নকল করে, প্রশ্নপত্র ফাঁস করে পাশ করার দিন শেষ: পঙ্কজ বড়ুয়া


গুইমারা প্রতিনিধি:

খাগড়াছড়ির গুইমারা ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসায় বার্ষিক দেয়ালীকা প্রকাশ এবং দাখিল পরীক্ষায় শতভাগ পাশ উপলক্ষে মিষ্টি বিতরণ করা হয়। দাখিল পরিক্ষায় ৩৫ জন পরিক্ষার্থীর মধ্যে ৩৫ জনই কৃতকার্য হওয়ায় সোমবার (১৪ মে) সকালে গুইমারা দাখিল মাদ্রাসার হলরুমে এ অনুষ্ঠানের অায়োজন করা হয়।

এসময় মাদ্রাসা সুপার জয়নাল আবদীনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে গুইমারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পঙ্কজ বড়ুয়া উপস্থিত ছিলেন।

মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক মাও. জামাল সাহেবের সঞ্চালনায় অন্যান্যদের মধ্যে মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক মো. ইউছুফ সহ সকল শিক্ষকবৃন্দ এবং কৃতি শিক্ষার্থীগণ, সাংবাদিকসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

সহকারী শিক্ষক মো. ইউছুফ বলেন, এ জেলার অন্যান্য মাদ্রাসার চেয়ে আমাদের গুইমারা দাখিল মাদ্রাসা শিক্ষাক্ষেত্রে শতভাগ সফল। সকলের সহযোগীতা পেলে আরো অগ্রগামী হবে এ মাদ্রাসাটি।

প্রধান অতিথি পঙ্কজ বড়ূয়া তিনি নিজেই একজন শিক্ষক ছিলেন উল্লেখ করে বলেন, এক সময়ে দেশের প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দেয়ালীকার মত সাহিত্যকর্মগুলো প্রকাশ পেত। বর্তমানে এগুলোতে ভাটা পড়েছে তবে গুইমারা ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসায় এ সাহিত্যকর্মগুলো দেখে আমার ভালো লেগেছে। এজন্য সকলকে ধন্যবাদ। গুইমারার স্কুলগুলোতে পাশের হার সন্তোষজনক নয় তবে সে তুলনায় মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা এখন আর পিছিয়ে নেই।

এসময় তিনি আরো বলেন, দেশে নকল করে, প্রশ্নপত্র ফা‍ঁস করে পাশ করার দিন শেষ। কৃতকার্য হতে হলে লেখাপড়ার কোন বিকল্প নাই। নকল করে পাশ করে এই পাহাড়ে পড়ে থাকলে হবে না, ভাল লেখাপড়া করে পাশ করে বিশ্বকে জানতে হবে। পিতা মাতার পরেই শিক্ষকদের অবস্থান, তাই শিক্ষকদেরকেও ভালো পাঠ দান করে ছাত্রছাত্রীদের আগামীর জন্য তৈরি করার আহ্বান জানান তিনি।

গুইমারা ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার সফল সুপার জয়নাল আবদীন তার শতভাগ পাশ করায় আনন্দের সহিত বলেন, ছাত্রছাত্রীদের সঠিকভাবে পাঠদানের জন্য তিনি সাধ্যমত চেষ্টা অতীতেও করেছেন ভবিষ্যতেও করে যাবেন। প্রতি বছর ধারাবাহিকভাবে তার মাদ্রাসায় দেয়ালীকা, চিত্রাংকন হয়। এ ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *