পরিচ্ছন্ন হচ্ছে রাঙ্গামাটি


রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি:

প্রায় ১৫ হাজার পৌরসভার কর্মচারীরা নিয়মিত বেতনভাতাসহ সকল সুযোগ সুবিধার দাবিতে দেশব্যাপী আন্দোলনের কিছুটা অবসান হলো ৫ দিনের মাথায়। রাঙ্গামাটি শহরের আবাসকি এলাকায়, রাস্তায়, ফুটপাতে, প্রতিষ্ঠানের অনাচে-কানাচে ময়লা-আবর্জনার স্তুপ এখন পরিষ্কার করা হচ্ছে। সরকারের পক্ষ থেকে আশ্বাস পাওয়ার পর কর্মচারীরা নিজ নিজ শহর পরিচ্ছন্ন করতে কাজে যোগদান করেছে।

সচেতন নাগরিক ও সাধারণ পথচারী জানান, প্রায় চার দিন রাঙ্গামাটি শহরের ময়লা-আবর্জনা সঠিক সময়ে পরিষ্কার করছেনা পৌরসভার কর্মচারীরা। যার কারণে এলাকার ভিতরে এবং শহরের আনাচে-কানাচে পড়ে থাকা ময়লা-আবর্জনার দুর্গন্ধে চলাফেরা করা খুবই কষ্টকর ছিল। পৌর এলাকার কোন বাতিও জ্বলেনি ফলে অন্ধকারে চলাফেরা করেছে পৌরবাসী।

এদিকে ময়লা অবার্জনা পরিষ্কার না করায় শহরের বিভিন্ন আবাসিক এলাকা থেকে অভিযোগ করা হয়। কাঠালতলীস্থ পরিসংখ্যান অফিস এলাকার বেশ ক’জন বাসিন্দা ফোন করে জানিয়েছেন পৌরসভার পরিচ্ছন্ন কর্মচারীরা ক’দিন ধরেই ময়লা অপসারণ না করায় এলাকায় দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। ময়লার স্তুপে গরু-ছাগল লাইন ধরেছে। এতে করে মানুষের চলাচল ব্যহতও হয়। এছাড়াও অপরদিকে রাস্তার পাশে ফুটপাতে ডাস্টবিন থাকলেও যেখানে সেখানে ফেলা হচ্ছে গৃহস্থালী ও দোকানপাটের ময়লা আবর্জনা।

এ বিষয়ে, পৌরসভার এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, শুধু রাঙ্গামাটিতে নয় পুরো বাংলাদেশের সকল পৌরসভা এলাকারই একই অবস্থা এবং প্রশাসনিক সকল কাজ বন্ধ ছিল।

তিনি জানান, পৌর কর্মচারীদের বেতন ভাতা সরকারি করনের দাবিতে ঢাকায় অনশনকর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করে। পরে বুধবার বিকালে মন্ত্রণালয়ের পক্ষে গোপালগঞ্জ পৌরসভার মেয়র লিয়াকত আলী লেকু ও পৌরসভা কর্মচারী কমিটির কেন্দ্রীয় সভাপতি আলিম মোল্লার আশ্বাস পাওয়ার পর আন্দোলনকারীরা স্ব-স্ব পৌরসভায় ফিরে আসে এবং কাজে যোগদান করে।

উল্লেখ্য, পৌরসভার কর্মচারীদের বেতন ভাতা রাজস্বকরণসহ নিয়মিত বেতনভাতার দাবিতে গত ১০মার্চ থেকে দেশের প্রায় ১৫ হাজার কর্মচারী ঢাকায় আন্দোলনে যোগ দেয়। ফলে দেশব্যাপী পৌরসভা এলাকা পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন হয়নি বাতিও জ্বলেনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *