চলাচলের রাস্তা কেটে ফেলায় এলাকাবাসীর মাঝে উত্তেজনা


pic-ukhiya-10-01-2017

উখিয়া প্রতিনিধি :
উখিয়ার মধ্যম হলদিয়াপালংয়ে চলাচলের রাস্তা কেটে দিয়ে যাতায়তে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করার গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে। ক্ষমতার প্রভাব দেখিয়ে প্রকাশ্যে রাস্তা কেটে জমি তৈরি করেছে ওই প্রভাবশালী মহল। কেউ প্রতিবাদ করলে উল্টো হুমকি ধমকি প্রদর্শন করছেন তারা। এ ব্যাপারে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগীরা।

জানা যায়, উখিয়া উপজেলার হলদিয়াপালং ইউনিয়নের স্বাস্থ্য উপকেন্দ্র সংলগ্ন ঘোনার পাড়া রাস্তা দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় গ্রামবাসী যাতায়ত করে আসছেন। কাঁচা রাস্তাটি পাকা করার জন্য জনসাধারণ প্রশাসন ও চেয়ারম্যান মেম্বারের নিকট দাবি জানিয়ে আসছিলেন। সম্প্রতি উক্ত কাঁচা সড়কটি ইটের ব্রীকসলিন করার জন্য ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে পরিমাপ করা হয়েছে।

অভিযোগে প্রকাশ, রাস্তাটি যাতে ইটের ব্রীকসলিন করতে না পারে আক্রোশমূলক নানা ষড়যন্ত্র শুরু করে। এক পর্যায়ে প্রকাশ্যে শ্রমিক দিয়ে রাস্তার দু’পার্শ্বে প্রায় ৩ ফুট কেটে ফেলে। এর ফলে গ্রামবাসী ও পথচারীদের যাতায়ত এবং পরিবহনে চরম দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে।

গ্রামবাসী জানান, মধ্যম হলদিয়া হাজীর পাড়া গ্রামের সৌদিপ্রবাসী রশিদ আহমদের পুত্র মামুনুর রশিদ ও ছৈয়দ আহমদের পুত্র আব্দুর রহিমের নেতৃত্বে প্রায় দৈঘ্য ২শ ফুট পর্যন্ত রাস্তাটি কেটে ছোট করা হয়েছে। কেউ প্রতিবাদ করলে উল্টো তাদেরকে হুমকি ধমকি প্রদর্শন করা হচ্ছে।

ওই এলাকার অধিবাসী মেহের আলী সিকদার বলেন, সরকারীভাবে ব্রীকসলিন বা ইট বসানোর জন্য উদ্যোগ নেওয়া হলে তারা রাস্তাটি কেটে ফেলে উন্নয়নের বাধাগ্রস্থ করার হীন অপচেষ্টা করেছে। যাতে রাস্তার উন্নয়ন কাজ বাতিল হয়। অথচ হলদিয়াপালং স্বাস্থ্য উপ-কেন্দ্র সংলগ্ন ঘোনার পাড়া সড়ক দিয়ে প্রতিদিন অসংখ্য লোক যাতায়ত করে থাকে।

এদিকে রাস্তা কেটে ফেলার ঘটনাটি হলদিয়াপালং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ শাহ আলম ও ৫নং ওয়ার্ডের মেম্বার সরওয়ার বাদশা কে স্থানীয় জনগণ অবহিত করেছে বলে জানা গেছে।

সচেতন নাগরিক সমাজ গ্রামীণ রাস্তা কেটে ফেলার ঘটনাটি সরজমিন পরিদর্শন করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ ও উন্নয়ন কাজটি যথাযথভাবে সম্পন্ন করার জন্য নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট জোরদাবি জানিয়েছেন।

image_pdfimage_print

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *