থানচি বাজারের মূল ফটকের সড়ক মহা বিপজ্জনক


থানচি প্রতিনিধি:

বান্দরবানের থানচিতে এক মাত্র সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় সামনে থানচি বাজারে প্রবেশধারে  অভ্যন্তরীন সড়কটি বিপজ্জনক মোড় হয়ে দাড়িয়েছে । সড়কে রড উঠে বড় বড় গর্ত ময়লা অবর্জনা স্তুপে পরিনত হয়েছে ।

উপজেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্টরা  গত তিন বছর ধরে সংস্কারের কোন উদ্যোগ নেয়া হয়নি।  তবে ঠিকাদার সংস্থা প্রকল্প কাজ করতে বিলম্ভ হওয়া গত দুই বছর ধরে এ অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে  বলে  স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) কর্মকর্তা দাবি করেছেন  ।

দৈনিক শতশত কোমলমতি শিক্ষার্থী ও  অভ্যন্তরীণ সড়ক হওয়াই অর্ধ শতাধিক মোটর সাইকেল, সিএনজি, মাল বাহি ট্রাক,থানচি বাজার গামী শত শত জনসাধারণসহ সরকারি বেসরকারি ও পর্যটক লোকজন যাতায়াত করা একমাত্র সড়ক।

থানচি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জানান, প্রতিদিন পরিষ্কার পরিছন্ন কাপড় চোপর পড়ে বিদ্যালয়ে আসলে  আমাদের ড্রেসে কাঁধা মাটি ছিটকে অনেকেই কাপর নষ্ট হয়ে যায়  বলে জানান।

জানা যায়, ২০১৪ সালে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরে (এলজিইডি) অর্থায়নের সাংগু সেতু হতে সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মূল ফটক হইয়ে ভলিবল গ্রাউন্ট ফ্লোর পর্যন্ত আরসিসি করনে প্রায় ৩শত গজের জন্য  ৭ লক্ষ টাকা ব্যয়ের টেন্ডার বিজ্ঞপ্তি মাধ্যমে বান্দরবানে ঠিকাদার ইউটিমংকে প্রকল্প বাস্তবায়নের কার্যাদেশ দেন ।

ঠিকাদার ইউটিমং  ৪০% লাভ নিয়ে এলজিইডি কর্মচারী মোহাম্মদ রোকন মিয়াকে টেন্ডার বিক্রি করে দিয়ে ঠিকাদার রোকন মিয়া স্থানীয় ময়লা অবর্জনা বালির পাথর ও নিন্মমানে বাংলা রড দিয়ে আরসিসি কাজ করানো হয়েছে ।

এদিকে ২০১৭ সালে থানচি বাজারের থানচি ভাত ঘর জিরো পয়েন্ট হইতে উপজেলা হাসপাতাল পর্যন্ত কার্পেটিং জন্য  ২ কোটি টাকা ব্যয়ে টেন্ডার বিজ্ঞপ্তি মাধ্যমে খাগড়াছড়ি ঠিকাদার প্রশান্ত ত্রিপুরাকে কার্যাদেশ দিয়ে তার কাজ থেকে আনিসুর রহমান সূজনকে  ৩০% লাভ নিয়ে টেন্ডার বিক্রি করে দিয়েছে ।

এদিকে ঠিকাদার আনিসুর রহমান সূজন গত দুই বছর ধরে কার্পেটিং কাজ না করে  রাখার কারনে বর্তমানে বিপজ্জনক সড়কে পরিনত হয়েছে ।

থানচি থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুস সাত্তার ভুইয়া বলেন, আইনশৃংখলার কাজে দ্বায়িত্ব পালনে সময় সড়কে চলতে গিয়ে ব্যাঘাত সৃষ্টি হচ্ছে । যুব উন্নয়ন ক্রেডিট সুপারভাইজার সেলিম রেজা বলেন সেনাবাহিনী সড়কের পাশের ড্রেন নির্মানে দেরি করার কারনে বৃষ্টিতে পানি কোথায় যেতে না পারায়  রাস্তার উপর পানি চলাচলের কারনে সড়কের এই অবস্থা ।

থানচি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নুর মোহাম্মদ বলেন, স্কুলের সামনে গুরুত্যপুর্ণ সড়কটিতে লোহা উঠে যাওয়ার কারনে সড়ক দিয়ে স্কুলে আসা আমার ছাত্র ছাত্রীরা কাঁধা মাটির সাথে পিছলে পড়ে লোহার সাথে লেগে দুর্ঘটনার স্বীকার হয়েছে অনেকে। আমি এই সড়কের সংস্কার জরুরী বলে মনে করি।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাহাঙ্গীর আলমের কাছ থেকে ফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ইতিমধ্যে এলজিডির মাধ্যমে এই সড়কের কাজ বাস্তবায়নের জন্য  সরকারের কাছে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে । সড়কের পাশের গাইড ওয়াল নির্মান করেছে হয়তো বৃষ্টির কারনে সড়কের কাজ দেরি হতে পারে।

নিউজটি থানছি বিভাগে প্রকাশ করা হয়েছে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *