parbattanews bangladesh

আগ্নেয়াস্ত্র ও কার্তুজসহ অপহৃত যুবক উদ্ধার: ৩ পুলিশ আহত, আটক-৩

টেকনাফ প্রতিনিধি:

টেকনাফ পৌরসভার নাইট্যংপাড়া থেকে দুই দিন আগে অপহৃত রোহিঙ্গা ডাকাত সর্দার আবদুল হাকিমের আস্তানা থেকে জালাল আহম্মদ (২২) নামে এক যুবককে উদ্ধার করেছে পুলিশ। সে টেকনাফ পৌরসভার পুরান পল্লানপাড়ার জহির আহমদের ছেলে।

এসময় দু’টি দেশীয় অস্ত্র ও ৫ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে এবং এসআই মাহির উদ্দিন খাঁনসহ কনস্টেবল রফিক ও রশিদ আহত হয়েছে এবং পুলিশ আত্মরক্ষার্থে ৪৯ রাউন্ড ফাঁকা গুলি চালায়।

এ ঘটনায় আটক আনজুম আরা, রোমেনা আক্তার কাজল ও সেলিম (৩০) নামে ৩ সহযোগীকে আটক করেছে। তাদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী রবিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত টেকনাফ মডেল থানার ওসি  মাইন উদ্দিন খাঁনের নেতৃত্বে এ অভিযান চালায়।

পুলিশ জানায়, শুক্রবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টার দিকে নাইট্যংপাড়া থেকে জালাল আহমদকে তুলে নিয়ে যায় আবদুল হাকিম ডাকাত  ও তার সদস্যরা।

এ ব্যাপারে তার পিতা জহির আহমদ ৮ জনকে আসামি করে টেকনাফ মডেল থানায় একটি মামলা করেন। এ মামলার প্রেক্ষিতে পুলিশের তিনটি টিম পাহাড়ে যৌথভাবে অভিযান শুরু করে।  এসময় তারা গহীন আস্তানা থেকে অপহৃত জালাল আহমদকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার করে।

এ ব্যাপারে টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাইন উদ্দিন খাঁন জানান, আবদুল হাকিম ডাকাত কর্তৃক অপহৃত যুবককে উদ্ধার করা হয়েছে। গুলি চালাতে গিয়ে এসআই মাহির উদ্দিন খাঁনসহ কনস্টেবল রফিক ও রশিদ আহত হয় এবং পুলিশ আত্মরক্ষার্থে ৪৯ রাউন্ড ফাঁকা গুলি চালায় এবং ঘটনাস্থল দু’টি আগ্নেয়াস্ত্র ও ৫ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় ৩জনকে আটক করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বরত মেডিকেল অফিসার আসিফ আলবিন জানায়, অপহৃত যুবকের শরীরের প্রচুর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত বছরের ২০ ফেব্রুয়ারি বিকাল ৪টার দিকে টেকনাফ পৌর এলাকার কায়ুকখালী ব্রীজের উপর থেকে শাহপরীরদ্বীপ জালিয়াপাড়ার  নুর মোহাম্মদের ছেলে মো. সেলিম নামে এক যুবককে অপহরণ করেছিল। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে।