parbattanews bangladesh

নাইক্ষ্যংছড়ি ৩১ ব্যাটালিয়নের দপ্তরে পৌঁছেছে মিজানের মৃতদেহ


জমির উদ্দিন বান্দরবান থেকে:
রবিবার দুপুর পৌনে একটায় বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে ৩১ রাইফেলস ব্যাটালিয়নের দফতরে আনা হয়েছে নিহত বাংলাদেশ বর্ডার গার্ডের (বিজিবি) নায়েক সুবেদার মিজানুর রহমান মিজানের মৃতদেহ। এ তথ্য জানিয়েছেন বিজিবি’র সুবেদার মেজর দাউদ।

বিজিবির চট্টগ্রাম আঞ্চলিক কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমদ আলী তার লাশ গ্রহন করেন। এসময় কক্সবাজার সেক্টর কমান্ডার কর্নেল খন্দকার ফরিদ হোসেন এবং নাইক্ষ্যংছড়ির ৩১ ব্যাটালিয়নের কমান্ডিং অফিসার লে. কর্নেল শফিকুর রহমানসহ উর্ধ্ধতন কর্মকর্তরা উপস্থিত ছিলেন।

৩১ ব্যাটালিয়নে মিজানের জানাযা শেষে ময়না তদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেওয়া হবে। ময়না তদন্ত শেষে হেলিকপ্টারে করে মিজানের মৃতদেহ কুমিল্লা বিজিবির সদর দফতরে নেওয়া হবে। সেখানে জানাজা শেষে মিজানের মৃতদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করার কথা রয়েছে বলে জানান সুবেদার মেজর দাউদ। তবে মৃতদেহ থেকে দূর্গন্ধ ছড়াচ্ছে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

এর আগে শনিবার বিকাল পৌনে ৫ টার দিকে বিজিবি লেম্বুছড়ি ক্যাম্পে ৫২নং পিলারে মিজানের মৃতদেহ হস্তান্তর করে মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড পুলিশ (বিজিপি)।

এদিকে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে উত্তেজনা এখনো কাটেনি। মিয়ানমারের বর্ডার গার্ড পুলিশ (বিজিপি) ও সেনা বাহিনী এখনো সাজসাজ অবস্থায় টহল দিচ্ছে সীমান্তে। আর বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যরাও রয়েছেন সতর্ক। বিজিবির কক্সবাজার সেক্টর কমান্ডার কর্নেল ফরিদ হাসান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

প্রসঙ্গত, গত বুধবার নাইক্ষ্যংছড়ির দোছড়ি ইউনিয়নের নব-গঠিত পানছড়ি ক্যাম্পে ৩১ বিজিবির সদস্যরা (৫২নং পিলারে) একটি টহল দলের ওপর কয়েক রাউন্ড গুলিবর্ষণের ঘটনায় বিজিবির নায়েক সুবেদার মিজান মারা যান।