পানছড়িতে সবজির দাম আগুন মরিচে ঝাল


নিজস্ব প্রতিবেদক, পানছড়ি:

জেলার পানছড়ির বিভিন্ন বাজারে নিত্য প্রয়োজনীয় কাঁচা শাক-সবজির দাম মধ্যবিত্ত ও হত দরিদ্রদের নাগালের বাইরে। বিশেষ করে সবজির বাজারের আগুন ধরা দাম আর মরিচের ঝাল যেন সইতে পারছে না ভোক্তারা। বেগুন, করলা, ঝিঙা, বরবটি, মুলা, লাউ, মিষ্টি কুমড়া ইত্যাদি ৭০ থেকে ৮০ টাকার নিচে মিলছে না। কাঁচা মরিচ ১৮০ থেকে ২০০ টাকা।

উচ্চ বিত্তদের দাবি টাকা থাকলেও বাজারে সবজির আকাল। সবজি  বিক্রেতাদের দাবি চাহিদা অনুযায়ী শাক-সবজি পানছড়ি বাজারে নেই তাই চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে। অথচ এই পানছড়ি উপজেলাটি প্রতি বছরই সবজির ভাণ্ডার হিসেবে জেলায় ছিল ব্যাপক পরিচিতি।

৩নং পানছড়ি ইউপি চেয়ারম্যান মো. নাজির হোসেন জানান, দমদম, শনটিলা, পূজগাং, মোল্লাপাড়া, শান্তিপুরের কৃষকরা মাঠের পর মাঠ সাজিয়ে তুলতো নানান সবজির মিলনমেলায়। বাঁশের কঞ্চিতে বাদুর ঝুলার মতো ঝুলে থাকা বরবটি, কাঁচা মরিচ, মাটিতে শুয়ে থাকা সবুজ রংঙের শশা, তরমুজ, মাছায় ঝুলা জিঙ্গা, করলা, চিচিঙ্গার মত টাটকা সবজি এ বছর আর চোখে পড়ছে না।

কৃষক শফিকুর ইসলাম, মোবারক হোসেন, শুভদত্ত চাকমা, সাত্তার, বেলাল, রমজান, শরবত আলী, শহীদ, আলী আজ্জম সহ অনেক কৃষকই জানায়, অসময়ের বৃষ্টি আমাদের সর্বনাশ করেছে। পুঁজি হারিয়ে আমরা দিশেহারা। পানছড়ি উপজেলা কৃষি অফিসার আলাউদ্দিন শেখ জানায়, অতি বৃষ্টির কারণে কৃষকরা চাহিদা অনুযায়ী শাক-সবজি উৎপাদন করতে পারে নাই।

এতে স্থানীয় কৃষকরাও ক্ষতিগ্রস্ত। পানছড়িতে যে পরিমান সবজি উৎপাদন হয় সে পরিমানে বর্তমানে সবজির মূল্য সর্বোচ্চ ২০ থেকে ২৫ টাকা থাকার কথা।  বড় কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগে না হলে সহসাই পানছড়ির উৎপাদিত শাক-সবজিতে বাজার ভরে যাবে দামও কমবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *