‘দাদা আগের জৌলুস আর নেই’


kamar-pic-copy

নিজস্ব প্রতিবেদক:

খাগড়াছড়ি জেলার পানছড়ি উপজেলার কামার পল্লীতে নেই আর আগের মতো জৌলুস। ভোর রাত থেকে লোহাকে আগুনে পুড়ে লাল করে হাতুড়ি পেটানোর শব্দে একসময় ঘুম ভাঙতো পানছড়ি পুরনো বাজারের আশ-পাশ এলাকায় বসবাসকারীদের। কিন্তু এখন সেই দিন ফুরিয়ে গেছে।

‘দাদা আগের জৌলুস আর নেই। ছুরি, দা, দামা, চাপাতি ও কুড়ালসহ নানা লোহার তৈরী জিনিস পত্রাদির চাহিদা ছিল প্রচুর। ঈদের এক মাস আগ থেকেই নির্ঘুম রাত কাটাত কামার পল্লীর কামারেরা। পাশাপাশি বেচাকেনাও ছিল সীমাহীন।’ অত্যান্ত ভারাক্রান্ত মনে এসব কথা এ প্রতিবেদকের কাছে কামার রাবন বনিক ও সাগর বনিক তুলে ধরেন  অতীতের কোরবানীর ঈদের আগের চিত্র।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ডিজিটাল মেশিনের ছোঁয়ায় হাতে তৈরী জিনিসের চাহিদা এখন মৃতপ্রায়। এ কারণে অনেকে ব্যবসাও গুটিয়ে নিয়েছে। আগে পানছড়ি কামার পল্লীতে দোকান ছিল প্রায় ২০টি মত। বর্তমানে রয়েছে ৭টি। তবে তাদের দাবী কামারের হাতে তৈরী জিনিস ১০-১৫ বছর ধরে ব্যবহার হরা গেলেও বর্তমানে ডিজিটাল মেশিনে তৈরী লোহার জিনিস ২-৩ বছরের মধ্যেই নষ্ট হয়ে যায়।

এদিকে দিন যত ডিজিটালের দিকে এগুচ্ছে পানছড়ি কামার পল্লী আস্তে আস্তে নিস্তেজ হয়ে যাবে বলেও তারা আগাম ধারনা দেন তারা।

image_pdfimage_print

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *