধ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও আইজিপির সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছি। চট্টগ্রামের ডিসি-এডিশনাল এসপির সঙ্গে কথা বলেছি। কে বা কারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে, খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’

সেতুমন্ত্রীর অভিযোগ, বিএনপি তার কর্মসূচি সম্পর্কে পুলিশকে আগে থেকে জানায়নি। তিনি বলেন, ‘বিএনপি পুলিশকে সঠিক তথ্য দেয় না। তাদের রাউজান হয়ে যাওয়ার তথ্য ছিল পুলিশের কাছে। পরে তারা বামুনিয়া হয়ে গেছে। পুলিশের কাছে এ তথ্য ছিল না। তথ্য থাকলে পুলিশ ওখানেই পাহারার ব্যবস্থা করত।’

বিএনপির গাড়ি বহরে হামলার পর বিএনপির প্রতিনিধি দল রাঙামাটিতে না গিয়ে চট্টগ্রাম ফিরে যায়।রবিবার (১৮ জুন) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ার শান্তিরহাট এলাকায় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের গাড়ি বহরে হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা।

তিনি রাঙামাটিতে পাহাড় ধসে দুর্গতদের দেখতে যাচ্ছিলেন। এ সময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও দলের চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান শামীম আহত হন। গাড়ি বহরে থাকা একজনের মাথা ফেটে গেছে।

ওবায়দুল কাদের জানান, ঘটনার পর পুলিশ এসে তাদেরকে ত্রাণ বিতরণে অনুরোধ করেছিল। কিন্তু তারা সেটা করেনি।

ফখরুলের উপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের গাড়ি বহরে হামলার প্রতিবাদে নয়া পল্টনে তাৎক্ষণিক বিক্ষোভ মিছিল করেছে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদল। রবিবার দুপুরে রাজধানীর নয়া পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে তাৎক্ষণিক এই বিক্ষোভ হয়।

বিক্ষোভ মিছিলে অংশ নেন ঢাকা মহানগর বিএনপির সভাপতি ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শফিউল বারী বাবু, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের ভুইয়া জুয়েল, যুবদলের সিনিয়র সহসভাপতি মোরতাজুল করিম বাদরুসহ বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের শতাধিক নেতাকর্মী।

নিন্দা ও প্রতিবাদ: এদিকে মির্জা ফখরুলের গাড়ি বহরে হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ইউট্যাব) সহসভাপতি অধ্যাপক ড. আশরাফুল ইসলাম চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক ড. মোর্শেদ হাসান খান, ছাত্রদল সভাপতি রাজীব আহসান, সাধারণ সম্পাদক আকরামুল হাসান, বাংলাদেশ ন্যাপ ভাসানীর সভাপতি জেবেল রহমান গানি, মহাসচিব গোলাম মোস্তফা ভুইয়াসহ বিভিন্ন সংগঠন ও রাজনৈতিকদল।

এদিকে মির্জা ফখরুলের ওপর হামলার প্রতিবাদে আগামীকাল সোমবার দেশের সব জেলা সদরে এবং ঢাকা মহানগরীতে বিক্ষোভ কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে বিএনপি।

রোববার দুপুরে কুমিল্লা আদালতে একটি মামলার হাজিরা শেষে জেলা বিএনপির কার্যালয়ে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলন করে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন দলের যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

image_pdfimage_print

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *