চকরিয়ায় পর্যটকবাহী মাইক্রোবাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নিহত ৪, আহত ৮


Untitled-1 copy
চকরিয়া প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের চকরিয়ায় হারবং গয়ালমারা নামক স্থানে পর্যটকবাহী একটি মাইক্রোবাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নারীসহ চারজন নিহত হয়েছে। এতে আহত হয়েছে আরও সাতজন পর্যটক। শনিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চকরিয়ার হারবাং ইউনিয়নের উত্তর হারবাং গয়ালমারা এলাকায় এ মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন, বগুড়া জেলার মান্দা উপজেলার মো. জিকুর স্ত্রী আয়েশা আক্তার শিল্পী (২০), তার বোন মুন্সিগঞ্জ জেলার লৌহজং উপজেলার কাহের পাড়ার আসাদুজ্জামান বাপ্পির স্ত্রীর কুলসুমা আক্তার সুমি (২৫), মাইক্রোবাস চালক ঢাকার বাসাবো এলাকার আয়েত আলীর পুত্র আমির হোসেন (৩৫) ও গোলাম কিবরিয়া (৪০) নামের অপর একজন।

আহতরা হলেন, চট্টগ্রাম মেডিক্যালে ভর্তি ঢাকার সংসদ ভবন সংলগ্ন কদমতলার মোহাম্মদ সজলের পুত্র ইব্রাহিম হোসেন আপন (২) ও বাসাবো এলাকার উজ্জ্বল আহমদের স্ত্রী খাদিজা আক্তার (২৭)। চকরিয়া হাসপাতালে ভর্তিরতরা হলেন নিহত কুলসুমার স্বামী আসাদুজ্জাম বাপ্পি (২৮), কদমতলার নুরুল ইসলামের ছেলে মোহাম্মদ সজল (২৮), তার ভাই মোহাম্মদ কাজল (২৯), একই এলাকার মোহাম্মদ জহির (৩২) ও মোহাম্মদ সেলিমের ছেলে সজল মিয়া (১৯) ও ঢাকার দোহারের আলতাফ বেপারীর ছেলে মোহাম্মদ বাবু (২২)। হতাহতরা সবাই বর্তমানে ঢাকার রায়েরবাজার এলাকায় বসবাস করতেন।

স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, মহাসড়কের মাঝখানে দাঁড়িয়ে থাকা মানসিক ভারসাম্যহীন একজন লোককে বাঁচাতে গিয়েই পর্যটকবাহী মাইক্রোবাসটি সড়ক থেকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে গাছের সাথে ধাক্কা খায়। এতে দুই নারীসহ চারজন নিহত ও আটজন আহত হয়।

আহতদের স্থানীয়দের সহায়তায় মুমূর্ষ অবস্থায় চকরিয়া পৌরশহরের জমজম হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এ ছাড়া বেশ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কা জনক হওয়ায় তাদেরকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

মহাসড়কের চিরিঙ্গা হাইওয়ে পুলিশের ইনচার্জ আবুল হাসেম মজুমদার সড়ক দুর্ঘটনায় চারজন নিহত ও আটজন আহত হওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘খবর পাওয়া মাত্রই দ্রুত অকুস্থল থেকে হতাহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। দুর্ঘটনায় পতিত গাড়িটি উদ্ধার করা হয়েছে। আহতদের ভাষ্যানুযায়ী মানসিক বিকারগ্রস্ত একজন লোককে বাঁচাতে গিয়ে মাইক্রোবাসটির চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে দুর্ঘটনাটি ঘটে।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *