আম-জামের মুকুলের ঘ্রাণে সেজেছে প্রকৃতি


পেকুয়া প্রতিনিধি:

প্রকৃতি বাসন্তী সাজের পাশাপাশি পেকুয়ার গ্রামীন জনপদে এখন আম জামের মুকুলের গন্ধেও সেজেছে নতুন সাজে। ফাগুনের নব সবুজ সমারোহের পাশাপাশি আম জাম কাঁঠালের ডালে ডালে নতুন গন্ধ, নতুন সমারোহ। আম জাম কাঁঠাল গাছগুলো মুকুলে ভরপুর আর ঘ্রাণে নতুন শোভা ছড়াচ্ছে নিজস্ব মহিমায়।

মুকুলে মুকুলে ভরে গেছে বাগানগুলো প্রায় ৮০ শতাংশ গাছেই এবার এসেছে মুকুল। ফলের রাজা আম। গাছে গাছে ফুটছে আমের মুকুল। চারদিকে ছড়িয়ে পড়ছে এই মুকুলের পাগল করা ঘ্রাণ। বাতাসে মিশে সৃষ্টি করছে কাঁঠালের মুচির গন্ধ। যে ঘ্রাণ মানুষের মন ও প্রাণকে বিমোহিত করে। পাশাপাশি মধুমাসের আগমনী বার্তা শোনাচ্ছে আমের মুকুল।

পেকুয়া উপজেলার সদর, শীলখালী ইউনিয়নের বনানী পল্লী, শীলখালী জারুলবুনী, টইটং বনকানন, বারবাকিয়া রাখাইন পাড়াসহ প্রায় সব জায়গায় আমের মুকুলের সমারোহ চোখে পড়ার মত। পাহাড়ি জনপদ সর্বত্র দেখা যাচ্ছে কাঁঠাল কলি। উপজেলার বেশ কয়েকজন বারবাকিয়া ও টইটং ইউনিয়নের দুইজন আম চার্ষী এ প্রতিবেদককে জানান বড় ধরণের প্রাকৃতিক দূর্যোগ না হলে এবং আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে এবার আমের বাম্পার ফলন হবে।

আম চাষীরা এখন আম গাছের পরিচর্চা নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটাছেন। অবশ্য গাছে মুকুল আসার আগে থেকেই গাছের পরির্চচা করে আসছেন তারা। যাতে করে গাছে মুকুল বা গুটি বাঁধার সময় কোন সমস্যার সৃষ্টি না হয়। সারিবদ্ধ গাছে ভরপুর আমের মুকুল যেন শোভা ছড়াচ্ছে তার নিজস্ব মহিমায়।

উপজেলায় স্থানীয় জাতের আমসহ অন্যান্য জাতের আম চাষের উপযুক্ত হওয়ায় চার্ষীরা নিজ উদ্যোগে প্রথমে উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে চারা সংগ্রহ করে আমের বাগান সৃজন করলেও বর্তমানে অনেকেই নিজেরাই চারা উৎপাদন করে তাদের ভাগ্য উন্নয়নের জন্য প্রাণপণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। সুফলও পেয়েছেন অনেকই।

এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা জানান, আম চার্ষীদেরকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। পাশাপাশি এবার কাঁঠালের ব্যাপক ফলনে আশাবাদী।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *