দু’মাসের মধ্যে ১ লাখ রোহিঙ্গাকে ভাসানচরে সরিয়ে নেয়া হবে: ত্রাণ ও দুর্যোগ সচিব


কক্সবাজার প্রতিনিধি:
ত্রাণ ও দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের সচিব এস এম শাহ কামাল বলেছেন, আগামী দুই মাসের মধ্যে ১ লাখ রোহিঙ্গাকে নোয়াখালীর ভাসানচরে সরিয়ে নেয়া হবে। তিনি বলেছেন, কক্সবাজারের বিভিন্ন ক্যাম্পে ১ লাখ ৩৩ হাজার রোহিঙ্গা পরিবার আশ্রয় নিয়েছে। এদের মধ্যে ৩২ হাজার পরিবার প্রাকৃতিক দূর্যোগের ঝুঁকিতে রয়েছে। এদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়ার কাজ চলছে। ইতিমধ্যে ৫ হাজার পরিবারকে ক্যাম্পের অন্য নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়া হয়েছে।

শনিবার (১৯ মে) সকাল সাড়ে ১১টায় উখিয়ার বালুখালী ২/২ রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকায় সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে আয়োজিত দূর্যোগ মোকাবিলার প্রস্তুতি মহড়ার উদ্বোধনকালে ত্রাণ ও দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা সচিব এস এম শাহ কামাল এ কথা বলেন।

তিনি বলেছেন, আসন্ন বর্ষা মৌসুমে বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, পাহাড় ধস ও পাহাড়ী ঢলের আশংকায় ঝূঁকি মোকাবেলায় ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে স্থানীয় রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠিসহ সশস্ত্র ও সরকারি বিভিন্ন বাহিনী এবং বিভিন্ন সংস্থা কাজ করছে।

সচিব এস এম শাহ কামাল বলেন, বিশাল পাহাড়ী এলাকায় রোহিঙ্গারা আশ্রয় নেয়ায় বন ও পরিবেশের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সরকার সেই ক্ষতি পুষিয়ে নিতে নানা চিন্তা ভাবনা করছে। রোহিঙ্গাদের নোয়াখালীর ভাসানচরে স্থানান্তরের পর খালি জায়গায় নতুন করে বনায়ন করে আগের প্রাকৃতিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনা হবে।

মহড়ায় বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী, বিজিবি, পুলিশ, র‌্যাব, আনসার, ফায়ার সার্ভিস, রেড ক্রিসেন্ট, বিএসসিসি, জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা, বিভিন্ন সংস্থার স্বেচ্ছাসেবক ও স্থানীয় রোহিঙ্গারা মহড়ায় অংশগ্রহণ করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, সশস্ত্র বাহিনীর প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার, সেনাবাহিনীর কক্সবাজারস্থ ১০ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি, ত্রাণ ও দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের সচিব এস এম শাহ কামাল ও কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেনসহ প্রশাসন, উখিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. নিকারুজ্জামান চৌধুরী, উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আবুল খায়ের ও বিভিন্ন সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *