কচ্ছপিয়ার তুলাতলীতে ডাকাত ভাড়া করে বসতবাড়িতে লুটপাট: আহত-৬


নাইক্ষ্যংছড়ি প্রতিনিধি:

রামু উপজেলার কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের তুলাতলী গ্রামে ভিটার সীমানা বিরোধের ঘটনার জের ধরে ডাকাত ভাড়া করে বসতবাড়িতে অরাজকাতা চালায় প্রতিপক্ষ। তারা  সন্ত্রাসী ভাড়া করে এনে প্রতিপক্ষের বাড়িতে লুটপাটের পাশাপাশি, লম্বা দা, কিরিচ, লোহার রড ও অন্যান্য অস্ত্রে-শস্ত্রে হামলা চালায় নারীদের উপরেও। এতে এক গর্ভবতীসহ আহত হয় ৫জন। বাকীরা সামান্য আহত হয়। আহতরা হলো, আবদুর রহমান ( ৫৭), মো. আবদুল্লাহ( ২২) ৭ মাসের গর্ভবতী হালিমা খাতুন (২০), নুরুল হক, জাহাঙ্গীর আলম।

এতে গুরুতর আহত হয় কৃষক আবদুর রহমান। তারা বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়। আর আবদু রহমানকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখে বশির আহমদ টুনু ( ৫৯) নামের একজন আত্মীয় স্টোক করে মারা যায়। যার পিতার নাম আশরাফজামান। তার বাড়িও এ তুলাতলীতে। ঘটনাটি ঘটেছে গত বুধবার সকালে।

স্থানীয় রেজাউল করিম, ইলিয়াছ, নুরুল আমিন, নূর আহমদ সহ একাধিক গ্রামবাসী  ও আবদু রহমানের পরিবার জানান, তুলাতলী গ্রামে আবদুর রহমানের ছেলে আবদুল্লাহ ও তার শশুরের ভিটার কিছু অংশ দখল নিতে প্রতিবেশী জাফরের ছেলে নূর কাশেম গর্জনিয়া পাহাড়ের কুখ্যাত শাহিন বাহিনীর ৬ ডাকাতকে ভাড়া করে আনে নূর কাশেম।

ডাকাতরা হলো, চিহ্নিত ডাকাত ফয়সাল, শাহজাহান, আজাদ, সুজন ও  কয়েকজন মুখোশপড়া। আর এসব কিছু নের্তৃত্বে ছিল জাফর নিজে। আর এদিকে  এ  নূর কাশেম নিজেও কিরিচসহ নানা ধরণের মরনাস্ত্র সংগ্রহ করে রাখে তার বাড়িতে। আর এ দুশক্তি মিলিয়ে নূর কাশেম বিশাল বহর নিয়ে গত ২২ নভেম্বর বুধবার সকালে হঠাৎ ঝাপিয়ে পড়ে আবদুল্লাহর পরিবারের উপর। তারা কিরিচ, দেশীয়তৈরি বন্দুক কোমরে রেখে লোহার রডসহ অন্যান্য অস্ত্র ব্যবহার করে আবদুল্লার পরিবাররের উপর হামলা শুরু করে।

ঘটনার সময় আবদুল্লাহদের আর্তনাদে পুরো তুলাতলীর আকাশ তখন ভারি হয়ে যায়। এরই মধ্যে গ্রামের লোকজন সংঘবদ্ধভাবে এগিয়ে এলে সন্ত্রাসীরা অপেক্ষমান সিএনজি গাড়ি নিয়ে পালিয়ে যায়। গ্রামবাসী আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করায়। আবদুর রহমান বর্তমানে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। এ ঘটনায় পুরো রামুতে তোলপাড় চলছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *