পার্বত্য চট্টগ্রামের উন্নয়ন সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে রাষ্ট্রপতির আহ্বান



বাসস:

রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ পার্বত্য শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরের দুই দশকপূর্তিতে পার্বত্য এলাকার উন্নয়ন সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে সকলকে ঐক্যবদ্ধ প্রয়াস চালানোর আহ্বান জানিয়েছেন।

পার্বত্য জেলাসমূহের উন্নয়ন সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে এবং প্রিয় মাতৃভূমির উন্নয়নে তিনি দলমত নির্বিশেষে সকলকে একযোগে কাজ করার আহবান জানিয়ে বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যে অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলেন সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় তা বাস্তবায়ন সম্ভব বলে আমি মনে করি।’

আগামীকাল ২ ডিসেম্বর পার্বত্য শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরের দুই দশকপূর্তি উপলক্ষে আজ দেয়া এক বাণীতে এ আহবান জানিয়ে তিনি আরো বলেন, পার্বত্য জেলাগুলোর আর্থসামাজিক উন্নয়ন ও শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আন্তরিক উদ্যোগে সরকার কর্তৃক গঠিত পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক জাতীয় কমিটি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির মধ্যে এক ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

তিনি বলেন, ‘এর ফলে পার্বত্য জেলাসমূহে দীর্ঘদিনের সংঘাতের অবসান ঘটে। সূচিত হয় শান্তির পথচলা। শান্তিপূর্ণভাবে বিরোধ নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে সারাবিশ্বের জন্য এটি একটি অনুসরণীয় দৃষ্টান্ত।’

রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশের তিন পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ি, বান্দরবান এবং রাঙ্গামাটি নৈসর্গিক সৌন্দর্যের অপার আধার। যুগযুগ ধরে পাহাড়ে বসবাসরত বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর বর্ণিল জীবনাচার, ভাষা, কৃষ্টি ও সংস্কৃতি এ অঞ্চলকে বিশেষভাবে বৈশিষ্ট্যমন্ডিত করেছে।

তিনি বলেন, শান্তিচুক্তি বাস্তবায়নের ধারাবাহিকতায় গঠিত হয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ। আমি বিশ্বাস করি শান্তিচুক্তির মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের মানুষের আর্থসামাজিক ও সাংস্কৃতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হচ্ছে।

আবদুল হামিদ এ উপলক্ষে পার্বত্য এলাকায় বসবাসরত সকল অধিবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *