পানছড়িতে সাতাশ বছর বয়সেই সাত সন্তানের জননী


নিজস্ব প্রতিনিধি: পানছড়ি:

মাত্র সাতাশ বছর বয়সেই সাত সন্তানের জননী হয়েছেন পানছড়ির এক মমতাময়ী মা। সে উপজেলার ৩নং সদর পানছড়ি ইউপির দমদম গ্রামের বাসিন্দা।

জানা যায়, বড় ছেলে মঞ্জুরের ১২, মাসুদ রানার ৯, মিসকাত আলমের ৬, সিয়ামের-৪, তানিসার ৩ ও সৈকতের বয়স সাড়ে ৩মাস। ৫ দিনের মাথায় মারা গেছে ছেলে মোহন।

এলাকার পার্শ্ববর্তী মহিলারা জানায়, পরিবার-পরিকল্পনা বিভাগের গাফিলতির কারণে আজ এই দশা। এই এলাকায় সচেতনতামূলক প্রচারনা ও কোন কর্মী কখনো আসে নাই। অজ্ঞতার কারণে অনেকেই বেশি বেশি সন্তান নিচ্ছে বলে তাদের দাবি।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে শারীরিকভাবে অসুস্থ সাত সন্তানের জননী জানায়, সাত বাচ্চার মা হয়েছি কোনদিন ডাক্তার দেখাতে হয় নাই। তাছাড়া সাতটি বাচ্চাই স্বাভাবিকভাবে নিজ বাড়িতে প্রসব হয়েছে। টিকাদান কেন্দ্রে গিয়ে ঠিকভাবে সবার টিকা নেয়া হয়েছে বলে নিশ্চিত করেন।

পানছড়ি পরিবার পরিকল্পনা অফিস সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘ বছর ধরে রয়েছে জনবল সংকট। উপজেলা প.প. কর্মকর্তা সোহাগময় চাকমা রয়েছে অতিরিক্ত দায়িত্বে। মেডিকেল অফিসার ডা. রেজোয়ান আহাম্মদ ঢাকায়। তাছাড়া ১৫জন পরিবার কল্যাণ সহকারী থাকার কথা থাকলেও রয়েছে মাত্র ৫জন। বর্তমানে দমদম এলাকায় গত ৩মাস ধরে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছে ছায়াদেবী চাকমা।

সহ: উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা তীরনা চাকমা জানায়, জনবল সংকট রয়েছে তা সত্যি। তবে পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতির ব্যাপারে বিভিন্ন এলাকায় পরামর্শ দেয়া হয়ে থাকে তবে গ্রহণ করতেই হবে তা আমরা বাধ্যতামূলক করতে পারি না। এ ব্যাপারে নিজেকেই সচেতন হতে হবে। তবে দমদম এলাকায় অল্প বয়সেই সাত সন্তানের জননীর ব্যাপারে খবর নিয়ে সঠিক পরামর্শ প্রদান করা হবে।

নিউজটি পানছড়ি বিভাগে প্রকাশ করা হয়েছে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *