পানছড়িতে পাচঁ কেজি ওজনের বেল ও একই গাছে চার জোড়া বেগুন


ball-bagun-copy

পানছড়ি প্রতিনিধি:

পানছড়ি উপজেলার ৪নং লতিবান ইউপির লীলা মোহন পাড়ায় উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা অরুণাকংর চাকমা ও বিদ্যালয় শিক্ষক সুজাতা চাকমার নিজ বাসভবন। দু’জন মিলে বাড়ির আঙ্গিনাকে সাজিয়েছে নানান সবজি, ফল ও ফুলের বাগানে। যার মাঝে দৃষ্টি কেড়েছে বেল গাছ ও একটি বেগুন গাছ।

সরেজমিনে লীলামোহন পাড়াস্থ বাসায় গিয়ে দেখা যায়, গাছে ঝুলে আছে বিশালাকার দুটি বেল। যার প্রতিটির ওজন কমপক্ষে পাঁচ কেজি। পাশে সবজি বাগানে একটি গাছে ঝুলছে চার জোড়া বেগুন। যা দেখতে যেমনি দৃষ্টিনন্দন তেমনি মনোমুগ্ধকর। লীলা মোহন পাড়াস্থ বাসভবনে চা পান করতে করতে কথা হয় অরুণাকংর চাকমা ও সুজাতা চাকমার সাথে।

অরুণাকংর চাকমা জানায়, বছর চারেক পূর্বে পানছড়ি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক ভানুমতি চাকমার মাধ্যমে বান্দরবান থেকে বেল গাছের চারাটি এনে রোপন করা হয়। গত বছরও একটি বেল ধরেছিল যার ওজন ছিল প্রায় ৮কেজির মতো। পানছড়ি শান্তিপুর অরণ্য কুঠিরের বড়ভান্তে ভদন্ত শাসন রক্ষিত মহাস্থবিরও এত বড় বেল দেখে অবাক হয়েছিলেন। এবারে ধরেছে দুটি বেল প্রতিটির ওজন হবে পাঁচ কেজির মতো। তবে এখনো অপরিপক্ক। পরিপক্ক হলে প্রতিটির ওজন ৭/৮কেজি করে হতে পারে বলেও তাদের ধারণা। তাছাড়া বেগুনের চারাগুলিও স্থানীয়ভাবে সংগ্রহ করা। এত বড় বেল ও জোড়া বেগুন ধরার মতো ঘটনা ঘটবে বলে ধারনা ছিল না তাদের।

পানছড়ি উপজেলা কৃষি অফিসার মো. আলাউদ্দিন শেখ জানান, এ বেগুনের জাতের নাম ‘বারি-১০’। এ এলাকায় এসব জাতের বেগুন চাষ এখনো শুরু হয় নি। এর চাষ শুরু হলে কৃষকরা অনেক লাভবান হবে। তবে কিছু কিছু ব্যতিক্রম জিনিস এসব এলাকায় দেখা যায় বলেও জানান।  বেল সম্পর্কে তিনি বলেন, এটাকে বার্মিজ বা বিলাতি বেল বলা হয়। এর ওজন ৭/৮কেজি হওয়া স্বাভাবিক বলেও তিনি জানান।

উল্লেখ্য এর আগেও পানছড়ির একটি গাছে শতাধিক বেগুন, একটি আমের ওজন আড়াই কেজি, দুটি কলার ছড়ার দাম সাড়ে পাঁচ হাজার টাকা, এক আনারসের আঠার মাথা ও পানছড়িতে এক মন ওজনের কচু’র সংবাদ পার্বত্য নিউজে প্রকাশিত হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *