parbattanews bangladesh

কুতুবদিয়ায় ফারইস্ট ইন্স্যুরেন্সে ভোগান্তি

 

কুতুবদিয়া প্রতিনিধি:

কুতুবদিয়ায় ফারইস্ট লাইফ ইন্সুরেন্সের সার্বজনিন বীমা বিভাগে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছে গ্রাহকরা। একক বিভাগে কর্মকর্তা-কর্মচারি থাকলেও সার্বজনিন বিভাগে কোন স্টাফ নেই। ফলে অন্তত একহাজার গ্রাহকদের জন্য সার্বজনিন এখন সর্বজ্বালায় পরিণত হওয়ায় তাদের মাসিক কিস্তি জমা দানে দুর্ভোগের শিকার হতে হচ্ছে। সরেজমিন ওই শাখায় গেলে সার্বজনিন বিভাগে কোন কমচারি নেই। একক বিভাগের ক্যাশিয়ার সার্বজনিন বিভাগের কিস্তি নেয়ার দায়িত্ব থাকলেও রিসিভ বই (পিআর) না থাকায় গ্রাহকরা ফিরে যাচ্ছেন টাকা জমা না করেই। তারা জানান, কয়েক দফা অফিসে এসেও তারা ফিরে গেছেন। দীর্ঘ দিন ধরে প্রতি মাসেই এ ভোগান্তি হচ্ছে। একক শাখার ক্যাশিয়ার আব্দুল মালেক বলেন, তিনি একক শাখার দায়িত্বে থাকলেও সার্বজনিন বিভাগের গ্রাহকদের মাসিক কিস্তি জমা নিয়ে থাকেন। তবে জেলা অফিস থেকে পর্যাপ্ত রিসিভ বই না পাওয়ায় তিনি ওই বিভাগের গ্রাহকদের অর্থ নিয়মিত  জমা  করতে পারছেননা। গত দু’সপ্তাহ ধরে সার্বজনিন বিভাগে রিসিভ বই নেই।

জানা যায়, ফারইস্ট লাইফ ইন্স্যুরেন্স লি. কুতুবদিয়া শাখায় সার্বজনিন বিভাগে প্রায় এক হাজার গ্রাহকের বীমা পলিসির লেন-দেন চলমান রয়েছে। সে হিসেবে প্রতিমাসে অন্তত ৮-১০টি রিসিভ বই (পিআর) প্রয়োজন হয়ে থাকে। সেখানে ২৫ পাতার কোন মাসে একটি আবার কোন মাসে ২টি রিসিভ বই সরবরাহ দিচ্ছে জেলা অফিস থেকে। যে কারণে গ্রাহকরা নিয়মিত তাদের কিস্তি জমা করতে পারছেননা। অনেক গ্রাহক জেলা অফিসের এমন আচরণে নানা সন্দেহ পোষন করনে। প্রয়োজনীয় স্টাফ নেই, রিসিভ বই নেই, বীমার মেয়াদ পুর্তিতে অর্থ ফেরত পেতে নানা ভোগান্তিতে চলছে সার্বজনিন বিভাগ।

ওই শাখার একক বীমার ইনচার্জ মিনহাজ উদ্দিন বলেন, সার্বজনিন বিভাগে একক বিভাগের ক্যাশিয়ার দায়িত্ব পালন করেন। তবে রিসিভ বই পর্যাপ্ত না থাকায় এ সমস্যা হচ্ছে বলে তিনি জানান। তবে এ সমস্যা দ্রুত সমাধান হবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন। অপর দিকে ওই শাখায় সার্বজনিন বিভাগে নামকাওয়াস্তে ও দায়িত্বপ্রাপ্ত ইনচার্জ  মাও: শওকত ওসমান বলেন, পর্যাপ্ত রিসিভ বই না থাকায় সার্বজনিন বিভাগে গ্রাহকদের মাসিক কিস্তির টাকা জমা নিতে সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে কিছুটা। অফিস থেকে কেউ জেলা অফিসে গেলে রিসিফ বই নিয়ে আসবেন। তখন আর এ সমস্যা থাকবেনা।