ত্রিপুরার সাব্রুমে বিজিবি বিএসএফের সেক্টর পর্যায়ের বৈঠক


খাগড়াছড়ি- দ.ত্রিপুরা সীমান্তে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে একে অপরকে সহায়তাদানে দু’পক্ষে মতৈক্য

 Ramgarh 27

রামগড় প্রতিনিধি:

খাগড়াছড়ি ও দক্ষিণ ত্রিপুরা সীমান্তে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে পরস্পরকে সার্বিক সহায়তা দিতে ঐক্যমত হয়েছে বর্ডার গার্ড অব বাংলাদেশ বিজিবি ও ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ। চোরাচালান, অবৈধ সীমান্ত পারাপারসহ যে কোন সীমান্ত অপরাধ দমনে একে অপরের প্রতি সহায়তাপূর্ণ মনোভাব ভবিষ্যতেও অক্ষুণ্ন  রাখতে দুপক্ষই দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে।

 

আজ মঙ্গলবার দক্ষিণ ত্রিপুরার সাব্রুম মহকুমা সদরে অনুষ্ঠিত বিজিবি ও বিএসএফের সেক্টর কমান্ডার পর্যায়ের সৌজন্য বৈঠকে উভয়পক্ষের মধ্যে এ মতৈক্য হয়। ভারতীয় সময় সকাল সাড়ে ১১ হতে সাড়ে ৩টা পর্যন্ত  সাব্রুম রেস্ট হাউসে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত। বৈঠকে ১০ সদস্যের  বিজিবি প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন গুইমারা সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার কর্ণেল মো: হারুণ অর রশিদ,পিএসসি।

এ প্রতিনিধিদলে  অন্যন্যের মধ্যে ছিলেন   বিজিবির খাগড়াছড়ি সেক্টরের ভারপ্রাপ্ত সেক্টর কমান্ডার লে.কর্ণেল আবুল কালাম আজাদ, ১৬  বিজিবি সিও লে.কর্ণেল মো: খালেদ বিন ইউছুফ, ২০  বিজিবির সিও লে.কর্ণেল জাহাঙ্গীর আলম, ৪৭  বিজিবি সিও লে.কর্ণেল শেখ ফরহাদুজ্জামান, ২৯  বিজিবির সিও লে.কর্ণেল মোকলেসুর রহমান, ২১  বিজিবির সিও লে.কর্ণেল সিদ্দিকুর রহমান, চট্টগ্রাম রিজিয়নের অফিসার লে.কর্ণেল তৌহিদুল ইসলাম এবং মেজর রেজাউল হান্নান শাহীন ও মেজর রবিউল হাসান।

অপরদিকে ১০ সদস্যের বিএসএফের প্রতিনিধিত্ব করেন ত্রিপুরার উদয়পুর সেক্টরের ডিআইজি সঞ্চয় সিং গলথ। সকাল ১১টায় রামগড় সাব্রুম সীমান্তের ফেনীনদী অতিক্রম করে ভারতে প্রবেশ করলে সাব্রুমের বাজারঘাটে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানান বিএসএফের কর্মকর্তারা।

বিকাল ৪টার দিকে বৈঠক শেষে দেশে ফিরে রামগড়স্থ ১৬  বিজিবির অধিনায়ক লে.কর্ণেল মো: খালেদ বিন ইউছুফ এ প্রতিনিধিকে জানান, অত্যন্ত আন্তরিক ও সোহার্দপূর্ণ পরিবেশে দুপক্ষের মধ্যে আলাপ আলোচনা হয়। তিনি বলেন, সুনির্দিষ্ট কোন আলোচ্য বিষয় না থাকলেও এ সৌজন্য বৈঠকে সীমান্ত সংক্রান্ত নানা  বিষয়ে কথাবার্তা হয়েছে। খাগড়াছড়ি ও  দক্ষিণ ত্রিপুরা সীমান্তের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ যে কোন মূল্যে বজায় রাখার ব্যাপারে উভয়পক্ষই গুরুত্বারোপ করেন।

এছাড়া  বিজিবি বিএসএফের ব্যাটালিয়ন ও কোম্পানী কমান্ডার পর্যাযে নিয়মিত সীমান্ত বৈঠক করাসহ  দুদেশের সীমান্তরক্ষীবাহিনীর মধ্যে পরস্পর সম্পর্ক  ও আস্থা আরও বৃদ্ধি করতে   দুপক্ষের মধ্যে প্রীতি খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *