চকরিয়ায় কদ্দাছড়া খালের ওপর নির্মিত হচ্ছে আধুনিক মানের সেতু


 

চকরিয়া প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার পুর্ববড় ভেওলা ইউনিয়নের কদ্দাছড়া খালের ওপর অবশেষে নির্মিত হচ্ছে ১ কোটি ১২ লাখ টাকা ব্যয়ে একশত মিটার আয়তনের আধুনিকমানের একটি স্বপ্নের সেতু।

শনিবার (৯ ডিসেম্বর) বিকালে সেতু নির্মাণ কাজের পরিদর্শন করেন চকরিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব জাফর আলম বিএ(অনার্স)এম এ ও চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নুরুদ্দীন মুহাম্মদ শিবলী নোমান।

জানাগেছে, দেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে বিগত ৪৬ বছর ধরে উপকুলীয় পূর্ব বড় ভেওলা  ইউনিয়নের এক, দুই ও তিন নম্বর ওয়ার্ড অঞ্চলের হাজারো মানুষের চলাচলের একমাত্র ব্যবস্থা ছিল বাঁশের সাঁকো। বছরের পর বছর ও মাসের পর মাস চলাচল করতো নড়বড়ে বাঁশের সাঁকো দিয়ে। বৃষ্টিতে ভিজে ও রোধে শুকিয়ে সময়ে সময়ে মাঝপথে ভেঙ্গে যেত কদ্দাছড়া এলাকার বাঁশের এই সাকোঁ।

এরপরও শত কষ্টের মাঝেও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতো সুবিধা বঞ্চিত জনপদের শত শত শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ গুলো। যাতায়াত ব্যবস্থা নাজুকের কারণে হাজারো পরিবারের নতুন প্রজন্ম শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত হয়েছে বছরের পর বছর। প্রায় সময় ঝুঁকি নিয়ে বাঁশের সাঁকো পারাপার করে পার্শবর্তী এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাতায়াত করে আসছিল ওই এলাকার শিক্ষার্থীরা।

এলাকাবাসীর দাবির প্রেক্ষিতে যোগাযোগ ব্যবস্থা অনুন্নত করার ও জনগণের দুর্ভোগের বিষয়টি আমলে নিয়ে চকরিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব জাফর আলম ঘটনাস্থল পরির্দশন করে উদ্যোগ নেয় সেতু নির্মাণের। চলতি ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অধিদপ্তর (পিআইও) বিভাগের অর্থায়নে এক কোটি ১২ লাখ টাকা ব্যয়ে ওই কদ্দাছড়া খালের ওপর নির্মাণ করা হচ্ছে একটি আধুনিকমানের সেতু। আগামী বছর জুন মাসের আগে সেতুটির নির্মাণ কাজ শেষ করা হবে বলেও নিশ্চিত করেছেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন দপ্তরের সহকারী কর্মকর্তা বাবুল চৌধুরী।

এ বিষয়ে চকরিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব জাফর আলম বলেন, উপজেলার উপকূলীয় ইউনিয়ন শাহারবিলের রামপুর ও পুর্ববড় ভেওলা ইউনিয়নের কদ্দাছড়াবাসির প্রাণের দাবি ছিল কদ্দাছড়া খালের ওপর একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণের। জনদুর্ভোগের বিষয়টি অবহিত হয়ে সরেজমিন ঘটনাস্থল পরির্দশন করে কদ্দাছড়া খালের ওপর একটি পাঁকা সেতু নির্মাণ কাজ ইতোমধ্যে উদ্বোধন করা হয়েছে। আশাকরি সেতুটি নির্মাণ শেষ হলে এই অঞ্চলের মানুষ গুলো চলাচলে আর দুর্ভোগ পোহাবেনা বলে তিনি জানান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *