গুইমারা উপজেলা বিএনপির ইফতার মাহফিলে প্রশাসনিক বাধা: অবশেষে মসজিদে সম্পন্ন


গুইমারা প্রতিনিধি, খাগড়াছড়ি:

খাগড়াছড়ির গুইমারা উপজেলা বিএনপির ইফতার মাহফিল প্রশাসনিক বাধায় বার বার স্থান পরিবর্তন করে অবশেষে গুইমারা কেন্দ্রীয় জামে ব্যাপক আয়োজনের মধ্যদিয়ে সমপন্ন হলো।

জানা যায়, গুইমারা বাজারের পাশে কাশেম মার্কেটে উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে বিশাল আকারে ইফতার মাহফিল করার প্রস্তুতি নেয়া হয়। প্রস্তুতির শেষ পর্যায়ে পুলিশি বাধার কারণে স্থান পরির্বতন করে গুইমারা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

গুইমারা উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোঃ ইউসুফ এর সভাপতিত্বে দোয়া ও ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আবু ইউসুফ চৌধুরী, বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও রামগড় উপজেলা চেয়ারম্যান শহীদুল ইসলাম ফরহাদ, রামগড় উপজেলা বিএনপির যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন ও সাংগঠনিক সম্পাদক ইব্রাহীম খলিল।

অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, গুইমারা উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি কাজী মফিজ, এস এম মিলন, সাধারন সম্পাদক শেখ ইব্রাহীম, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক নবী হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক আওলাদ হোসেন বাদল, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মতিউর রহমান, দিদারুল আলম, উপজেলা যুবদলের সভাপতি কাজী আরিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক হাফিজুল ইসলাম, উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি সাইফুল ইসলাম সোহাগ, সাধারণ সম্পাদক মোঃ হানিফ সিকদার, , সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আরমান হোসাইন সহ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ওয়ার্ড থেকে আগত বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল সহ অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের নেতাকর্মীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়াও স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
পুলিশি বাধার বিষয়ে গুইমারা উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক শেখ ইব্রাহিম বলেন, মৌখিকভাবে অনুমতি নিয়ে ইফতার মাহফিলের আয়োজন করেছেন। বিশেষ কোন মহলের ইশারায় পুলিশ তাদের ইফতার মাহফিলে প্রতিবন্ধকতার চেষ্টা করেছে। নেতাকর্মিদের স্বতপূর্ত উপস্থিতির কারণে গুইমারা উপজেলা প্রশাসন মসজিদে করার জন্য নির্দেশ দেন । এত বাধার পরও আমাদের ইফতার মাহফিল সফল হয়েছে।

গুইমারা থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ গেয়াস উদ্দিন বলেন, আমরা প্রথমে তাদেরকে পরামর্শ দিয়েছি যথাযথ কর্তৃপক্ষ থেকে অনুমতিপত্র নিয়ে তারা তা অনুসরণ করতে কিন্তু তারা তা কেন করেননি আমরা জানিনা। অনুমতি না থাকায় এবং আইনশৃংখলা অবনতির অাশংকায় তাদেরকে শান্তিপূর্ণ ভাবে ধর্মীয় অনুষ্ঠান মসজিদে করার অনুমতি দিয়েছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *