দীপঙ্করকে মন্ত্রী করার জোর দাবি উঠেছে রাঙামাটি আ’লীগ থেকে


নিজস্ব প্রতিবেদক, রাঙামাটি:

রোববার (৬জানুয়ারী) বিকেলে সচিবালয় থেকে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সরকার মন্ত্রী পরিষদের তালিকা ঘোষণা করে। কিন্তু মন্ত্রী পরিষদের তালিকায় দীপঙ্কর তালুকদারের নাম না দেখে রাঙামাটি আ’লীগের অনেকে হতাশ হয়েছেন। আবার অনেকে এখনো আশাবাদী। অনেকে প্রধানমন্ত্রীর কাছে দীপংকরকে মন্ত্রী করার জন্য জোর দাবি জানিয়েছেন।

মহিলা সংরক্ষিত আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য ফিরোজা বেগম চিনু জানান, দীপঙ্কর তালুকদার শুধু একজন নেতা নন। তিনি আমাদের অভিভাবক। যার নেতৃত্বে পাহাড়ে আজ সম্প্রতির বন্ধন অটুট রয়েছে। যিনি অক্লান্ত পরিশ্রমের মধ্যে পাহাড়ে আ’লীগকে সুসংগঠিত করেছে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, সকল মন্ত্রীর জন্য শুভ কামনা। তবে রাঙামাটিবাসীর উন্নয়ন, পাহাড়ে সম্প্রতির বন্ধন অটুট রাখতে এবং পার্বত্যঞ্চলের মানুষের ভাগ্যন্নোয়নে অন্যতম ভূমিকা রাখতে প্রধানমন্ত্রী ও আ’লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনার কাছে আবেদন- দীপঙ্কর তালুকদারকে যেকোন মন্ত্রণালয়ের পূর্ণমন্ত্রী দেওয়া হোক।

রাঙামাটি জেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক হাজী মুছা মাতব্বর জানান, পাহাড়ের অবিসংবাদিত এক নেতার নাম দীপংকর তালুকদার। জেলার আপামর জনসাধারণের ভাগ্যন্নোয়নে দীপঙ্কর তালুকদারের কোন বিকল্প নেই।

মুছা আরও জানান, আমরা জননেত্রী শেখ হাসিনার কথা রেখেছি। দীপঙ্কর তালুকদারকে বিজয়ী করে জননেত্রীকে নৌকা উপহার দিয়েছি। এখন আমাদের দাবি- জননেতা দীপঙ্কর তালুকদারকে যেকোন একটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হোক।

রাঙামাটি জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক নূর মোহাম্মদ কাজল জানান, আমরা দলের সভানেত্রী শেখ হাসিনার সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানায়। তবে দীপঙ্কর তালুকদার হলো আমাদের আশ্রয়স্থল। পাহাড়ের মানুষের উন্নয়নে দীপঙ্কর তালুকদারকে মন্ত্রী করা অত্যন্ত জরুরী।

রাঙামাটি জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক প্রকাশ চাকমা জানান, পাহাড়ের ভাঁজে ভাঁজে এক সময় রক্তের দাগ লেগে থাকতো। এখন সে দাগ উঠে গেছে। আর যার  নেতৃত্বে এ দাগ উঠে গেছে তিনি হলেন দীপঙ্কর তালুকদার।

যার নেতৃত্বে রক্তাক্ত পাহাড়ে আজ শান্তির পায়রা উড়ছে। পাহাড়ি-বাঙালী সকলে মিলে-মিশে এক সাথে বসবাস করছে। দেশের সফল প্রধামন্ত্রী ও দলের সভানেত্রী শেখ হাসিনার প্রতি জোর আবেদন জানাই,  দীপংকর তালুকদারকে কোন একটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়ার জন্য।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *