পানছড়ির উল্টাছড়িতে চোখ জুড়ানো ঝর্ণা


নিজস্ব প্রতিবেদক, পানছড়ি:

পানছড়ি উপজেলা প্রশাসন থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার দক্ষিনে উল্টাছড়ি ইউপির উমরপুর-শান্তিপুর সীমান্তবর্তী স্থানে আত্মপ্রকাশ পেয়েছে দুটি ঝর্ণা। কোন রাস্তা-ঘাট না থাকার ফলেও ধান্য জমির আইল বেয়ে প্রতিদিন ছুটে আসছে শত শত দর্শনার্থী। প্রশাসন একটু নজর দিয়ে ভালো একটি রাস্তা নির্মাণ করে দিলেই এটি জেলার আকর্ষনীয় পর্যটন স্পট হবে বলে দাবি আগত দর্শনার্থীর।

সরেজমিনে পানছড়ি বাজার থেকে ব্যাটারি চালিত টমটমে দশ টাকা ভাড়া দিয়ে শান্তিপুর এলাকায় নেমে প্রায় মিনিট দশেক পায়ে হেঁটে গেলেই নজরে আসে অপরূপ সৌন্দর্যের ঝর্ণা দুটির চোখজুড়ানো দৃশ্য। যার বুক চিরে কল কল শব্দে বিরতিহীনভাবে বয়ে চলেছে স্বচ্চ জলের শ্রোতধারা। দু’দিকে জঙ্গল আর গাছ-গাছালির কারণে এটির কোন অস্তিত্বই দেখা যায়না।

কথা হয় দর্শনার্থী ক্যাপ্রুচাই মারমাসহ প্রায় ২০-৩০জনের সাথে। এর আগেও তারা কয়েকবার এখানে এসেছেন। এমন সুন্দর উপভোগ্য জায়গাটিতে রাস্তাঘাট নির্মাণ করে একটু সাজানো-গুছানো করলেই পানছড়িতে পর্যটকের ঢল নামবে বলে তাদের বিশ্বাস।

উল্টাছড়ি ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান সুব্রত চাকমা জানায়, এই ছড়াটির অস্তিত্ব মেলে কয়েক বছর আগে। তখন পানির শ্রোত তেমন ছিলনা। বর্তমানে বছরের প্রায় সাত-আট মাস ধরে পানির প্রবল শ্রোত থাকে। ঝর্ণাটিতে যাওয়ার জন্য আমি চেয়ারম্যান থাকাকালীন কিছু রাস্তাও করেছি। এখনও চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। প্রশাসন একটু নজর দিয়ে ঝর্ণা দুটিকে আধুনিকায়ন করলে পর্যটকের যেমনি ঢল নামবে তেমনি এই উপজেলাটিও অর্থনৈতিক ভাবেও চাঙ্গা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *