পাহাড়ি তরুণীদের অর্ধশত নগ্ন ফুটেজ ছড়িয়ে পড়েছে ইন্টারনেটে: অভিভাবকরা আতঙ্কে


পাহাড়ি তরুণীদের অর্ধশত নগ্ন ফুটেজ ছড়িয়ে পড়েছে ইন্টারনেটে: অভিভাবকরা আতঙ্কে, (পাহাড়ি. তরুণী, নগ্ন,  ভিডিও, ইন্টারনেট, প্রেম, মোবাইল, পাহাড়ী)

পার্বত্য নিউজ ডেস্ক:

পাহাড়ি তরুণীদের অর্ধশত নগ্ন ফুটেজ ছড়িয়ে পড়েছে ইন্টারনেটে: অভিভাবকরা আতঙ্কে

পাহাড়ের তরুণীদের প্রেমের ফাঁদে ফেলে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলার পর গোপন ক্যামেরায় অন্তরঙ্গ মুহূর্তের দৃশ্য সম্মতির ভিত্তিতে বা গোপনে ধারণ করে ফুটেজ ছড়িয়ে দেয়া হচ্ছে মোবাইলে-ইন্টারনেটে। এভাবে প্রতারণার শিকার হয়ে পার্বত্য রাঙ্গামাটি এলাকার অর্ধশত তরুণী স্বেচ্ছায় গৃহবন্দী হতে বাধ্য হয়েছেন। অনেকে এলাকা ছেড়ে দূরে কোথাও আত্মগোপনে চলে গেছেন। একের পর এক প্রতারণার ঘটনা ফাঁস হওয়ায় আতংক ছড়িয়ে পড়ছে গোটা পার্বত্য এলাকায়। মেয়ের ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও ফুটেজ ছড়িয়ে পড়ায় কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পড়েছেন অভিভাবকরা। অপকর্মের হোতারা ঘটনা ঘটিয়েই ক্ষান্ত হচ্ছে না, তারা নিজেরাই মোবাইলের ব্লুট্রুথের মাধ্যমে সেগুলো ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দিচ্ছে। এতে বিপাকে পড়ছে সংশ্লিষ্ট তরুণী এবং তাদের পরিবার।

অনুসন্ধানে জানা যায়, প্রায় এক বছর আগে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) এক শ্রীলংকান কর্মকর্তা চাকরি শেষে রাঙামাটি ছেড়ে যাওয়ার পর শ্রীলংকা থেকে রাঙ্গামাটিতে তার পরিচিতদের ইমেইলে একটি ভিডিও ফুটেজ এবং কিছু স্টিল ছবি পাঠায়। সেখানে রাঙ্গামাটি শহরের একজন চাকমা গৃহবধূর সঙ্গে তার শারীরিক সম্পর্কের বেশ খোলামেলা দৃশ্য রয়েছে। এই ছবি এবং ফুটেজ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এক মোবাইল থেকে আরেক মোবাইলে। বেকায়দায় পড়া গৃহবধূটি আত্মগোপনে চলে যেতে বাধ্য হয়।

এরপর শহরের চম্পকনগর এলাকার একটি অভিজাত পরিবারের এক মেয়ের ওয়েব ক্যামেরায় নিজের পরিচিত কারো সামনে নগ্ন হওয়ার দৃশ্য সম্বলিত একটি ফুটেজ ছড়িয়ে পড়ে সর্বত্র। ঘটনাটি বেশ সাড়া ফেলে শহরে। ইন্টারনেটের মাধ্যমে ফুটেজ ছড়িয়ে পড়লে মেয়েটির পরিবার শিক্ষিত এবং সচেতন হওয়ায় তারা ইউটিউব/ফেসবুকসহ বিভিন্ন সাইটে যোগাযোগ করে ফুটেজটি প্রচার কিছুটা বন্ধ করতে সক্ষম হন। পরে মেয়েটিকে গোপনে অন্যত্র বিয়ে দেয়া হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, কয়েক মাস আগে পর পর রাঙ্গামাটি পার্বত্য এলাকার কয়েকজন পাহাড়ি তরুণীর ভিডিও ফুটেজ বের হয় । এর মধ্যে শহরের তিনটি অভিজাত পরিবারের তিন মেয়ের ফুটেজ নিয়েই আলোচনা ছিলো বেশি। এদের মধ্যে রাজপরিবারের মেয়ে যেমন আছে, তেমনি একজন অবসরপ্রাপ্ত উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তার মেয়েও আছে। আবার স্কুলপড়ুয়া দুই পাহাড়ি কিশোরীর ছবি এবং ফুটেজও আছে। এইসব ফুটেজের বেশিরভাগই পাহাড়ি তরুণ-তরুণীদের। তবে সম্প্রতি আবার তোলপাড় সৃষ্টি হয় গত সপ্তাহে পর পর পাওয়া দুইটি ফুটেজ নিয়ে। এই দুইটি ফুটেজের তরুণীরা পাহাড়ী হলেও অপরাধীরা বাঙালি। একটি ঘটনায় অভিযুক্ত তরুণ রাঙ্গামাটি শহরের হাসপাতাল এলাকার বাসিন্দা এবং ফুটেজ প্রকাশের পর ঘটনার শিকার মেয়েটি নিজেই বাদী হয়ে কোতোয়ালী থানায় মামলা করে প্রতারক প্রেমিকের বিরুদ্ধে। মামলা হওয়ার পর প্রথমবারের মতো এই ধরনের ঘটনার তদন্তে নামে পুলিশ। পুলিশী তৎপরতায় প্রতারক প্রেমিক পালিয়ে গেলেও পুলিশ তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চালাচ্ছে বলে জানিয়েছে তদন্তকারী কর্মকর্তা।

রাঙ্গামাটি শহরের রাজবাড়ী এলাকার একটি মধ্যবিত্ত পরিবারের এই মেয়েটির ঘটনার পর বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে তার পুরো পরিবার।পুলিশের একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে এই ঘটনাটির পুরো ভিডিওটি ধারণা করা হয় কলেজগেট এলাকার মোটেল জর্জ নামের আবাসিক হোটেলের একটি কক্ষে। এ প্রসঙ্গে মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা নাসিরউদ্দিন শরীফ বলেন, আমরা ঘটনার প্রকৃত চিত্র বের করার জন্য তদন্ত কার্যক্রম চালাচ্ছি এবং একই সাথে অপরাধীকে আটক করার জন্য অভিযান অব্যাহত আছে।

একই সপ্তাহে রাঙ্গামাটি বনরুপা এলাকার এক মোবাইল বিক্রেতার সাথে শহরের এক সুন্দরী চাকমা তরুণীর কিছু স্থির ছবি প্রকাশ পায়। শিক্ষিতা এই সুন্দরী মেয়েটিকে বখাটে এই তরুণের পটিয়ে ফেলার ঘটনায় বিস্মিত হন সবাই।

ট্রাইবেল আদাম নামক এলাকার এক তরুণ-তরুণীর ‘মোটর সাইকেল সেক্স’ এর ফুটেজটিও সাড়া ফেলে সর্বত্র। এগুলো ছাড়াও জাতিসংঘের একটি সহযোগী সংস্থায় চাকরিরত দুই পাহাড়ি সহকর্মীর ভিডিও ফুটেজ, একটি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার শীর্ষ ব্যক্তির ব্যক্তিগত জীবনের কিছু ছবি, ঢাকার একটি বাসায় পাঁচজন পাহাড়ি তরুণীর ব্যক্তিগত কিছু মুহূর্তের ছবি, ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত রাঙ্গামাটির এক মারমা তরুণী মডেল -এর ব্যক্তিগত জীবনের ছবি এখন ছড়িয়ে পড়েছে মোবাইল থেকে মোবাইলে।

এই মুহূর্তে অর্ধশত তরুণীর স্থির ছবি বা ফুটেজ শত শত যুবকের হাতে হাতে আছে। এসব ফুটেজ ও ছবির একটি বড় অংশই গোপনে ধারণ করা। আবার কোন কোন ক্ষেত্রে সম্মতির ভিত্তিতেই করা।

এ প্রসঙ্গে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ নিরূপা দেওয়ান বলেন, পাহাড়ি সমাজ শিক্ষা-দীক্ষায় এগিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি প্রযুক্তিজ্ঞানেও সমৃদ্ধ হওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে মেয়েরা। তবে কেবল শিক্ষিত হলেই হবে না, সেই সাথে মানবিক মূল্যবোধ এবং প্রকৃত শিক্ষায় শিক্ষিত হতে হবে। তিনি বলেন- মোবাইল ফোন ব্যবহারের একটি নীতিমালা থাকা জরুরী আর এসব সামাজিক অপরাধ নির্মূলে প্রশাসনিক উদ্যোগের অনেক বেশি প্রয়োজন। আর সবচে বেশি প্রয়োজন অভিভাবকদের সচেতনতা।

রাঙামাটির পুলিশ সুপার মাসুদ উল হাসান বলেন, সারাদেশে মোবাইল এবং ভিডিও ক্যামেরায় যে পর্ণোগ্রাফির গোপন ব্যবসা চলে তার থেকে পার্বত্য এই শহরও ব্যতিক্রম নয়। আমাদের কাছে একাধিক অভিযোগ এসেছে, আমি রাঙামাটির সকল থানার ওসিকে নিয়ে এই বিষয়ে বৈঠক করেছি। ইতিমধ্যে আমরা ভিডিও ফুটেজ এবং স্থির ছবি দেখে অভিযুক্তদের সনাক্ত করেছি, তাদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে। তবে এই বিষয়ে সামাজিক সচেতনতা সৃষ্টি অনেক বেশি জরুরী বলে তিনি মন্তব্য করেন।

সূত্র: সামহোয়ার ব্লগ/কৈ মাছের প্রাণ

Read the news in English

Pornography of tribal girls are spread in internet: parents perplexed

 

পার্বত্য চট্টগ্রামের আরও কিছু বিষয়

পর্ণো ছবিতে বনানীর বেসরকারি বিশ্ববিদ্যায়ের ছাত্রী ও তার বন্ধুরা!

পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে সেনা-বাঙ্গালী প্রত্যাহার ও খ্রিস্টান অঞ্চল প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন

পার্বত্য চট্টগ্রাম, খ্রিস্টান মিশনারি ও বৌদ্ধধর্মের ভবিষ্যৎ-১

আদিবাসী বিষয়ে আন্তর্জাতিক আইনের ভুল ব্যাখ্যা ও অপপ্রয়োগ

বাংলাদেশে আদিবাসী নিয়ে বাড়াবাড়ি ও ষড়যন্ত্রের রাজনীতি

চাকমা রাজপরিবারের গোপন ইতিহাস

রাঙামাটিতে উপজাতীয় গৃহবধুর নগ্নছবি তুলে ব্লাকমেইল করে ২ লাখ টাকা দাবি: ১ প্রতারক গ্রেফতার

পুরুষ ফাঁসানো এক সুন্দরী শিক্ষিকার দিনকাল

কাজের মেয়ের সঙ্গে শিল্পী আরেফিন রুমির অবৈধ সম্পর্কের ছবি ফেসবুকে

কাজের মেয়ের সাথে শিল্পী আরেফিন রুমির প্রকাশিত অশ্লীল ছবিটি সঠিক নয়

 

image_pdfimage_print

22 thoughts on “পাহাড়ি তরুণীদের অর্ধশত নগ্ন ফুটেজ ছড়িয়ে পড়েছে ইন্টারনেটে: অভিভাবকরা আতঙ্কে

  1. Pingback: চাকমা গৃহবধুর নগ্নছবি তুলে ব্লাকমেইল : প্রতারক গ্রেফতার - parbattanews bangladesh

  2. Protyek manab samajey e smajik/dhormiyo riti-niti bohirbhuto sex er procholon achhey, adim manab der moddhye chhilo; bortoman manab samajey o achhey. Aagey sei gulir prokash kom hoto karon media toto unnoto chhilo na. Ekhon khub sohojei janajani hoye jai. Jara etey ongsho nen tara jene shunei ei kaajey jog den. Bangali ba Pahari – keu e dhoa tulsi pata non. Aagoon a haat diley to haat purbey e.Taholey eto hoichoi kiser jonno? Er dayitto Ma-Babader. Tara sontan der sushikkha ditey parchhen na. Tara nijera kotota sot bookey haat diye ektu bhaboon. Mr. Rumir motey: ei guli poschima desh thekey India hoye Bangladesh a esechhey. Ha ha… India ta holey ei ekta beparey Bangladesh er GURU………

  3. জুম্ম রা এই ধরনের আকাজ করতে পারে, তারা আমাদের পরিবেষ নষ্ট করার জন্য দায়ি।

  4. চাকমা ছেলেদের সব কিছু ছোট সাইজের। তাই চাকমা মেয়েরা লম্বা সাইজের বাঙালী ছেলে পেলেই পটে যায়। বিশ্বাস না হলে ট্রাই করে দেখতে পারেন। আর সেক্স করাটা ওরা কিছু মনেই করে না। কাজেই এটা কোনো নিউজ হতে পারেনা।

      • এই সালা পারবি তুই চু…তে? স্মল আর্মস এর কদর অনেক আগে চলে গেছে,এখন সময় এ কে-৪৭ এর, বাঙ্গালির যেটা আছে, সালা পাট করে বলে দিলি।

  5. চাকমা মেয়েরা দুধে ধোয়া পুত: পবিত্র পুস্প। ওদের খবর ফাঁস করবেন না। তাহলে ওরা মাইন্ড করবে।

  6. good lesson for those girls…..the consequence of intimating to being modern fashion style….go ahead stupid girls…..eeel oyi…hee bej edok nudi naityi galode….

  7. পাহাড়ি/ জুম্ম ভাইদের বলছি…

    আপনারা যারা এই পেজটা শেয়ার করেছেন ডীলিট করে দিন প্লিজ । এটা সেটেলারদের মাইন্ড গেম ছাড়া আর কিছু নয় । কেননাঃ ১) খবরটা অনেক পুরানো কিন্তু ওরা এখন কেন এটা পাবলিশ করেছে ? কারন এর মাধ্যমে ওরা আমাদের দিয়ে আমাদের কলংকের খবর রটাতে চায় । মোবাইল ক্যামেরা, হ্যান্ডিক্যাম, ওয়েব ক্যাম বাজারে আসার পর থেকেই এই নোংরামী পাহাড়ে ছড়িয়েছে- তাও প্রায় ৮-১০ বছর আগ থেকে এসব হচ্ছে ।
    তাহলে ঠিক এখন কেন এই বিষয়টাকে সামনে আনা হচ্ছে ?
    খেয়াল করবেন, ঐ গোটা ওয়েবপেজে মাটিরাঙ্গা ঘটনার উল্লেখ নাই । এতবড় একটা জাতিগত সহিসংসতা ঘটে গেলো অথচ ওরা নিরব কেন ? অথচ ওরা দাবি করে যে তাদের পেজ একটা ‘নিউজ পোর্টাল’ ! কারন এই ওয়েবসাইটটা চালায় সেটেলাররা আর তাদের পৃষ্ঠপোষক হচ্ছেন গডফাদার ওয়াদুদ ভুঁইয়া । তারা আমাদের মনযোগ অন্যদিকে সরাতে চায় । মাত্র দেড় সপ্তাহ আগে স্মরনকালের সবচেয়ে বড় জাতিগত সহিংসতায় আমাদের ৩০০০ ভাইবোন রিফিউজি হয়েছেন মাটিরাঙ্গা, তাইন্দং’এ । তারা চায় আমরা যেন সেই বিষয়ে আলোচনা না করি, সেই বিষয়ে কোন পোস্টিং না করি এবং আমরা যেন অন্য আলোচনায় সেই বিষয়টাকে ভুলে যাই ।

    ২) আপনাদের শেয়ার করা পেজের ডানদিকের ‘জনপ্রিয় সংবাদ’ এর দিকে খেয়াল করুন । সেখানে ১৮টা নিবন্ধ/খবরের লিঙ্ক দেয়া আছে যার ১৪টিই জুম্ম বিরোধী । রাষ্ট্রযন্ত্র এবং সেটেলাররা আমাদের নিপীড়ন/আগ্রাসনের পক্ষে যে যুক্তি দেয় বা জাস্টিফিকেশন করে সেগুলোই এখানে পরিবেশন করা হয়েছে।
     যেমন, ‘কি ঘটবে পার্বত্য ভূমি কমিশন আইন সংশোধন প্রস্তাব কার্যকর হলে?’ এই প্রবন্ধে ভূমি আইনের সংস্কারের বিরুদ্ধে লেখা আছে । উল্লেখ্য যে, সেটেলাররা ভূমি আইনের সংস্কার চাইনি বলে পাহাড়ে ৫দিন হরতাল করেছিলো ।
    একইভাবে অপরাপর নিউজ যেমন, পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে সেনা-বাঙ্গালী প্রত্যাহার ও খ্রিস্টান অঞ্চল প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন, পার্বত্য চট্টগ্রাম কি বাংলাদেশ নয়, বাঙালীরা কি মানুষ নন- ৩… ইত্যাদি সেটেলারদের পক্ষে সাফাই এবং প্রত্যেকটিই জুম্মবিরোধী ।

     ‘আজ ঐতিহাসিক ভূষণছড়া গণহত্যা দিবস’ লিঙ্কে ঢুকে দেখুন সেখানে কিভাবে আমাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করা হয়েছে । সেখানে বলা হয়েছে বাঙালিদের নাকি গণহত্যা করা হয়েছে । বেশ, এটা মানবতাবিরোধী । তাহলে পাহাড়িনিধনের ১৩টা গনহত্যার কথা একটা অক্ষরেও লেখা হয়নি কেন? কারন এটা সেটেলারদের পেজ ।

    তারা আমাদের দিয়ে এই নিউজটি শেয়ার করাতে চায় । যাতে তাদের ওয়েবসাইটের প্রচার বাড়ে, সেটেলারদের অপপ্রচার যেন আমরাই প্রচার করতে থাকি এবং আমরাই যেন আমাদের কলংক রটাতে থাকি । সুতরাং এই লিঙ্ক শেয়ার করা থেকে বিরত থাকুন । তারা আমাদের ইমোশন নিয়ে একটা মাইন্ড গেম খেলছে । এটা একটা ষড়যন্ত্র । তাদের ষড়যন্ত্রে পা দেবেননা ।

    • হা, পাহাড় এবং পাহাড়ীদের নিয়ে একটা গভীর চক্রান্তের ফসলই এগুলো। চক্রান্তটা মূলত আন্তর্জাতিক কিন্তু সেই চক্রান্তের প্রসার ঘটাচ্ছে আমাদের দেশীয় অপাহাড়ীরা, ধান্ধাবাজরা… এতএব আপনার এ বিষয়ে আরো সোচ্চার হওয়া দরকার…

      • why this parbatta news write all time against our culture and tradion.since i am reading this newspaper i have never read even a single good news for CHT tribes.

  8. পুজিবাদী ভোগবাদী বর্তমান সমাজ ব্যবস্থা লাভ ও লোভের পেছনে দৌড়াতে গিয়ে নৈতিকতা বোধ শিখার, শিখানোর বা পালনের সময় নেই। মেয়েরা যখন লজ্জা হারিয়ে ফেলে তথন সেক্সের ক্ষেত্রে তারা উন্মাদ হয়ে যায়। মেয়েদেরকে দিয়ে তৈরী করা বাস্তব/অবাস্তব নানারকম সেক্স অ্যাপীলের ছড়াছড়ি বিভিন্ন বিজ্ঞাপনে,সিনেমায়, নাটকে, সিরিয়ালে, মিউজিক ভি.ডি.ওতে। (এসবের ধারাবাহিকতায় এখন এদেশেও অনেক বাবা মা রাএখন চান মেয়ে মডেল হোক/সেক্স সিম্বল হোক।) আগে টিন এজ মেয়েরা এগুলো গোগ্রাসে গিলত। এখন গৃহবধুরাও গিলছে। আগে বলতো পরকীয়া। এখন কোন কিয়া ফিয়া নয়। তাদের এখন চাই বৈচিত্রপূর্ণ সেক্স। তারা একে সন্তুষ্ট নয়। স্বামীরা পারফেক্ট্ না (অর্থ নিয়ে ব্যস্ত)। এটা পশ্চিম হয়ে ভারত থেকে এদেশে আমদানী। পশ্চিমে যেমন কালো পুরুষদের সাদা মেয়েরা সেক্স পার্টনার হিসেবে পারফেক্ট মনে করে। এখনেও মুসলিম ছেলেদের হট এবং পারফেক্ট বলে মনে করা হয়। এমনকি ভারতেও। তারপর তসলিমা আর নেট শিখিয়েছে সেই অর্গাজম। এখন সেটা তাদের চাই। এখন প্রেম ট্রেম ওসব ভাওতাবাজি। ওসব পুরোনো কাসুন্দি। প্রেমের ফাঁদ-টাদ ওটি পুরোনো শব্দ। পর্নো ফিল্মের ছড়াছড়ির কারণে এখন গ্রুপ সেক্স পর্যন্ত এসে গেছে বাংলাদেশের ছেলে মেয়েদের কাছে। কার মা, কার বোন, কার মেয়ে এসব ব্রেন ওয়াশের শিকার হয়ে হর্ণি হয়ে যাচ্ছে তার নিশ্চয়তা কেউ দিতে পারবে না। বাসায় শাসন করে কি হবে? মেয়ে,বোন, বউ ছেলে, ভা্ই এর একটা বন্ধু- বান্ধবী একটা খারাপের পাল্লায় পড়লে হলো। ১০০ টা নষ্ট হবে। ( মোবাইলে কথা বললেই হলো। ছেলেরা পটাতো আগে এখন মেয়েরা পটায়। সমাসে সমান।) এ মোবাইল থেকে সে মোবাইল। আর আছে হোটেল ব্যবসায়ী কুকুরের দল। তারা তাদের নিজস্ব কৌশলে একটা খারাপ মেয়ে দিয়ে ১০০ টা মেয়েকে টাকা (উচ্চ/অনেক অনেক টাকার লোভ দেখিয়ে) দিয়ে কিনে একবার নামাতে পারলে ঐ মেয়ে আর ফিরতে পারে না। বাংলাদেশের বহু শিক্ষিত মেয়ে এসবের সাথে জড়িয়ে গেছে। একদিকে প্রেম/সেক্সের ক্রেজ আরেকদিকে প্রচুর টাকার প্রয়োজন অন্যদিকে সেক্স বৈচিত্রের প্রয়োজন। এ ৩ টা জিনিস ধ্বংস করে ফেলছে মেয়েদের এবং ছেলে ও পয়সাওয়ালা বুড়োদের। ইচ্ছায় হোক আর অনিচ্ছায় হোক। বাংগালী হোক আর উপজাতি হোক। সহ-শিক্ষা,সহ-বিচরণ, অবাধ স্বাধীনতা আর মুক্তবাজারের উপজাত এ জিনিষ। বাবা কিনে দিতে পারে না-স্বামী কিনে দিতে পারে না লেটেষ্ট মোবাইল ফোন-আইফোন। গাড়ী। গহণা। হাত খরচ। ফাষ্টফুডের বিল। নিত্য নুতন ফ্যাশনের ড্রেস। বন্ধু বান্ধবীর আছে। তাই মেয়েদের শরীর বিক্রি। ছেলেরাও শরীর বিক্রি করছে বয়স্কাদের কাছে কিংবা চুরি চামারি ছিনতাই করছে। আহা যখন দেশটা গরীব ছিল। উপজাতি আর বাংগালীরা গরীব ছিল। এত টি.ভি চ্যানেল, মোবাইল ফোন, এত কাপড়, এত বিলাস সামগ্রী ছিল না। তখন আমাদের মেয়েরা ভালো ছিল। দিন দিন কোথায় যাচ্ছি আমরা? এখন একটাই উপায় সারা দেশে এ অশ্লীলতার বিরুদ্ধে একজোট হয়ে আন্দোলন করা। কিন্তু কে করবে? টাকাওয়ালারা চায় মুনাফা। সমাজ কোন গোল্লায় যায় যাক। এমন কি তাদের স্ত্রী,মেয়ে ছেলেরাও সে চুলোয় গেলেও তাদের আপত্তি নেই। (তবু কিছু মানুষ যদি এসব বিজ্ঞাপন, নাটক, সিরিয়াল, সিনেমা, মিউজিক ভিডিও, পর্ণো ফিল্মের বিরুদ্ধে একজোট হয় তাহলে হয়ত কাজ হতে পারে।) এখন ধর্র্মীয় শিক্ষা আর নৈতিকতা পারিবকারিকভাবে শিখিয়ে যদি ফাউন্ডেশনটা একটু শক্ত করে দেয়া যায় তারপর যতটা সম্ভব মনিটর করা। কাউকে গ্রেফতার করে এ অবস্থার অবসান হবে এ আশা একমাত্র পাগলের হতে পারে। রাজপথে প্রকাশ্যে পর্ণো ফিল্মের সি.ডি চটি বই বিক্রি হচ্ছে। নানান ভুয়া হেমিওপ্যাথি আর হার্বালের নামে প্রকাশ্যে যেকানে সেখানে পোষ্টার লিফলেটে লিখছে, বিলি করছে—”শক্ত লাগবে—বড় লাগবে, বেশী সময় লাগবে” তাহলে আর বাকী থাকলো কি রে? (কত আর মুখ বুঝে থাকব? কেউ না কেউ এসব নিয়ে তো লিখতে হবে, বলতে হবে।) ওগুলো জেনারেল সাহেব, সচিব সাহেব মন্ত্রী সাহেব, আমলা সাহেব, নেতা সাহেবদের ছেলে-মেয়ে বউরা্ও পড়ছে। ছাত্র সাহেব, ছাত্রী সাহেবারাও দেখছে পড়ছে, ভাবছে। ওরা কি বেকুব? কাকে কি বলবেন। ইয়া নফসী, ইয়া নফসী করা ছাড়া আমার মত দূর্বলদের আর পথ নেই। আমি শুরু করলাম মুখ খুলা। এবার আপনারা্ও শুরু করুন। না হয় চোখ বন্ধ করে থাকলে প্রলয় বন্ধ থাকবে না। এক্ষেত্রে উপজাতি বাংগালী আলাদা করে দেখার কোন কারণ নেই। ঝড় সবার গায়ে লাগবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *